সুইসাইড পয়েন্ট

আমার বান্ধবীরা,যারা আত্মহত্যা করতে চায়,অথবা চায় না
সবাইকে নিয়ে এবার আটতলার ছাঁদে বেড়াতে এসেছি
নিচে কংক্রীটের কী মসৃণ মজবুত সারফেস!
সাথে ব্লেড,রশি,আর তিনশত ঘুমের বড়ি

এদের সবারই বয়ফ্রেন্ড ছিলো,প্রেমিক ছিলো না
যার যার কাজ শেষ করে সকলেই বাড়িতে গেছে গা ধুতে
শুধু মেয়েগুলো পড়েছিলো বিছানায়-
~একা,বিধ্বস্ত,আতঙ্কিত,লজ্জিত এবং একা~
অবশ্য শীৎকারে কেউ কার্পন্য করে নি
অন্তত বয়ফ্রেন্ডদের তাই মনে হয়েছিলো
(অবশ্য তাড়াহুড়োর মধ্যে কে শুনতে যায়)

আর আজকে যখন ছাদে নিয়ে এলাম
একজন বলছিলো,কেউ তো জানে না!
আমি বলেছি,তুমি তো জানো!
আরেকজন বললো,দেহের পাপ তো কী হলো,মন তো পঙ্কিল নয়!
আমি বলেছি,সমাজ ওটা দেখবে না
আর বাবা মার সম্মানের কথা ভাবো,ছি ছি দেবে সবাই
তারচেয়ে মরে গেলে কী হয়?

জনৈক মিতুল দত্ত আমাকে এসব শিখিয়েছেন
মানুষ পাপী হলে তাকে মরে যেতে হয়
সমাজ পাপকে চিহ্নিত করার আগেই
একে একে দাড়াতে হয় এই “সুইসাইড পয়েন্টে”

৬৭৪ বার দেখা হয়েছে

৪ টি মন্তব্য : “সুইসাইড পয়েন্ট”

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।