১) ১৭তম ব্যাচের স্টাডিট্যুর। বাসের ভিতর হঠাৎ ভাইয়াদের চ্যাচামেচি শুরু হল। গাড়ি থামাও, টয়লেট করব। স্যারেরা কেউ পাত্তা দিল না । এবার শুরু হল বাস থামাও মুতব। এডজ্যুটান্ট স্যার উঠে দাড়ালেন। চিৎকার বন্ধ হয়ে গেল। কিন্তু জনৈক ভাইয়ার সিরিয়াস জোরে চাপছে। পিছনের সিটের জানালা খুলে, অন করে দিছে ট্যাপ। বাকিরা লাফাইয়া সরে গেল। কিন্তু হঠাৎ ভাইয়ারা খেয়াল করল বাসের ঠিক পিছনেই যে ট্রাকটা ছিল। ট্রাক ড্রাইভার তার ওয়াইপার চালু করে দিছে।
বিস্তারিত»প্রলাপ-৬
মৃত্যুগুলো দ্যাখো ফুটেছে কী শুভ্রতায়!
এপাশে
ট্রাফিকের দিনভর গোঙানি
লালবাতিতে লটকে থাকে জমাট খুন
আঙুলে গোলাপকাঁটা বিঁধে গেলে
ঠোঁটের সলতেয় আগুন
জুড়ে দিয়ে
প্রেমিকেরা শ্লাঘায়
ডুবে গেছে…
অতঃপর সবাই
ঘুরপথে সব অলিগলি শেষ করে
অইখানে
এপিটাফের
দুলাইনে এসে
পৌঁছুলে
মৃত্যুগুলো সাদা ফুল হয়ে ফোটে…
প্রলাপ এবং
তোমার চোখে ঝাপসা দিয়ে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
তার আগেই আমার চোখে কুয়াশা দিলে
কামবাসনা-লোভ লালসা দাঁতে চেপে
মাথার উপর দু’হাত তুলে
লোকচক্ষুর আড়াল বাধা-হাজার ছি ছি
উপড়ে ফেলে ছুড়ে দিলাম তোমার দিকে
অন্ধ গোপন বন্ধ ঘরে তোমার দিকে হাত বাড়াতেই
তোমার বুকের সকল চর্বি জমা করে
জ্বাললে প্রদীপ নিশীথ রাতে
সেই প্রদীপের তাপ ও আলো শুষে নিলো অন্যলোকে
তবুও তুমি যাবার বেলায় আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছো
কোন সাহসে?
হাবিজাবি…
অনেকদিন হয়, কিছু লেখালেখি হয় না। আগের মত ব্লগটাও ঠিক জমজমাট হয়ে উঠছে না । এখনও মনে আছে, একটা সময় ছিল একে্কটা পোস্ট আসত আর কমেন্টের ঝড় উঠতো সেগুলোতে। মজার মজার সব কাহিনীগুলো পড়তে পড়তে আমার মত নিরব পাঠক আমব্লগার, চলে যেত আব্র সেই পুরোনো দিনগুলোতে। অবশ্য সবসময় যে শুধু কলেজ নিয়েই গল্প চলত এমনটাও তো না। এমনি এমনিতেই সবাই পোস্ট দিত, এইসব এমনি এমনি পোস্টেই কি কি যে মজার মজার সব কমেন্ট পড়ত্ এখনো সেগুলো মিস করি।
বিস্তারিত»আসর ভাঙ্গার কলরব
(কলেজ থেকে চলে আসার কয়েকদিন আগে এই কবিতাটা লেখা। আমাদের ফেয়ারওয়েল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের নামেই কবিতার নামটা দেয়া।)
উদাসী বাতাসে আসর ভাঙ্গার গুঞ্জন শুনি
আজকাল। স্মৃতির ডাকপিয়ন হঠাৎ হঠাৎ
কড়া নাড়ে। লুকোচুরি চলে তার সাথে।
গল্পচ্ছলে বলে কিনা-
আমার নাকি রাধাচূড়া-রক্তকায়ার স্তুপ মাড়িয়ে
আর কোনদিন হাঁটা হবে না-
ভোরবেলা কংক্রিটে চিৎ হয়ে শুয়ে জলরঙা সেই আকাশ,
ছুটির সন্ধ্যায় মাঝমাঠে বুক খোলা শার্ট গায়ে
তারা গোণা…………
পাঠ ভাবনা : বিতংস — ওয়াহিদা নূর আফজা
প্রচলিত অর্থে রিভিউ বলতে যা বুঝায় আমার এই লেখাটি ঠিক সেই কাতারে পড়বে না। আবার কেউ যদি একে বিজ্ঞাপনমূলক ফরমায়েশী লেখার দলে ফেলে দেন তা হলেও আমি আপত্তি করবো। কারো উপন্যাস নিয়ে যখন আলোচনা মূলক কিছু লিখবো তার উদ্দেশ্যে প্রচারণা থাকবে না এমন আশা করা যায় না। তবে এই লেখাটি আমার কাছে মোটেও ফরমায়েশী নয়। বরং ভালো লাগার জায়গা থেকে স্বপ্রণোদিত লেখা।এত কিছু শুরুতে বলে নেয়ার কারণ হলো এই বইটি আমি পুরোটা পড়ি নি।
বিস্তারিত»জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে –২)
৪
ঢাকা শহরে আমরা বস্তি দেখেই বড় হয়েছি। কিন্তু এবার দেশে গিয়ে প্রথম পানির ভাসমান বস্তি দেখলাম। এ শহরে এখন জমির আকাশচুম্বী মূল্য। রবীন্দ্রনাথের মতো কেউ থাকলে আজ দু বিঘের বদলে এক ইঞ্চি জমি দখলের কবিতা শুনতে পেতাম। প্রতিটি ইঞ্চি মেপে মেপে শহর দালান-কোঠার জংগলে ভরে যাচ্ছে। আর ওদিকে বস্তি উঠে গেছে পানির উপরে। এক-একেকটা বেড়ার ঘর, কোনরকমভাবে বাঁশের পিলারের উপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশে থাকলে এসব দৃশ্য গা-সওয়া হয়ে গেলেও প্রবাসী চোখে প্রথম প্রথম এই বৈষম্যটা বড্ড বেশি চোখে ঠেকে।
ব্যবধান
এখন না হয় সন্ধ্যা নামুক আর কিছুক্ষন পর
সত্যি বলছি তোমায় নিয়ে বাঁধবো নতুন ঘর
থাকবে আঁধার জোনাকীরা তোমায় দেবে আলো
আমি তখন চুপটি করে বাসবো তোমায় ভালো
রাত কেটেছে অনেক আগে এখন হলো ভোর
তোমার আমার ভালোবাসার কাটলোনা যে ঘোর
সকাল বেলা ঘর বাঁধাটা একটু অসম্ভব
দুপুর আসুক ভালোবাসার হবে কলরব
দুপুর রোদে লাগবে ছায়া তোমার আঁচল তাই
আর কিছু নয় আজ এ লগন এটুকুই চাই
দুপুর গেল রোদের তাপে সন্ধ্যা গেল কবে
তোমার আমার ঘর বাঁধা কি আর কখনো হবে?
ঐ উড়াল বলাকায়- ((প্রভাতী পর্ব))
দুই ঘাড়ের উপর বসে মোনকার-নাকীর এমন জোরে ঝাঁকাঝাঁকি শুরু করল যে রিজভীর ঘুম ভেঙে গেল। রাত তিনটার সময় ঘুম ঘুম চোখ মেলে- মশারির ফুটো দিয়ে ঘরের অন্ধকার দেখল সে কিছুক্ষণ। বারান্দায় আলো জ্বলছিল। আর এদিকে বিছানার পাশের জানালা দিয়ে বাইরের ফ্লাড-লাইটের আলোকে কিছুটা হলেও ঢেকে দিয়েছে আড়াই তলার সমান উঁচু যুবতী জামরুল গাছ।
প্রসাব করতে বাইরে যাওয়াটা কি ঠিক হবে এখন! সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগছে।
বিস্তারিত»চারুকলার মুখ …..
মানুষের পোর্টেট আমি তুলতে পারি না, আসলে মানুষ বললে ভুল হবে, প্রান আছে এমন কোন কিছুর (মানুষ, পশু-পাখি, গাছ; মৃত গাছ হলে একটু একটু পারি) ছবি তুলতে পারি না। তাই আপাতত ভাস্কর্য দিয়ে হাত টেস্টিং।
শয়তান

সুদখোর মোড়ল

শিশু

দম্পতি

তাহারা

খেলা

হাতকাটা খাবেন?
বিস্তারিত»ঘুম -ময়মনসিংহ পর্ব
ক্লাস নাইনে থাকতে একদিন সকাল বেলায় ঘুম থেইকা উঠার মিনিট পাঁচেকের মাঝে সেইরকম একখান থাবড়া খাইসিলাম।আমার জানের জান রুমমেট লুনা মারসিল।কারণ কিন্তু কিছুই না, তারে ঘুম থেকে উঠার জন্য অনেক্ষন ঘ্যানঘ্যান করতেসিলাম। B-) আমার ক্লাসমেট দের একজন আবার ক্লাস সেভেন এ ৭ দিনের টার্ম এ গাইড আপা ঘুম থেকে ডাকছিল দেখে হেব্বি ঝাড়ি মেরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিসিল,কিন্তু ব্যাড লাকের কপাল খারাপ দেখে ওই আপা ছিল অতিশয় টিংটিঙে …..ফলাফল আপা বাড়ি খাইসিল লকারের দরজায়,পরের কাহিনী আর নাটকএর পাত্র পাত্রী ……থাক,
বিস্তারিত»দুঃখিত, আমি বাংলাদেশী না, ভারতীয় প্রদেশের নাগরিক
১৯ জানুয়ারী – ইন্ডিয়ার চোরাচালানীদের সাথে বন্দুক যুদ্ধের পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের হাবিলদার লুতফুর রহমানকে বিএসএফের অপহরন, পরের দিন নির্যাতনে মারাত্মক আহত অবস্থায় ফেরত। বিজিবি ১২ ব্যাটালিয়ানের ভাষ্যে, ‘লুৎফুর রহমানকে ভারতে নির্যাতন করা হয়েছে। তার দাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত»টুকরো স্মৃতি ৪
ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হবার পর প্রায়ই স্বপ্ন দেখি আবার সেই দিন গুলোতে ফিরে গেছি। অদ্ভুত সুন্দর সেই স্মৃতি গুলো মাথার ভেতর ঘুরপাক খায়। ক্যাডেট কলেজ থেকে যেদিন বের হয়েছিলাম সেদিন হয়তো ভাবিনি জীবনটা এত স্মৃতিময় হয়ে উঠবে। আজ আরো কয়েকটা টুকরো স্মৃতিচারন করছি।
আমরা তখন ক্লাস সেভেনে। নামায পড়াটা তখন ছিল বাধ্যতামূলক। এরমাঝে কিছু মোল্লাটাইপ ক্যাডেট ছিল যারা খুব ধার্মিক পার্ট নিত।
বিস্তারিত»কলেজের ডিজিটাল ভার্সন পার্ট ওয়ান
ক্যাডেট কলেজের যে যুগের সাথে আমাদের অনেক সিনিয়র ভাইদের পরিচয় নেই সেই দিনগুলোর কিছু শর্ট ভিউ দিতে চাই । আমরা তখন এইচ. এস. সি ইক্সামের ঠিক আগের পুলসিরাত “টেস্ট” দিলাম । শেষ বারের মতো ইক্সামের প্রিপারেশন নিতে যখন সবাই হিমশিম খাচ্ছে তখন আমাদের কজনের মাথায় শয়তানী বীজ কিলবিলইলো । ভাই খবর দিল আইজ রাইতে হইব । এখানে একটু বলে রাখা ভালো এই “ভাই” কিন্তু সিনিয়র ভাই না আমাদের ব্যাচের “আন্ডার ওয়ার্ল্ড” (কলেজে যা বিধানভুক্ত কাজ না) ভাই ।
বিস্তারিত»উল্টা-পাল্টা-উল্টা
অপরাধ মার্জনীয়
অনেক কথাই মনে আসছে। লিখতেও ইচ্ছা করছে অনেক বিষয়েই। কিন্তু নানান ঝামেলায় থাকার কারণে লেখা আর হচ্ছে না। কোনটা ছেড়ে কোনটা ধরি। ঘটনার তো অভাব নেই।
কিছুদিন আগে কোন এক ফেসবুক গ্রুপের বা ব্লগের লেখা কোন এক (ঐ ব্লগটি চরম জামাতপন্থী ও মৌলবাদীদের) লেখা ক্যাডেটদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রচার করা হয়। এই মহৎ প্রচারে উদ্যোগ নেয় কতিপয় ক্যাডেট (বুঝে বা না বুঝে) ক্যাডেটদের বিভিন্ন গ্রুপ (ফেসবুক) আমার কাছে উদ্দেশ্যবিহীন,
বিস্তারিত»