একজন এক্স ক্যাডেটের জীবন ঝুঁকিতে একটু প্রচেষ্টা পারে তাকে বাঁচাতে

মুহিব বাঁচবেই</p><br /><br />
<p>বুয়েট- এর নেভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মুহিবুর রহমান @[1337011753:2048:Muhibbur Rahman] (২৫ তম ব্যাচ, ২০০২-২০০৮, পাবনা ক্যাডেট কলেজ)। সে আজ মরণব্যাধি `ANO-RECTAL CARCINOMA’ তে আক্রান্ত। এটি খুবই খারাপ ধরনের একটি কোলন ক্যান্সার।</p><br /><br />
<p>বর্তমানে সে ইউনাইটেড হাসপাতালে কোলন ও রেক্টাল সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহিদুল হক এর অধীনে চিকিৎসাধীন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যতদ্রুত সম্ভব তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এ চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হবে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তার মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে  এতো বড় ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব না।</p><br /><br />
<p>আমাদের প্রতিটি ছোট-বড় সাহায্যই পারে সদা হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণোচ্ছল মুহিবকে আবার বুয়েট ক্যাম্পাসে তার বন্ধুদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে।</p><br /><br />
<p>Bkash Account		: 01816111200<br /><br /><br />
Trust Bank Ltd.	        : Nur Mohammad<br /><br /><br />
                                  A/C No.- 0029-0310015861<br /><br /><br />
AB Bank Ltd.		: Md. Mehedi Hasan<br /><br /><br />
                                  A/C No.- 4026-384366-300<br /><br /><br />
Brac Bank Ltd.		: Md. Hasan Mahmud<br /><br /><br />
                                  A/C No.- 1532202001766001 </p><br /><br />
<p>বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :  ০১৮১৬১১১২০০ (নূর)<br /><br /><br />
				             ০১৬৭৮৬১২১১৮ (আবিদ)<br /><br /><br />
					     ০১৬৮৭৮৮৩৮৯৪ (মনির)

মুহিব বাঁচবেইবুয়েট- এর নেভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মুহিবুর রহমান Muhibbur Rahman
 (২৫ তম ব্যাচ, ২০০২-২০০৮, পাবনা ক্যাডেট কলেজ)। সে আজ মরণব্যাধি `ANO-RECTAL CARCINOMA’ তে আক্রান্ত। এটি খুবই খারাপ ধরনের একটি কোলন ক্যান্সার।বর্তমানে সে ইউনাইটেড হাসপাতালে কোলন ও রেক্টাল সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহিদুল হক এর অধীনে চিকিৎসাধীন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যতদ্রুত সম্ভব তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

বিস্তারিত»

ICCLMM-2011:একটি অজানা ভালোলাগার গল্প(২য় পর্ব)

প্রতিযোগিতা থেকে বাসায় গিয়ে ধরলাম ঢাকার বাস। খোঁজ নিয়ে জেনেছি সে ঢাকায় থাকে। তাই অগত্যা কোন উপায় না দেখে আমার ছুটির শান্তি নষ্ট করে ছুতে গেলাম ঢাকা অভিমুখে। ঢাকায় থাকার অন্যান্য সহস্র সমস্যার মধ্যে প্রধান সমস্যা হল – ০১। সকালের অতি আদরের ঘুম বিসর্জন করা ও ০২। মিরপুর-১ থেকে ফার্মগেট গিয়ে পড়া। অবশ্য তাতেও রাজি শুধু যদি পূরণ হয় সে আশা যার জন্য এত জলাঞ্জলি,

বিস্তারিত»

আধাসামরিক প্রেমের গল্প

আধাসামরিক ক্যাডেট কলেজে বেসামরিক প্রেমিকা থাকা শুধু কষ্টের নয়, ভয়াবহ কষ্টের।প্রতিবার ছুটির শেষে প্রিয়
মানুষটিকে ফেলে কলেজে যেতে অনেক কষ্ট হয়।ক্যাডেট কলেজ, সে এমন এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, যেখান থেকে মুক্ত পৃথিবীর খোঁজ নেয়া অসম্ভব প্রায় । আর্মি হেড কোয়ার্টারের স্বেচ্ছাচারিতায় মুঠোফোনের বেতার তরঙ্গ তখনো জায়গা করে নিতে পারেনি ক্যাডেট কলেজের সেই চৌহদ্দিতে। তবুও সমস্ত কলেজ প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে কখনো আন্ডারগার্মেন্টস এর নিচে,কখনো মোজার ভেতর,মোটা বইয়ের পৃষ্ঠা কেটে,ব্যাগের কোনায়,এংলেটের মধ্যে,

বিস্তারিত»

আত্মহত্যা বা জীবন যেরকম

হাতে ব্লেড নিয়েও চামড়ায় বসায় আর কয়জন! আমরা আসলে ভাবিই এভাবে… কিন্তু বসায়,অনেকেই বসায়। প্রতি স্কুলে, প্রতি কলেজে, প্রতি ভার্সিটির কোন না কোন ক্লাসে দুই একটা ছেলে বা মেয়ে থাকবেই যারা এই জিনিস নিজেদের কোমল হাতে এপ্লাই করে ফেলেছে, যারা বন্ধুরা “মুড়ি খা” বললে মুড়ি খাবার বদলে ঘুমের ওষুধ গিলেছে। বোকা বাচ্চাগুলো বোঝেনা বন্ধুরা বা মা বাবা মুড়ি খা” বললে মুড়িই খেতে হয়, “দূরে গিয়ে মর”

বিস্তারিত»

যুদ্ধ…!!!

বিধাতা কিংবা প্রকৃতি যাই বলি মানুষ কে বাঁচতে শেখায় যুদ্ধ করে। মাঝে মাঝে অবাক লাগে যে অসম কোন কিছুই প্রকৃতি মেনে নেয়না । নর-নারীর প্রেম প্রকৃতির বিধানের অদ্ভুত এক রহস্যময় দিক।

আবেগ খুব তাড়া করে মাঝে মাঝে। অদ্ভুত সেই অসম প্রেমের গল্প। নায়ক নায়িকা নেই,আছে শুধু পাগলামি,উষ্ণতার অনুভূতি। চোখ বন্ধ করে নেয়া চুলের মিষ্টি গন্ধ কিংবা কাছের বান্ধবীর কাছে শোনা নির্ঘুম রাতের কথা ;

বিস্তারিত»

সাভারনামা…

সাভারের ভবনধসের ঘটনা এখন পুরোনো হয়ে গেছে। আজ সেই সময় তোলা কিছু ছবি ফেবু’তে আপলোড করলাম। ছবি দেখে রাজীব ভাই/১৩তম বিসিসি; বললেন “সাভারের উদ্ধারকাজের উপরে একটা লেখা দে”! সাথে সাথে ফেবু বন্ধ করে সেই সময়কার কিছু স্মৃতি নিয়ে আজ লিখলাম। এক বসায় লিখেছি। ভুলভাল হতে পারে।

ভবন ধসে পড়ার পরপরই শাহবাগ গিয়ে রক্ত দিয়ে এসেছি। তবু কেমন যেন ছটফট করছিলাম। আরো কিছু করতে ইচ্ছা হচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

প্লট

রেডিওতে বিবিসি সংলাপ শুনছিল আসিফা।হঠাৎ কে যেন তার পাশে এসে বসল।অপরিচিত একটা কণ্ঠস্বর বলে উঠল, ‘আসিফা আপু।’

‘কে?’

‘আমাকে চিনবেন না আপু।আমি মার্জিয়া।পাঁচতলায় থাকি।ডাইনিংয়ে, ক্যান্টিনে, জামালের দোকানে আপনাকে প্রায়ই দেখি। আমার এক বান্ধবী- সুমনা, চেনেন বোধহয়।ও আমাকে বলল আপনার একজন ভলান্টিয়ার দরকার।’

‘হ্যাঁ আপু, তা তো দরকার।দু’জন আমাকে রেকর্ডিংয়ে সাহায্য করত। একজন বাড়ি গেছে। আরেকজনের পরীক্ষা। তা কখন কখন সময় দিতে পারবে ?

বিস্তারিত»

লেঃ মাহমুদ এবং আমাদের গল্প…

আমাদের গল্পটার শুরু গ্রীষ্মের কোন এক মধ্য দুপুর থেকে। অন্য দুপুরগুলোর মত সেই দুপুরটাও অলস হতে পারত, কিন্তু সেদিন দুপুরের অলসতার সুযোগ ছিল না। কারন সেই দুপুরে দেশের বিভিন্ন জায়গার,বিভিন্ন চেহারার কিছু ছেলের ‘আমি থেকে আমরা’ হবার দিনের সূচণা হতে চলেছিল।০৭ মে,২০০২ সালের সেই রৌদ্রজ্জল দুপুরকে সাক্ষী রেখে আমরা একে একে খাকী পোশাকে নিজেকে জড়াই, আর নিজের অজান্তে ৫৪টি মন কখন যেন নিজেদের মত করেই জড়িয়ে গেছে,

বিস্তারিত»

বিপন্ন মানবতা এবং একটি সাহায্যের আবেদন

আরো একবার মানবিক বিপর্যয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা,আমাদের বাংলাদেশটা। যেসব সেলাই দিদিমনিরা দিনরাত কষ্ট করে আমাদের জন্য কাপড় বুনেন,যেইসব পোষাক শ্রমিকের ঘামে ভেজা নিঃশ্বাসে ভর করে দেশ অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের লাশ আজকে আরেকবার তাজরীনের গন্ডি পেড়িয়ে অধরচন্দ্র স্কুলমাঠে সারি বেঁধে শুয়ে আছে। আর ধ্বসে পড়া রানা প্লাজার ভিতরে আটকা পড়ে আছে আরো শতাধিক।

উদ্ধার কাজ চলছে এখনো। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি আছে সেচ্ছাসেবক উদ্ধারকর্মীরা।

বিস্তারিত»

গর্ভ

(গল্পটি ২০০৯ লেখা। ব্লগে পোষ্ট করলে লেখাটির একটি অস্তিত্ব থাকে। তাই পোষ্ট করা।)

নদীটি খুব একটা প্রশস্ত নয়। আবার নালার মতো সরুও নয়। তবে নামটি এর কাছাকাছি। একটু অদ্ভুত। নলছিটি। আর বাদবাকী সবকিছু একই রকম। সেই চিরাচরিত গ্রামের দৃশ্য – নগরে বাস করা ট্রেনিংপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুরা যেরকমটা এঁকে থাকে। একটি নদী। তারপাশে দিগন্তজোড়া ধানক্ষেত। দূরে একটি প্রকাণ্ড বটগাছ। সেই বটগাছ থেকে পাকানো রশির মতো লম্বা লম্বা ঝুল নেমে এসেছে।

বিস্তারিত»

খাপছাড়া সময়ের গদ্য

এক তারা ভরা রাতে মাঝ দরিয়ার ঝিরিঝিরি বাতাসের মাঝে বসে আমরা হঠাৎ শুনতে পেলাম, থাবা বাবাকে জবাই করা হয়েছে। মেরুদন্ডের ঠিক মাঝ দিয়ে ঠান্ডা কিছু একটা সরসর করে নেমে গেলো। আমার ছাব্বিশ বছর বয়স্ক মস্তিষ্ক খবরটার জন্য প্রস্তুত ছিল না। রুমে ফিরে এসে আবীরকে ধরে আমি ফুপায় ফুপায় কিছুক্ষণ কাঁদলাম, আমি জানতাম সুযোগ পেলে ওরা এই ছেলেকেও ছাড়বে না।

সেই রাতটা ছিল অসহনীয়,

বিস্তারিত»

পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৫


আধুনিক দাম্পত্য চলে কতগুলো সূত্র মেনে। তার একটা হলো স্পেস। এই যেমন বর আর আমার কম্পিউটার দুটি সবসময়ই একে অপরকে পৃষ্ট-প্রদর্শন করে। মনিটরদের সাথে মালিকদের ক্রশ-কানেকশন হয়না। আমার ধারণা কি লিখি জানতে পারলে বর ক্ষেপাতে শুরু করবে। এর আগে আমি কবি না বলে রক্ষা পেয়েছিলাম। বর যেহেতু ব্লগের আগের প্রজন্ম, তাই এ সম্পর্কে তার ধারণা নেই। অন্ততঃ আমি এতোদিন তাই ভেবে এসেছিলাম। খুব দ্রুতই আমার সে ভাবনা ভুল প্র্মাণিত হলো।

বিস্তারিত»

পবিত্রতা

অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ

দেখে কে বলবে। এখন রাত সাড়ে ১০টা বাজে? রাজপুরীর মত ঝলমলে আলোয় ভরে আছে গোটা শহর। চারিদিকে মানুষের চিৎকার, চেঁচামেচি, আনন্দোৎসব। সবার মুখেই একটা খুশি খুশি ভাব। নাহ! সবাই এই কথাটা ঠিক না। কোথাও না কোথাও অন্তত একজন তো থাকবেই যে খুশি নয়। অখুশি বলবনা, কিন্তু হয়ত সে  বিষন্ন। একা একা চারিদিকে হাটছে আর নিজের প্রতিবিম্ব খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

বিস্তারিত»

বই সমালোচনা “বিতংস”

খান আরিফা লোপা আমার বই “বিতংস”এর একটি সমালোচনা করে। সেটি এখানে পোস্ট করে দিলাম।
লোপা বুয়েটে আমার এক ক্লাস উপরে পড়তো – স্থাপত্যবিদ্যায়। যদিও আমেরিকাতে এসে সে বিষয় পরিবর্তন করে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়েছে। লোপার চিন্তা-ভাবনায় তার একটা নিজস্বতাবোধ কাজ করে। ওর বাবা কবি রফিক আজাদ যার “ভাত দে …” কবিতাটি মনে হয় সবারই কমবেশি জানা। যেহেতু এই কবিতাটি রচনাকালের সেই সময়টা আমার লেখায় উঠে এসেছে তাই আগ্রহ ছিল লোপা কি বলে তা জানার জন্য।

বিস্তারিত»

“তেলাপোকা কেন উল্টে মরে ”

অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ

 

চিঠিটা খুলে বার বার দেখি

আরও একবার-

লেখাগুলোর উপর হাত বুলোই,

নিস্প্রান এই লেখাগুলো এত সজীব কেন?

কি মায়ায় এরা আমাকে ডাকে-
বারেবার;  জানিনা।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে
কখনও বা উপদেশ,  আবার হঠাৎ হঠাৎ –
খুচরো কিছু ভালোবাসার আবেশ।

খাটের পাশে রাখা  গিটারটা তুলে নেই
“টুং টাং” কিছু অচেনা সুর –

বিস্তারিত»