আজ সকালে সবুজ টিপ পরবে বলে –
খুঁজে দেখ সব টিপ আছে, তবে সবুজটা নেই।
খোঁপা বাঁধবে বলে ধরে রাখছ চুলের গোছা –
অথচ কেন যেন খোঁপাটা বাঁধছে না কিছুতেই।
আজ সারাটা রাস্তা নিস্তব্ধ, নেই কোন রিক্সা
রোদে পুড়ে ঘামছ তুমি, আর জ্বলছ রাগে –
দিনের শুরুতে সবকিছুতে না, শঙ্কা জাগে মনে
জয় বাংলা বাংলার জয়, শুভ হোক দু’হাজার নয়
নতুন বছরের শুরুতে নাকি যা করা হয় পুরো বছর জুড়ে তার পুনুরাবৃত্তি হয়। তাই লিখছি….
এমনিতে আমার আলস্য প্রবাদসম। গড়িয়ে চলি গড়িয়ে খাই, কচ্ছপকে হার মানাই। তাতে কিছু সুবিধা পাই, কিছু হারাই। সুবিধা হল কাজের কথা কেউ সহজে বলে না। অসুবিধা হল আমার নিজের প্রয়োজনীয় অনেক কাজ যা দিয়ে আমার ভবিষ্যত তৈরী হতে পারে তাও আর করা হয় না।
একবার ভার্সিটির হল বদলের সময় আমার বন্ধু আহসানের(আমার আগের ক্যাডেট নম্বর ওর ছিল) কিছু সার্টিফিকেট আমার ব্যাগে রযে যায়।
বিস্তারিত»শুভ নববর্ষ ২০০৯ (or Happy NewYear?)
এখন পর্যন্ত নিউ ইয়ার নিয়ে কোন অফিসিয়াল ব্লগ না দেখে লোভটা সামলাতে পারলাম না। কোবতে একটা দ্যাক্লাম, আর রায়হানের পিলান প্রগ্রাম, মাগার তাও…ফাকা মাঠে গোল দেওয়ার ধান্দা আর কি। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আহারে, পোলাপাইন/মাইয়াপাইন সব বুড়া/বুড়ি অয়া যাইতাচে।
ফুটনোটঃ আজকে বিকালে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ রাস্তার পাশে দোকানের নাম দেখলাম “Animal Eye Clinic”. আমেরিকার গরু ছাগলেরা মনে হয় আইজকাইল চোখে কম দেক্তাচে আমার মত।
বিস্তারিত»হাসিনার বদল, খালেদা অটল !
প্রশ্ন : আপনার বন্ধু কারা?
সম্ভাব্য উত্তর : গণতন্ত্র এবং অসাম্প্রদায়িক শক্তিসহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী যারা বিগত সরকারের সময় নানা অত্যাচার সহ্য করেও আমার এবং আমাদের পক্ষে ছিলেন…
বাস্তব উত্তর : এই বাংলাদেশের জনগণ।
প্রশ্ন : আর আপনার শত্র“?
সম্ভাব্য উত্তর : গত জোট সরকারের সময় যারা দুঃশাসন চালিয়ে দেশ ও জনগণকে জিম্মি করে রেখেছিল। এই দেশের যাবতীয় প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি…
২০০৯:- পিলান পোগ্রাম…
২০০৮ এর প্রথম তিন ভাগের দুই ভাগ ভালো কাটে নাই। হাইড আউটে ছিলাম পুরা পাঁচ মাস। বাসা ত্যাগ করেছিলাম। এই পুরা সময় নিজের মাথা বের করছি শুধু ব্লগে আর মেসেঞ্জারে। শেষের দিকটা আবার ভালো কাটছে। ঘরের ছেলে ফিরে আসলাম ঘরে। আম্মু- আব্বুও বেশী ঘাটায় না এখন। পুরা বছর জুড়েই প্রেমের গ্রাফ ছিল নিম্মমূখী।
বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনা, সিসিবির দাঁড়িয়ে যাওয়া। কামরুল ভাইয়ের বাসা চিনা।
বিস্তারিত»শেখ আলীমের হাইকু -১
শেখ আলীমের হাইকু -১
সাকুরার দেশে শেখ আলীমের হাইকু
পাঁচ সাত পাঁচ শব্দে সূচিত বর্ণ মালা
তিন পঙক্তিতে অবলোকনের বিশ্ব জানালা।
বর্ষায় ধোয়া একটি কদম কলি
আনত আঙ্গুল মেহেদী লতানো করপুটে দেই তুলি
শ্রাবণে এ কোন অমোঘ নিমজ্জন।
প্রেমিকার ঠোঁটে নিউইয়ার উদযাপন
সবুজ নিবিড় বনের মাঝে
তুমি আমি এতো কাছে,
ক্যাম্পফায়ারের আগুন আঁচে
তোমার মায়াবী মুখ, আরো মোহনীয় লাগে
যেন এমন রহস্যময়ী কেউ দেখেনি আগে।
তুমি আমি আরো ঘন হয়ে বসি
দুজনে মিলে বিগত বছরের,
ভালোবাসার হিসেব কষি।
খুব ভয়ের সাথে স্বপ্ন দেখছি বাংলাদেশের জয়ের…
দিন বদলের ছোয়ায় এবার সামিল হয়েছে আমাদের ক্রিকেট টিম। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে টেস্টে প্রায় অস্বম্ভব এক স্বপ্ন দেখাচ্ছে তারা। ৪র্থ ইনিংসে ৫২১ রানের অতিমানবীয় এক টার্গেট সামনে রেখে যেভাবে ব্যাটিং করছে, মোকাবেলা করছে মুরালিধরণকে,অন্য যে কোন দেশ এমন কি স্মিথ এর সাউথ আফ্রিকাও তা করতে পারলে গর্বিত হয়ে যেত, প্রথমে আশরাফুল, তারপর সাকিব, মুশফিক…আশা করছি আমাদের টেইল এন্ডাররাও তাদের সর্ব্বোচ্চ ঢেলে দেবে জয়ের উদ্দেশ্যে। সে পর্যন্ত না পৌছাতে না পারলেও তাদেরকে অভিনন্দন এখন পর্যন্ত যে লড়াই তারা করে যাচ্ছে তার জন্য।
বিস্তারিত»নস্টালজিয়াঃ ভুলিতে চাই না আমি, ভুলি কেমনে?
জ়ীবনে বন্ধু আসে কয়েকটা স্তরে। আমার এক স্কুলে বেশিদিন থাকার কপাল হয়নি। আব্বু সামরিক বাহিনীতে চাকুরী করতেন বলে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এর স্কুলে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত আল্লাহ রহমতে পাঁচ বছরে চার বার স্কুল পরিবর্তন করতে হয়েছে। বছরের মাঝখানে স্কুলে ভর্তি হবার কারণে রোল নম্বর আসত ১৪৪ বা ততোধিক। ফলাফলঃ পিছনের বেঞ্চে পোংটা পোলাপানের নিবিড় সান্নিধ্য পাওয়া, স্যার অথবা ম্যাডামদের চোখে খারাপ ছাত্রের লেবাশ প্রাপ্তি এবং মুখে তুচ্ছার্থক সম্বোধনেই যার পরনাই আনন্দে মাথা চুলকানো।
বিস্তারিত»আওয়ামী সরকারের যে সব বিষয় বোঝা উচিৎ
সিসিবি তে এটা আমার প্রথম লেখা। যদিও আমার প্রথম লেখা হওয়ার কথা ছিল লিন্ডাও সম্মেলনের ওপর, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমার মনে হল এই রকম একটা লেখা দেয়া দরকার।
আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই যে আমি কোন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নই, আমি পদার্থবিদ্যার একজন সামান্য ছাত্র। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সমীকরণ আইন্সটাইনের ফিল্ড ইকুয়েশন এর চেয়ে কোন অংশে কম জটিল না, ক্ষেত্রবিশেষে আরো জটিল। ফিল্ড ইকুয়েশন সমাধান এর কিছু অভিজ্ঞতা আমার থাকলেও দেশের রাজনীতি নিয়ে কোন লেখা আমি আগে কখনো লেখিনি,
জীবনের গল্প – ৩
-
সাগর
আমার সবচেয়ে কাছের একজন মানুষের কথা আজ বলব, যাকে সেই ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি। সঙ্গত কারনেই ছদ্মনাম ব্যবহার করলাম কারন আমিও ওর মতই ওকে কারো করুনার পাত্র বানাতে চাই না। প্রথম যেদিন ও কলেজে পা রাখল সেই দিন থেকেই ওর সাথে আমার খুব আন্তরিক একটা সম্পর্ক হয়ে দাড়াল, ঠিক কি কারনে জানি না একসময় আমরা প্রানের বন্ধু হয়ে দাড়ালাম।
বিস্তারিত»লিভারপুলঃ শিরোপার সম্ভাবনা বাড়ছে!!!
(নির্বাচন পরবর্তী লেখা হিসাবে আর কয়েকদিন পরে লেখাটা দেয়া উচিত ছিলো। ভাব গম্ভীর লেখাগুলোর মাঝখানে একটু হালকা লেখা দিতে চেয়ে ছিলাম। কামরুল আর আমার আতেঁল ছোট বোনের বুদ্ধিতে আমির খানের ‘গজনী’ দেখলাম। কামরুল বললো একটা রিভিউ দিতে। কিন্তু সানা ভাই এর নির্বাচনী live text এর সাথে সাথে গজনী দেখছিলাম। বার বার থামতে হচ্ছিলো। ওই কারনেই হোক, অথবা বাজে প্রিন্ট এর কারনেই হোক, গজনী বেশী ভাল লাগে নাই।
বিস্তারিত»একটা মন খারাপ করে দেয়া খবর
সকাল থেকে মনটা খুব খারাপ। বঙ্গোপসাগরে ৩০০ বাংলাদেশী নিখোঁজ। ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জের কাছে বঙ্গোপসাগরে ৩০০ বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছে। তারা পানিতে ডুবে মারা গেছেন বলে আশংকা করা হচ্ছে। প্রতারক দালালের খপ্পরে পরে ৪৪৫ জন বাংলাদেশী মালয়শিয়া যাবার জন্য সমুদ্রপথে রওনা হয়েছিল। মধ্যসাগরে দালালরা তাদের অন্য একটি নৌযানে তুলে সটকে পড়ে। খাবারের অভাবে ৭ জন মারা যায়। মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেয়া হয়। পরে একটি বাতিঘর দেখে ওরা সবাই সমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়ে।
বিস্তারিত»রম্য আমার কম্ম্য নয়…!
আমার অনেক দিনের শখ একটি রম্য রচনা লেখার। কিন্তু কখনো সাহস করে লেখা হয়ে ওঠেনি…
অনেকে আছেন যারা ‘রম্যরচনা’ শিরোনামে কোন লেখা দেখলে ভ্রু কুঁচকিয়ে সেসব পড়তে শুরু করেন, ভাবটা এমন যেন- ‘এরা আর কি রম্য রচনা লিখবে??? এসব তো ছিল আমাদের সময়ে…ইন দ্যা ইয়ার নাইনটিন…’ কেউ আবার আছেন এক কাঠি সরেস, পুরো ব্যাপারটাকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে ‘দেখি কিভাবে আমাকে হাসায়’ ভেবে পড়া শুরু করেন…!!!
শেখ হাসিনা, নির্বাচনী সফর ও আমি
তখন আমি সংবাদে। অর্থনীতি নিয়ে রিপোর্ট করি। ১৯৯৬ এর নির্বাচন। মনে হলো নির্বাচনী সফরে যাই একটা। চিফ রিপোর্টার কাশেম ভাই আমাকে দিলেন অ্যাসাইনমেন্ট। শেখ হাসিনার সঙ্গে যেতে হবে সিলেট। সড়ক পথে কুমিল্লা হয়ে। সকালে ধানমন্ডি থেকে রওয়ানা দিলাম। লম্বা গাড়ি বহর। দুই মাইক্রোবাসে আমরা সাংবাদিকরা।
গাড়ির সামনের সিটে ইত্তেফাকের শফিক ভাই (এবার চাদপুর থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে হেরে গেছেন আওয়ামী লীগ থেকে)। কুমিল্লার পথে গাড়ি।