আমি একজন কলেজ অধিনায়ক!

১৯৯৫ সালে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজকে ধন্য করে আমি আমার ক্যাডেট জীবন শুরু করেছিলাম। ২০০০ সালে আমি সম্পূর্ণ বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় কলেজ প্রিফেক্ট হই… B-) বাকিটুকু ইতিহাস!! কলেজের ইতিহাসের সেরা কলেজ প্রিফেক্ট হিসেবে আমাকে সবাই আখ্যায়িত করলেও আমি একা এর ক্রেডিট নিই না…আমার সাফল্য আমি সবার সাথে শেয়ার করে নিয়েছি… O:-)

যাই হোক, শুধু কলেজকে ধন্য করে আমি আমার অগ্রযাত্রা থেমে রাখতে চাই না। সেজন্যই আজ আমি এই সিসিবিতে যোগদান করলাম।

বিস্তারিত»

ঝড়ো রাতের ভালোবাসা

MoonlightLady

এমন ঝড়ো বরষার রাতে
তুমি যদি থাকো সাথে,

মাথা রেখে তোমার বুকে
কি যেন এক অজানা সুখে,

মিশে যাবো তোমার মাঝে
সময় হারাবো সন্ধ্যা সাঁঝে

বিস্তারিত»

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

(১)
কলেজ থেকে বের হবার পর কোচিং করার জন্য ঢাকায় এলাম । একটা ফ্লাট ভাড়া করে আটজন থাকি । সবাই ক্যাডেট । ক্যাডেটরা একসাথে থাকলে যা হয় । রাতভরা আড্ডা , তাস পেটানো , সারা সকাল ঘুম । পড়াশোনা লাটে উঠল । সপ্তাহে তিনদিন লোকাল বাসে ঝুলে ঝুলে কোচিং এ যাই । এই যাওয়া আসাতেই শেষ । বই আর খুলে দেখা হয় না ।

বিস্তারিত»

আনন্দাশ্রু এবং…

আমার পিচ্চি বোনটা আমার চেয়ে ঠিক ৭ বছরের ছোট।পৃথিবীর সবচাইতে বড় যন্ত্রনা যে ছোট বোন নামক প্রানী এ নিয়ে মনে হয় “ভুক্তভোগী” কেউ দ্বিমত করবেননা-আমার বোনটাও এর ব্যতিক্রম না।তার বদ্ধমূল ধারণা আমি যেহেতু ক্যাডেট কলেজে ছয় বছর বাড়ির বাইরে ছিলাম তাই আব্বু-আম্মুর উপর আমার চাইতে তার দাবী বেশি।এই দাবী খালি আব্বু-আম্মুর উপর না আমাদের ব্যবহার্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের উপরেই।টিভির রিমোট থেকে শুরু করে কম্পিউটার-সব কিছুতে তার নিয়ন্ত্রন নেয়া চাই।তবে দুষ্টামি করলেও পিচ্চি কিভাবে কিভাবে জানি পড়াশোনায় বরাবরই খুব ভাল ছিল।ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে খুব ভাল রেজাল্টও করেছিল ও লেভেল আর এ লেভেলে।কিন্তু এ লেভেলের পরেই বাঁধল বিপত্তিটা-আব্বু আম্মু ঠিক করলেন যে বাকি সব ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীদের মত দেশের বাইরে না পাঠিয়ে তাঁরা ওকে দেশের ভাল প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা দেওয়াবেন।কি মুশকিল!!যে সিলেবাস আগে কখনো পড়েনি সেই সিলেবাস নিয়ে বসতে হল ওকে-শুরু হল রাত দিন পড়াশোনা।আমি তখন বিসিএস নিয়ে ব্যস্ত-সারারাত পড়ি,মুভি দেখি আর একটু পর পর “ভাইয়া স্থানাঙ্ক মানে কি?জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া কি,স্থিতি আর গতি কি”

বিস্তারিত»

ইচ্ছে

নীচের রাস্তাটায় মানুষের চলাচল কমে গেছে । হাসপাতালের উপর ছয়তলা থেকে নীচে তাকালে শীতের রাতের হালকা কুয়াশার ভিতর দিয়ে চলে যাওয়া দু’একটা মানুষ কে দলছুট পিঁপড়ার মত মনে হয়, যেন নিজের সারির খোঁজে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে চলা মানুষ। ছোটকালে লম্বা সারিতে ব্যস্ত ভংগীতে ছুটে চলা পিঁপড়াদের সারি থেকে দু’একটা পিঁপড়া কে সরিয়ে দিলে সারি হারান পিঁপড়া গুলো যেমন পাগলের মত এদিক ওদিক ছুটাছুটি করত সারির খোঁজে নিজেকে কেন জানি আজ সেই রকম সারি হারান পিঁপড়াদের দলে মনে হয়।

বিস্তারিত»

আকাশ বাড়িয়ে দাও

শিরোনামটির অর্থ আকাশের মতই হতে পারত। তবে এটি আমার নিজের সৃষ্ট কোন শিরোনাম নয়। আমি এই শিরোনামে কিছু একটি পড়েছিলাম যা আমার মধ্যে ভালো কিছু একটা করার প্রয়াস পাইয়েছিল। ভাবিয়েছিল অন্যের জন্যও কিছু করতে। কিন্তু এ বিষয়ে আমার “আহ্বান করা ” ছাড়া উপায় নেই। তাই যথাসাধ্য করার চেষ্টা থেকেই এটুকু করা। ক্যাডেট কলেজের গণ্ডিঘেরা পরিবেশে সবাই একজন হলেও যার কথা স্মরণ করেই তার সবচেয়ে বড় পরিচয় “মা”।

বিস্তারিত»

দাদু ভাইয়ের গপ্পো

দাদু ভাই… দাদু ভাই সুর তুলে ছুটে আসে
সাত বছর বয়েসী দাদু ভাইয়ের চোখের মনি।
আহলাদী কন্ঠে সবুজ শুধায় –
আজ কোন গল্প বলবে দাদু ভাই?

ডায়েরী লেখা থামিয়ে চোখ তুলে তাকান বৃদ্ধ।
একটু মুচকি হেসে উত্তর দেন-
কেন দাদা ভাই; ঐ যে সেবার যুদ্ধে গেলাম…সেই টা বলি?
এদিক-ওদিক মাথা নাড়ে সবুজ।
সেতো বলেছো দাদু ভাই।

বিস্তারিত»

সূর্যপুত্র (পর্ব আট)

সূর্যপুত্র
(ভূমিকাসহ পর্ব এক)
(পর্ব দুই)
(পর্ব তিন)
(পর্ব চার)
(পর্ব পাঁচ)
(পর্ব ছয়)
(পর্ব সাত)
[তথাকথিত কোর্সের মাঝে চ্যাপ্টা হয়ে আছি…কোনদিকে খোঁজ নেবার ইচ্ছে-ই জাগে না!! এরই ফাঁকে আমার রুমে আবির্ভূত মিশন-ফেরত অতীব সিনিয়র স্যারের ইন্টারনেট দখলের কারণে…সিসিবি হতেও দূরে রয়েছি…। তবুও…দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে…

বিস্তারিত»

‘হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক’-অভিজ্ঞান — (ডঃ অনাথবন্ধু মল্লিক)

ড. অনাথবন্ধু মল্লিক; মাত্র বছর দুয়েক (কিংবা কিছু বেশি) এই অসাধারণ শিক্ষকের সান্নিধ্য লাভ করেছিলাম। স্যার প্রায়শঃ একটা কথা বলতেন যার সারমর্ম ছিলো, “এমন চিন্তা, এমন কাজ করো; যাতে শুধু নিজের নয় অন্যেরো ভালো হয়।” আর তাই হয়তো নানা স্মৃতির ভীড়েও ঘুরেফিরে স্যারের উপদেশটুকু ভেসে ওঠে। তিঁনি একাধারে বাংলার অধ্যাপক, ভাষাবিদ, গবেষক, গীতিকার, সুরকার, সাহিত্যিক এবং নাট্যকার। উদার, নিঃস্বার্থ এবং অসম্ভব ভাষা-প্রেমী এই শিক্ষক খুব রেগে উঠতেন বাংলা বানানের ভুল চোখে পড়লে।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৬

( পোস্ট খরার সুযোগে অসময়ে আমার সাপ্তাহিক নিয়ে চলে এলাম। যদিও এটা একটা ফাঁকিবাজি পোস্টে পরিনত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করি পাঠকগন নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন আর এটাকে প্রথম পাতা থেকে বিতাড়িত করতে সিসিবিতে পোস্টের বন্যা বইয়ে দেবেন।)

আজকে প্রায় সাড়ে তিন মাস পর ফুটবল খেললাম। আহ… কি আনন্দ। যদিও এতোদিন পরে মাঠে নামার কারনে শুরুতে কোন তালগোল পাচ্ছিলাম না,

বিস্তারিত»

কোলাজ

পাতার কান্না শুনি ঝিকমিকে আঁধার নির্জন
সবুজ প্রহার…
এ সবই শীতল দৃশ্যে লেপটে থাকে

ঘুঙুরের শব্দের রঙ দেখে আমি যেভাবে বিস্ময়ে ভাসি
সেভাবে অনেক বছর পরে তোমরা সেই দৃশ্যটি দেখে
নিশ্চয়ই কাঁদবে

বিস্তারিত»

মুভি ব্লগ: হিচকক, অন্তহীন, কখনো আসেনি আর……

নানা ধরণের ছবি দেখা হয়। কিছু ছবি ভাল জেনে দেখি, কিছু এমনিতেই দেখা হয়। অসংখ্য ছবি জমা হয়ে আছে, সময়ের অভাবে দেখা হচ্ছে না। অসংখ্য ছবি এখনো কেনার আছে, কেনা হয় না। আজকাল হলিউডের বাইরের ছবির দিকে ঝোঁক বাড়ছে। সব সময় পাওয়া যায় না, কোনটা ভাল তাও সব সময় জানা থাকে না। জানতে পারলে ভাল হতো। সেদিক থেকে ব্লগ একটা ভাল মাধ্যম।
সময় হাতে থাকে কম,

বিস্তারিত»

একজন স্যালি ক্লার্ক

একজন ছাত্রকে ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য কোর্সে পাস করার পাশাপাশি ১২টা কোয়ালিফাইং সেশন করতে হয়। লাঞ্চ এবং ডিনার গুলো একেকটা কোয়ালিফাইং সেশন হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটা কোয়ালিফাইং সেশনে একজন রথী-মহারথী বক্তৃতা দেন। গতকাল রাতে লিঙ্কন্স ইন(Lincoln’s Inn)এ ডিনার করতে গিয়েছিলাম। সেখানে যিনি বক্তৃতা দিয়েছেন, তিনি একটা ঘটনা বললেন। সেই ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করার জন্যই আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম।

১৯৯০ এর দশকে ইংল্যান্ডের কোর্টগুলাতে পরিসাংখ্যনিক উপাত্তের(statistical data-র অর্থ তো মনে হয় এটাই,

বিস্তারিত»

আবাহনী এবং মোহামেডান ঘরোয়া খেলা।

খেলা নিয়ে এটা আমার প্রথম পোস্ট। অতি সম্প্রতি আবাহনী ও মোহামেডানের দল গঠন ও খেলা নিয়ে সমর্থকদের উত্তেজনা ৯০ দশকের উত্তেজনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। এটা সত্যি যে এবার ফুটবল ও ক্রিকেট উভয় জায়গায় আবাহনী হতে মোহামেডানের দল গঠণে অনেক বেশি চমক দেখিয়েছে।

তবে ক্রিকেটে আবাহনী হতে অধিক টাকা খরচ করেও বালান্সড দল গড়তে পারেনি মোহামেডান। তাদের বোলিংআক্রমনে দুর্বলতা আছে। এছাড়াও কোটার বাইরের খেলোয়ারগুলো আবাহনীর খেলোয়ারদের মত দক্ষ ও প্রতিভাবান নয়।

বিস্তারিত»

আমার চারপাশ ০৩

০।
অনেকদিন ব্যস্ততার কারণে ব্লগে ঠিক মত নড়াচড়া করা হয় না। মাঝে মাঝে দুই তিন দিন পর ব্লগে ঢুকে অনেক সময় তাল রাখতে পারি না, কোথা থেকে যে কি হয়ে গেল বুঝতে সময় লাগে। মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য পড়তে পড়তে বুঝি কোন পোস্টে বুঝি কিছু মিস করে গেছি। এইজন্য গত বৃহস্পতিবার রাতে পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবার পর থেকে মনযোগ দিয়ে পুরান ব্লগ গুলো পড়ার চেষ্টা নিচ্ছি।

বিস্তারিত»