মধ্যরাতে পর্দাটানা জানালায়
জ্বলছে মায়াবী নীল আলো।
তবুও সাড়ে সাত মিলিয়ন মানুষের শহরে হায়
জানালা নয়কো এই একটাই;
আরো আছে অজস্র নিযুত,
পড়ন্ত বিকেলের অবারিত মাঠে
সহসা দুর্যোগময় পতঙ্গপালের মতো।
রুপালী কুহেলিকায় আমাদের কংক্রিটের খোপর!
হারায়ে খুঁজি
আমার আশেপাশের মানুষের মাঝে আমার একটা বদনাম আছে। আমি নাকি পুরান দিনের কথা বেশি ভাবি। কথাটা মিথ্যা না বরং শতভাগ সত্য। অতীত আমার প্রতিদিনের একটা বিশাল অংশ জুড়ে থাকে। গত বছর ঠিক এইদিনে কি করেছিলাম কেমন কাটিয়েছিলাম সেটা ভাবা আমার অন্যতম প্রধান একটা কাজ। সেটা বের করার জন্য আমার নিজস্ব টেকনিক আছে সেটা আজ থাক। অতীত রোমন্থন এর একটা কষ্ট আছে। সারাক্ষণ একটা ভাবনা মাথায় থাকে “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”।
বিস্তারিত»আমি ফিরিলাম!
ক্লাশ নাইনে যখন উঠলাম, সেবছর পুরো জানুয়ারি মাস ছুটি ছিলো। রোজার ছুটি। ছুটির পরে কলেজ খুললো ফেব্রুয়ারির পাঁচ তারিখে। এটা স্পষ্ট মনে আছে কারণ আমি সেবারে একদিন পরে কলেজে এসেছিলাম। আমার বাবা সেইসময়ে ট্রেনিঙয়ে ছিলেন দেশের বাইরে। সেখানে আমরাও বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমি, মা আর বোন। আমার কলেজ খুলে যাবে বলে একা একাই ফিরে এসেছিলাম। প্লেনে করে ঢাকায় নেমে মামার বাসায়, সেখান থেকে পরের দিন বাসে করে ঝিনাইদহ।
বিস্তারিত»যাহা পাই, তাহা চাই না-
কবি বলেছেন, জীবনে চলার পথে কোন একটা উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলতে হবে। ( কোন কবি বলেছেন মনে নাই, তবে এত সুন্দর একটা কথা, কোন না কোন কবি নিশ্চয়ই বলেছেন। আর কেউ যদি বলে না-ই থাকে, তাহলে ধরা যাক, আমিই বলেছি। 🙂 )
তো, এইবার রমজান শুরুর আগে ভাবছিলাম, এই রোজায় আমার উদ্দেশ্য কী?
পাপ-তাপ কমানোর খুব একটা সুযোগ নাই। একেবারে কাফের-নাছারাদের দেশে থাকি,
কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব এক
[ প্রখ্যাত মনীষী আলফ্রেড মুইকিহনু বলেছেন, ‘কিছু কিছু সাহিত্যকর্ম আছে রচনা করা খুবই সহজ- যেমন রসময় গল্প(!), ওয়েস্টার্ন গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এর কোনটাকেই মৌলিক দাবী করা শুধু কঠিনই নয়, বোকামীও। স্থান, কাল, পাত্র আলাদা হলেও কাহিনী সাধারণত ঘুরে ফিরে একই হয়…’
যেহেতু আমি খুব চালাক, তাই এই গল্পটিকে এক্কেবারে মৌলিক দাবী করছি না…কেউ যদি তার জীবনে পঠিত, শুনিত বা দেখিত কোন কাহিনীর সাথে এর কোন অংশের মিল পান,
নোবেল শান্তি পুরষ্কারঃতাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াঃ
অল্প কয়েক মিনিট আগে সিএনএন এ দেখলাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ বছর নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেয়েছেন।আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে-বিচ্ছিন্ন পরিবারের প্রাক্তন মুসলমান এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভুত একজন মানুষের পক্ষে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া নিঃসন্দেহে তার যোগ্যতা এবং অসামান্য ইচ্ছাশক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।কিন্তু বিশ্বশান্তিতে বড় ধরণের কোন অবদান এখনো পর্যন্ত না রেখেও ক্ষমতায় আসার এক বছরও পূর্ণ হবার আগেই শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যাওয়াটা বেশ দৃষ্টিকটূ।তিনি ভবিষ্যতে এমন কোন পদক্ষেপ ভূমিকা নিতে পারবেননা সেটি বলছিনা-কিন্তু এই মুহূর্তে এক ইরানকে পারনামবিক অস্ত্র তৈরি না করার কথা বলে হুমকি দেয়া ছাড়া বিশ্বশান্তির পথে বৈপ্লবিক কোন পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন বলে আমার মনে হয়নি।আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি পুরষ্কারটা এখনই উনাকে না দিয়ে তিনি আসলেই খুব বড় কোন পদক্ষেপ(যেমন প্যালেস্টাইন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান) সফলভাবে নেবার পর দেয়া হত তাহলে সেটা অনেক বেশি যুৎসই হত।বারাক ওবামাকে এ বছর নোবেল শান্তি পুরষ্কার দেবার মাধ্যমে এ পুরষ্কারটির ভাবগাম্ভীর্য ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছে।
বিস্তারিত»বাবারে, তোকে আজ খুব মনে পড়ছে রে বাবা !
সিসিবি তে প্রায়এক বছর পর যোগদান করেছি। অনেক দিন ধরে লেখার ইচ্ছা হচ্ছিল। আজ শুরু করে দিলাম। যদিও সিসিবির সব লেখা পড়ে শেষ করতে পারিনি। তবে এখন পর্যন্ত ‘বাবা’কে নিয়ে কোন লেখা চোখে পরেনি। তাই ‘বাবা’কে নিয়ে লিখতে বসে গেলাম। আগে কেউ লিখে থাকলে একটু জানাবেন।
এই ‘বাবা’ কোন বাবা তা মনে হয় ঝিনাইদহ আর রংপুরের ক্যাডেটদেরকে বলতে হবে না। যিনি আমাদের কলেজে আমাকে মোটামুটি খুব স্নেহ করতেন…।
বিস্তারিত»চে’
আজ চে’ গুয়েভারার ৪২তম মৃত্যুদিবস। চে’ ছিলেন মনে প্রানে বিপ্লবী। তিনি শুধু কিউবা বা আর্জেন্টিনার না,আসলে সারা বিশ্বের মেহনতি মুক্তিকামী মানুষের অধিকার আদায়ের রোল মডেল। চে’ জন্মেছেন আর্জেন্টিনায়,বিপ্লব করেছেন কিউবায় এবং আরেকটি বিপ্লব করার জন্য সহযোদ্ধা ফিদেল কাস্ত্রোকে সঙ্গে নিয়ে ছুটে গিয়েছেন লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায়। তাঁকে যদি দেশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হত তিনি বলতেন আমি আর্হেন্তিনার(আর্জেন্টিনা),আমি বলিভিয়ার,আমি সান্তাক্লারার,আমি কিউবার,আমি ম্যক্সিকোর।আসলে চে’কে কোন দেশের গন্ডি দিয়ে ডিফাইন করা যাবেনা।চে’ মেহনতি বিপ্লবী মানুষের,চে সারা বিশ্বের।
বিস্তারিত»প্রতীক্ষিত প্রাপ্তি
অপেক্ষার প্রহরগুলো অনেক সুন্দর, আবার তাও যদি হয় সুন্দর কোন মানুষের জন্য। কিন্তু সেই সুন্দর মানুষটি যদি আসার আগেই হারিয়ে যায়! যদি প্রকৃতির দুর্লঙ্ঘ্য নিয়মের বেড়াজালে সাত পাকে বাঁধা পড়ে যায়!
………………………………………………………….
বৃষ্টি আসবে
বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি
উদ্দাম বাতসের তান্ডব চলবে-
আমার পৃথিবীতে।
শুধুই অন্ধকার, নিষ্প্রদীপতা।
আমি নগ্ন হয়ে ভিজব।
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা
ছুঁয়ে যাবে আমার ওষ্ঠ,
একটি অর্থের খোঁজে
প্রতিটি রাত্রি কিভাবে যেন কেটে যায়,
কারও অপেক্ষায়।
প্রতিটি দিন আসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে,
দুহাতে কত প্রতিজ্ঞা আর নতুনত্বের ঘনঘটায়।
কে শুধু সুখী, কে বা শুধু অসুখী?
এত ঘটনা, এত চিন্তা
সাধের হাসপাতাল
সাফল্য / ব্যর্থতার পেজগি
হাসপাতাল যে কারো সাধের জায়গা হতে পারে ক্যাডেট কলেজে না গেলে বুঝি জানা হত না। কে কত বার এডমিট হতে পারল , কে কত দিন পিটি মাফ পেল তা নিয়ে ছিল রিতিমত হিসাব নিকাশ। আর কেউ যদি বারকয়েক সি,এম,এইচ যেতে পারে তাহলে তো আর কথাই নাই। যেন রীতিমত বীরের সম্মান । আমাদের ব্যাচ এর সুমন আর শহীদুল্লাহ ছিল সি,এম,এইচ এক্সপার্ট।
অন্যরকম কবি
একজন কবির কথা বলি। এই কবি এমন একধরণের কবিতার চর্চা করেন যার উৎপত্তি পোকেমনের দেশ জাপানে! উনি ফুটবল খেলেন, ‘কিক অফ’ও করেন! হাইকু লিখে উনি ব্যাঙ্গালোর ঘুরে এসেছেন, আর ফুটবল দেখে সিঙ্গাপুর! নিশ্চয়ই বুঝতে পারতেসেন উনি কে? আমাদের হাসান ভাই ( কামরুল হাসান, ডেইলি স্টার)। আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। একই ডিপার্টমেন্টে পড়ায় উনারে সময় অসময়ে অনেক পেইন দিসি। আজকে এই হাসান ভাই এর জন্মদিন।
বিস্তারিত»ফ্ল্যাশবন্ড ০০৭
আমি মনে হয় রাইটার্স ব্লকে পড়েছিলাম। আমার ব্লগ স্টোর রুম দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবেন।তৌফিকের ফর্মুলা মতে তাই দাঁড়ায় ব্যাপারটা।যদিও আমি তৌফিকের মত তারকা লেখক না তারপরও কেন এমন হলো সেটি আমার বোধগম্য নয়।
যাইহোক সিরিজের এই পার্টের নামকরন নিয়ে একটি কথা বলে নেই।আমি আবার বন্ড সিরিজের একজন ফ্যান।তাই ৭ সংখ্যা আসলেই ০০৭ ইউস করি প্রায় সব জায়গায়।
১/ আমি আর কয়েকজন ফ্রেন্ড মিলে সিনেপ্লেক্সে গিয়েছিলাম জেমস বন্ডের ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’ দেখার জন্য।
বিস্তারিত»ফিরে দেখা (পর্ব-৫)
(১৬)
ক্লাশ নাইনের সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটি ইডি খাচ্ছে । ব্যাপার কি ? সবাই অবাক । পরে জানলাম সে এক ম্যাডামকে বলেছিল “ম্যাডাম এই টপিকটা খুব কঠিন , যদি দু দুবার করে বোঝান তবে খুব ভাল হয়” । ম্যাডাম ‘দু দুবার’ শব্দটিকে
অন্যভাবে মিন করেছিলেন । ফলে ভদ্র ছেলেটির ৩ টা এক্সট্রা দ্রিল ।
(১৭)
ছুটিতে আমরা কয়েক ফ্রেন্ড একটা ফাস্টফুডের দোকানে ঢুকেছি হালকা নাস্তা করার জন্য ।
আচার ০২৭: পিচ্চি মানুষ
সিসিবিতে প্রথম জয়েন করার ভেবেছিলাম ছদ্মনামে লেখব। যখনকার কথা বলছি তখনো সিসিবির প্রচলিত রীতি নীতিগুলো গড়ে ওঠে নাই, ছদ্মনামে লিখতেনও কয়েকজন। কি বলেন কাইয়ূম/ফৌজিয়ান ভাই? ;)) ছদ্মনাম হিসাবে পছন্দ হলো নন্দঘোষ নামটাকে। আমার কলেজ লাইফকে এই একটা শব্দ বেশ তাৎপর্যপূর্ণভাবে এক কথায় প্রকাশ করে দিতে পারে। ইতরামি-বানরামি যে করি নাই এমন না, কিন্তু গ্রুপ ফল্ট হইলেই আমারে কলেজ অথরিটি ঝুলায়ে দিত, আমি সেইখানে থাকি বা না থাকি।
বিস্তারিত»