নিজেকে সুদর্শন ভাবতে আমার মন্দ লাগে না, যদিও এই যাত্রায় সেরূপ ভাবার সৌভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্য কোনটাই হয় না। বড়ই পরিতাপের বিষয়, জীবনের এতগুলো বসন্ত পেরিয়ে গেলো, তবু কেউ হেসে এসে বললো না, “হাই হ্যান্ডসাম।” একবার কারে যেন বলতে শুনছিলাম, ‘ছেলেটাকে কেমন ছুট ছুট লাগে, মনে হয় ক্লাশ এইট নাইনে পড়ে।” অথচ আমি তখন দিব্যি দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। হায়রে অভাগা নারী, তোমারে দিতাম গয়না-শাড়ী; খালি একবার যদি বইলা দিতা,
বিস্তারিত»হুইস্পারিং
আমি ফার্মগেট ওভারব্রিজের উপরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকি, প্রখর রোদে। নাগরিক ব্যস্ততা দেখবো বলে, সারিবদ্ধ গাড়ির ধেয়ে চলা দেখবো বলে, ফুটপাতের হকারের সংগে ক্রেতার দরদাম শুনবো বলে।
আমি জিরো পয়েন্টের চক্করে চিত হয়ে শুয়ে থাকি, চোখ বন্ধ করে। আশেপাশে অজস্র গুঞ্জন গুলো ফেনা পাকিয়ে আমাকে অষ্টপৃষ্টে বেধে ফেলে। আমি ব্যস্ততাকে অনুভূব করি।
আমি কর্ণফূলীর মোহনায় বসে থাকি, নদীর আর সমুদ্রের সঙ্গম দেখি,
বিস্তারিত»দিনকাল -১ : মাথাও আছে, ব্যাথাও আছে কিন্তু মহাবিশ্বে নেই একটা কুড়াল
বিভিন্ন সময় আমি আক্রান্ত হই তীব্র মাথাব্যাথার। ব্যাথাটা বিস্ফোরণের মত মাথার কোন এক নৈর্বত্তিক অংশে শুরু হয়ে তীব্রতা কমে বিস্তার বাড়ে, উভয়েই এক্সপোনেনশিয়ালী। মাথা ব্যাথার ফিজিক্যাল কারন ঘাটাঘাটি না করাটাই ভালো কারন, জান্তব বা দৈবচয়নে অনেক কারনই উঠে আসতে পারে। আমি অবশ্য মাথা ব্যাথার কারন কে বিশেষ গুরুত্ব দেই না। ব্যাথার প্রকোপে যখন সিগারেটের ধোয়া কাগজের মত বিস্বাদ লাগে তখন মাঝে মাঝেই দিশেহারা লাগে। জ্বলন্ত সিগারেট টা ফেলে দেই।
বিস্তারিত»সূর্যপুত্র (পর্ব ছয়)
সূর্যপুত্র (ভূমিকাসহ পর্ব এক) (পর্ব দুই) (পর্ব তিন) (পর্ব চার) (পর্ব পাঁচ)
****আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই…আমার এই লেখাটি সম্পূর্ণই বানানো। জীবিত…মৃত…কাল্পনিক কারও সাথে আমার এই লেখা মিলে গেলে সেটার দায়ভার আমার একেবারেই নেই…আছে সিসিবির প্রিন্সিপ্যাল ভাইস্যার… ভাইস প্রিন্সিপ্যাল ভাপু… অ্যাডজুট্যান্ট ভাইস্যার…ইত্যাদিসহ আমার সকল সিনিয়র/জুনিয়র ভাই/বোনদের…কারণ, বৃক্ষের আবার দায়ভার কিসের???????!!!!!
০২ মে,
বিস্তারিত»আইইউটি পার্টি …
আমরা ছাড়াও তো অনেক অতিথিরা সিসিবিতে বেড়াতে আসেন প্রায়ই। অনেকে খোমাখাতার লিংক ধরে, কেউ মেইলা মেইলির কারণে কেউ বা গুগল করে। মজাটা হয় গুগল করে আসা অতিথিদের নিয়ে। গুগল অতিথিরা কী শব্দ টাইপ করে সিসিবির খোঁজ পেয়েছেন ড্যাশবোর্ডে ঢুকলে তা ঠিক দেখতে পাওয়া যায়। আমি দিনের মধ্যে যতবার ড্যাশবোর্ডে ঢুকি ততবার ঐ বক্সটায় চোখ যায়, আর ততবার দুইটা শব্দে চোখ আটকে যায়! অতিথিরা সাধারণত দুইটা শব্দ সবচেয়ে বেশি লিখে থাকেন- ১।
বিস্তারিত»ফেডারেশন কাপের শিরোপা ঘরে তুলল মোহামেডান
টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ২০তম সিটিসেল ফেডারেশন কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। :awesome: :awesome: :awesome:
মোহামেডানকে অভিনন্দন। :guitar: :guitar: :guitar:
অভিনন্দন আবাহনীকেও।
বিস্তারিত»আবেগের কিছুক্ষণ … একটি কবিতা
অলির কথা শুনেছ তুমি?
রয়ে গেছে যা মোর হৃদয় মাঝে, বলা হয়নি তোমায়।
নোঙর করতে দেখেছ কোন জাহাজকে কখনও?
অধীর আমি, তোমার পরাণ মাঝে নোঙর ফেলবো বলে।
রংধনু দেখেছ আকাশপটে?
নোলকের ছটায় তুমি আরো বর্ণিল, ঐ সপ্তধনুর চেয়েও।
অন্ধকার দেখেছ তুমি?
রয়ে যায় তা হৃদয় গহীনে আর,
নোনা জলে মিশে যায় আমার অশ্রুজল।।
স্পর্শহীন অনুভব
একেকটি রাত কাটে নিদ্রাহীনতায়
সঙ্গোপনে ফেলি চোখের জল
আমার হৃদয়ের জ্বলন্ত আগুনটা
আমি নিভিয়ে ফেলতে চাই
দু’চোখের সমস্ত অশ্রু দিয়ে।
কিন্তু আমার অশ্রুগুলো বড় নিষ্ঠুর
আগুন না নিভিয়ে আরও বাড়িয়ে দেয়।
বড়লোকদের ব্যাপারস্যাপার
ব্লগে লেখা আর পত্রিকায় লেখার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। ভাষাগত পার্থক্য তো আছেই, বিষয়বস্তু নিয়ে অনেক সাবধান থাকতে হয়। কোন লেখায় কে আবার আহত হয় বোঝা মুশকিল, হোক না রম্য। তাই লিখতে হলো একটা শালীন রম্য। আজ ছাপা হয়েছে রসালোতে।
আবারও সেরা ধনী হয়েছেন বিল গেটস। তিনি নাকি সেকেন্ড আয় করেন ৩ হাজার ডলার। মানিব্যাগ থেকে ১ হাজার ডলারের নোট পড়ে গেলে তা আবার পকেটস্থ করেন না।
বিস্তারিত»ভাসমান
স্বপ্নগুলো কখনো কখনো অধরা হয়ে রয়
কল্পনার ক্যানভাসে
বিমলিন আর্তনাদ ভেসে যেতে চায়
জোয়ারের উন্মত্ততায়
বিবর্ণ অনুনাদতাকে ঠেকিয়ে রাখে
হয়তো বিপুল কোন প্রত্যাশায়
হৃদয়ভাঙার গভীর আবেশে
ময়ুরাক্ষীর গুঞ্জন হাতছানি দেয়
হয়তো নতুন কোন আবেগে……
লিরিক ২.০: টেবিলের চারপাশে
টেবিলে বসে ছিলো একাকী চায়ের কাপ
পাশের পিরিচে ছাইয়ের দাগ, অথবা পিঁপড়ের লাশ
টেবিলের চারপাশে এলোমেলো চেয়ার নির্ঘুম-
যারা চলে গেছে তাদের জন্যে নীরবতা সেখানে আজ।(১)
(কোরাস)
আমাদের যেদিন গিয়েছে চলে, যাবার আগে যায়নি তো বলে
সেদিন কি একেবারে গেছে হারিয়ে, হৃদয়ের সীমানা বহুদূর ছাড়িয়ে||
আমরা জেনেছি পৃথিবীর দিনরাত মানুষের জন্য নয়
পিরিচের ঘূর্ণিতে ছিটকে যাবে জলবিন্দুর স্রোত
মিছে প্রেম,
কলকাতা ভ্রমনঃ অতঃপর
১।
ঠা ঠা রোদ পড়েছে আজ; দোকানের ঝাপির নিচে বসে হালকা শীতলতার প্রশ্রয় খুজছি। এই গরমে চায়ের ব্যবসা তেমন জমছে না, ঠান্ডা কিছু রাখা লাগবে দোকানে। হঠাৎ-ই ভাঙ্গা রাস্তায় পোয়াখানেক ধুলা ছিটিয়ে লাবলু ভাইয়ের কালো মার্সিডিজটা এসে থামলো। আগে অবশ্য উনিই চালাতেন মাঝে মাঝে, এখন একটা ফুল টাইম ড্রাইভার রেখে নিয়েছেন আহসান ভাইকে; আগে পার্ট টাইম সায়েদাবাদ টু ফার্মগেটের দোতলা বাসগুলো শখ করে চালাতেন।
বাসর
(সিসিবির বিবাহযোগ্য বড় ভাইদের উৎসর্গ করে ব্লগে আমার প্রথম কবিতা)
হালছাড়া জীবনের ইতি টেনে আজ
হঠাৎ গিয়েছি থেমে ভেংগে ফেলে লাজ ,
বসে আছি আজ তাই কারো মুখোমুখি
দেড় হাত ঘোমটার ফাকে দিয়ে উকি
অবাক বিষ্ময়ে
চেয়ে আছি যুগ যুগ চোখ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ।
কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব তিন
৫।
কেটদের বাড়ি যাবার ট্রেইলটা কিছুটা রুক্ষ হলেও দুই পাড়ের অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাইককে মুগ্ধ করল। অনেক দূরের পর্বত শ্রেনী তার বিশালতার মধ্য দিয়ে এই সৌন্দর্যকে শতগুণে বর্ধিত করেছে। ট্রেইলের এক পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সরু জলধারা। পথ থেকে বেশ খানিকটা নিচে। সম্ভবত এটা ফ্লাশ ষ্ট্রিম, বর্ষাকালে বা পাহারী ঢল নামলে মনে হয় পানি অনেক বেড়ে যায়।
বিস্তারিত»বন্ধুরা …
জিমেইলে গত কিছুদিন ধরেই মেইল পাচ্ছিলাম ক্যাডেটকলেজ ব্লগ থেকে। আমার না কী এখানে কোন এক ব্যক্তিগত মেসেজ আছে সেজন্যে। যাই হোক, অবশেষে আসা হল এখানে আজ। আমার লেখালেখি পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্তও। পিএইচডি করতে এখানে (নেদারল্যান্ড) আসার পর থেকেই একাকীত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেই মনে হয় কী-বোর্ড আর মনিটরকে আপন করে নিয়েছিলাম এখানে কিছু হাবিজাবি লেখে। তবে এটাই বা বাদ যাবে কেন?
বিস্তারিত»