আজ সকালে তুহিন ভাইয়ের পোষ্ট দেখার পর থেকেই কলেজ জীবনের সবচেয়ে কষ্টের স্মৃতিটা খুব বেশি মনে পড়ছিল। অশ্রূ ভেজা দুটো চোখের সামনে আমার অসহায়ত্বের ছবি বারবার ভেসে উঠছিলো। সেই জমাট বাধা কষ্টের প্রলাপ বকেই আজ সিসিবিতে আমার ব্লগিং ইনিংসের শুরু হলো।
আমি ছিলাম বদর হাউসে আর আশিক হুনাইনে। যে কোন গেমসেই ওর মারাত্নক ভালো পারফরম্যান্সের জন্য অন্য কলেজের অনেকেই ওকে চিনতো।
একটা ভদ্রলোকের গল্প বলার চেষ্টা
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমারে টাইনা এনেছে লাভলু ভাই। বলছে যে এখানে আমি শান্তি পাবো, স্বস্তি পাবো, মজাও পাবো। এখানে বেশিরভাগই জুনিয়র ছেলে-মেয়ে। কিন্তু প্রত্যেকেই অসাধারণ এক একেকটা ছেলে মেয়ে।
আর তাই লোভে পইরা আমিও চইলা আসলাম। তবে প্রথম পোস্টেই নীল ছবি জাতীয় কিছু লেখার পরা মনে হইলো কাজটা মনে হয় ঠিক হইলো না।
শুক্রবার ছিল আমার ছুটির দিন। নেটের সামনে বসা হয় নাই।
যে প্রশ্নের জবাব আমার কাছে নেই…!!!
১৬.১২.২০০৮
– ‘মা, ও মা…!!’ -আহ্লাদে গদগদ হয়ে মা’কে ডাকলাম!
– ‘কি বলবি বল… ‘
– ‘আজ এই বিশেষ দিনে তোমাকে কিছু একটা উপহার দিতে খুব ইচ্ছা করছে…’
– ‘কি দিতে চাস?’
– ‘উম্…তোমাকে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই…’
– ‘যা ভাগ! লাগবে না…’
– ‘তাহলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সহনীয় মুদ্রাস্ফীতি, সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি…একটা কার্যকরী জনগণের বাজেট?’
বাছারা, সুখে থাক আজীবন
বহু দিন পরে অদ্য সকাল দশ ঘটিকার দিকে সচলে বেড়াইতে গিয়াছিলাম। আগে এই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল আমার, যদিও নানা কারনে সম্পর্ক টিকিয়া রাখিতে পারি নাই। তবে আমার আত্নীয় স্বজনের মধ্যে অনেকেই উক্ত বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করে বিধায় আমিও মাঝে মাঝে একটু উকি মারিতে যাই। তাহাদের তরকারিতে মাঝে মাঝেই ঝালের পরিমান বেশি হইলেও খাইতে মন্দ লাগে না। যাই হোক, খাইতে খাইতে তাহাদের দুই নম্বর আইটেমে গিয়া আমার পিত্তিটা একেবারেই জ্বলিয়া উঠিল।
বিস্তারিত»শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা
কাইয়ুম ভাইয়ের (ফৌজিয়ান) কাছ থেকে একটা দারুণ বই পেলাম। ১৯৭২ সালে প্রথম বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বইটি প্রকাশ করেছিল। বই না বলে স্মারকও বলা যায়। কাইয়ুম ভাই নিলক্ষেত থেকে সংগ্রহ করেছেন। বইয়ের কয়েক পাতা উল্টিয়ে মনে হল, মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা পুরোদমেই পুনর্গঠন কাজ শুরু করেছিলাম। কি কারণে যেন সব উলপটপালট হয়ে গেল। যে কয়জন বুদ্ধিজীবী বেঁচে ছিলেন তাদের প্রত্যয়ও লক্ষ্য করার মত। কেন সবকিছু উলটপালট হল,
বিস্তারিত»মা
আমার আজকের এই লেখাটি তুহিনের মায়ের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করে তুহিনকে উৎসর্গ করে লিখা।
আমার ক্যাডেট কলেজের একেবারে শুরুর দিকের ঘটনা। ১৯৯২ সালের জুলাই/আগষ্ট মাস। ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন। আমি, ফখরুল, ফয়সাল এবং মাহফুজ আমরা ৪ জন ছিলাম রুমমেট। আগের শুক্রবারে প্যারেন্টস্ ডে হয়ে গিয়েছে। সবার কাছেই কমবেশি খাবারের ষ্টক আছে। ফয়সালের ডেক্সের ভিতরে ছিল ড্রাইকেকের একটা প্যাকেট। আমি আবার ড্রাইকেক খুব পছন্দ করতাম।
বিস্তারিত»কামরুল হাসানকে বলছি
দোস্ত ,অনেক আগে দার্জিলিং য়ে মাইনাস ৫ তাপমাত্রায় টাইগার হিল যাবার সময় আমার কাছে একটা মাফলার চাইছিলি, কিন্তু আমি দেই নাই।
দোস্ত, পরে ঘটনাটা মনে পড়ার পর খুব খারাপ লাগছিলো। আমি এই জন্য এখন অনুতপ্ত।
আমাকে কোন এক সময় ক্ষমা করে দিস।
টুশকি জুনিয়ার!!!!
অনেক দিন ধরে টুশকি ভাইয়ের টুশকি পড়তে পড়তে আমারও মনে হল আইডিয়াটা বেশ ভাল। জীবনে চলার পথে ছোট খাট এই রকম প্রায়ই হাস্য কৌতুকের সম্মুখীন হতে হয়। ঘটনা গুলো সুন্দর ভাবে লিপি বদ্ধ করাটাই কঠিন কাজ। যেটা কিনা সায়েদ ভাই(মতান্তরে টুশকি ভাই) তার সুনিপুন দক্ষতায় সহজ করে পরিবেশন করেন। আরও অনেকে অতি সুন্দর বর্ননা করতে পারে, কিন্তু আমি মটেও পারি না 🙁
আমি আমার আসল লেখায় চলে যাই।
জাগিয়া উঠিল প্রাণ
সিসিবি আড্ডা শেষ হয়েছে আরো ঘন্টা দু’য়েক আগে।
সেই বিকাল তিনটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত বিরামহীন আড্ডায় এতো মশগুল ছিলাম যে এখন বেশ টায়ার্ড লাগছে। অনেক ইচ্ছে ছিলো জমানো আড্ডা নিয়ে একটা বেশ জম্পেশ পোস্ট দিবো। কিন্তু এখন ক্লান্তি আর আলসেমিতে ফাঁকি মারার কথা ভাবছি। অবশ্য লিখেও খুব বেশি লাভ হতো না। কিছু কিছু আনন্দ ঠিক লিখে বুঝানো যায় না। সব কিছু মিলিয়ে এতো দারুন একটা সময় কেঁটেছে যা অনেক অনেক দিন মনে থাকবে।
বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের এক দারুণ মিল পাওয়া গেছে
Pakistan Chief Justice Abdul Hameed Dogar
বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের এক দারুণ মিল পাওয়া গেছে। খন্দকার দেলোয়ারের পাজামা/প্যান্ট কাহিনী অনেকেই জানে। কিন্তু জানে না পাকিস্তানি প্রধান বিচারপতির ঘটনা। দুটো ভিডিও এখানে ব্লগারদের মন্তব্যের জন্য উন্মুক্ত হলো। সৃজনশীলতার একটা পরীক্ষা চলুক।
বিস্তারিত»রুপসী বাংলা আমার …..( ও একটা ক্যাডেট বুদ্ধি )
দেশ ছেড়েছি অনেকদিন হলো। প্রায় দেড়বছর। এমন না যে একটানা দেড় বছর কাটিয়ে দিয়েছি, একই প্রবাসে পড়ে আছি তাও না । প্রায়ই তিন মাস, ছয়মাস পরেই বাংলাদেশে যাই। চাকরীর কোম্পানী চেন্জ্ঙ হয়, দেশ চেন্জ্ঙ হয়। নতুন নতুন মানুষ, পরিবেশ দেখি । তাই হিসেব অনুযায়ী খুব বেশি হোমসিক হওয়ার কথা না। তারপরও হোমসিক হই । একসপ্তাহ , দুইসপ্তাহ দেশে গেলে খালি অফিসিয়াল কাজগুলোই করা হয়। দুচোখ ভরে বাংলাদেশ দেখার যে আগ্রহ তা কিছুতেই মেটে না ।
বিস্তারিত»ফটো ব্লগ : বোমি লেক
ফটো ব্লগ : মনরোভিয়া
ফটো ব্লগ : মনরোভিয়ার পথে
ফটো ব্লগ : লাইবেরিয়া
ফটো ব্লগ : স্থির সময়
“স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট” করতে আমাদের লোকজন মনরোভিয়া আসে। আমি আপাতত মনরোভিয়ার বাসিন্দা। আমি তাহলে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে কই যাই? কলিগদের মুখে মুখে শুনে এবং ছবি দেখে অনেকদিন আগে থেকেই মনের মধ্যে “বোমি লেক”
বিস্তারিত»কৈশোর ৩

এখন চিন্তা করতে গিয়ে হয়ত মনে হচ্ছে এটা অনেক বড় ব্যাপার ছিল, একটা মেয়ে আমার সাথে এগিয়ে এসে কথা বলল! তাও আমার এত প্রশংসা করল! তাও কি না আমি, যে কি না তেমন একটা মেয়েদের সাথে কথাই বলতে পারি না তার!
কিন্তু ঐসময় কেন জানি সেরকম কিছুই মনে হয় নাই। পরেরদিন নিয়মমত ক্লাসে গেলাম। পিছনের দিকে বসলাম, ক্লাসরুমের বামদিকে। এক পিরিয়ড পরে খেয়াল করলাম ডানদিকে মুমুও একা একা মেয়েদের সারিতে বসেছে।
বড় জানতে ইচ্ছে করে-৩…!!!
[লেখাটি উৎসর্গ করছি আমার বন্ধু ও অনেক অপকর্মের সাথী ইসলাম (জেসিসি, ১৯৯৫-২০০১) কে…ওর সাথে কথা বলার সময়ই প্রথম আজকের প্রসংগটি উঠে এসেছিল…]
দৃশ্যপট-১: গ্রামের মেয়ে কুলসুম। যৌতুকের বিনিময়ে তার বিয়ে হয় একই গ্রামের রুস্তমের সাথে। ছেলেটা অকর্মার ধাড়ি, এবং নেশাখোর…কয়েকমাস যেতে না যেতেই, আরও টাকার জন্য সে দাবী করে কুলসুমের বাবার কাছে। দরিদ্র বাবা তার এ দাবী মেটাতে ব্যর্থ হলে কুলসুমের উপর শুরু হয় অকথ্য অত্যাচার।
বিস্তারিত»একটি (অনুপ্রাণিত) পোষ্ট
অন্যদের বেলায় কি হয় জানিনা, আমার ক্ষেত্রে যা হয় তা হল ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারী কিংবা মার্চ মাসে পত্রিকায় আবেগঘণ, দূর্দান্ত কয়েকটা লেখা পড়ি আর কিছু চোখের জল ফেলে আবার সব ভুলে যাই। আমার ভুল ও হতে পারে তবে ইদানিং মনে হয় আমরা সবাই তাই করছি; দেশপ্রেমের খ্যাপ মারছি। আমি এই দুষ্টচক্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।
আরো একটা কাজ আমি করি সেটা হল সবাইকে গালি দেই,
বিস্তারিত»