পাগলা জ্যাকের গল্প

১।190320029_faa433ed4f
স্যান্ডহার্স্ট মিলিটারি একাডেমি নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আমাদের বিএমএর কথা।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারদের প্রশিক্ষণকেন্দ্র যেমন বিএমএ, রাজকীয় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর তেমনি স্যান্ডহার্স্ট।প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক বিখ্যাত রণনায়কের পদচারণভূমি এই স্যান্ডহার্স্ট সামরিক শিক্ষার ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।জেনারেল মন্টগোমারির মত বিখ্যাত নিয়মিত সেনা অধিনায়ক ছাড়াও এ সামরিক মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন স্যার উইন্সটন চার্চিলের মত রাজনীতিবিদগন এবং প্রিন্স উইলিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজপরিবারের সদস্যরা।তবে আমার আজকের গল্প এরকম সেলিব্রিটি ইমেজের কাউকে নিয়ে নয়।চিন্তা করুন তো,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পুরো সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো ইউনিটের একজন সদস্য কোমরে মধ্যযুগের স্কটিশ ব্যাগপাইপ,তলোয়ার,তীর আর ধনুক নিয়ে যুদ্ধ করতে যাচ্ছে!সেকেন্ড কমান্ডো ব্যাটালিয়নের একটি দুর্লভ ছবিঃআমাদের লেফটেনেন্ট কর্নেল "ফাইটিং" জ্যাক চার্চিল হচ্ছেন পেছন থেকে তৃতীয়(মাথায় হ্যাট পরা)(সেকেন্ড কমান্ডো ব্যাটালিয়নের একটি দুর্লভ ছবিঃআমাদের নায়ক জ্যাক চার্চিল হচ্ছেন পেছন থেকে তৃতীয়-মাথায় হ্যাট পরা)
২।
এই অদ্ভুতুড়ে স্বভাবের অধিকারী যোদ্ধার নাম ক্যাপ্টেন জ্যাক চার্চিল-যাঁকে এখনও সার্ভিসে ম্যাড জ্যাক বা ফাইটিং জ্যাক বলে ডাকা হয়।১৯৪০ সালে ফ্রেঞ্চ যুদ্ধক্ষেত্রের আশেপাশে জার্মান কমান্ডাররা তীর আর স্কটিশ তরবারির আঘাতে মৃত জার্মান সেনাদের দেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখে।তারা ভেবেছিল এটা কোন উন্মাদ প্রতিশোধকামী ব্রিটিশ শিকারীর কাজ,কিন্তু এ কাজ যে পুরোদস্তর কোন নিয়মিত যোদ্ধা করতে পারে তা তাদের কল্পনারও বাইরে ছিল।হংকংয়ের ব্রিটিশ পিতামাতার ঘরে জন্ম নেয়া জ্যাক চার্চিল কোন এক অদ্ভুত কারণে স্কটিশ রীতিনীতি এবং স্বাধীনচেতা মনোভাবের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বোধ করতেন।১৯২৬ সালে কমিশন পাওয়া এই ক্যাপ্টেন যখন সত্যিকারের যুদ্ধক্ষেত্রে যান তখনও এর ব্যত্যয় হয়নি।ব্রিটিশ আর্মির সদস্য হিসেবে ১৯২৬ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত জ্যাক চার্চিল মোটর সাইকেলে করে সারা ভারত উপমহাদেশ চষে বেড়ান,স্কটিশদের মত ব্যাগপাইপ বাজাতে শেখেন,তীরন্দাজি অনুশীলন করেন এবং নিজ উৎসাহে স্কটিশ তলোয়ার চালনায় দক্ষতা লাভ করেন।১৯৩৬ সালে বাধাধরা সেনা জীবন থেকে তিনি অবসর নেন এবং একই সাথে প্রফেশনাল মডেল,পত্রিকার সম্পাদক এবং চলচ্চিত্রের এক্সট্রা হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন।তীরন্দাজিতে তিনি এতই দক্ষ হয়ে উঠেছিলেন যে ১৯৩৯ সালে বিশ্ব আর্চারি প্রতিযোগিতায় তিনি ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন।কিন্তু রক্তে যার এ্যাডভেঞ্চারের মাতম,সে কি আর ঘরে বসে থাকার লোক?১৯৪০ সালে ব্রিটিশরা যখন কমান্ডো ইউনিটের জন্যে স্বেচ্ছাসেবী খুঁজছিল-জ্যাক তাতে নাম লেখান।পরবর্তীতে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন-“আমি জানতামনা কমান্ডো মানে কি,তবে আমাকে বলা হয়েছিল যে এখানে যোগ দিলে সাধারণের চেয়ে বেশি মিলিটারি এ্যাকশনে অংশ নিতে পারব-যা আমার আপাততঃ বিরক্তিকর জীবনের চাইতে অনেক মজার হওয়ার কথা”।3524182068_8911e832d6৩।
কমান্ডো ইউনিটের সদস্য হিসেবে জ্যাক যখন ফ্রান্সে যান তখন জার্মান সেনারা প্রায় গোটা ফ্রান্স নিজেদের কব্জায় নিয়ে এসেছিল।প্রচন্ড ব্লিতসক্রিগ(বিমান থেকে গোলাবর্ষণ) আর বহুগুণে শক্তিশালী জার্মান এডভান্সের ফলে ব্রিটিশরা সাধ্যমত বাধা দিয়ে হলেও শেষ পর্যন্ত পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য হচ্ছিল।কিন্তু জ্যাক যদি আর সবার মত চিন্তা করেন তাহলে আর তিনি ম্যাড জ্যাক কেন? তিনি যে শুধু নিজের অবস্থান ছাড়তে অস্বীকার করলেন তা-ই নয়,নিজের বিশ্বস্ত মোটরসাইকেলে করে জার্মান সাপ্লাই ডিপো এবং চেকপোস্টগুলোতে শুরু করলেন চোরাগোপ্তা গেরিলা হামলা।সাথে অস্ত্র কি ছিল বলুন তো?কেন,স্কটিশ তরবারী আর তীর-ধনুক আছে না??!!!বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,কমান্ডো জ্যাকের এ-ই ছিল প্রিয় অস্ত্র।একবার এক সিনিয়র অফিসার তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রের মত বিপজ্জনক জায়গাতেও তলোয়ার আর তীর বহন করার কারণ জানতে চাইলেন।প্রত্যুত্তরে কর্কশ স্কটিশ উচ্চারণে জ্যাক বলেন-“”In my opinion, sir, any officer who goes into action without his sword is improperly dressed”.

কমান্ডো প্রশিক্ষণশিবিরে চার্চিল

কমান্ডো প্রশিক্ষণশিবিরে চার্চিল


৪।
কমান্ডো প্রশিক্ষণ শেষে জ্যাক চার্চিল জার্মানির ভাসগো(নরওয়ে) সেনা বেসে উভচর আক্রমণে অংশ নেন।দ্বিতীয় কমান্ডো ইউনিটের নেতা হিসেবে তাঁর উপরে দায়িত্ব ছিল মালয় দ্বীপের আর্টিলারি ব্যাটারিগুলো অকেজো করে দেয়া।বহনকারী বিমানটি যখন ল্যান্ডিং জোনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন কমান্ডো ইউনিটের সদস্যরা তীব্র বাতাসের শব্দের বদলে শুনতে পেল ব্যাগপাইপের সুর।কি ব্যাপার? সহযোদ্ধাদের মনোবল চাঙ্গা করতে জ্যাক তাঁর ব্যাগপাইপে স্কটিশ বীরগাথা “The March of the Cameron Men” বাজাচ্ছেন! আক্রমণ যখন শুরু হল তখন তীব্র মেশিনগান গোলার মুখোমুখি জ্যাককে একহাতে তার প্রিয় তলোয়ার আর আরেক হাতে এসল্ট রাইফেল নিয়ে এগিয়ে যেতে দেখা গেল শত্রু অবস্থানের দিকে।হতচকিত জার্মান সেনারা শুনতে পেল কেউ একজন গলার সর্বশক্তি দিয়ে তারস্বরে চেঁচাচ্ছে- ক-মা-ন্ডোওওওওওওওওওও…”

এ ঘটনার ঠিক দু’ঘন্টা পরে ব্রিটিশ হাইকমান্ড মালয় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে একটি টেলিগ্রাম পায়-
“Maaloy battery and island captured. Casualties slight. Demolitions in progress. Churchill.”

গোলচিহ্নিত লোকটিই আমাদের জ্যাক চার্চিল,বিখ্যাত স্কটিশ তরবারী হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রেনিং এক্সারসাইজের!

গোলচিহ্নিত লোকটিই আমাদের জ্যাক চার্চিল,বিখ্যাত স্কটিশ তরবারী হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রেনিং এক্সারসাইজের!



এক রাতে জার্মানদের একটি দুর্ভাগা প্যাট্রোল দল জ্যাকের নজরে পড়ল।হেঁটে যাবার সময় দুজনে প্যাট্রোলদলটি হঠাৎ টের পেল যে তাদের একজনের গলায় বিশাল তরবারী ঠেকানো আর আরেকজনের গলা অস্ত্রধারীর অন্য হাত দিয়ে শক্ত করে চেপে ধরা।এই দুজন “হিউম্যান শিল্ড” নিয়ে শুরু হল জ্যাকের রেইড।অপরজনকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করে চেকপোস্টের সেন্ট্রিদেরকে একে একে বাইরে এনে তরবারীর হাতলের আঘাতে ধরাশায়ী করতে লাগল দুঃসাহসী জ্যাক।সে রাতে ৪২ জন জার্মান যুদ্ধবন্দী হয়েছিল এবং একটি মেশিনগান পোস্ট ব্রিটিশদের দখলে এসেছিল।বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন,এ-সবই সম্ভব হয়েছিল জ্যাকের মধ্যযুগীয় স্কটিশ তরবারী আর তার উদ্ভাবনীশক্তির দ্বারা!
দখলকৃত বেলজিয়ান কামানের নলে চোখ দিয়ে দেখছেন ডেয়ারডেভিল জ্যাক!

দখলকৃত বেলজিয়ান কামানের নলে চোখ দিয়ে দেখছেন ডেয়ারডেভিল জ্যাক!


যুগোশ্লাভিয়াতে জার্মানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার সময় জ্যাক একবার ধরা পড়েন।যুদ্ধ চলছিল আড্রিয়াটিক সাগরের ব্রাক দ্বীপে এবং তীব্র আক্রমণে জ্যাকের কমান্ডো সঙ্গীরা সকলেই নিহত হয়েছিল।জ্যাক দেখলেন-পালাবার উপায় নেই, সঙ্গে যে এম্যুনিশন ছিল তা-ও সব শেষ হয়ে গিয়েছে।কি আর করা,মন খারাপ হয়ে গেল তাঁর।তাই এই মন খারাপ ভাবকে যুদ্ধক্ষত্রের বাতাসে ছড়িয়ে দিতে বিগ প্যাকের সাথে বাধা ব্যাগপাইপটি বের করলেন।যুদ্ধক্ষেত্রে বেজে উঠল ব্যাগপাইপের করুণ সুর!এই সুর কতক্ষণ বাজত বলা যায়না-তবে পুরোটা শেষ হবার আগেই ফ্র্যাগ গ্রেনেডের আঘাতে অচেতন জ্যাক বন্দী হলেন জার্মানদের হাতে।


বন্দী জ্যাককে পাঠানো হল স্যাকেনহাউজেন(Sachsenhausen) কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে।কিন্তু এতক্ষণ জ্যাকের যে পরিচয় পেলেন,তাতে কি মনে হয় যে পৃথিবীর কোন কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের সাধ্য আছে তাকে ধরে রাখবার? সেপ্টেম্বর ১৯৪৪ এর কোন এক রাতে কাঁটাতারের নীচ দিয়ে ক্রলিং করে পালালেন তিনি।তাতে অবশ্য বেশি লাভ হলনা-বাল্টিকের কাছাকাছি ধরা পড়বার ফলে আবার ফিরে যেতে হল অস্ট্রিয়ার প্রিজন ক্যাম্পে।এবার(এপ্রিল ১৯৪৫) প্রিজন ক্যাম্পের আলো কোন এক রাতে দৈবদুর্যোগে নিভে যাবার সুযোগে পুরাতন একটি কোকের ক্যান আর ছোট একটি শাবল নিয়ে আবারো পালিয়ে গেলেন তিনি।৮ দিন পর মিত্রবাহিনীর ট্যাঙ্ক যখন তাঁকে উদ্ধার করে,ততদিনে তিনি ১৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন, আর পথে পাওয়া শাকসব্জীগুলো “মুক্ত” করেছেন!

সহযোদ্ধাদের মাঝে জ্যাক চার্চিল

সহযোদ্ধাদের মাঝে জ্যাক চার্চিল



সাধারণদের চাইতে আলাদা মানুষগুলোকে আমরা সবাই কিছুটা ভিন্ন নজরে দেখি-আর আমাদের জ্যাক “ফাইটিং” চার্চিল ঠিক এরকমই ভিন্ন একজন।চল্লিশ বছর বয়েসে প্যারাট্রুপার হিসেবে উত্তীর্ণ হওয়া এই পাগলাটে লোকটা তীর,ব্যাগপাইপ আর তলোয়ার হাতে বন্দুকযুদ্ধে গিয়েছেন,মেশিনগানফায়ারের মুখে সর্বশক্তিতে চিৎকার দিয়ে তলোয়ার হাতে আক্রমণ করেছেন এবং একা সেই তলোয়ারের সাহায্যে মেশিনগানপোস্ট দখল করেছেন।যুদ্ধকে তিনি ভালবাসতেন,তবে এর ভয়াবহতাকে অস্বীকার করেননি কখনো।কখনো লড়াই থেকে মুখ না ফেরানো পাগলা জ্যাক ১৯৫৯ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং ১৯৯৬ সালে ৮০ বছর বয়েসে মৃত্যুবরণ করেন।কে জানে,হয়ত পরপারে বসে নতুন কোন এ্যাডভেঞ্চার খুঁজছেন তিনি!

পরিশিষ্টঃ

এই ব্লগটি লেখার মূল অনুপ্রেরণাদাতা আমাদের ব্লগ চা-ওয়ালা রকিব।আমি পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় গত কয়েক মাস এই বেচারাকেই ব্লগের জন্মদিন প্রিফেক্টের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।বেচারার উপর দিয়ে অনেক প্রেশার গিয়েছে-এক দিকে চায়ের ব্যবসা আবার আরেক দিক দিয়ে জেপির কাজ-দুটো সামলানো তো মুখের কথা নয়! আর তাই আজকে যখন বলল যে আমাদের মেহেদী ভাইয়ের(জেসিসি-১৯৯৬-২০০২) আজ জন্মদিন এবং সে উপলক্ষে ব্লগ চাই-ই-চাই,তখন আর না করতে পারলাম না।মেহেদী ভাইয়ের(জেসিসিতে আমাদের হাসান ভাই) জন্মদিনে ভেবেছিলাম স্যান্ডহার্স্ট মিলিটারি একাডেমি নিয়ে কিছু লিখব-সেই সাথে থাকবে জেনারেল মন্টগোমারির কথা।কিন্তু ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে পেয়ে গেলাম মন্টগোমারির চেয়েও রঙ্গিন চরিত্র জ্যাক চার্চিলকে।পেশাগত ক্ষেত্রে দুর্দান্ত সফল আমাদের মেহেদী ভাই স্যান্ডহার্স্ট মিলিটারি একাডেমী থেকে ট্রেনিং করেছেন।সারা বিশ্বেই খুব কম মানুষ এ সুযোগ পায় বলে উনার এই সাফল্যে আমি বরাবরই অত্যন্ত গর্বিত ছিলাম।আপনারা বুঝতেই পারছেন, বন্দুকযুদ্ধে তলোয়ারধারী ম্যাড জ্যাক চার্চিল আর আমাদের মেহেদী ভাই একই সামরিক বিদ্যালয়ের ছাত্র।কাজেই আমরা যদি আশা করি,আমাদের “ফাইটিং” মেহেদীও স্বদেশের প্রয়োজনে একই রকম সাহস নিয়ে লড়বেন,তাহলে কল্পনার ঘোড়াটা মনে হয় একেবারে লাগামছাড়া হয়ে যায়না!আমাদের "ফাইটিং" মেহেদী!!
সকলে ৩২ বার গান স্যালুটের সাথে বলুন,শুভ জন্মদিন,মেহেদী!!

৫,২২৮ বার দেখা হয়েছে

১০৫ টি মন্তব্য : “পাগলা জ্যাকের গল্প”

  1. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    তুমি না লিখলে মেহেদীর এতো বড় ক্রেডিটের কথা জানাই যেত না।

    মেহেদীকে শুভ জন্মদিন আর ঈদ মোবারক।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
  2. তৌফিক (৯৬-০২)

    শুভ জন্মদিন মেহেদী :salute:

    মাসরুফঃ আমার প্রিয় স্নাইপারদের নিয়ে একটা ব্লগ নামায়ে ফেল। সিমো হায়া, ভাসিলি জাইটজেভ আর নিউফি এক স্নাইপার (নাম মনে নাই, তবে এযাবৎকালে লংগেস্ট কনফার্মড কিল তারই)।

    জবাব দিন
  3. রকিব (০১-০৭)

    নির্ভুলতার নিশ্চয়তা দিচ্ছি না, তবে শুনেছিলাম (ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী) বিএমএতে প্রতি ব্যাচ থেকে একজন করে চৌকষ ক্যাডেটকে ট্রেনিংএর জন্য স্যান্ডহার্স্টে পাঠানো হয়। মেহেদী ভাইদের সময় উনি ছিলেন সেই চৌকষ সেনা-ক্যাডেট। :salute: :salute: :salute: (আমারো একটা চান্স ছিলো :dreamy: ; কিন্তু চায়ের ব্যবসা শিখতে এই ঠান্ডা কানাডায় পাঠায় দেয়ায় আর যাওয়া হয় নাই)

    শুভ জন্মদিন হাসান ভাই (এই নামেই কলেজে ডাকতাম উনাকে)। কেক-কুক খাওয়ান সবাইরে। আশা করি সুস্থ্য হয়ে গেছেন।
    মাস্ফ্যুদা। কি লিখলেন দাদাবাবু। এযে দেখি ফাষ্টোকেলাশ। :hug: :hug: :hug:


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  4. তানভীর (৯৪-০০)

    শুভ জন্মদিন মেহেদী। (৩২ বার গান স্যালুট)।
    পেশায় আরও অনেক বেশি সাফল্য পাও এই দোয়া করি।

    আর বুঝই তো.........এখানে থেমে গেলে চলবে না, আরও এগিয়ে যেতে হবে তোমাকে। 😀

    জবাব দিন
  5. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    এইটা বিয়াপক পোস্ট হইছে। আমি ভাবছিলাম মাস্ফুর হইলোটা কি, ম্যাড পাগলার গল্প শুনায় ক্যান 😀

    শুভ জন্মদিন হাসান, তুমি লেগে থাক, তোমাকে দিয়েই হবে মনে হচ্ছে।

    বাকীটা কইলাম না, আছি চাপের মইদ্ধ্যে


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  6. টিটো রহমান (৯৪-০০)

    :gulli2: :salute: x 32
    শুভ জন্মদিন,মেহেদী!!

    এখানেই থেমে গেলে চলবেনা কিন্তু, তোকে শতেক সন্তানসহ তিন প্রহরের বিল পর্যন্ত যেতে হবে 😀


    আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই

    জবাব দিন
  7. মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)

    শরীর ঠিকমত সুস্থ হওয়ার আগেই জোর করে সি এম এইচ থেকে বের হয়েছি, এখন ছুটিতে সারাদিন ঘোরাঘুরি করলাম, এখন একটা সাইবার কাফেতে এসে এই পোস্ট দেখে তো আমি থ ... মাসরুফ তুই এইটা কি করলি .... আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে আমার জন্মদিন উপলক্ষে মাসরুফ এমন একটা পোস্ট দেবে ....

    আমি অনেক অনেক বেশি আবেগাপ্লুত হয়ে গেছি ... অনেক অনেক ধন্যবাদ মাসরুফ .... আমাকে এমন এক বাক্তির সাথে তুলনা করার জন্য তোকে আজ সারাদিন লঙ্গাপ করিয়ে রাখব ... আমি কখনই এমন উচু শ্রেনীর কারো সাথে তুলনার যোগ্য ছিলাম না, মনে হয় এখনো নেই ... আমাকে নিয়ে অনেক বেশি বলে ফেলেছিস .... যাক আজ জন্মদিন দেখে তোকে মাফ করে দিলাম ....

    সবাই আমাকে অনেক অনেক উত্সাহ দিয়ে উইশ করেছেন... ... সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আমার জন্য দোয়া করবেন .....

    জবাব দিন
  8. রেজওয়ান (৯৯-০৫)

    আমাগো কোর্সের সময় এইটার নাম্বার আছিল......কিন্তু পরে আমাগো পরের কোর্সে চইলা গেসে......আর পিসিসি'র সাইমন (৯৯-০৫) গেসিল ...তার আগের বার মাস্ফ্যু দা'র উত্তরাধিকারী জেসিসি'র সিপি নাজমুল স্যার (৯৮-০৪) গেসিল...... :gulli2:
    আমারে কইসিল অবশ্য... :thumbdown:
    আমি কইসি দেশই ভাল.... :thumbup: :grr:
    মেহেদী ভাই শুভ জন্মদিন...... :party:
    মজা কইরা ছুটি কাটান ;;;

    জবাব দিন
  9. রাশেদ (৯৯-০৫)

    শুভ জন্মদিন মেহেদী ভাই :party: কেক কুক কবে খাওয়াবেন 😀

    আর মাস্ফু ভাই আমি ডজ খাই নাই আপনার পোস্ট দেখে আগেই স্ক্রল করে নিচে নামছি কার জন্মদিন দেখতে 😛


    মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

    জবাব দিন
  10. জিহাদ (৯৯-০৫)

    দেরী হয়া গেল 🙁

    শুভ জন্মদিন মেহেদী ভাই। :hug:

    এখানেই থেমে গেলে চলবেনা কিন্তু.. (এইটার কপিরাইট আমার। কিন্তু সবাই আজকাল সেই কথা ভুলে গেসে x-( )

    ব্যাপক একটা পোস্ট হইসে মাশরুফ ভাই :thumbup:


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  11. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    দেরিতে হলেও শুভ জন্মদিন মেহেদী। ভালো থেকো, সুস্থ থেকো। আর তাড়াতাড়ি বিয়াটা সারো। কাচ্চি খাইতে মন চায়। :grr: :grr: :grr:


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  12. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    দেরিতে হলেও শুভ জন্মদিন মেহেদী।
    বড় হইলে তোরে আমার লগে তিন প্রহরের দেখতে নিয়া যামু নে। 😛


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  13. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    বিলম্বিত শুভ জন্মদিন মেহেদী।
    সবার জন্য তুমি অনেক সুযোগ রাখছো...তুমি বড় হইলে সবাই তোমারে তিন প্রহরের বিল দেখাইতে নিতে চাইতেছে...। কিন্তু আমার জন্যতো তুমি কিছুই রাখলানা। আমি দেখাইতে নেবার আগেই তুমি ভোল্টেজ পয়েন্ট দেইখা ফালাইছো... অনেক বড় হইয়া গেছ...। যাউকগা...বিয়াপার না...। আরো বড় হও...।

    মাস্ফুরে ধন্যবাদ এমন একটা সুন্দর তথ্য সমৃদ্ধ লেখা লিখবার জন্য।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।