পুরনো দিনের গান

ফেইসবুকে তারেক ভাই একটু আগে কলিম শরাফীর পথে পথে দিলাম ছড়াইয়ারে গানটা শেয়ার দিলেন। দেখেই এই মধ্যরাতে একটু কেমন যেন ভাবালুতায় আক্রান্ত হলাম। আসলে ঠিক ভাবালুতা, নাকি পরীক্ষার ঠিক আগে আগে সকলের যেমন কাজ বাদে অন্য সকল কিছু করতে ইচ্ছে হয়, সেটা, আমি জানিনা। আমি তাই চুপচাপ বেশ কিছু গান শুনতে বসে গেলাম।

পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া গানে কলিম শরাফী যখন ভরাট গলায় গাইতে থাকেন,

বিস্তারিত»

ভাল থাকিস পলেন

২০০৫ থেকে  ২০১২ ,মাঝে সাতটা বছর কেটে গেছে, আমাদের সবার জীবন টাই এখন অন্যরকম, জীবনের পালাবদলে আমরা আলাদা একেকজন অন্যরকম মানুষ হয়ে গেছি। অনেক অনেক দিন ভাবি, পলেন কে নিয়ে কিছু লিখব।কিন্তু আমরা তো সেই টিপিক্যাল বাঙ্গালি, যা ভাবি তা করে উঠতে বছর পার হয়ে যায় । বড়সড় উপলক্ষ না পেলে আমরা কোন কাজ ই করিনা। আজ ১১ ই ফেব্রুয়ারি, পলেনের আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার আজ ৭ বছর।  

বিস্তারিত»

যাচ্ছেতাই

আজ আমার অনেক অবসর
দুরন্ত সকালটা থমকে গেছে আমার চিলেকোঠায়,
কার্ণিশে বসে থাকা চড়ুই দুটি
ব্যস্ত বুঝি রোদের সাথে সখ্যতায়।
বারবার যায় উড়ে
আকাশের ছায়ায় ঘুরেফিরে
আবার এসে বসে জানালার ধারে,
হঠাত্‍ আসে একটা ঘাসফড়িঙ
চড়ুই দুটিকে বখাটে ছেলের মত নাচিয়ে
কোথায় যেন ঘাপটি মারে।

সকালের এই স্নিগ্ধ ছবিটা ছিঁড়ে খুঁড়ে
হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে বেপরোয়া
হাতড়ে বেড়াই নিয়ম ভাঙ্গার ছুতো
কাট্টি ওগো শাসন ঘুড়ি তোমার ওই সুতো,

বিস্তারিত»

বোকা বাঙ্গালী বলছি-১

আমি বোকা বাঙ্গালীদের দলে। মৌসুমী বিপ্লবীদের দলে আছি কিনা জানি না। আমিও বোকা বাঙ্গালীদের মতই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছি।কত কমেন্ট পড়ল সেটা নিয়ে প্রতিযোগিতায় নেমেছি বলে মনে হয় না।  ব্লগ লেখার মত পড়াশুনা, জ্ঞান কোনোটাই নাই তাই ব্লগ লিখি না (বলতে পারেন লিখতে পারি না)। কিন্তু সব ব্লগ পড়ার চেষ্টা করেছি। আপনাদের মত আমিও  আপ্লুত হয়েছি এই ভেবে যে, আমরা সচেতন হচ্ছি। যদিও খুব বেশি লেখালেখি বা জন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এটি আমি বলতে পারবো না যতটা সৃষ্টি হয়েছিল আবু গারাইব কারাগারের নির্যাতন কিংবা দেশীয় এডাল্ট ক্লিপ বের হবার পর।

বিস্তারিত»

পাঠ ভাবনা : বিতংস — ওয়াহিদা নূর আফজা

প্রচলিত অর্থে রিভিউ বলতে যা বুঝায় আমার এই লেখাটি ঠিক সেই কাতারে পড়বে না। আবার কেউ যদি একে বিজ্ঞাপনমূলক ফরমায়েশী লেখার দলে ফেলে দেন তা হলেও আমি আপত্তি করবো। কারো উপন্যাস নিয়ে যখন আলোচনা মূলক কিছু লিখবো তার উদ্দেশ্যে প্রচারণা থাকবে না এমন আশা করা যায় না। তবে এই লেখাটি আমার কাছে মোটেও ফরমায়েশী নয়। বরং ভালো লাগার জায়গা থেকে স্বপ্রণোদিত লেখা।এত কিছু শুরুতে বলে নেয়ার কারণ হলো এই বইটি আমি পুরোটা পড়ি নি।

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে –২)


ঢাকা শহরে আমরা বস্তি দেখেই বড় হয়েছি। কিন্তু এবার দেশে গিয়ে প্রথম পানির ভাসমান বস্তি দেখলাম। এ শহরে এখন জমির আকাশচুম্বী মূল্য। রবীন্দ্রনাথের মতো কেউ থাকলে আজ দু বিঘের বদলে এক ইঞ্চি জমি দখলের কবিতা শুনতে পেতাম। প্রতিটি ইঞ্চি মেপে মেপে শহর দালান-কোঠার জংগলে ভরে যাচ্ছে। আর ওদিকে বস্তি উঠে গেছে পানির উপরে। এক-একেকটা বেড়ার ঘর, কোনরকমভাবে বাঁশের পিলারের উপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশে থাকলে এসব দৃশ্য গা-সওয়া হয়ে গেলেও প্রবাসী চোখে প্রথম প্রথম এই বৈষম্যটা বড্ড বেশি চোখে ঠেকে।

বিস্তারিত»

ঘুম -ময়মনসিংহ পর্ব

ক্লাস নাইনে থাকতে একদিন সকাল বেলায় ঘুম থেইকা উঠার মিনিট পাঁচেকের মাঝে সেইরকম একখান থাবড়া খাইসিলাম।আমার জানের জান রুমমেট লুনা মারসিল।কারণ কিন্তু কিছুই না, তারে ঘুম থেকে উঠার জন্য অনেক্ষন ঘ্যানঘ্যান করতেসিলাম। B-)   আমার ক্লাসমেট দের একজন আবার ক্লাস সেভেন এ ৭ দিনের টার্ম এ গাইড আপা ঘুম থেকে ডাকছিল দেখে হেব্বি ঝাড়ি মেরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিসিল,কিন্তু ব্যাড লাকের কপাল খারাপ দেখে ওই আপা ছিল অতিশয় টিংটিঙে …..ফলাফল আপা বাড়ি খাইসিল লকারের দরজায়,পরের কাহিনী আর নাটকএর পাত্র পাত্রী ……থাক,

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ১)


নিউ ইয়র্কে যখন সূর্যাস্ত বাংলাদেশে তখন সূর্যোদয়। তারপরও পাশ্চাত্য আর প্রাচ্য বলতে আমরা মূলত সংস্কৃতির পার্থক্য বুঝি – দ্রাঘিমার নয়। আমি পূবের মানুষ। থাকি এখন পশ্চিমে। তবে ছোট হয়ে আসা এই পৃথিবীতে প্রবাসী শব্দটার মধ্যে এখন আর কোন জৌলুস নেই। বরং প্রবাসী মানেই রেমিটেন্স নয়তো মেধা-পাচার। এই একবিংশ শতাব্দীতে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে এমন এলাকা এখন বিরল যেখানে অন্তত: একজনও প্রবাসে থাকে না। তবে বাঙালিদের বিশ্ব-ভ্রমণ আজকালকার বিষয় নয়।

বিস্তারিত»

অবশেষে বাড়ি ফেরা

কয়েকমাস ধরে আমি এমপ্লয়েড বেকার।মাঝে মাঝে অফিসের কাজের চাপে বাসায় ফিরি রাত দশটায় আর মাঝে মাঝে কাজের অভাবে অফিসে বসে বসে জেগে দিবা স্বপ্ন দেখি …সরকারি অফিস হলে নিশ্চয় মাছি মারতাম, নেহায়েত সিসিটিভি নামক আপদ টা আছে দেখে টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাইতে পারিনা,বড়ই দুঃখের ব্যাপার।

যাই হোক এরকম অকামের দিনগুলাতে যে পরিমান চিন্তা আমি করি,তা যদি শুধু ভাল চিন্তা করতাম তো কবেই দার্শনিক হয়ে যেতাম ।আজ হঠাত হাবিজাবি চিন্তার মাঝে একটা স্মৃতি মনে পড়ে গেল।বাকি আর সবগুলা ক্যাডেটের মতই ক্যাডেট শব্দটা শুনলেই আমি আপ্লুত হয়ে যাই।আবার সব কাজ বাদ দিয়ে মনে মনে চিন্তা করি আর হা হুতাশ,ইশ আবার যদি ক্লাস সেভেন হতাম।

বিস্তারিত»

বন্দী রূপকথা

শ্বেত শুভ্র দেয়ালটার ঠিক মাঝে একটা ফটোফ্রেম

ডানদিকে কি ঝুলে গেছে কিছুটা?

মনে আছে তোমার

ফ্রেম বন্দী ছবিটার নেপথ্য?

ওই যে কত্ত ঝগড়া, কত অভিমান শেষে

এক কনে দেখা আলোয়,

হেসেছিলে ঝঙ্কার তুলে…

 

মুহূর্ত টিকে বুকে রেখে ,লেন্সের ফ্রেমে আটকেছি

শুধু দুঃখ দুঃখ হাসিটা

সব ভুলে গেছ বুঝি????

বিস্তারিত»

শেষ প্রান্তে

বছর তিনেক আগে কোনো একটা কোরিয়ান মুভি থেকে alzheimer’s symptom সম্পর্কে জেনেছিলাম। যথারীতি অন্যান্য সিনেমার মত সিনেমাটিক রোগ ই মনে হইছিল।পরে অবশ্য অল্প বিস্তর পত্রিকা আর অন্য সিনেমা দেখে জানলাম আসলেই এই রোগের অস্তিত্ব আছে আর এরকম রোগির সংখ্যা ও নেহাত কম নয়।

অফিস এ প্রথম দিন এক কলিগ এর সাথে পরিচয় হল যার বয়স চুরাশি।উনি আমাকে নাম,ধাম,কই থাকি ইত্যাদি সাত সতের জিজ্ঞেস করলেন…

বিস্তারিত»

ত্রিশ কোটি হাত বনাম ক্যান্সার

কিরে ব্যাটা মন খারাপ?ধুর বোকা ক্লাস সেভেনে একটু আধটু এরকম হয়।এজন্যে মন খারাপ করতে হয়না।পেছন তাকিয়ে দেখি হোসেন ভাই।
তার সেই চির চেনা হাতটা মাথার ওপর।আমি আরো জোড়ে ভেউ ভেউ করে কেঁদে ফেললাম।একটু আগেই রুম লীডারের রুমে ছিলাম।টানা দশমিনিট জানালার গ্রিলের সাথে পা ঝুলিয়ে।ক্যাডেট কলেজের ভাষায় যার নাম লং আপ।হোসেন ভাই তখন রুমে ছিলেন।আমার অবস্থা দেখে ভেতরে ভেতরে হয়তো একটু আধটু কষ্টও পেয়েছিলেন।কিন্তু ক্লাসমেট এর মুখের ওপর কথা বলা নিয়মে নেই।তাই তিনি এখানে নির্বাক দর্শক।

বিস্তারিত»

চেনা মানুষ, শুভ জন্মদিন সিসিবি আর সুন্দর তানভীর ভাই

‘একটা সময় ছিল, বুচ্ছিস রে সামিয়া…’-তাইফুর ভাই নড়েচড়ে বসলেন। আমি জোরে জোরে মাথা নাড়ালাম, তাইফুর ভাইয়ের সাথে দ্বিমত করব…আমার ঘাড়ে দুইটা মাথা নাই। একটু আস্তে করে অবশ্য বলার চেষ্টা করলাম, না কয়দিন আগেই তো সপ্তাখানেকের জন্য সিসিবি আবার জমে গেছিল। উনি সজোড়ে থাবড় মারলেন, ‘আরে থাম। কামরুল **&#!!* টা তো বলেই দিছে ও আর সিসিবিতে লিখবেনা।’ আমার আবছা ভাবে মনে পড়ে এই মাস দুয়েক আগেই পলাশ নামক একজন ভাইকে নিয়ে কামরুল ভাই একটা পোস্ট দিছে,

বিস্তারিত»

sdjhgf

wowhdscsgiusg

বিস্তারিত»

ফারাক

নভেম্বরের মাঝামাঝি । হিম পড়তে শুরু করেছে । দোতলা বাড়ির ছাদে বসে আছে শিপন । বাড়ির এদিকটায় অনেকগুলো সুপারি গাছ।তাদের ঝিরিঝিরি পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে চাঁদ। সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে শিপনের বুকের ভেতরটা হু হু করে ওঠে। নাহ্ ! এত সৌ্ন্দর্য একা উপভোগ করা যায়না । এসময় বিশেষ কাউকে পাশে থাকতে হয়।এখন যদি অবন্তী পাশে থাকত,কাঁধে মাথা রেখে!অবন্তীর খোলা চুল হাওয়ায় দুলে দুলে শিপনের গালে সুড়সুড়ি দিত যদি!

বিস্তারিত»