নগরভ্রমক ও আমি

“এখানে ফুল তোলা নিষেধ”
নির্দেশ বা বিজ্ঞপ্তি, যাই বলি না কেনো
সেটা পড়ে নগর-পরিব্রাজকের পা ভারি হয়, সে চলতে পারে না
শরীরের ভেতরে ফুলের পাঁপড়ি-ছেঁড়ার-গান
হঠাৎ!
মুষড়ে উঠলে নিঃশব্দেই অযথা ভাঙে
অমলকান্তি শরীর- একহারা গড়নের মধুময় কায়া
টুকরোগুলো ইতস্তত ফুটপাতে

ওখানে অনেক ভীড় বলে অনেকেই গা ঘেঁষে চলে, গায়ে মেখে চলে
তাদের পায়ে পা জড়িয়ে,

বিস্তারিত»

স্বপ্ন

যখন আমি স্বপ্ন দেখি, মনে যে হয় জেগে আছি,
উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়াই, প্রজাপতির সাথে হারাই..
ফুল বাগানের মধ্যে দেখা, আকাশ পরি একা একা
চুপটি করে বসে আছে, বেলি ফুলের সাথে মিশে
কাঁদছে একা করুন সুরে, আমি তখন একটু দূরে–
কাছে গেলাম কৌতুহলে, জিজ্ঞাসিনু খেলার ছলে
বলল, সে যে রাজকুমারী, পাষান হৃদয় পিতা তারি,

বিস্তারিত»

গল্প: ক্ষুধা

এলার্মের শব্দে চোখ খুলে উপরে ঝুলে থাকা সিলিংটাকে খুব অপরিচিত মনে হল আফসানা রশীদের। ঘুমের ক্রমবর্ধমান সান্দ্রতা তাকে টেনে বিছানায় ফেরৎ নেবার অপচেষ্টায় মত্ত তখন। আফসানার মনে একটি লোভনীয় আশা উঁকি ঝুঁকি মারার চেষ্টা করল। কোনদিন যদি এলার্মের শব্দটাকে পিছমোড়া বেধে ফেলে দেয়া যেত প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম খাতে। কি যেন নাম খাতটার, মিন্দানাও খাত সম্ভবত। যে শিডিউল গুলো ব্ল্যাকবেরীর ভেতরে অঘোরে ঘুমাচ্ছে একটি সদ্যজাতের তারস্বর চিৎকারের অপেক্ষায়,

বিস্তারিত»

বিক্ষিপ্ত ভাবনা – ২

০. আজ হয়তো হাসপাতালে আমার শেষ রাত। গত সাতদিন ধরে ৪ নম্বর রুমের বিছানাটার সাথে আমার যে বোঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরী হয়েছে সে সম্পর্কে আজ মনে হয় ফাঁটল ধরলো। আজ বিছানায় শুয়ে বা গড়াগড়ি করে মোটেও শান্তি পাচ্ছি না। এই অতি কৃত্রিম বিলাসী জড় বস্তুটি বোধ করি বুঝতে পেরেছে যে কাল থেকে তাকে অত্যাচার করার আর কেউ থাকছে না। মাত্র সাতদিন হাসপাতালে থেকেই আমার যে অবস্থা হয়েছে,

বিস্তারিত»

10th Down মারকুটে ব্যাটসম্যান

বাংগালি জাতি ক্রিকেট পাগল জাতি।আমি বাংগালি, জাতেও পাগল; কিন্তু ক্রিকেট পাগল না। কোনো খেলাধুলাই আমি পারিনা, ক্রিকেট তো আরো না।হাল ছেড়ে দেবার লোক আমি না। সূতরাং ক্রিকেটার হিসাবে প্রতিষ্ঠা সাময়িকভাবে আমার জীবনের লক্ষ্যে পরিণত হলো।

আমি তখন ৯ম শ্রেণীতে পরি; মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে। সামনে আন্ত: হাউজ ক্রিকেট কম্পিটিশন।জুনিয়র গ্রুপে আমরাই সবচে সিনিয়র।সূতরাং দলে আমাদের সংখ্যাই বেশি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু দলীয়করন এবং স্বজনপ্রীতি এমন একটা ব্যপার যা সর্বত্র বিদ্যমান।

বিস্তারিত»

কোথায় যাচ্ছে ডিজুস জেনারেশান ???

ব্লগে এমন ম্যাচিওরড কন্টেন্ট দেয়ার জন্য দু:খিত । কিন্তু আমি চাই এই পশুগুলোর পরিচয় প্রকাশ হোক এবং এদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হোক। ব্লগের অনেকেই সনামধন্য সাংবাদিক অথবা আইনজীবি অথবা মানবাধিকারকর্মী । আপনাদের মতামত জানতে পারলে খুশি হব।

কাল আমার পরীক্ষা আছে । তাই ব্লগে ঢোকার কোন ইচ্ছা ছিল না । তবু অভ্যাস বসে ঢুকে এমন অভিজ্ঞতা হলো যে রাগে ঘৃনায় আমি কিছুতেই পড়ায় মন বসাতে পারছি না।

বিস্তারিত»

ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী : লেখা চাই

ফৌজদারহাটের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে গতবছর। একই সঙ্গে এদেশে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষারও ৫০ বছর পার হয়েছে। ডিসেম্বরের ২৫ থেকে ২৭ ফৌজদারহাটে তাই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব হবে। ফৌজদারহাটের অনেকেই সেই উৎসবে সামিল হবো।

“ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৫০ বছর : ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার ৫০ বছর” শিরোনামে একটা দ্বিভাষিক সংকলন বের হবে। এতে ফৌজদারহাটের ক্যাডেট, শিক্ষক, ক্যাডেটদের দেখেছেন-কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিত্ব এবং বাকি ক্যাডেট কলেজগুলোর ক্যাডেটদের লেখা থাকবে।

বিস্তারিত»

সিসিবির দ্বিতীয় জন্মদিন পালন উপলক্ষ্যে

আগামী ৮ই ডিসেম্বর সিসিবির দ্বিতীয় জন্মদিন।

আমরা চাচ্ছি এই জন্মদিনেও পূর্বের মত সিসিবি সদস্যদের একটা গেট টুগেদার এর আয়োজন করতে।

গেট টুগেদার এর আয়োজন, পাশাপাশি কারো অন্য কোন আইডিয়া থাকলে সেটাও শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

সবাই দয়া করে মন্তব্যের মাধ্যমে সরব হোন। ধন্যবাদ।

বিস্তারিত»

শূন্যতা

মাথার ভিতরে হলুদ চিন্তা আর ঘুণেপোকার কিট কিট আওয়াজ…
চোখে বুঁজে আসে মাদকতায়……
আমি চোখের মনিতে আলপিন গেঁথে বেঁকে যাওয়া নদীর আর্তনাদ শুনি…
বাতাসে উড়ে বেড়ায় লালপেড়ে ঘুড়ি।

নদীর বাঁকে রমন ক্লান্ত শরীর ঘিরে থাকে প্রিয়তমার ঘ্রানে
হলুদ-হলুদ চিন্তা মিশে মিশে যায়।
ঘুম আসে না।

যে যাবার সে চলে যায় অবলীলায়।
পড়ে থাকে শুধু মায়া।

বিস্তারিত»

দিনলিপি -৫: নাইটেঙ্গেলের কুলখানিতে পঠিত কবিতা(উৎসর্গ : উত্তর দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়)

শংকর বাসস্ট্যান্ডে রিকশা করে যাচ্ছিলাম।

আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি গাঢ় নীল। আকাশের সুগন্ধী যোনীতে ফুটে আছে একথোকা মেঘ, ভেনাস দ্যা মিলোর মসৃণ ত্বকে যে শতাব্দীর ঘন সুবাস আয়েশে জমে আছে তার ভাস্কর্য্য। আমি সুন্দরের শরীর স্পর্শে পাগল হয়ে যাই, বাতাসের স্তনবোটায় জমা স্বেদবিন্দুর স্বাদ নিতে উদ্বেলিত হয়ে যাই। কবিতারা ঝাক বেধে যেন জন্মায় এই শরীরে।

উত্তর দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম সেদিন। অসংখ্য শুন্যচোখ আর জব ওরিয়েন্টিজমের স্টান্টবাজির গিলোটিনে ঘাড় পেতে দেয়া ঠোটপালিশ মাখা প্লাস্টিকের ঠোট দেখলাম।

বিস্তারিত»

২১ নভেম্বর ২০০২: ‘লাকি স্যাভেন’ বিবাহ বার্ষিকী!

‘এর পরের বার আমাদের জন্য হবে লাকি স্যাভেন।’ পরবর্তী বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মনের আনন্দে হায়দার তার স্ত্রীকে এ কথাটি বলেছিল। খুব দ্রুত তাদের ৬ টি বছর কেটে যায়। ২০০৩ সালে এক গেট-টুগ্যাদারে প্রথম বারের মতো আমরা অধিকাংশই তাদের দেখতে পাই। তখনো তাদের দাম্পত্য জীবনের এক বছরও হয় নি। আমাদের মাঝে যেহেতু প্রথম তারই বিয়ে হয়, তাই প্রথম দিকে তাদের খুব স্ট্রাগল করতে হয়েছিলো।

Rumi-Rona-Satisfaction
সুখী দম্পতি রুমি ও রণা

২০০৫ তাদের জীবনে অন্যতম স্মরণীয় ম্যারেজ ডে।

বিস্তারিত»

ভ্যাকেশন শুরু ও একটি কবিতা

ভ্যাকেশন শুরু হল কাল!ঈদের ছুটি!কিন্তু মাত্র ১৩ দিনের ছুটি!তারপরই কলেজ আর ২ দিন পরই টেস্ট!কী যে ব্যস্ততা!আর বাসায় আসতেই আম্মার চিল্লাচিল্লি “পড়তে বস!
কলেজে থাকতে শুধু প্লান করি,ভ্যাকেশনে গিয়ে এই করবো,ওই করবো!বাসায় আসতেই সব হাওয়া!শেষে একবার সব পরিকল্পনা ডায়েরীতে লিখে রাখতাম…কিন্তু বাসায় এসে সেদিকে আর মন থাকে না!তবুও স্বপ্ন দেখি…কলেজের বিরক্তিকর দিনগুলোতে অপেক্ষায় থাকি ছুটির!
আর বাসায় আসলে,প্রথম দু একদিন খুব উত্তেজিত থাকি…তারপর আবার কলেজের ফ্রেন্ডদের মিস করতে শুরু করি!তবুও ভ্যাকেশন ভাল!আর মাত্র একটা ভ্যাকেশন বাকি আছে ক্যাডেট লাইফে!

বিস্তারিত»

সিসিবি’তে আমার যাত্রা হলো শুরু

ইতিবৃত্ত
পেশায় ডাক্তার বিধায় ইন্টারনেটে আমার অগাধ দখল। মানে নেটে বসাই হয়না বললে চলে। ক্যাডেট কলেজ ব্লগে প্রবেশ বন্ধুবর মাহমুদের উৎসাহে। অসাধারণ সাইট। লেখালেখি নেশা নয় পেশাও নয়। বুদ্ধিজীবি তো নইই। কখনও লিখি নিতান্তই প্রানের আবেগে। ব্লগের লেখাগুলো মান সম্পন্ন।আমার লেখার মান সম্পর্কে আমার ধারনা নেই।

মাহমুদের উৎসাহ ও বাকি সবাই প্রত্যাখ্যান করবেননা এই আশায় প্রথম লেখাটি পাঠালাম।

শুভেচ্ছা।
অসীম।

বিস্তারিত»

খেলাধূলা আর ব্লগর ব্লগর

খুব লিখতে ইচ্ছা করে, কিন্তু দেশে আসার পর সুযোগ আর সময়াভাবে লিখতে পারছি না। তাও ফয়েজীয় ফাঁকিবাজী অনুসরণ করে একটা ব্লগর ব্লগর লিখে ফেললাম।

ইদানীং কালের ফুটবল খবর হলো থিয়েরী অঁরির হ্যান্ডবল। দুনিয়াজুড়ে সবাই থিয়েরী অঁরিকে প্রতারক ডাকছে। মূল ঘটনা সবাই জানে তাও বলি, ফ্রান্স আর আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপ প্লে অফ খেলা যখন টাইব্রেকারে গড়াচ্ছিলো তখন ফ্রান্সের এক আক্রমণে থিয়েরী অঁরি হাত দিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ফাইনাল পাস দেয় গালাসকে এবং তা থেকেই গালাসের গোল এবং ফ্রান্স ঐ গোলের সুবাদেই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

বিস্তারিত»