১।
স্যান্ডহার্স্ট মিলিটারি একাডেমি নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আমাদের বিএমএর কথা।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারদের প্রশিক্ষণকেন্দ্র যেমন বিএমএ, রাজকীয় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর তেমনি স্যান্ডহার্স্ট।প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক বিখ্যাত রণনায়কের পদচারণভূমি এই স্যান্ডহার্স্ট সামরিক শিক্ষার ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।জেনারেল মন্টগোমারির মত বিখ্যাত নিয়মিত সেনা অধিনায়ক ছাড়াও এ সামরিক মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন স্যার উইন্সটন চার্চিলের মত রাজনীতিবিদগন এবং প্রিন্স উইলিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজপরিবারের সদস্যরা।তবে আমার আজকের গল্প এরকম সেলিব্রিটি ইমেজের কাউকে নিয়ে নয়।চিন্তা করুন তো,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুরো সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ইউনিটের একজন সদস্য কোমরে মধ্যযুগের স্কটিশ ব্যাগপাইপ,তলোয়ার,তীর আর ধনুক নিয়ে যুদ্ধ করতে যাচ্ছে!(সেকেন্ড কমান্ডো ব্যাটালিয়নের একটি দুর্লভ ছবিঃআমাদের নায়ক জ্যাক চার্চিল হচ্ছেন পেছন থেকে তৃতীয়-মাথায় হ্যাট পরা)
২।
প্রবাসে প্রলাপ – ০১৩ ( অগোছালো দিনলিপি )
১।
সিসিবিতে লেখা হয় না অনেকদিন। আমার ছোটভাই জিজ্ঞেস করে তোমার কি হল ভাইয়া সিসিবিতে আর আসোনা যে? কেউ কেউ জিজ্ঞেস করে সিসিবির আবেদন কমে গেল নাকি তপু? আমি তাও সাড়া দিতে পারি না। দুটো প্রশ্নের উত্তর দেবার কোন প্রয়োজন নেই। সিসিবিতে আমার কোনরকম চিন্তাভাবনা করে আসা লাগে না। ব্রাউজার খুলে একটু পরে এমনিতেই সিসিবির এড্রেস লিখে ফেলি আর আবেদন আদৌ কি কোনদিন কমবে?
২৫ শে নভেম্বর নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস
১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়। ক্ষুধা, দারিদ্র, অপুষ্ঠি, অশিক্ষা, বেকার সমস্যা এই সকল সাধারণ সমস্যার পাশাপাশি নারীদের আরো কিছু মারাত্মক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় শুধুমাত্র তারা নারী বলে। মালয়েশিয়া কিম্বা মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ঠের কথা আমরা জানি। সেই শ্রমিক যখন নারী হয় তখন তার সাথে যোগ হয় শারীরিক আর যৌন নির্যাতন।
বিস্তারিত»হঠাৎ করে মনে হলো ভুল করেছি ভালোবাসায়

হঠাৎ করে মনে হলো ভুল করেছি ভালোবাসার
শুকনো হ্রদে নাও ভাসিয়ে
কপাল বেয়ে নেমে আসা স্বেদের ধারা স্ফুলিঙ্গ হয়
ভিজিয়ে দেয় ক্লান্ত প্রহর শ্যামল ছাতের নিওন বাতি
প্রবাহমান আলোর রেখা
সবুজ আলোয় হাত পুড়িয়ে ভুল করেছি ভালোবাসার
নীল হাওয়াতে উড়িয়ে ঘুড়ি
স্বপ্নস্রোতের রাজফটকে পেন্সিল হাতে দ্বারপ্রহরী
খসড়া আঁকে নাটাই হাতে এক বালকের উদাস চোখের
আগুন যত গুমড়ে মরে বুকের ভেতর
মাটির চুলোয় মন পুড়িয়ে ভুল করেছি ভালোবাসার
লালচে ঠোঁটে চুমু খেয়ে
কালকে রাতে চাঁদের সাদা জোৎস্না মাঠে খেলতেছিল
মেঘের সাথে,সেই সুযোগে এই দু’জনার হাটাহাটি
সমস্ত রাত আবছা ছায়ায় হাতটি ধরে গল্প বলা
বিদায়ক্ষণে আলতো ছুঁয়ে ভুল করেছি,ভুল করেছি!
নগরভ্রমক ও আমি
“এখানে ফুল তোলা নিষেধ”
নির্দেশ বা বিজ্ঞপ্তি, যাই বলি না কেনো
সেটা পড়ে নগর-পরিব্রাজকের পা ভারি হয়, সে চলতে পারে না
শরীরের ভেতরে ফুলের পাঁপড়ি-ছেঁড়ার-গান
হঠাৎ!
মুষড়ে উঠলে নিঃশব্দেই অযথা ভাঙে
অমলকান্তি শরীর- একহারা গড়নের মধুময় কায়া
টুকরোগুলো ইতস্তত ফুটপাতে
ওখানে অনেক ভীড় বলে অনেকেই গা ঘেঁষে চলে, গায়ে মেখে চলে
তাদের পায়ে পা জড়িয়ে,
স্বপ্ন
যখন আমি স্বপ্ন দেখি, মনে যে হয় জেগে আছি,
উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়াই, প্রজাপতির সাথে হারাই..
ফুল বাগানের মধ্যে দেখা, আকাশ পরি একা একা
চুপটি করে বসে আছে, বেলি ফুলের সাথে মিশে
কাঁদছে একা করুন সুরে, আমি তখন একটু দূরে–
কাছে গেলাম কৌতুহলে, জিজ্ঞাসিনু খেলার ছলে
বলল, সে যে রাজকুমারী, পাষান হৃদয় পিতা তারি,
গল্প: ক্ষুধা
এলার্মের শব্দে চোখ খুলে উপরে ঝুলে থাকা সিলিংটাকে খুব অপরিচিত মনে হল আফসানা রশীদের। ঘুমের ক্রমবর্ধমান সান্দ্রতা তাকে টেনে বিছানায় ফেরৎ নেবার অপচেষ্টায় মত্ত তখন। আফসানার মনে একটি লোভনীয় আশা উঁকি ঝুঁকি মারার চেষ্টা করল। কোনদিন যদি এলার্মের শব্দটাকে পিছমোড়া বেধে ফেলে দেয়া যেত প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম খাতে। কি যেন নাম খাতটার, মিন্দানাও খাত সম্ভবত। যে শিডিউল গুলো ব্ল্যাকবেরীর ভেতরে অঘোরে ঘুমাচ্ছে একটি সদ্যজাতের তারস্বর চিৎকারের অপেক্ষায়,
বিস্তারিত»বিক্ষিপ্ত ভাবনা – ২
০. আজ হয়তো হাসপাতালে আমার শেষ রাত। গত সাতদিন ধরে ৪ নম্বর রুমের বিছানাটার সাথে আমার যে বোঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরী হয়েছে সে সম্পর্কে আজ মনে হয় ফাঁটল ধরলো। আজ বিছানায় শুয়ে বা গড়াগড়ি করে মোটেও শান্তি পাচ্ছি না। এই অতি কৃত্রিম বিলাসী জড় বস্তুটি বোধ করি বুঝতে পেরেছে যে কাল থেকে তাকে অত্যাচার করার আর কেউ থাকছে না। মাত্র সাতদিন হাসপাতালে থেকেই আমার যে অবস্থা হয়েছে,
বিস্তারিত»10th Down মারকুটে ব্যাটসম্যান
বাংগালি জাতি ক্রিকেট পাগল জাতি।আমি বাংগালি, জাতেও পাগল; কিন্তু ক্রিকেট পাগল না। কোনো খেলাধুলাই আমি পারিনা, ক্রিকেট তো আরো না।হাল ছেড়ে দেবার লোক আমি না। সূতরাং ক্রিকেটার হিসাবে প্রতিষ্ঠা সাময়িকভাবে আমার জীবনের লক্ষ্যে পরিণত হলো।
আমি তখন ৯ম শ্রেণীতে পরি; মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে। সামনে আন্ত: হাউজ ক্রিকেট কম্পিটিশন।জুনিয়র গ্রুপে আমরাই সবচে সিনিয়র।সূতরাং দলে আমাদের সংখ্যাই বেশি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু দলীয়করন এবং স্বজনপ্রীতি এমন একটা ব্যপার যা সর্বত্র বিদ্যমান।
বিস্তারিত»কোথায় যাচ্ছে ডিজুস জেনারেশান ???
ব্লগে এমন ম্যাচিওরড কন্টেন্ট দেয়ার জন্য দু:খিত । কিন্তু আমি চাই এই পশুগুলোর পরিচয় প্রকাশ হোক এবং এদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আনা হোক। ব্লগের অনেকেই সনামধন্য সাংবাদিক অথবা আইনজীবি অথবা মানবাধিকারকর্মী । আপনাদের মতামত জানতে পারলে খুশি হব।
কাল আমার পরীক্ষা আছে । তাই ব্লগে ঢোকার কোন ইচ্ছা ছিল না । তবু অভ্যাস বসে ঢুকে এমন অভিজ্ঞতা হলো যে রাগে ঘৃনায় আমি কিছুতেই পড়ায় মন বসাতে পারছি না।
বিস্তারিত»ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী : লেখা চাই
ফৌজদারহাটের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে গতবছর। একই সঙ্গে এদেশে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষারও ৫০ বছর পার হয়েছে। ডিসেম্বরের ২৫ থেকে ২৭ ফৌজদারহাটে তাই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব হবে। ফৌজদারহাটের অনেকেই সেই উৎসবে সামিল হবো।
“ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৫০ বছর : ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার ৫০ বছর” শিরোনামে একটা দ্বিভাষিক সংকলন বের হবে। এতে ফৌজদারহাটের ক্যাডেট, শিক্ষক, ক্যাডেটদের দেখেছেন-কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিত্ব এবং বাকি ক্যাডেট কলেজগুলোর ক্যাডেটদের লেখা থাকবে।
বিস্তারিত»সিসিবির দ্বিতীয় জন্মদিন পালন উপলক্ষ্যে
আগামী ৮ই ডিসেম্বর সিসিবির দ্বিতীয় জন্মদিন।
আমরা চাচ্ছি এই জন্মদিনেও পূর্বের মত সিসিবি সদস্যদের একটা গেট টুগেদার এর আয়োজন করতে।
গেট টুগেদার এর আয়োজন, পাশাপাশি কারো অন্য কোন আইডিয়া থাকলে সেটাও শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সবাই দয়া করে মন্তব্যের মাধ্যমে সরব হোন। ধন্যবাদ।
বিস্তারিত»দুঃখ পেলাম ঋণ
শূন্যতা
মাথার ভিতরে হলুদ চিন্তা আর ঘুণেপোকার কিট কিট আওয়াজ…
চোখে বুঁজে আসে মাদকতায়……
আমি চোখের মনিতে আলপিন গেঁথে বেঁকে যাওয়া নদীর আর্তনাদ শুনি…
বাতাসে উড়ে বেড়ায় লালপেড়ে ঘুড়ি।
নদীর বাঁকে রমন ক্লান্ত শরীর ঘিরে থাকে প্রিয়তমার ঘ্রানে
হলুদ-হলুদ চিন্তা মিশে মিশে যায়।
ঘুম আসে না।
যে যাবার সে চলে যায় অবলীলায়।
পড়ে থাকে শুধু মায়া।
দিনলিপি -৫: নাইটেঙ্গেলের কুলখানিতে পঠিত কবিতা(উৎসর্গ : উত্তর দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়)
শংকর বাসস্ট্যান্ডে রিকশা করে যাচ্ছিলাম।
আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি গাঢ় নীল। আকাশের সুগন্ধী যোনীতে ফুটে আছে একথোকা মেঘ, ভেনাস দ্যা মিলোর মসৃণ ত্বকে যে শতাব্দীর ঘন সুবাস আয়েশে জমে আছে তার ভাস্কর্য্য। আমি সুন্দরের শরীর স্পর্শে পাগল হয়ে যাই, বাতাসের স্তনবোটায় জমা স্বেদবিন্দুর স্বাদ নিতে উদ্বেলিত হয়ে যাই। কবিতারা ঝাক বেধে যেন জন্মায় এই শরীরে।
উত্তর দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম সেদিন। অসংখ্য শুন্যচোখ আর জব ওরিয়েন্টিজমের স্টান্টবাজির গিলোটিনে ঘাড় পেতে দেয়া ঠোটপালিশ মাখা প্লাস্টিকের ঠোট দেখলাম।
বিস্তারিত»