দরজা খুলে ঝড়ের বেগে বের হয়ে আসার পরে পিঠের ওপরে সেটা দড়াম করে চিৎকার করে উঠলে রাসেলের মনে হয় এভাবে সব দরজাগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সাদা-কালো কাচে তৈরি দরজায় এধরনের শব্দ হয় না বলে সে প্রায় ভুলতে বসেছিল, কিন্তু আজ পেছনে দড়াম করে দরজা পড়ার শব্দটা তাকে মনে করিয়ে দিলো প্রত্যাখ্যান কতো নিষ্ঠুর। দুপুরের রোদ বেহিসেবি অ্যাকাউন্টেন্টের মতো অবারিত ভুল তীর ছুঁড়ছে, আর পিঠে থুথুর মতো লেপটে থাকা শব্দটা,
বিস্তারিত»বাজারের নাম শেয়ার বাজার
শহর ভর্তি বানর। বানরের যন্ত্রনায় টেকা দায়। সেই সময় শহরে এলো এক আগন্তুক। এসেই ঘোষনা দিল এক একেকটি বানর ধরে দেওয়ার জন্য দেওয়া হবে ১০ টাকা। শহরবাসীর প্রধান কাজই হয়ে গেল বানর ধরা। দ্রুত বানর ধরে ধরে খাঁচায় পুরে ১০ টাকা করে নিয়ে বাড়ি ফিরলো সবাই।
এরপর ঘোষণা এলো, একটি বানরের জন্য এবার দেওয়া হবে ২০ টাকা। শহরবাসি আবার নেমে গেল বানর ধরতে। খুব বেশি পাওয়া গেল না,
জগাখিচুড়ি পোস্ট
(১)
ক্লাস টুয়েলভে থাকাকালীন জনৈক সহপাঠীর আয়না পড়ার ঘটনা মনে পড়ল। আয়না পড়া ব্যাপারটা বেশ সহজ। টাওয়েল পরে কেউ যখন বাথরুমে যেতে থাকবে, তখন একজন জানালা দিয়ে তাকে ডেকে তার সাথে সিরিয়াস পড়াশুনা রিলেটেড কথা বার্তা চালাবে, এই ফাকে পিছন দিক থেকে এসে ২য় জন টাওয়েলের নিচ দিয়ে আয়না পড়া দিবে। সহজ লজিক। কিন্তু সমস্যা হল ওই সহপাঠীর আয়না পড়াতে কিছুই দেখা যায় নাই…
অছাত্র বনাম আমরা
আমার কাজিন রায়হান ভাই একটা বেসরকারি ভার্সিটিতে বিবিএ পরেন। বাসায় আসা যাওয়ার পথেই পরে ঢাকা ভার্সিটির এস এম হল। হলটা খুব ভালো লাগে বলে মাঝে মাঝেই আসা যাওয়ার পথে হলের মসজিদে নামাজ পরতে যান। বলে রাখা ভালো, বেশ ধার্মিক লোক সে, মুখে দাড়িও আছে। সে দিন ছিল শুক্র বার (২৩ অক্টোবর)। এশার নামাজ এর সময় এক বন্ধুকে নিয়ে হলের পাশ দিয়ে বাইকে করে যাছিলেন। ভাবলেন নামাজটা পরে নেই।
বিস্তারিত»জলবৃক্ষের জন্মদিন
সবে মাত্র মেসেঞ্জার থেকে সাইন আউট করতে যাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ জুনায়েদ ভাইয়ের ডাক পড়লো।
“ঐ ব্যাটা, আছিস নাকি?”
“আরে কি সৌভাগ্য আমার, এযে দেখি জুনাদা। তো আছেন কেমন?”
“আর বলিস না। বিশাল পেইনে আছি।”
“কেন কি হইছে? কোন ডাক্তারের সাথে কনসাল্ট করছেন? পেইন কিলার খাইছেন কোনটা? প্যারাসিটামল খেয়ে দেখতে পারেন। কলেজের ডাক্তার স্যার বলছিলেন, ঐটা মহৌষধ।”
“আরে না ব্যাটা,
৮ নভেম্বর ২০০১: ঠিক ৮ বছর আগে যেভাবে শুরু হয়েছিলো . . .
৮ নভেম্বর ২০০১ জীবনে ভীষণ আনন্দময় একটা দিন প্রেরণা’র জীবনে। রুমি নামের একটা ছেলে সেল ফোনের নম্বরটা দিয়ে বললো, ‘কোন অপরিচিত মেয়েকে আমি নম্বরটা দেই না। তবে আপনার কাছ থেকে একটা কল আশা করবো।’

কোন কথাটা বেশি প্রযোজ্য- ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ নাকি ‘হিডেন’?
এরপর প্রতিদিনের কথা বলা, মাঝে মাঝে দেখা করা থেকে আজ দীর্ঘ ৮ বছর পর তারা এত কাছের মানুষ যে,
বিস্তারিত»অতঃপর একটা চিঠি
(সিসিবিতে খুব লেখা দিতে ইচ্ছে করছিলো। অনেকদিন ধরে নতুন লেখা হয়ে উঠেনি। পুরাতন একটা গল্প দিচ্ছি। সিসিবির সাথে পরিচয় হওয়ার আগে অন্য একটা ব্লগে লেখাটা দিয়েছিলাম।)
এখন প্রতিদিন ঘুম ভাঙ্গার পর একটা কথাই মাথায় আসে – আজকেই কি সেই চিঠিটা আসবে। একটা একফুট বাই দেড়ফুটের বাদামী রংয়ের খামে প্রাপকের জায়গায় থাকবে আমার আর প্রেরকের জায়গায় হাসানের নাম। ভেতরে থাকবে সব কেজো কথার হিসেব নিকেষ যা আমার কাছে জল্লাদের ফাঁসির দড়ির শেষ টান কিম্বা আসামীর কাঠগড়ায় দাড়িয়ে বিচারকের মুখে নিজের মৃত্যুদন্ড শোনবার মতো।
বিস্তারিত»দিনলিপি – ৪: বমনার্ত সময়ে প্রেম আকড়ে মহাসমুদ্র পথে টিকে থাকা
বাসে করে যাচ্ছিলাম। অচল জনপদ সাঁই সাঁই করে জানালা ছুয়ে পেছনে পরে যায়, আর অস্তগামী অগ্নিকুন্ডটা তার যৌবন অতিক্রান্ত ঠোটপালিশ দেখিয়ে আদায় করতে চায় যেন সামান্য কিছু আকর্ষণ। ডিভানের নরম প্রেক্ষাপট নয়, বলধা গার্ডেনের কাঁটাবসনো ঝোপের পেছনে সামান্য স্থায়িত্বের কিছু অনুভুতিশূন্য শিশ্ন হলেই চলে যাবে তার। এ পৃথিবী হতে উঠেই গেছে ভালোবাসার স্পর্শ, শিঁড়দাড়ায় চুমু কিংবা স্তনের বোঁটায় ফোটা ফুলে অর্ঘ্য ঢালা, কেবল ডটেড কন্ডমে পর্দা করা নপুংসক শিশ্নই যথেষ্ঠ ঐ অস্তগামী সূর্যটার।
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক ১৭
শেষ পর্যন্ত শেষ হচ্ছে চট্টগ্রাম অধ্যায়( অন্তত এবারের মত)। আগামীকাল চূড়ান্ত পরীক্ষা, বৃহঃস্পতিবার আশা করি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করবো। সেদিক থেকে বলা যায় এটাই হালিশহর (চট্টগ্রাম) থেকে লেখা শেষ সাপ্তাহিক।
তিনদিনের কক্সবাজার সফর শেষে ফিরেছি গতকাল।পানিতে দাপাদাপি, বীচ মার্কেট, বার্মিজ মার্কেট ঘোরাঘুরি, হালকা কেনাকাটা, আড্ডাবাজি এ সব মিলিয়ে দূর্দান্ত সময় কাটিয়েছি।
কক্সবাজারে যাবার অফিসিয়াল কারন ছিল আবহাওয়া কেন্দ্র এবং নতুন রাডার স্টেশন ভ্রমন।
বিস্তারিত»আজ ৭ নভেম্বর: তাদের জন্য . . .

২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: ক্যাপ্টেন তানভীর, কর্নেল আফতাব, এবং মেজর আজিজ

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, এবং কর্নেল আফতাব

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: কর্নেল আফতাব, মেজর আজিজ, এবং ক্যাপ্টেন তানভীর

এদেরই কেউ কেউ . . . ? নাকি সবাই . . . ?

ক্যাপ্টেন তানভীরের বড় ছেলে ইফাজের সাথে সিপাহী আবু সালেখ।
জনৈক বেরসিকের বিটিভি ম্যাগাজিন দর্শন
আমাদের বাসায় টিভির আগমন ঘটেছিল আমার সৌজন্যে। সেসময় টিভি সবিশেষ ছিলো না। তাই টিভি দেখতে আমাকে নিয়ে যাওয়া হতো পাশের বাসায়। তৎকালীন নেসলে কোন এক বিজ্ঞাপনের বালক মডেলের সাথে গলা মিলিয়ে “হুমমম” না বলতে পারলে নাকি আমার প্রতিক্রিয়া হতো তীব্র। তার সাথে যোগ হলো সন্ধ্যা আট টায় আমার পিতার সাহেব বিবি গোলাম (এরশাদের আমলে সংবাদকে নাকি এই নামে বলা হতো) অনুষ্ঠানটি দর্শনের আগ্রহ। টিভি আসার পরে যা হোল আমাদের সব রিলেটিভ মিলে বেশ একটা ঘরোয়া পরিবেশে টিভি দেখা হতো।
বিস্তারিত»লাইভ ফ্রম কলেজ-৩
প্রিটেস্ট পরীক্ষা শেষ হলো…বিদায়ের দিন ক্রমশ এগিয়ে আসছে!এই শেষ মুহুর্তে এসে একটু মন খারাপ হয়!তবু সিনিয়র ক্লাস…,সেই আনন্দে সুখে থাকি!ভ্যাকেশনের ১৫ দিনের মত বাকি!দিন গুলো খুব উত্তেজনায় কাটছে!১০ তারিখ থেকে ICCBVM শুরু হতে যাচ্ছে!আমরা হোস্ট!চ্যাম্পি্যন্স লীগের খেলাগুলো মিস করতে ইচ্ছে হয় না!আজ যেমন ডিভিডি দেখব,স্পেশাল ডিনার…এসব আনন্দের তুলনাই হয় না!
সবাই ধীরে চিন্তিত হয়ে পড়ছি।ক্যারিয়ার নিয়ে।কলেজ থেকে বের হয় কী করব…এসব চিন্তা হয়।সোসাইটি ক্লাসে বসে ব্লগ লিখছি!আর খুব মিস করছি সিসিবি কে!সবাই ভাল থাকবেন!
নতুন বোতলে পুরান মদ আর জামায়াত
রাজনীতি মানেই কৌশল, ক্ষমতায় আরোহণের পথ কে সুপ্রশস্ত করতে নতুন নতুন নেওয়া কিছু কৌশল। কিন্তু কেন জানি কিছু কিছু কৌশল আর রাজনীতি নামক শব্দের ঘেরে আটকে রাখতে মন চায় না। এরা বরং ঘৃণার উদ্রেক করে, মনটা কে তিতা করে দেয়। এরকম একটা সংবাদ গতকাল দেখার পর থেকে মনটা তিতা হয়ে আছে। সেই সংবাদে নিজামী বলছে- “মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের জান্নাতবাসী করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করছি এবং মুক্তিযোদ্ধাগণের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।”
বিস্তারিত»বিক্ষিপ্ত ভাবনা
০.
অনেকদিন ধরে লিখবো লিখবো করে লেখা হচ্ছে না। কাজের পরিমান ও চাপ দুটোই মনে হয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। কোন কিছুই যেন ঠিক প্লান করে করতে পারছি না। যেখানেই প্লান করছি সেখানেই ঘাপলা হচ্ছে। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আমার উপর শনি ভর করেছে। কিন্তু এই শনি কাটানোর কোন পাথর খুঁজে পাচ্ছি না।
১.
আগামীকাল ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে জেসিসি’র বিরাট গেট টুগেদার হবে এবং ঠিক পরের দিনই আমার ইয়ের মানে আপনাদের হবু ভাবির জন্মদিন।
কবিতা-সিরিজঃ সে
অনেকদিন হয় আমি দীর্ঘ লেখা লিখি না, অনেক গভীর রাত জাগি না একা একা। অনেকের মনের সুখ আমাকে এখনও দোলায়, আমি নিজেকে পুরোপুরি আলাদা করে ছিঁড়ে বেরিয়ে একা একা হতে পারি না। এইসব অনভ্যাস আমাকে জংধরা ধাতব বানিয়েছে, আমি সেই মরফোসিস দেখেও নীরব ছিলাম। নীরবতা হিরন্ময় শুনেছি। চুপ থাকাই ভালো, কারণ সবাই বদলে যাবেই। বদলানোর পরের দিন ঘুম ভেঙে সবাই একটা নতুন পৃথিবী তৈরি করবে।
বিস্তারিত»