ভাসমান

স্বপ্নগুলো কখনো কখনো অধরা হয়ে রয়
কল্পনার ক্যানভাসে
বিমলিন আর্তনাদ ভেসে যেতে চায়
জোয়ারের উন্মত্ততায়
বিবর্ণ অনুনাদতাকে ঠেকিয়ে রাখে
হয়তো বিপুল কোন প্রত্যাশায়
হৃদয়ভাঙার গভীর আবেশে
ময়ুরাক্ষীর গুঞ্জন হাতছানি দেয়
হয়তো নতুন কোন আবেগে……

বিস্তারিত»

লিরিক ২.০: টেবিলের চারপাশে

টেবিলে বসে ছিলো একাকী চায়ের কাপ
পাশের পিরিচে ছাইয়ের দাগ, অথবা পিঁপড়ের লাশ
টেবিলের চারপাশে এলোমেলো চেয়ার নির্ঘুম-
যারা চলে গেছে তাদের জন্যে নীরবতা সেখানে আজ।(১)

(কোরাস)
আমাদের যেদিন গিয়েছে চলে, যাবার আগে যায়নি তো বলে
সেদিন কি একেবারে গেছে হারিয়ে, হৃদয়ের সীমানা বহুদূর ছাড়িয়ে||

আমরা জেনেছি পৃথিবীর দিনরাত মানুষের জন্য নয়
পিরিচের ঘূর্ণিতে ছিটকে যাবে জলবিন্দুর স্রোত
মিছে প্রেম,

বিস্তারিত»

কলকাতা ভ্রমনঃ অতঃপর

১।
ঠা ঠা রোদ পড়েছে আজ; দোকানের ঝাপির নিচে বসে হালকা শীতলতার প্রশ্রয় খুজছি। এই গরমে চায়ের ব্যবসা তেমন জমছে না, ঠান্ডা কিছু রাখা লাগবে দোকানে। হঠাৎ-ই ভাঙ্গা রাস্তায় পোয়াখানেক ধুলা ছিটিয়ে লাবলু ভাইয়ের কালো মার্সিডিজটা এসে থামলো। আগে অবশ্য উনিই চালাতেন মাঝে মাঝে, এখন একটা ফুল টাইম ড্রাইভার রেখে নিয়েছেন আহসান ভাইকে; আগে পার্ট টাইম সায়েদাবাদ টু ফার্মগেটের দোতলা বাসগুলো শখ করে চালাতেন।

বিস্তারিত»

বাসর

(সিসিবির বিবাহযোগ্য বড় ভাইদের উৎসর্গ করে ব্লগে আমার প্রথম কবিতা)

হালছাড়া জীবনের ইতি টেনে আজ
হঠাৎ গিয়েছি থেমে ভেংগে ফেলে লাজ ,
বসে আছি আজ তাই কারো মুখোমুখি
দেড় হাত ঘোমটার ফাকে দিয়ে উকি
অবাক বিষ্ময়ে
চেয়ে আছি যুগ যুগ চোখ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ।

বিস্তারিত»

কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব তিন

পর্ব ১
পর্ব ২

৫।

কেটদের বাড়ি যাবার ট্রেইলটা কিছুটা রুক্ষ হলেও দুই পাড়ের অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাইককে মুগ্ধ করল। অনেক দূরের পর্বত শ্রেনী তার বিশালতার মধ্য দিয়ে এই সৌন্দর্যকে শতগুণে বর্ধিত করেছে। ট্রেইলের এক পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সরু জলধারা। পথ থেকে বেশ খানিকটা নিচে। সম্ভবত এটা ফ্লাশ ষ্ট্রিম, বর্ষাকালে বা পাহারী ঢল নামলে মনে হয় পানি অনেক বেড়ে যায়।

বিস্তারিত»

বন্ধুরা …

জিমেইলে গত কিছুদিন ধরেই মেইল পাচ্ছিলাম ক্যাডেটকলেজ ব্লগ থেকে। আমার না কী এখানে কোন এক ব্যক্তিগত মেসেজ আছে সেজন্যে। যাই হোক, অবশেষে আসা হল এখানে আজ। আমার লেখালেখি পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্তও। পিএইচডি করতে এখানে (নেদারল্যান্ড) আসার পর থেকেই একাকীত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেই মনে হয় কী-বোর্ড আর মনিটরকে আপন করে নিয়েছিলাম এখানে কিছু হাবিজাবি লেখে। তবে এটাই বা বাদ যাবে কেন?

বিস্তারিত»

আইনজীবির জন্মদিন

আগে একটা জুক্স কই। একবার এক আইনজীবির স্ত্রী মৃত্যুর পর স্বর্গে গিয়েছেন। তো হঠাৎই ঘুরতে ঘুরতে একটা সুবিশাল কক্ষের মাঝে অনেকগুলো ঘড়ির মতো দেখতে যন্ত্র দেখতে পেলেন, তাতে একটা বড়সড় কাঁটা ধীরে ধীরে ঘুরছে। মহিলা কৌতূহলী হয়ে তার গাইড দেবদূতকে জিজ্ঞেস করলেন, “ঐটা কী?” দেবদূত বললো, “ঐটা হইলো গিয়া মিছা-ঘড়ি, কেউ মিছা কথা কইলেই এইটা তাল বেতাল হইয়া চরকির মতন পাক খাইতে থাকে। যে বেশি মিছা কথা কয়,

বিস্তারিত»

আকাইমা লেখা

সংজ্ঞাহীনতার সংজ্ঞা
জীবনে অনেক জিনিস আছে যাকে আসলে সংজ্ঞায়িত করার কোন কারণ নেই। আবার আমরা এমন কিছু জিনিস নিয়ে বসবাস করি যাকে আসলে আমরা সংজ্ঞায়িত করতে চাই না। এমন কিছু জিনিস আছে যাকে আবার আমরা আমাদের নিজেদের মতো করে সংজ্ঞায়িত করতে পছন্দ করি।
যদি আমি কাউকে জিজ্ঞাসা করি, আপনে নিজেকে কি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসবেন, বাংলাদেশি না বাঙালি; তো ইনি উত্তর দেবার আগে বোঝার চেষ্টা করবেন আমি কোন দল করি,

বিস্তারিত»

আমাদেউস (১৯৮৪)

যেভাবে একটি অপেরা শুরু হয়। পর্দা উঠুক আর না উঠুক, শুরু হয় ওভার্চার। মিলশ ফরমান এর “আমাদেউস” (১৯৮৪) এর শুরুটা ঠিক তেমনই। পর্দা ওঠার আগেই শুরু হয় ওভার্চার ধর্মী গাঢ় সুর। সুরের তালেই পর্দা ওঠে, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উনবিংশ শতকের ভিয়েনা-র একটি শীতল রাত, যেমন রাতে ঘোড়ারা নিঃশ্বাস ফেললে ধোঁয়াশার খেলা শুরু হয়। এই শীর্ণ রাতের নীরবতা ভেঙে কোত্থেকে চিৎকার ছুটে আসে-
মোৎজার্ট…

বিস্তারিত»

পেশকি-৪ (মোল্লা স্যার স্পেশাল)

খেলাধুলায় ভাল মইনুলকে মোল্লা স্যার খুব পছন্দ করতেন। মোল্লা স্যারের পছন্দের মাত্রা আরো বেড়ে গেলো যখন মইনুল লাথি দিয়ে দুই দুইটা ফুটবল ফাটিয়ে ফেললো।
*****************************
মইনুলের বিধ্বংসী গুনের কারনে আমরা তাকে গন্ডার, বুলেট ইত্যাদি নামে আদর করে ডাকতে থাকলাম। একদিন প্রেপে ওকে একটু বেশী গন্ডার বলা হয়ে গিয়েছিলো, ওই দিন প্রেপ গার্ড ছিলেন মোল্লা স্যার, মইনুল রেগে মোল্লা স্যারের কাছে নালিশ দিতে যাচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

৩৬ দিনের দেশ

সাত দিনের এক্সকারশনের নতুন রূপ পেলাম ভার্সিটিতে উঠে। ঢুকেই শুনলাম এখানে নাকি ইন্ডিয়া ট্যুর হয়। মন বলল, ভালই তো।
ট্যুরের টাকা জমাচ্ছিলাম বহু আগে থেকেই, তীরে এসে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিতে হলো, যাবো না। তরী ডুবার ঠিক আগ মোমেন্টে আবার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন।
তাই একসময় বোচকা বুচকি নিয়ে রওনাও হয়ে গেলাম।

৩৬ দিনের চিরুনী অভিযানের প্রতিটা দিনে আমি নিজের দেশকে আবিষ্কার করেছি নিত্য নতুন ভাবে,

বিস্তারিত»

আমার দেখা আমেরিকা (প্রথম পর্ব)

ভুমিকা পর্ব

সরকারী কাজে প্রায় ৭ মাস সময়ের জন্য আমাকে আমেরিকা থাকতে হয়েছিল। দেশ ছাড়ার সময়টা ছিলাম খুব দোটানার মধ্যে। এক দিকে স্ত্রীর গর্ভে ৮ মাসের সন্তান, তাও আবার আমার প্রথম সন্তান। একবার ঠিক করে ফেললাম যাবনা, চুলায় যাক এই চাকরী। এবার বউ বেকে বসলো, সে বলল তাকেও নিতে হবে আমার সাথে। আত্মীয়রা সবাই আমাদের বিপক্ষে, প্রথম বাচ্চা ঝুকি নেয়া ঠিক হবেনা। অবশেষে সিদ্ধান্ত আমি যাব বেবীটা ২/৩ মাস হলে আমার বউ তাকে নিয়ে পরে আসবে।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৪

অপয়া ১৩ তে এসে সাপ্তাহিক বেশ কিছুদিন আটকে গিয়েছিল। গুনে বললে তিন সপ্তাহ। ঈদের ছুটি থেকে ফিরে ভয়াবহ রকমের ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে এ তিন সপ্তাহ গিয়েছে। মাঝে মাঝে ঢু মেরে দু’একটা মন্তব্য করার বাইরে সিসিবিতেও তেমন একটা আসতে পারিনি। আজ অনেকদিন পরে একটু অবসর পেলাম। সেই সুযোগে সমকালীন সিসিবিও ধারা বজায় রেখে আমিও আমার সাপ্তাহিক ছোট খাট একটা প্রত্যাবর্তন করে ফেললাম।

প্রচন্ড ব্যস্ততার কারনে বিগত দিনগুলো কেটেছে খুবই বৈচিত্রহীন ভাবে।

বিস্তারিত»