বৃষ্টি এবারের ঈদ পুরো ধুয়ে দিয়ে গেল। সকালে চোখ মেলেই দেখি বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, ঘুম মনে হলো তখন আরো জমিয়ে এলো। কিন্তু মায়ের অনবরত ডাকাডাকিতে শেষ পর্যন্ত বিছানা ছাড়তেই হলো, কিন্তু ততক্ষনে যা দেরি হবার হয়ে গিয়েছে। বাড়ির পাশের মসজিদে ততক্ষনে ঈদের নামাজ শুরু হয়ে গেছে। ছোট ভাই আশার কথা শোনালো যে পাশেই নাকি আরেকটা নতুন মসজিদ হয়েছে, সেখানে নামাজ আরো আধঘন্টা পরে। বৃষ্টি মাথায় করে দুভাই ছুটলাম মসজিদে।
বিস্তারিত»যার মনের সাথে গণিতের চিরস্থায়ী শত্রুতা
সিসিবি’র ই-বই ‘পরানের গহীন ভিতর’ পুরোটা প্রিন্ট করে বাসায় এনে রেখে দিয়েছি। একেবারে বইয়ের মতো বাঁধাই করে। আমার টেবিলের উপরে বা বিছানার পাশে থাকে। পরিচিত কেউ বাসায় আসলে নেড়ে চেড়ে দেখে, অতি উৎসাহী অনেকে পড়েনও। আমার নিজের দু’টি লেখা আছে সেখানে। কেউ পড়তে শুরু করলে মনে মনে অপেক্ষায় থাকি এই বুঝি পড়া শেষ করে আমার কোন লেখার প্রশংসা করবে! আফসুস, কেউ এখন পর্যন্ত করেননি। লোকজন অনেক সৎ হয়ে গেছে আজকাল।
বিস্তারিত»দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায়
… দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় …
শুরুর কথাঃ
আমি একজন চুপচাপ-শান্তিপ্রিয় পাঠক। পেশায় আমি একজন শিক্ষক। ব্লগে এটাই আমার প্রথম লেখা। যা খুশি মন্তব্য করুন।
১।
ছোটবেলায় একটা গান আমার খুবই পছন্দের ছিলঃ
“ছোট্টবেলার সেই দিনগুলো হারিয়ে
খারাপ যে লাগেনা মনটা,
সেই লাল-নীল-হলদে রাজা-রাণী পুতুলে
ভরা ছিল জানালার কোনটা”
– গানটা অনেক দিন শোনা হয়নি।
ফাঁসির রশিতে মুক্তিযোদ্ধা রওশন ইয়াজদানী
মূল : সাইফুদ্দাহার শহীদ; ৬ষ্ঠ ব্যাচ; ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
অনুবাদ : সানাউল্লাহ
ভুমিকা
লেখাটি একটি ভূমিকা দাবি করে। নিচের লেখাটির মূল লেখক ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৬ষ্ঠ ব্যাচের সাইফুদ্দাহার শহীদ। লেখাটির লিংক তিনি দিয়েছিলেন ফৌজদারহাটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ইয়াহু গ্রুপ মেইলে। এটি আমাকে আবেগতাড়িত করে। সিসিবির সক্রিয় সদস্যরা জানেন, আমি গত কয়েকমাস ধরে এখানে একটি স্মৃতিকথা লিখছি। লেখার বর্তমান পর্যায়ে আশির দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা,
মন খারাপ কাব্য-১

অমন গভীর মায়াঘেরা স্নিগ্ধ বিকেল আর হবে না
অমন ভালোবাসা মাখা স্মৃতিগুলো আর রবে না
সবুজ ঘাসের নরোম বুকে পাখিগুলো হাটবে না আর
দিনের আলো মিলিয়ে সেথায় রইবে পড়ে গাঢ় অন্ধকার!
যাদের চোখে স্বপ্ন এখন সেগুলো আর না হোক ধূসর
স্বপ্ন রঙিন জড়িয়ে বুকে কাটবে দেখো খুব অবসর
দীঘল কালো চুলের বেণী দুলিয়ে সে নাই বা এলো
তবু কেবল স্বপ্ন দেখো,দুঃখগুলো পুড়বে না আর!
অসময়ে সাময়িক পোষ্ট (টেকী সমস্যা)
আজকে অনেক কষ্ট কইরা প্রায় দুই পৃষ্ঠার একটা ব্লগ লিখলাম। ঈদ উপলক্ষে লিখা। দিহান ভাবীজান অনুরোধ করছে তারে না কইরা দিলাম, তারপর যখন কইল আমি নাকি কাইয়ুম ভাইয়ের মত হইয়া যাইতাছি। তখন আর সহ্য করতে পারলাম না :duel: । তাই স্বাদ এবং সাধ্য না থাকা সত্ত্বেও লিখতে বসলাম।
কিন্তু আমি ঠিক করছি আর লিখব না। কারণ টা একটু বলি, আমি নোটপ্যাডে লিখি অভ্র দিয়া।
বিস্তারিত»দর্শক
বারান্দায় গ্রীল ধরে অনেক্ষন দাড়িয়ে ছিলাম। কোন কারন নেই। এমনেই। আসলে কিছুই জীবনের মাঝখানে মেলাতে পারি না ,শুধু গ্রীল জাপ্টে দাড়িয়ে দেখি। কিছু দেখার উদ্দেশ্যে তাকাই না। চোখে পরে। একে দেখা বলে না। দেখা মানে তথ্য ,অবয়ব সংগ্রহ করা। কিছুই সংগ্রহ করি না , কিছু সংগ্রহের ইচ্ছাও নেই। পৃথিবীর অসংখ্য উপাদানের সাথে আমার পার্থক্য করে দেয় এই গ্রীল। আমি অখুশি হই না। পরম আগ্রহে গ্রীলের মরচেতে হাত ডোবাই।
বিস্তারিত»ঈদ মুবারক
রমজানের ঐ ঈদ এলো রে
উচ্ছ্বাসী এক প্রথা
এই খুশিতেও একটু ভেবো
সেই ছেলেটার কথা।
যার মুখেতে তোমার মতন
ফিরনী, পায়েশ জুটলোনা
শাওয়াল মাসের আধখানা চাঁদ
যার আকাশে উঠলোনা।
আতর মাখা সুগন্ধতে
এই খুশি আর আনন্দতে
সময় করে সঙ্গে নিও তাকে
পাশের বাসার ন্যাংটো ছেলেটাকে…
আমি হারাই নাই!!!
ইদানীং ব্লগে আমার লেখালেখি নাই দেখিয়া অনেকেই একটি ভুল ধারণা করিয়াছেন…আমি মনে হয় হারাইয়া গিয়াছি!!! ;;;
আমার বিশ্বাস…, তাহাদের এই ধারণাটা আরও পোক্ত হইয়াছে…ব্লগে বিয়াপক পরিমাণ সিনিয়র/জুনিয়র ভাইজান ও আপুদের আগমনে এবং তাহাদের কোয়ালিটি সমৃদ্ধ লেখা প্রাপ্তিতে। :dreamy:
কিন্তু…কাদম্বিনী যদি মরিয়া প্রমাণ করিতে পারে…যে…সে মরে নাই…তাহা হইলে আর আমার সমস্যা কি??? 😛
আমিও লেখা দিয়া প্রমাণ করিলাম…আমি হারাই নাই…তা সে যতই কোয়ালিটি বিহীন লেখা হউক না কেন…
কেনু, কেনু, কেনু?
বিজ্ঞাপনচিত্র
সোজা কথায় আসি। নাটক বা সিনেমা বা খেলার মাঝে বিজ্ঞাপন বিরতি যে কি পরিমাণে বিরক্তিকর, তা অনেকেই বলবেন। ছোটবেলায় আলিফ লায়লা দেখার সময় দ্বিতীয় বিজ্ঞাপন বিরতির ২য় ভাগ শুরু হলেই বুকের মাঝে দুরু করতো, এই বুঝি শেষ হয়ে গেলো পুরো সপ্তাহের অনেক অপেক্ষার আলিফ লায়লা। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। দিনবদল টার্মটা ইচ্ছা করেই ব্যবহার করলাম না। বোঝেনই তো। আগে একটা সময় ছিলো যখন বিজ্ঞাপন বিরতিতে বাথরুম করে আসতাম,
বিস্তারিত»সূর্যপুত্র (পর্ব দুই)
সূর্যপুত্র (পর্ব এক)
****আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই…আমার এই লেখাটি সম্পূর্ণই বানানো। জীবিত…………মৃত…কাল্পনিক কারও সাথে আমার এই লেখা মিলে গেলে সেটার দায়ভার আমার একেবারেই নেই…আছে সিসিবির প্রিন্সিপ্যাল ভাইস্যার… ভাইস প্রিন্সিপ্যাল ভাপু… অ্যাডজুট্যান্ট ভাইস্যার…ইত্যাদিসহ আমার সকল সিনিয়র/জুনিয়র ভাই/বোনদের…কারণ, বৃক্ষের আবার দায়ভার কিসের???????!!!!!]
২৬ এপ্রিল, ২০০৯।
৬। সারাদিন ধরে সমুদ্রে যাওয়ার বন্দোবস্ত করছে হৃদয়, পুষ্পকুমারা, নীলন, নিরঞ্জন এবং সঞ্জীব। একচল্লিশ ফুটি “সূর্যপুত্র” বিকেলের পড়ন্ত রোদে চকচক করছে।
দিনলিপি ০৬- ঈদকথন
ক।
প্রতিবার একি কাহিনি হয়। ঈদ এর আগে টেনশন কিভাবে বাসায় যাবো, খুজে খুজে দল ভারী করা কে কে যাবে, তারপর সেই টায়ারিং জার্নি করে অনেক ঝামেলা করে বাসায় ফেরা। ময়মনসিংহে মোটামোটি আমাদের ব্যাচের অনেকেই আছে তাই দল পেতে প্রবলেম হয় না। এইবারো যেমন সবাই আগে চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত কালকে শুমারী করে পাওয়া গেলো আমি, শাহরীয়ার আর মুস্তাকিম (সিসি আর)। কালকে রাতে কনফারেন্স এর মাধ্যমে ঠিক করা হলো সকাল ৭টার মাঝে ওরা বাস স্ট্যান্ডে থাকবে।
ফটুক
১.
অভির ইচ্ছে ফটোগ্রাফার হবে। যেনতেন নয়; ফ্যাশন ফটোগ্রাফার। ফ্যাশনের লাল-নীল দুনিয়া তাকে মোহে ফেলে,
পাগলের মত টানে। হেইডি ক্লাম, টাইরা ব্যাংস, আদ্রিয়ানা আর কেট মসদের সাথে প্রেম তার সেই কলেজ থেকেই।
লুকিয়ে কত যে পোস্টার জোগাড় করেছে, তখন অবশ্য মায়ের কাছে ধরা পড়ার ভয় ছিল। আর বিশ্ববিদ্যালয় হলে এখন তার ঘরের চার দেয়ালে শুধুই ফ্যাশন দুনিয়ার রানীদের হাট। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার এই এক মজা,
ইঙ্গমার বারিমানের সাক্ষাৎকার: প্লেবয়
প্রকাশ: জুন, ১৯৬৭; প্লেবয় ম্যাগাজিন
চলুন বারিমানের “দ্য সাইলেন্স” মুক্তি পাওয়ার সেই উত্তাল মাসগুলোতে ফিরে যাই। স্টকহোমের প্রতিটি সিনেমা হলে উৎসুক দর্শকদের ভীড়, তার দেখাদেখি আরও ডজনখানেক দেশে সাইলেন্স নিয়ে একরকম চাপা উত্তেজনা, একেক জনের হলে আসার কারণ একেক রকম- কেউ এসেছে এই সুয়েডীয় চলচ্চিত্রকারের বিশ্বনন্দিত ট্রিলজির (আগের দুটি হল “থ্রু আ গ্লাস ডার্কলি” ও “উইন্টার লাইট”) শেষ পর্ব দেখতে,
বিস্তারিত»