নোবেল শান্তি পুরষ্কারঃতাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াঃ

অল্প কয়েক মিনিট আগে সিএনএন এ দেখলাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ বছর নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেয়েছেন।আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে-বিচ্ছিন্ন পরিবারের প্রাক্তন মুসলমান এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভুত একজন মানুষের পক্ষে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া নিঃসন্দেহে তার যোগ্যতা এবং অসামান্য ইচ্ছাশক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।কিন্তু বিশ্বশান্তিতে বড় ধরণের কোন অবদান এখনো পর্যন্ত না রেখেও ক্ষমতায় আসার এক বছরও পূর্ণ হবার আগেই শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যাওয়াটা বেশ দৃষ্টিকটূ।তিনি ভবিষ্যতে এমন কোন পদক্ষেপ ভূমিকা নিতে পারবেননা সেটি বলছিনা-কিন্তু এই মুহূর্তে এক ইরানকে পারনামবিক অস্ত্র তৈরি না করার কথা বলে হুমকি দেয়া ছাড়া বিশ্বশান্তির পথে বৈপ্লবিক কোন পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন বলে আমার মনে হয়নি।আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি পুরষ্কারটা এখনই উনাকে না দিয়ে তিনি আসলেই খুব বড় কোন পদক্ষেপ(যেমন প্যালেস্টাইন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান) সফলভাবে নেবার পর দেয়া হত তাহলে সেটা অনেক বেশি যুৎসই হত।বারাক ওবামাকে এ বছর নোবেল শান্তি পুরষ্কার দেবার মাধ্যমে এ পুরষ্কারটির ভাবগাম্ভীর্য ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেই আমার মনে হয়েছে।

আমার কথার সাথে অনেকেই দ্বিমত হবেন জানি।প্রিয় পাঠক-প্লিজ কষ্ট করে আপনাদের মতামতগুলো তুলে ধরুন না! দেখা যাক অন্যেরা কি ভাবছেন!

২,২৫৯ বার দেখা হয়েছে

৬৩ টি মন্তব্য : “নোবেল শান্তি পুরষ্কারঃতাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াঃ”

  1. জাহিদ (১৯৯৯-২০০৫)
    কিন্তু বিশ্বশান্তিতে বড় ধরণের কোন অবদান এখনো পর্যন্ত না রেখেও ক্ষমতায় আসার এক বছরও পূর্ণ হবার আগেই শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যাওয়াটা বেশ দৃষ্টিকটূ

    সম্পুর্ণ সহমত। এই ঘটনায় নোবেল পুরষ্কারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হলো।

    জবাব দিন
  2. জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

    আমিও অনেকটা সেরকমই মনে করি। আজ থেকে এমনকি দুই বছর আগেও ওবামার নাম পর্যন্ত কেউ জানতো না। মানছি আমেরিকার প্রেসিডেন্সি একটি লাইমলাইট অবস্থান, তারপরও আমার মনে হয়না কিছু আরামদায়ক ভাষন ছাড়া ওবামার আরও কোন অবদান রয়েছে। আমি বারাক ওবামাকে পছন্দ করি, কিন্তু তার এই অকালপক্কভাবে নোবেল পাওয়াটা ভালো লাগলো না।

    জবাব দিন
    • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

      ওবামা নোবেল পেতে পারেন কিন্তু সে জন্যে তাঁর সেরকম বড় কিছু করে দেখানো উচিৎ ছিল।নোবেল কমিটি তাঁকে নোবেল দিয়েছে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অবদানের জন্যে।এক বছরেরও কম সময় কি এমন অবদান আছে তাঁর?আর কিছুদিন কি অপেক্ষা করা যেতনা?ধুর,নোবেল পুরষ্কারের উপর ভক্তি উঠে গেল!

      জবাব দিন
  3. রেজওয়ান (৯৯-০৫)

    আমারও তাই মনে হয়......এভাবে বিশ্বশান্তিতে বড় ধরণের কোন অবদান এখনো পর্যন্ত না রেখেও ক্ষমতায় আসার এক বছরও পূর্ণ হবার আগেই শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়ে যাওয়াটা বেশ দৃষ্টিকটূ......

    জবাব দিন
  4. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    ও, ওবাবা নোবেল পাইছে নাকি? 🙂

    শান্তিতে নোবেল পাওয়া না পাওয়া নিয়ে মাসরুফ তোমার মধ্যে মনে হয় কোন ধরনের এক্সপেক্টেসান কাজ করেছে বা করছে? তুমি আগে এটা ব্যাখ্যা কর, তোমার মধ্যে এই এক্সপেক্টেসান টা কেন কাজ করছে, এবং এটার উৎপত্তি হলই বা কিভাবে?

    যেহেতু কেউ একজন শান্তিতে নোবেল পাইছে, এবং সে আমারে না চিনলেও আমি তারে চিনি, আর তাই খুশিতে ফ্রিজ থেইক্কা মিস্টি ..।..।.....।...।। 😀


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    সকল সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে উঠে এই পোস্টে নিজ কলেজ ট্যাগ না করে যে উদারতা ও অসাম্প্রদায়িকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মাস্ফ্যু স্থাপন করলো তার জন্য ওরে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হোক।

    অনটপিকঃ ভাগ্য ভালো পুরষ্কারটা বুশরে দেয় নাই ;)) ;))


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. তৌফিক (৯৬-০২)

    মাস্ফ্যু তোর বক্তব্যের সাথে একমত।

    অফটপিকঃ মিস্ত্রিগিরি করলে নোবেল দেয় না। এমন জানলে এইচ এস সি-র পর বিশুদ্ধ বিজ্ঞান না হইলে গণিত নিয়া পড়তাম। :dreamy:

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      আমেরিকারে তেল মারা ছাড়া আমি আর কোন কারণ দেখি না।

      আমেরিকাকে তেল মেরে নরওয়ে এবং সুইডেনের কি লাভ আছে বলে তুমি মনে করো। বাংলাদেশের থাকতে পারে, ভারতের, পাকিস্তানের থাকতে পারে কিন্তু নরওয়ে ও সুইডেনের কেন থাকবে? তেল সাধারণত মেরে থাকে ইনফেরিয়র সুপিরিয়রকে। তুমি কি জ্ঞাত নও যে, নরওয়ে ও সুইডেন ওয়েস্টার্ণ ইউরোপের একটি দেশ, তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণভাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ। যারা উভয়েই কিনা ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত, উভয়েরই মাথাপিছু আয় ও শিক্ষার হার আমেরিকার চেয়ে বেশী? কনস্পিরেইসি থিওরির সমস্যা কি জানো? এটা ব্যাবহার করে যা খুশি তাই ই বলা যায়। গুজব, ঢাকঢাক- গুড়গুড় ইত্যাদির আবেদনকে আমি একটি সমাজের মানসিক ব্যাধি বলেই গন্য করবো।

      জবাব দিন
      • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

        জুবায়ের তোমার যুক্তিটা নিঃসন্দেহে ভেবে দেখার মত।কিন্তু সামরিক শক্তিতে আমেরিকার একাধিপত্য এবং ন্যাটোর হয়ে নিরাপত্তা ইস্যুগুলোতে নিজেদের স্বার্থে আমেরিকার ঘাড়ে সওয়ার হয়ে "ফ্রি-রাইড' নেওয়াটা কিন্তু একটা বড় স্বার্থের মধ্যেই পড়ে,বিশেষ করে আমেরিকাতে যখন ইউরোপের বিরুদ্ধে এই ফ্রি-রাইড নেয়াটা সমালোচিত হচ্ছে।এক্ষেত্রে ওবামাকে নোবেল প্রাইজ দেওয়াটা কিন্তু ইউরোপের জন্যে লাভজনক।একটু ভেবে দেখবে কি?

        পুনশ্চঃ আমি কোন কন্সপাইরেসি থিওরি দাঁড় করাচ্ছিনা-শুধুমাত্র সম্ভাবনার কথা বলছি।আমার চিন্তাধারা যে শতভাগ সঠিক এমনটিও দাবী করছিনা।

        জবাব দিন
  7. মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)

    শান্তি পুরষ্কারের জন্য মানুষ আসলে বেশি আর পাওয়া যাচ্ছে না, মনে হয়। লিষ্টে নাকি আর ছিলঃ জিম্বাবুয়ের প্রধান মন্ত্রী মরগান সাংগারাই এবং চীনের হু জিয়া। শান্তির দূত কি কমে গেল নাকি পৃথিবীতে?

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      আমারও মনে হয় ঠিক এইটাই কারণ। এই তিনজনই যদি নমিনি হয়ে থাকে তাহলে বোধহয় ওবামার পাওয়াটাই ঠিক। তবে, বছর বছর রুটিন করে করে পুরস্কার বিতরণের বিরোধী আমি। নোবেল যদি আমাদের সভ্যতার সর্বোচ্চ সন্মাননা হয়ে থাকে এই কনসেনসাসে আমরা বোধহয় চোখবন্ধ করেই পৌছতে পারি যে, আমাদের সভ্যতা উতকর্ষের এতটা শীর্ষে এখনও পৌছেনি যে, প্রতি বছরে বছরেই একজন করে সর্বোচ্চ সন্মাননার যোগ্য ব্যক্তি পয়দা হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা আনেকটা দুইজন ছাত্রের মধ্যে ৪১ পেয়ে প্রথম হওয়া কেননা সেকেন্ড বয় পেয়েছে ৪০।

      জবাব দিন
  8. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    যে যাই বলুক আমি মনে করি পুরষ্কারটা যোগ্য লোকেই পেয়েছে... :-B
    (যাই, এইবার আম্রিকার ভিসাটা নিয়া আসি... B-) )


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  9. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    খোদ ওয়াশিংটন পোস্টের মত পত্রিকায় অনলাইন জরিপ হচ্ছে"ডিড ওবামা ডিসার্ভ ইট?"।ফলাফল যা-ই আসুক বা অনলাইন জরিপ প্রচলিত অর্থে জরিপ না-ই বা হোক,বোঝা যাচ্ছে যে বিশ্বের অনেক মানুষের মনেই আমার মতই "ডাউট" সৃষ্টি হইছে।

    অফ টপিক-চ্রমসুবিধাবাদিতার্কারণেজুনাভাইয়ের্ব্যাঞ্চাই x-(

    জবাব দিন
  10. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ওবামা-ই যখন জগতের বাবামা আপাতত,
    আমরা আমজনতা আর কি করি?
    শান্তির দূতকে অভিনন্দন জানাই!

    নোবেল শান্তি পুরস্কার নামক ফাইজলামি নিয়া আর কি কমু...
    চামচাগিরির একটা সীমা থাকা দরকার...

    জবাব দিন
  11. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    নির্বাচন বিতর্কের সময় সারাহ পলিনের সতের বছরের গর্ভবতী মেয়েকে নিয়ে যখন ওবামাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো তখন ওবামা বলেছিলেন যে ‘আমার মা যখন আমাকে কনসিভ করে তখন মায়ের বয়স ছিল মাত্র আঠারো। তখন চারপাশের সমাজ মায়ের ব্যাপারে ছিল খুব সমালোচনামুখর। আমি চাই না সারাহ পলিনের কারণে তার মেয়ে আমার মায়ের মতো কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাক‘। এ কথা পড়ার পর থেকে আমি ওবামার ডাইহার্ড ফ্যান হয়ে গেছি। আমার কাছে শুধু এটা মনে হয়েছে রাজনীতিবিদ হিসেবে সে অনেকের থেকেই অনেক বিশুদ্ধ।
    কেউ চাইলেও রাতারাতি কোন সিস্টেমকে ভেঙ্গে ফেলতে পারবে না। আর ভেঙ্গে ফেলার জন্য তোড়জোড় করাটাও এক ধরনের বোকামী - এ ক্ষেত্রে তার জীবনের সংশয় থাকে। আমি ওবামার বুদ্ধিমত্তা দেখে খুব মু© হই। স্রোতের মধ্যে গা ভাসিয়েও খুব আস্তে আস্তে ওবামা বিপরীত স্রোতে সাতার কাট্টে জানে। ওবামার যে কোন ভালো সংবাদই আমাকে আনন্দ দেয়। নোবেল প্রাপ্তির খবর শুনে ভালো লাগলো।
    নোবেল প্রাইজ কোন সময় বিতর্কিত ছিল না? শান্িততে গান্ধি পুরষ্কার পায়নি। এরপর কি শান্িতর পুরষ্কার নিরপেক্ষতার বিচারে তেমন কোন গুরুত্ব বহন করে?


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
  12. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)


    আমি মনে করি না এই পুরস্কারের পেছনে আমেরিকা কে তেলানো বা সুবিধা আদায়ের বিন্দুমাত্র কারণ ছিল। কারণ,
    - নোবেল কমিটির বিরুদ্ধে এমন কোন অভিযোগ প্রমাণিত হয় নি, তারা আদতে বিশুদ্ধ
    - আমাদের হাতে এমন কোন তথ্য নেই যার প্রেক্ষিতে এমন জালিয়াতির সিদ্ধান্ত টানা যেতে পারে।
    যদি কেউ তেলানো বা ওবামার মন জয়ের কারণ খুঁজে পান তবে সেটাকে কেবলই তার ব্যক্তিগত চিন্তাধারা হিসেবে নেব। বাস্তবতায় এমনটা দেখি না।


    ওবামাকে ভাল লাগে। এবং এতে কোন সন্দেহ নেই যে, পুরস্কারটা এখন তার প্রাপ্য ছিল না। ওবামার প্রতিক্রিয়াও এক্ষেত্রে খারাপ ছিল না। আশাবাদী হয়েই তার বক্তব্যটা পড়লাম:

    রোজ গার্ডেনে বারাক ওবামার নোবেল পরবর্তী বক্তব্য:

    Good morning. Well, this is not how I expected to wake up this morning. After I received the news, Malia walked in and said, "Daddy, you won the Nobel Peace Prize, and it is Bo's birthday!" And then Sasha added, "Plus, we have a three-day weekend coming up." So it's good to have kids to keep things in perspective.
    I am both surprised and deeply humbled by the decision of the Nobel Committee. Let me be clear: I do not view it as a recognition of my own accomplishments, but rather as an affirmation of American leadership on behalf of aspirations held by people in all nations.
    To be honest, I do not feel that I deserve to be in the company of so many of the transformative figures who've been honored by this prize -- men and women who've inspired me and inspired the entire world through their courageous pursuit of peace.
    But I also know that this prize reflects the kind of world that those men and women, and all Americans, want to build -- a world that gives life to the promise of our founding documents. And I know that throughout history, the Nobel Peace Prize has not just been used to honor specific achievement; it's also been used as a means to give momentum to a set of causes. And that is why I will accept this award as a call to action -- a call for all nations to confront the common challenges of the 21st century.
    These challenges can't be met by any one leader or any one nation. And that's why my administration has worked to establish a new era of engagement in which all nations must take responsibility for the world we seek. We cannot tolerate a world in which nuclear weapons spread to more nations and in which the terror of a nuclear holocaust endangers more people. And that's why we've begun to take concrete steps to pursue a world without nuclear weapons, because all nations have the right to pursue peaceful nuclear power, but all nations have the responsibility to demonstrate their peaceful intentions.
    We cannot accept the growing threat posed by climate change, which could forever damage the world that we pass on to our children -- sowing conflict and famine; destroying coastlines and emptying cities. And that's why all nations must now accept their share of responsibility for transforming the way that we use energy.
    We can't allow the differences between peoples to define the way that we see one another, and that's why we must pursue a new beginning among people of different faiths and races and religions; one based upon mutual interest and mutual respect.
    And we must all do our part to resolve those conflicts that have caused so much pain and hardship over so many years, and that effort must include an unwavering commitment that finally realizes that the rights of all Israelis and Palestinians to live in peace and security in nations of their own.
    We can't accept a world in which more people are denied opportunity and dignity that all people yearn for -- the ability to get an education and make a decent living; the security that you won't have to live in fear of disease or violence without hope for the future.
    And even as we strive to seek a world in which conflicts are resolved peacefully and prosperity is widely shared, we have to confront the world as we know it today. I am the Commander-in-Chief of a country that's responsible for ending a war and working in another theater to confront a ruthless adversary that directly threatens the American people and our allies. I'm also aware that we are dealing with the impact of a global economic crisis that has left millions of Americans looking for work. These are concerns that I confront every day on behalf of the American people.
    Some of the work confronting us will not be completed during my presidency. Some, like the elimination of nuclear weapons, may not be completed in my lifetime. But I know these challenges can be met so long as it's recognized that they will not be met by one person or one nation alone. This award is not simply about the efforts of my administration -- it's about the courageous efforts of people around the world.
    And that's why this award must be shared with everyone who strives for justice and dignity -- for the young woman who marches silently in the streets on behalf of her right to be heard even in the face of beatings and bullets; for the leader imprisoned in her own home because she refuses to abandon her commitment to democracy; for the soldier who sacrificed through tour after tour of duty on behalf of someone half a world away; and for all those men and women across the world who sacrifice their safety and their freedom and sometime their lives for the cause of peace.
    That has always been the cause of America. That's why the world has always looked to America. And that's why I believe America will continue to lead.
    Thank you very much.

    যাক, ওবামার মাথা ঠিক আছে। আমেরিকার মত দেশের প্রেসিডেন্ট এর যতটা ঠাণ্ডা মাথার হওয়া উচিত ওবামার তা আছে। তবে খুব বেশি যে তার পক্ষে করা সম্ভব নাও হতে পারে এটা সত্য। আর ভবিষ্যতে নোবেল কমিটির পস্তানোর চান্স যে আছে তাও মানি। কনক্লুসিভ সিদ্ধান্ত টানা বাদ দিয়ে তাই,
    Let's wait and see what happens next...

    জবাব দিন
  13. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    নোবেল কমিটির বক্তব্যটাও একবার শুনে দেখা উচিত:

    The Norwegian Nobel Committee has decided that the Nobel Peace Prize for 2009 is to be awarded to President Barack Obama for his extraordinary efforts to strengthen international diplomacy and cooperation between peoples. The Committee has attached special importance to Obama's vision of and work for a world without nuclear weapons.

    Obama has as President created a new climate in international politics. Multilateral diplomacy has regained a central position, with emphasis on the role that the United Nations and other international institutions can play. Dialogue and negotiations are preferred as instruments for resolving even the most difficult international conflicts. The vision of a world free from nuclear arms has powerfully stimulated disarmament and arms control negotiations. Thanks to Obama's initiative, the USA is now playing a more constructive role in meeting the great climatic challenges the world is confronting. Democracy and human rights are to be strengthened.

    Only very rarely has a person to the same extent as Obama captured the world's attention and given its people hope for a better future. His diplomacy is founded in the concept that those who are to lead the world must do so on the basis of values and attitudes that are shared by the majority of the world's population.

    For 108 years, the Norwegian Nobel Committee has sought to stimulate precisely that international policy and those attitudes for which Obama is now the world's leading spokesman. The Committee endorses Obama's appeal that "Now is the time for all of us to take our share of responsibility for a global response to global challenges."

    Oslo, October 9, 2009

    জবাব দিন
  14. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    And that’s why we’ve begun to take concrete steps to pursue a world without nuclear weapons, because all nations have the right to pursue peaceful nuclear power, but all nations have the responsibility to demonstrate their peaceful intentions.

    হ্যাঁ,ইজরায়েল তো বিশ্বের বাইরে বইলাই জানি কিনা 😛 আর বৃহৎ পঞ্চশক্তিও নিউক্লিয়ার উইপনের পিছনে একটা কানাকড়িও খরচ করেনা 😀

    for his extraordinary efforts to strengthen international diplomacy and cooperation between peoples.

    কিয়োটো প্রটকলের আদলে কোপেনহেগেনে আদৌ কোন চুক্তি হবে কিনা সেইটা নিয়া এখনি বেড়াছেড়া লাইগা গেছে-২০০ পৃষ্ঠার ডকুমেন্টে ব্র্যাকেট দিয়া মতৈক্যের অভাবের সংখ্যাও অগনিত-উন্নত দেশগুলা যে প্রস্তাব দিছে তা কিয়োটো প্রটকলের গযাস এমিশনের পরিমাণের চাইতে ২৫% থেকে ৪০% কম।

    হ্যাঁ, একটা প্রচেষ্টা ওবামা শুরু করছে এইটা অবশ্যই মানি,আর তিনি যে নোবেল প্রাইজ পাওয়ার সম্ভাবনা রাখেন এইটা নিয়াও সন্দেহ নাই।কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল পাওয়ার আগেই(এবং প্রেসিডেন্ট হওয়ার মাত্র দশ দিনের মাথায় নমিনেশন পেয়ে) উনার নোবেল প্রাইজ পেয়ে যাওয়াটা একটা তৃতীয় শ্রেনীর রসিকতা ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নাই আমার কাছে।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      এনপিটি অনুসারে কোন দেশই পঞ্চশক্তি হোক কি না হোক নিউক্লিয়ার প্রলিফেরেইশানের জন্য বিনিয়োগ করতে পারবে না। এটা কিন্তু তাদের বলছে না যে যেই নিউক্লিয়ার বোমা তাদের আগে থেকেই আছে তা ধ্বংস করে ফেলতে হবে। এটা বলছে শুধু নতুন করে নিউক্লিয়ার কর্মসূচী হাতে নেওয়া যাবে না। কে কে এনপিটি স্বাক্ষর করেনি? ইন্ডিয়া, কোরিয়া, ইসরায়েল, পাকিস্তান। এরাই এখনও বোমা বানাচ্ছে। ইসরায়েল এই ঘোষণা দিতে রিফিউজ করেছে তাদের কাছে নিউক্লিয়ার বোমা আছে কি নেই। এটার সম্ভাবনা বেশ ভালো যে ইসরায়েলের নিউক আছে, অথবা এমনও হতে পারে ইসরায়েল শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নিজের কর্তৃত্ব ধরে রাখার জন্য এই লুকোচুরি খেলছে।

      নিউকের ব্যাপারে আমার মতামত কার্ল সেগানের মতই। পৃথিবীর সকল পরাশক্তির ঐক্যবদ্ধ কনসেনসাসের মধ্য দিয়ে সব পারমানবিক বোমা নিস্ক্রিয় করে ফেলা উচিত। পারমানবিক বোমাটা খুবই খুবই খারাপ একটা জিনিষ। ঐতিহাসিকভাবেই মানুষ বোমা ফুটানো, রাইফেল চালানো, তলোয়ার কোপান ইত্যাদি কাজে বড়ই বেশি পটু। পারমানবিক বোমা যে কি পরিমান ক্ষতি করতে পারে টিভিতে দু একটা মাশরুম ক্লাউড দেখা ছাড়া আমাদের বেশীরভাগেরই এ সম্পর্কে এর বাইরে নুন্যতম আর কোন ধারণাও নেই। আমি সবাইকে আর্জ করি কার্ল সেগানের কসমসের ডিভিডিটা দেখে ফেলতে। (অ.ট- মজার ব্যাপার বাঙ্গলা শব্দ আরজ কি ইংরেজী শব্দ urge থেকে উদ্ভুত?)

      আর পারমানবিক বোমার পক্ষে কোরিয়া, ভারত আর পাকিস্তানের মতো যারা সাফাই গায় এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে এরা হচ্ছে মানবতাবিহীন, দুর্গন্ধযুক্ত পশু। অবশ্য এদেরও কি দোষ দেবো- ২০০ বছরের কলোনিয়াল শাসন পেরিয়ে কিছুদিন আগে স্বাধীন হয়েছে তারা যাকে তুলনা করা যায় অনেকটা ক্যাডেট কলেজে ক্লাস সেভেনের নতুন নতুন এইটে ওঠার সাথে। রবীন্দ্রনাথের বাণী মনে পড়ে গেলো- যে বউ হয়ে যত মার খায় শ্বাশুরী হয়ে মারে ততো বেশী।

      জবাব দিন
      • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

        জুবায়ের একটু মনে হয় ভুল হচ্ছে ভাই! এইখানে কেউ পারমানবিক বোমার পক্ষে সাফাই গাচ্ছে না-খালি ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের হিপোক্রেসিটার প্রতিবাদ করা হচ্ছে।"আপনি আচরি ধর্ম পরকে শিখাও" বা "চ্যারিটি বিগিন্স এট হোম" এই কথাগুলার কোন মূল্য তো আমেরিকার কাছে নাই।এন পি টি চুক্তির কথা তো ঠিক আছে কিন্তু এর ভিতরে হিপোক্রেসিটাও তো একটু দেখতে হবে।আমার কাছে নিউক্লিয়ার উইপন অলরেডি আছে-যাই এইবার ব্যবস্থা করি আর কারো কাছে জানি না থাকে-ঘটনাটা কি সেইরকমই হয়ে গেলনা?আমেরিকার যদি সত্যি সত্যি সৎ ইনটেনশন থাকত তাহলে তারা ডিপ্লোম্যাটিক এফোর্টের মাধ্যমে বড় বড় শক্তিগুলো সবার মধ্যে পারমানবিক অস্ত্র কমানোর চেষ্টা জোরে-শোরে করেনা কেন?তাহলে ত বড় গলায় বলতে পারত-"দেখ আমরা কমাচ্ছি এইবার তোমরাও কমাও" এবং বিশ্ব জনমত তাদের পক্ষে আর প্রবল হইত। ধরে নিচ্ছি সেইটা প্র্যাকটিকালি সম্ভব না-তাহলে নিজের মিত্র পাকিস্তানরে দিয়া শুরু করেনা কেন?ইরানকে যেই প্রেশার দেওইয়া হচ্ছে তার ৫% ও তো ভারত-পাকিস্তানকে দেওইয়া হচ্ছে না!

        আমার আপত্তি হচ্ছে-ভাল কথা নিজেদের সুবিধামত কাজ সবাই করে,কিন্তু এই "বিশ্বশান্তির প্রচেষ্টায় জীবনপাত করা আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে নোবেল প্রাইজ দেওয়া হোক" মনোভাবটা।ব্যবসার সুবিধার্থে নবেল শান্তি বিজয়ী দালাই লামার সাথে দেখা করেনাই যেই লোকটা-তারে নোবেল প্রাইজ দিয়া নোবেল কমিটি খুব সয়াবের কাজ করছে বইলা আমার মনে হয়নাই।বরং ওবামার জন্য দু;খ লাগে-বেচারা নিশ্চয়ই খুব এম্বারাসড হইছে এইটা নিয়া।

        জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      (এবং প্রেসিডেন্ট হওয়ার মাত্র দশ দিনের মাথায় নমিনেশন পেয়ে) উনার নোবেল প্রাইজ পেয়ে যাওয়াটা একটা তৃতীয় শ্রেনীর রসিকতা ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নাই আমার কাছে।

      ওয়েল কথাটা একেবারেই ঠিক। কিন্তু, আরও একটা চিন্তার ব্যাপার হচ্ছে। নোবেল কমিটীকে কিন্তু প্রতিবছরই নোবেল দিতেই হবে। এরকম কিন্তু তারা পারবে না যে, এক বছর তারা বলবো যে এই বছর কোন প্রার্থী নেই তাই আমরা নোবেল দিচ্ছি না। রাইট? এটা চিন্তা করলে ও অন্যান্য নমিন ইদের দেখলে কিন্তু মনে হয় যে, আসলেই ওবামা ছাড়া আর কেউ ছিলো না। ছাত্রাভাবে অপেক্ষাকৃত পচা ছাত্রের রোল নাম্বার দশের ভেতরে থাকার মতো আর কি।

      জবাব দিন
  15. আন্দালিব (৯৬-০২)

    নোবেল এখন নো-বেল পুরস্কার হয়ে গেছে মনে হয়।

    শান্তি পুরস্কারটা নিয়ে আমি আগে থেকেই কনফিউজড। একবার দিলো ড. মু. ইউনুসকে। উনি দেশে বা বিদেশে কী শান্তি আনছেন আমি জানি না। গ্রামীণ ব্যাঙ্কের দরিদ্রতা দূর করার পেছনে অবদান আছে কী না তা তর্কসাপেক্ষ, আমি সে বইষয়ে বিশেষভাবে অজ্ঞ। তবে উনি কোনো শান্তি আনেন নাই।
    যেমনি এবারে ওবামা'কে দিলো, ওবামাও কোনো শান্তি আনেন নাই। কারো কারো মন্তব্য এমন পড়লাম (ঠেশ দেয়া পরিহাস), ওবামা মনে হয় সামনে শান্তি আনবেন এজন্য আগেভাগে দিয়ে দিছে! শুনে হোজ্জা'র কলসি আর চাকরকে চড় মারার গল্পটা মনে পড়লো। হি হি হি।

    আসল কথাঃ শান্তির মা মারা গেছেন। আলফ্রেড নোবেলও নাই। সুতরাং নোবেল শান্তির কুনু বেইল নাই!

    জবাব দিন
  16. ইফতেখার (৯৫-০১)

    বিখ্যাত ইকোনোমিস্ট গ্রেগ ম্যানকিউ তার ব্লগে এই লেখাটা দিয়েছেন

    (কেউ ভুল ভাববেন না, অর্থনীতির নোবেল এখনো ঘোষনা হয়নি, নামের জায়গায় শুধু বারাক ওবামা পড়ুন)।

    http://gregmankiw.blogspot.com/2009/10/first-year-grad-student-wins-nobel.html

    জবাব দিন
  17. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    এইমাত্র প্রথম আলো'র ২য় পাতায় এক নিউজের মধ্যে দেখলাম ইসরায়েলের এক সাংসদ ড্যানি ড্যানোন ওবামা'র নোবেল শান্তি পুরস্কারের কাহিনী শুনে মন্তব্য করেছেন, "এই প্রথম দেখলাম কেউ শুধুমাত্র সুখ-কল্পনার জন্য নোবেল পেলেন"- :)) :))

    নোবেল শান্তি পুরস্কারের গায়ে যে টুকু কাপড় অবশিষ্ট ছিল, তা-ও এবার গেলো।


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।