গুল-গল্পের আসর!!!

ব্যারন ম্যুনহাউজেনঃ (Baron Münchhausen) ইতিহাস বিখ্যাত গুলগল্প সম্রাট ছিলেন ব্যারন। ১৭২০ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বলা গল্পগুলো রুড্‌লফ এরিখ রাসপে সংগ্রহ করে ১৭৮৬ সালে দি অ্যাডভেঞ্চার অব ব্যারন ম্যুনহাউজেন নামে প্রকাশ করেন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুলাই ১৩, ২০০৯

আমার যতদূর মনে পড়ে এই বসের লেখা প্রথম পড়েছিলাম উন্মাদ-এ। ২০০১/০২ এর দিকে উন্মাদের কয়েকটি সংখ্যায় ধারাবাহিকভাবে কিছু লেখা ছেপেছিল।

বিস্তারিত»

প্রলাপ…….

দগদগে ঘা নিয়ে পুড়ে চলেছি নিত্য
দহনের এত জ্বালা, একদম বিরতি ছাড়া
কেবলই পুড়ে খাক, তবুও আছি কেমন নির্বিকার
ঝুলানো হাসিটা হয়তো ভন্ডের; এত হাসি কোথায় পাও?
পুরোটা জুড়ে তো ভর্তি কয়লা আর তার ছাইভস্ম……
নাকি হীরা আবার?
হীরাই হয়তো……তাই কি এমন দীর্ঘ আগুন?
পুড়িয়ে পুড়িয়ে কয়লা কালো কালো আরো কালো

বিস্তারিত»

মসজিদ সমাচার

মসজিদ পবিত্র জায়গা, কিন্তু আমি নিশ্চিত ১০০% ক্যাডেটের মসজিদকে ঘিরে কিছু না কিছু মজার স্মৃতি রয়েছে। আমি ২/১ টা শেয়ার করছি।

০১।
তখন মাত্র ক্লাস সেভেন। সবেমাত্র কলেজে ঢুকেছি। লিস্ট অনুযায়ী সব কিছুই বাসা থেকে আনা হয়েছে। তার মাঝে সব চাইতে হাস্যকর রকম এর পোষাক হলো লং ক্লথের পাঞ্জাবী আর কিস্তি টুপি। পাতলা ফিনফিনে কাপড়। যা হোক, ২য় দিন ডাইনিং হলে টি ব্রেকের সময় দেখলাম দলে দলে ৭ এর ছেলেরা ডাইনিং হল প্রিফেক্ট ‘ক্যারী অন’

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (চিত্র প্রদর্শনী)

বিয়ের পর যখন মেজবোন বাসা ছেড়ে তার নতুন ঠিকানায় চলে গেলেন, তখন তার পেছনে ফেলে রেখে যাওয়া সমুদয় সাম্রাজ্যের অধিকারী হয়ে গেলাম আমি। রং, তুলি, আঁকার কাগজ, ক্যানভাস যা আগে তৃষিত নয়নে দূর থেকে দেখতাম, নিজের অধিকারে আসার পর সে সবের উপর চললো আমার নিরন্তন অত্যাচার। এরপর ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার পর ক্লাব বেছে নেওয়ার সময় একটুও দ্বিধায় পরতে হলো না। ইলোরা, সেতু, পলি, খুকু, নিতা,

বিস্তারিত»

পেশকি-২

আমরা যখন ISSB দিচ্ছিলাম তখন পকক এর একজন ছিল যার হাত খুলে যেত! রসিকতা না সত্যি তার শোল্ডার ডিসলোকেট হয়ে যেত। ISSB এর অবস্ট্যাকল করার সময় বেচারার হাত খুলে গেল; সবাই মহা চিন্তায় এখন কি হবে? কিছুই হয় নি এমন ভাবে সে বলল, “স্যার, পাশের গ্রাউন্ডে আমার রুম মেট আছে, ওকে ডাকুন একমাত্র ওই পারে আমার হাত জোরা লাগাতে!”
**********
আমাদের ক্লাসমেট জামাল,

বিস্তারিত»

ইসসিরে

ইসসিরে মেল্লা পোস্ট, কোনটা বাদ্দিয়া কোনটা পড়ি দিশা পাই না।

টাইমো নাই, কাইল্কা পরীক্ষা, কেস স্টাডি।

দূর, বিজি হইয়া গেলাম :bash:

বিস্তারিত»

ঈশ্বরচিন্তা – ৩

মানুষের প্রাচীনতম ধর্মীয় অনুভুতি গুলো প্রথমত উৎপন্ন হয়েছিল একধরনের ভীতি থেকে। প্রথম যে মানব সমাজে অলৌকিকতার ধারনা এসেছিল তা সম্ভবত প্রকৃতিকে বুঝতে অক্ষমতার কারনেই। প্রাচীন সমাজে ধর্মমত গুলো প্রধানত ছিল যাদু নির্ভর। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিকে না বুঝতে পেরে সেগুলোকেই উপাসনা শুরু করে প্রস্তর যুগের মানুষ। এ উপাসনা কিন্তু সম্পূর্ন পার্থিব কারনেই হত। প্রাথমিক উপাসনা সম্ভবত ছিল ঝড় বন্যা বজ্রপাত হতে বাচার জন্যে। সেজন্যেই আমরা দেখতে পাই প্রতিটি প্রাকৃতিক শক্তিকে উপাসনা করার ব্যাপারটি।

বিস্তারিত»

এলোমেলো ভাবনাগুলোর গন্তব্যহীন পথচলা

সেদিন মেসেঞ্জারে আমার ফ্রেন্ড ফারহানের সাথে কথা বলছিলাম। সে সিসিআর। কথা প্রসঙ্গে হঠাৎ সে বলে উঠলো দোস্ত আমি আমার কলেজ লাইফটা খুব মিস করতেছি। কলেজের ফ্রেন্ড, অর্থহীন খুনসুটিগুলো আরো অনেক কিছু। আমার তখন একটা খুব সুন্দর কথা মনে পড়লো। কোথায় যেনো পড়েছিলাম “this life is too short to whine about how short the life is!!”. কথাটা আসলেই ভাবনার উদ্রেক জোগায়। আমরা কখনো পুরোনো জিনিসকে এতোটাই মিস করে থাকি যে মহামুল্যবান বর্তমানের মাঝে যে বিশাল মাহাত্ন্য লুকিয়ে আছে তার কথাটা বেমালুম ভুলে যাই।

বিস্তারিত»

সিনেমার সুকান্ত: জঁ ভিগো

সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যপ্রতিভার রহস্য এখনও কেউ ভেদ করতে পারে নি। সুকান্ত একই সাথে আমাদের মাঝে বিস্ময় ও বিষাদ এর অনুভূতি জাগিয়ে গেছেন। তার অসাধারণ কাব্য সুষমা জাগিয়েছে বিস্ময়, আর তার অকালমৃত্যু আমাদেরকে চিরদিনের জন্য করে গেছে দুঃখী। অনেক সমালোচকের মতে রাজনৈতিক চেতনা নিয়ে বেশি ভাবতে গিয়েই কবি ও কাব্য সমালোচকরা সুকান্তর প্রকৃত প্রতিভার প্রতিটি পাঁপড়ি মেলে দেখতে পারেন নি। সুকান্ত মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা গেছেন।

বিস্তারিত»

আমার ছোট মার জন্মদিন আজ

ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি আমি আমার মায়ের ছেলে। মায়ের সাথেই নাকি আমার চেহাড়া-স্বভাবের মিল বেশি। মাকে দেখতাম গল্পের বই পড়তে। শুনেছি বই পড়তে পড়তে ভাত গলে যেতো, তরকারি পুড়তো, কিন্তু মা বই পড়ছেই। আমার বই পড়ার নেশা মায়ের কাছ থেকে পাওয়া।
আমার এই মায়ে মন ভরলো না। আমি আরেকটা মা নিয়ে আসলাম। আমার নতুন মা অনেক ছোট। তার একটা নাম আছে, কিন্তু আমি মা বলেই ডাকি।

বিস্তারিত»

ফিরে দেখা (পর্ব-৪)

(১১)
মুসতাঈন স্যার ছিলেন আমাদের এডজুটেন্ট । তিনি আবার ইংরেজী ব্যতীত কখনই কথা বলতেন না । তার মুখ থেকে শোনা কিছু ইংরেজীর নমুনাঃ
*কোন কারণে আমাদের ফর্মে এসেছিলেন তিনি । এসে দেখলেন ফ্যান বন্ধ । তিনি বললেন “গিভ দ্যা ফ্যান” ।
*প্রিন্সিপাল ইন্সপেকশন প্যারেডে তিনি হেয়ার কাট চেক করতে এসেছেন । তখন কমান্ড দিলেন “ওপেন ইওর ক্যাপ” ।
*এস এস সির রেজাল্ট বের হয়েছে ।

বিস্তারিত»

এই সপ্তাহের ফুটবল প্যাচাল

আজকাল ফুটবল দেখে খুব মজা লাগছে কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে চ্যাম্পিওন্স লীগ ক্রিকেট। আমার বাসার ৫টা খেলার চ্যানেলের ৩টাতেই চলে ক্রিকেট। যখন লাইভ খেলা থাকে না তখন চলে সুপার ফ্লপ আইপিএল। টেন স্পোর্টস আবার দেখায় চ্যাম্পিওনশিপ এর খেলা যদিও লেইস্টারের কোনো খেলা দেখায় নাই কিন্তু রয় কীনের ইপ্সউইচ ধরা খাইতেসে দেখে ভালো লাগে। মাত্র একটা চ্যানেলে ফুটবল তাও আবার ঐটাতে ইন্টারেস্টিং খেলা দেখা যায় না।

বিস্তারিত»

ছেড়া ছেড়া কথা

খুবই ইচ্ছা ছিলো একখানা পিরিত করার। যখন দেখতাম হাউস বেয়ারা ব্যাচমেটদেরকে গোপনে হলুদ খামের চিঠি দিয়ে চলে যাচ্ছে তখন মনে হতো আহা রে ওদের কত সুখ!!!!!!!!! তখন নিযেকে খুব দুর্ভাগ্যবান মনে হতো। তাই দুধের সাধ ঘোলে মিটানোর জন্য তখন সেই প্রেমিক বন্ধুদের গল্প শুনতাম। ওরাও গর্বিত পুরুষদের মত একটা ভাব নিয়ে বলতো ” আরে দোস্তো, এগুলা তো ওয়ান-টু এর ব্যাপার। কতজন এলো গেলো। সাহস করে একবার প্রোপোজ করেই দেখ না।”

বিস্তারিত»

ব্লগার এবং ওয়েবসাইট ডিজাইনারদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা

ব্লগার এবং ওয়েবসাইট ডিজাইনারদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা

ইন্টারনেটে ঘুরতে ঘুরতে Smashing Magazine ওয়েবসাইটে একটি ফাটাফাটি পোষ্ট খুঁজে পেয়েছি। পোষ্টটিতে ইন্টারনেটে সফল ব্লগগুলোর ডিজাইনের উপর জরিপ চালিয়ে প্রাপ্ত তথ্যগুলোকে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর পোষ্টটির শেষে মূল অংশগুলোকে পয়েন্ট আকারে দেয়া হয়েছে।

আমি পয়েন্টগুলো নিয়ে একটু আলোচনার করতে চেষ্টা করব। আর যারা বিস্তারিত জানতে চান, তারা ওয়েবসাইটে গিয়ে পোষ্টটি পড়ে নিতে পারেন।

এক –

বিস্তারিত»

রাত্রিস্নান

আজকাল অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকি।
কেন যেন ঘুম ধরে না
কোলবালিশটা আঁকড়ে ধরে-
এপাশ-ওপাশ করতে থাকি।
কখনো পাশে শোয়ানো মোবাইলটা তুলে
সময়টা জেনে নেই, আচ্ছা-
গভীর রাতে সময়টা শ্লথ হয় কেন?
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার কোনো-

বিস্তারিত»