ডিডো… শান্টু… তারপর…

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) প্রথম থেকেই ডিডোকে জাতীয় দল গঠনের স্বাধীনতা দিয়েছিল। সালাহউদ্দিন জমানায় অনেক ভালো সিদ্ধান্ত এর মতই প্রশংসনীয় ব্যাপার ছিলো সেটা। বিশ্বজুড়েই এটা রীতি যে দল নির্বাচনের সব দায়দায়িত্ব কোচেরই থাকে। ডিডোর ওপর যখন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তাঁর ওপর আস্থা রাখা উচিত ছিল। পরম বিশ্বাসে সালাহউদ্দিনও নিজ দায়িত্বে ডিডোকে আগলে রেখে পরীক্ষায় সফল বা ব্যর্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত ডিডোকে সুযোগ দিতে চেয়েছিলো।

এইবারের সাফ গেমস এর দল ঘোষনার পরই এই লেখাটা দিতে চেয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

কালো ঘোড়ার আরোহী!!! পর্ব পাঁচ

পর্ব

৯।

কয়েক দিন পর।

বেশ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে শেরিফ মরগান। মনের মধ্যে কেমন জানি কু ডাক দিচ্ছে!! কেন জানি মনে হচ্ছে ভয়ানক কিছু একটা ঘনিয়ে আসছে…অথচ সবকিছু কি ভাল ভাবেই না চলছিল!!! কেউ ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারে নি, উইলিয়াম্‌স গ্যাং-কে ও কি সুচতুর উপায়ে নেতৃত্ব দিয়ে চলছে…

বিস্তারিত»

আমার ইতিহাস ভাবনা

কিছুদিন আগে আমার খুব কাছের এক বন্ধু ফোন করে বলল ওর জন্য যেকোন একটা চাকুরী দেখতে। এসএসসি পাশের পর আর পড়াশোনা করেনি। এটাসেটা করে বেশ ভালোই চলছিল। এর মাঝে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে, মেয়েও হয়েছে একটা। ভালো ব্যবসা করছিলো। কিছুদিন আগে ব্র্যাক থেকে ৫০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে ধরা খেয়ে গেছে। কি কারণে ঐ ব্যবসাটায় মার খেয়েছে। এখন সব বেঁচে দিয়েও পুরো ঋণ শোধ হচ্ছে না।

বিস্তারিত»

বার্লিনের প্রাচীর

ইতিহাসে আমি বরাবরই পাতিহাঁস। দিন তারিখ মনে কখনই রাখা হয়নি। তবে ৮৯এর ৯ই নভেম্বর যেদিন বার্লিন প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলা হোল সেদিনের কথা কিছুটা হলেও মনে আছে। কি হচ্ছে তা বুঝিনি, তবে “কোন্ড ওয়ার”, “কমিউনিজম”, “গর্বাচেভ” শব্দগুলো মাথায় গেঁথে গিয়েছিল।

এর মাঝে বিশ বছর কেটে গেছে, কোনদিন বার্লিন প্রাচীর ভাঙ্গা নিয়ে কোন কৌতূহল হয়নি। তবে মাসখানেক আগে “দি লাইভ্স অভ আদারস” সিনেমাটা দেখে বেশ নাড়া খেয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

গল্পঃ রোদ ভেঙে যেদিন পেরুলো সবাই অনন্ত রাত

দরজা খুলে ঝড়ের বেগে বের হয়ে আসার পরে পিঠের ওপরে সেটা দড়াম করে চিৎকার করে উঠলে রাসেলের মনে হয় এভাবে সব দরজাগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সাদা-কালো কাচে তৈরি দরজায় এধরনের শব্দ হয় না বলে সে প্রায় ভুলতে বসেছিল, কিন্তু আজ পেছনে দড়াম করে দরজা পড়ার শব্দটা তাকে মনে করিয়ে দিলো প্রত্যাখ্যান কতো নিষ্ঠুর। দুপুরের রোদ বেহিসেবি অ্যাকাউন্টেন্টের মতো অবারিত ভুল তীর ছুঁড়ছে, আর পিঠে থুথুর মতো লেপটে থাকা শব্দটা,

বিস্তারিত»

বাজারের নাম শেয়ার বাজার

শহর ভর্তি বানর। বানরের যন্ত্রনায় টেকা দায়। সেই সময় শহরে এলো এক আগন্তুক। এসেই ঘোষনা দিল এক একেকটি বানর ধরে দেওয়ার জন্য দেওয়া হবে ১০ টাকা। শহরবাসীর প্রধান কাজই হয়ে গেল বানর ধরা। দ্রুত বানর ধরে ধরে খাঁচায় পুরে ১০ টাকা করে নিয়ে বাড়ি ফিরলো সবাই।
এরপর ঘোষণা এলো, একটি বানরের জন্য এবার দেওয়া হবে ২০ টাকা। শহরবাসি আবার নেমে গেল বানর ধরতে। খুব বেশি পাওয়া গেল না,

বিস্তারিত»

জগাখিচুড়ি পোস্ট

(১)
ক্লাস টুয়েলভে থাকাকালীন জনৈক সহপাঠীর আয়না পড়ার ঘটনা মনে পড়ল। আয়না পড়া ব্যাপারটা বেশ সহজ। টাওয়েল পরে কেউ যখন বাথরুমে যেতে থাকবে, তখন একজন জানালা দিয়ে তাকে ডেকে তার সাথে সিরিয়াস পড়াশুনা রিলেটেড কথা বার্তা চালাবে, এই ফাকে পিছন দিক থেকে এসে ২য় জন টাওয়েলের নিচ দিয়ে আয়না পড়া দিবে। সহজ লজিক। কিন্তু সমস্যা হল ওই সহপাঠীর আয়না পড়াতে কিছুই দেখা যায় নাই…

বিস্তারিত»

অছাত্র বনাম আমরা

আমার কাজিন রায়হান ভাই একটা বেসরকারি ভার্সিটিতে বিবিএ পরেন। বাসায় আসা যাওয়ার পথেই পরে ঢাকা ভার্সিটির এস এম হল। হলটা খুব ভালো লাগে বলে মাঝে মাঝেই আসা যাওয়ার পথে হলের মসজিদে নামাজ পরতে যান। বলে রাখা ভালো, বেশ ধার্মিক লোক সে, মুখে দাড়িও আছে। সে দিন ছিল শুক্র বার (২৩ অক্টোবর)। এশার নামাজ এর সময় এক বন্ধুকে নিয়ে হলের পাশ দিয়ে বাইকে করে যাছিলেন। ভাবলেন নামাজটা পরে নেই।

বিস্তারিত»

জলবৃক্ষের জন্মদিন

সবে মাত্র মেসেঞ্জার থেকে সাইন আউট করতে যাচ্ছি এমন সময় হঠাৎ জুনায়েদ ভাইয়ের ডাক পড়লো।
“ঐ ব্যাটা, আছিস নাকি?”
“আরে কি সৌভাগ্য আমার, এযে দেখি জুনাদা। তো আছেন কেমন?”
“আর বলিস না। বিশাল পেইনে আছি।”
“কেন কি হইছে? কোন ডাক্তারের সাথে কনসাল্ট করছেন? পেইন কিলার খাইছেন কোনটা? প্যারাসিটামল খেয়ে দেখতে পারেন। কলেজের ডাক্তার স্যার বলছিলেন, ঐটা মহৌষধ।”
“আরে না ব্যাটা,

বিস্তারিত»

৮ নভেম্বর ২০০১: ঠিক ৮ বছর আগে যেভাবে শুরু হয়েছিলো . . .

৮ নভেম্বর ২০০১ জীবনে ভীষণ আনন্দময় একটা দিন প্রেরণা’র জীবনে। রুমি নামের একটা ছেলে সেল ফোনের নম্বরটা দিয়ে বললো, ‘কোন অপরিচিত মেয়েকে আমি নম্বরটা দেই না। তবে আপনার কাছ থেকে একটা কল আশা করবো।’

Rumi-and-Rona
কোন কথাটা বেশি প্রযোজ্য- ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ নাকি ‘হিডেন’?

এরপর প্রতিদিনের কথা বলা, মাঝে মাঝে দেখা করা থেকে আজ দীর্ঘ ৮ বছর পর তারা এত কাছের মানুষ যে,

বিস্তারিত»

অতঃপর একটা চিঠি

(সিসিবিতে খুব লেখা দিতে ইচ্ছে করছিলো। অনেকদিন ধরে নতুন লেখা হয়ে উঠেনি। পুরাতন একটা গল্প দিচ্ছি। সিসিবির সাথে পরিচয় হওয়ার আগে অন্য একটা ব্লগে লেখাটা দিয়েছিলাম।)

এখন প্রতিদিন ঘুম ভাঙ্গার পর একটা কথাই মাথায় আসে – আজকেই কি সেই চিঠিটা আসবে। একটা একফুট বাই দেড়ফুটের বাদামী রংয়ের খামে প্রাপকের জায়গায় থাকবে আমার আর প্রেরকের জায়গায় হাসানের নাম। ভেতরে থাকবে সব কেজো কথার হিসেব নিকেষ যা আমার কাছে জল্লাদের ফাঁসির দড়ির শেষ টান কিম্বা আসামীর কাঠগড়ায় দাড়িয়ে বিচারকের মুখে নিজের মৃত্যুদন্ড শোনবার মতো।

বিস্তারিত»

দিনলিপি – ৪: বমনার্ত সময়ে প্রেম আকড়ে মহাসমুদ্র পথে টিকে থাকা

বাসে করে যাচ্ছিলাম। অচল জনপদ সাঁই সাঁই করে জানালা ছুয়ে পেছনে পরে যায়, আর অস্তগামী অগ্নিকুন্ডটা তার যৌবন অতিক্রান্ত ঠোটপালিশ দেখিয়ে আদায় করতে চায় যেন সামান্য কিছু আকর্ষণ। ডিভানের নরম প্রেক্ষাপট নয়, বলধা গার্ডেনের কাঁটাবসনো ঝোপের পেছনে সামান্য স্থায়িত্বের কিছু অনুভুতিশূন্য শিশ্ন হলেই চলে যাবে তার। এ পৃথিবী হতে উঠেই গেছে ভালোবাসার স্পর্শ, শিঁড়দাড়ায় চুমু কিংবা স্তনের বোঁটায় ফোটা ফুলে অর্ঘ্য ঢালা, কেবল ডটেড কন্ডমে পর্দা করা নপুংসক শিশ্নই যথেষ্ঠ ঐ অস্তগামী সূর্যটার।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৭

শেষ পর্যন্ত শেষ হচ্ছে চট্টগ্রাম অধ্যায়( অন্তত এবারের মত)। আগামীকাল চূড়ান্ত পরীক্ষা, বৃহঃস্পতিবার আশা করি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করবো। সেদিক থেকে বলা যায় এটাই হালিশহর (চট্টগ্রাম) থেকে লেখা শেষ সাপ্তাহিক।

তিনদিনের কক্সবাজার সফর শেষে ফিরেছি গতকাল।পানিতে দাপাদাপি, বীচ মার্কেট, বার্মিজ মার্কেট ঘোরাঘুরি, হালকা কেনাকাটা, আড্ডাবাজি এ সব মিলিয়ে দূর্দান্ত সময় কাটিয়েছি।

কক্সবাজারে যাবার অফিসিয়াল কারন ছিল আবহাওয়া কেন্দ্র এবং নতুন রাডার স্টেশন ভ্রমন।

বিস্তারিত»

আজ ৭ নভেম্বর: তাদের জন্য . . .

3-of-them
২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: ক্যাপ্টেন তানভীর, কর্নেল আফতাব, এবং মেজর আজিজ

they-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, এবং কর্নেল আফতাব

exclusive-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: কর্নেল আফতাব, মেজর আজিজ, এবং ক্যাপ্টেন তানভীর

with-soldiers-10-Dec-2007
এদেরই কেউ কেউ . . . ? নাকি সবাই . . . ?

Sipahi-Abu-Salekh-Runner
ক্যাপ্টেন তানভীরের বড় ছেলে ইফাজের সাথে সিপাহী আবু সালেখ।

বিস্তারিত»

জনৈক বেরসিকের বিটিভি ম্যাগাজিন দর্শন

আমাদের বাসায় টিভির আগমন ঘটেছিল আমার সৌজন্যে। সেসময় টিভি সবিশেষ ছিলো না। তাই টিভি দেখতে আমাকে নিয়ে যাওয়া হতো পাশের বাসায়। তৎকালীন নেসলে কোন এক বিজ্ঞাপনের বালক মডেলের সাথে গলা মিলিয়ে “হুমমম” না বলতে পারলে নাকি আমার প্রতিক্রিয়া হতো তীব্র। তার সাথে যোগ হলো সন্ধ্যা আট টায় আমার পিতার সাহেব বিবি গোলাম (এরশাদের আমলে সংবাদকে নাকি এই নামে বলা হতো) অনুষ্ঠানটি দর্শনের আগ্রহ। টিভি আসার পরে যা হোল আমাদের সব রিলেটিভ মিলে বেশ একটা ঘরোয়া পরিবেশে টিভি দেখা হতো।

বিস্তারিত»