পলেন

আমাদের ব্যাচকে কেউ খুব একটা ঘাটায় না। আমরা খুবই ইনডিসিপ্লিনড্‌। ইচ্ছা হলো নামলাম, না ইচ্ছা হলো নামলাম না, তবে অবশ্যই ডিএম-এনডিএম দেখে। ও নামে নাই, সেকেন্ড হাই টেবিলে বারোটা চেয়ার, এক জন না নামলেই ফার্স্ট হাই টেবিল থেকে স্যার ধরে ফেলবে। আমরা ওর চেয়ারটা উল্টায় রাখলাম, যেন স্যার না দেখে। হাউসে ফিরে কমন রুমের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি, নিচ থেকে খুব চিল্লাচিল্লির শব্দ। আমি আপন মনেই হাসলাম,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ

আমাদের বাসায় একটা ছোট্ট মেয়ে থাকে, নাম চাঁদনী। আজকে সে বসছে আমার ক্যাডেট কলেজের অ্যালবাম নিয়ে। কিছুক্ষণ পর পর এক একটা প্রশ্ন,

-আপু, তোমরা কই গেসিলা?-কক্সবাজার-কক্সবাজারে বলে অনেক বড় সমুদ্র আছে?

-হু।-আপু, পৃথিবী যত বড় তত বড়?-না রে (এখন তাকে বুঝায় বলেতে হয় সমুদ্রের পাড় কি জিনিস। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা বীচ)।-আপু, ঢাকা শহরের সমান বড়?

-হু? হুমমম (ঢাকা শহরের লেন্থ আমি জানিনা!)

বিস্তারিত»

একদিন

আমাদের কলেজে যে কোন অসুখই কিভাবে কিভাবে যেন ছোয়াচে হয়ে যায়। একবার কার জানি appendicitis হল। তার পর থেকে একের পর এক সাত আট জনের ( ঠিক মনে নাই, তবে সংখ্যাটা আরো বেশি, কম না) এই appendix operation হয়ে গেল! ডেভিডসন দেখলে বলেই দিতেন যে appendicitis ছোয়াচে রোগ।
একবার সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আমি লুলা হলাম। তারপর একের পর এক মানুষজন লুলা হতে থাকলো।

বিস্তারিত»

খাওয়া দাওয়া

খাওয়া দাওয়া টা অনেক important জিনিস। সবাই দেখি অনেক কিছু লিখে ফেলসে, punishment, stage compitition,হাবিজাবি। আমি আবার একটু খাওয়া দাওয়া পছন্দ করি, তাই…ব্লগটাও…আর আমি এইটা নিয়ে মোটেও লজ্জিত না।

বাইরে এসে মানুষজন বুঝে ক্যাডেট কলেজে রানী ভিক্টোরিয়ার হালে থাকতাম, খাওয়া দাওয়া তো কিছু পছন্দ হতো না ঐখানে (আমার অবশ্য হত! ), বিশেষ করে শুক্রবারের খিচুড়ি-ওফফ! ওইটা এমনকি আমারও পছন্দ হইত না। কিন্তু খেলা থাকলে আবার ওইটাই চুরি করে আনতাম।

বিস্তারিত»