আজাইর‌্যা সুশীল প্যাচালে মজা পাইছি

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠলাম একটু দেরি করেই। টিভি অন করতেই দেখলাম চরাঞ্চল নিয়ে একটা অনুষ্ঠান হচ্ছে যেখানে চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের সমস্যা নিয়ে আলাপ করছে এক সুশীল উপস্থাপক আরেক সুশীল এমপি’র সাথে। তাদের আলাপের বিষয়বস্তু বড়ই মজা পাইছি। সেটা সিসিবি’তে শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না।-

তারা বলছে, চরাঞ্চলে বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের কারণ হচ্ছে সেখানকার মানুষের দারিদ্র্য+অশিক্ষা! প্রথমে ভাবলাম ঠিকই আছে। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হলো,

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-২

ইদানিং রাস্তাঘাটে বের হতে ভয় হয়। পুরোনো প্রেমিকাদের সাথে দেখা হয়ে যাবার ভয়।কিন্তু তাই বলে তো আর ঘরে বসে থাকতে পারিনা।তাই মাঝে মাঝে হাওয়া খেতে বের হই।কয়েকদিন আগে এইরকম হাওয়াপ্রবল দিনে মনটারে সবল করতে গিয়েছিলাম বসুন্ধরা সিটি। প্রবেশ করা মাত্রই দেখা আমার এক পুরোনো প্রেমিকার সাথে।কোলে তার আবার এক বাচ্চা ছেলে। পুরানো কাসুন্দি ঘাটাঘাটির মধ্যে আজকাল আমি একবারেই যাইনা,শুধু মিষ্টি করে পুরানো দুষ্টুমির ছলে বললাম কেমন আছ?

বিস্তারিত»

মাসুম ভাইকে অভিনন্দন

প্রথম আলোর বিজনেস এডিটর শওকত হোসেন মাসুম ভাইকে (বিসিসি, ৭৯-৮৫) অভিনন্দন ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির বর্ষসেরা অর্থনৈতিক রিপোর্টের পুরস্কার জেতায় :hatsoff:

ক্যাডেটরা আসলেই পাথরায় :gulli2:

খাওয়াচ্ছেন কবে মাসুম ভাই? :awesome:

আজকে কি মাইলফলকের দিন নাকি? শততম পোস্টের পর ফৌজদারহাটের দ্বিশততম পোস্টটাও দেখি এই অধমের :goragori:

কি বলেন কাইয়ুম ভাই? :gulti:

বিস্তারিত»

শিভি জিন্মদিন

বহুকাল আগের কথা। তখন সিসিবিতে মানুষজন সমাগম সবে শুরু হয়েছে; ধীরে ধীরে জমাট বাঁধতে শুরু করেছে সিসিবির রণাঙ্গন। বিদেশ-বিভূয়ে একা বসে সিসিবিই তখন আমার একমাত্র সম্বল। নিত্যদিনের কাজ ছিলো ব্লগে বসে নতুন পোষ্ট আসলেই গুতাগুতি করা; সবার মন্তব্য পড়ে সময় কাটানো। আর মাঝে সাঝে বিশাল দুঃসাহস দেখিয়ে একটা মন্তব্য টাইপ করে তারপর খুব গাম্ভীর্যের সাথে ব্যাকস্পেস চেপে মুছে ফেলা। তখনো কি রেজিস্ট্রেশন করেছি কি না মনে নেই।

বিস্তারিত»

এইবার মিস নাই,৩০০০ তম পোস্ট আমারই!

বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান,এইবার তোমার আমি বধিব পরাণ!

এইবার মিস নাই,৩০০০তম পোস্ট আপনেদের এই মাস্ফ্যুই দিল…আপাতত পোস্ট দিয়া ইটা ফালায় রাখি,পরে আইসা এডিট কইরা মসলাপাত্তি দিমুনে।

হ্যাপি ব্লগিং!

বিস্তারিত»

৩০০০তম পোস্টও এই মাস্ফ্যুর! (হইলেও হইতে পারে)

পোষ্টের নাম দেইখা ভয় পাবার কিছু নাই। ৩০০০তম পোষ্ট টা দেওয়ার জন্য সবাই চুপ চাপ খামি মাইরা বইসা রইছে। সুযোগ পাইলেই ছাইড়া দিবে, কিন্তু আমি তা হইতে দিতে পারি না। আমি সবাইরে জানাই দেওয়ার জন্যই এই পোষ্ট টা দিলাম। এখন দেখি যুদ্ধে কে ফার্স্ট হয়।
বেশি দিন আগের কথা না, আমাদের জামাই ম্যাশ ২০০০ তম পোষ্ট দিতে গিয়া বিরাট ধরা খাইছিল। পরে লাবলু ভাইয়ের হস্তখেপে বেচারা ম্যাশের ইজ্জত রক্ষা হইছে।

বিস্তারিত»

সিসিবির জন্মভূমি-আই ইউ টি এবং জংগিবাদ বিষয়ে সামান্য আলোচনা

(১)
বাইরের ছাত্রদের কথা জানিনা তবে ক্যাডেটদের কাছে আই ইউ টি বেশ জনপ্রীয় । এমনকি অনেক ক্যাডেটেরই প্রথম ইচ্ছা থাকে আই ইউ টি তে পড়ার । আমরা এটাকে দ্বিতীয় ক্যাডেট কলেজ মনে করি । কারণ এখানকার পরিবেশের সাথে
ক্যাডেট কলেজের অনেক মিল । পাশাপাশি ব্যক্তি স্বাধীনতায় কারো হস্তক্ষেপ না থাকায় কখনো একঘেয়েমীতা গ্রাস করার সুযোগ পায় না । এ কারণে একজন আই ইউ টিয়ান হিসেবে গর্বই করি ।

বিস্তারিত»

৩৪ বছরের পাপমোচন হলো আজ

ক্ষমার অযোগ্য একটি পাপের আজ বিচার হলো। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ৫ আসামির আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বেঞ্চ আজ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আসামিদের আপিলের এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১২ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল থাকলো।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামি হলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক রহমান,

বিস্তারিত»

আকাশ বাড়ানোর গল্প

ক ভাই ফোন করেই দিলেন ঝাড়ি-“এই ব্যাটা তোর কলেজের ক্যাডেট আর তোর কোন খোঁজ নেই কেন? শোন,ফ ভাই কিছু টাকা পাঠিয়েছেন, আমার কাছে জমা আছে-নিয়ে যাস।”

ঝকক এর জাকিরের মা অসুস্থ্য হয়ে পড়ার পর আউয়াল “আকাশ বাড়িয়ে দাও” নামের এক লেখার মাধ্যমে উদাত্ত আহবান জানিয়েছে আমাদের সবাইকে যার যার সাধ্যমত সহায়তা করতে।ক্ষুদ্র,তুচ্ছাতিতুচ্ছ আমার পক্ষে খুব বেশি কিছু করা তো সম্ভব না তাই যেটুকু পারি সেটুকু নিয়েই অগ্রসর হচ্ছিলাম।এর মধ্যে ক ভাইয়ের ফোন।ক ভাইয়ের কথামত সন্ধ্যাবেলা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে ফ ভাইয়ের দেয়া টাকা সংগ্রহ করতেই তিনি বললেন-এই ব্যাটা এই নম্বরটা নে,এটা র ভাইয়ের নম্বর।উনি খুব ব্যস্ত,শিগগিরি ছুটিতে চলে যাবেন।আমাকে বলেছেন তোকে নম্বর দিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলতে।”

বিস্তারিত»

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় সামনে রেখে কিছু কথা…….

“শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে, রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন”

সকালে ঘুম থেকে উঠেই নির্মলেন্দু গুণের ‘স্বাধীনতা শব্দটি কি করে আমাদের হলো’ কবিতার অসাধারণ লাইনটা মাথায় কড়া নেড়ে যাচ্ছে ক্রমাগত………

কী বিপুল, কী বিশাল একজন ব্যক্তিত্ত্ব…….এমন একজন মানুষকে হত্যা করা যায় এমনই নিষ্ঠুরভাবে…….

আবার ভাবি শহীদ তাজউদ্দীনের সেই উক্তি, “(বাকশাল করে) আপনি নিজেকে সরানোর জন্য এক বুলেট ছাড়া আর কোন পথ রাখলেন না।”……কেন এত বৈপরিত্য দেখা দিল মাত্র সাড়ে তিন বছরেই???

বিস্তারিত»

প্রার্থনা

প্রার্থনা তোমার জন্য …
হে নিঃসঙ্গ গ্রহচারী মানব মানবী;
প্রার্থনা নির্ঘুম চিন্তাগ্রস্তের জন্য,
কল্পবিলাসীর জন্য..
স্বপ্নালু, ঘুমকাতুরে কোন একজনের জন্য…

বিস্তারিত»

কালো ঘোড়ার আরোহী!!! শেষ পর্ব

পর্ব

১১।

ওদের দুজনকে ঘিরে সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দুইজনের অস্ত্রই জমা আছে রবার্ট এর কাছে। নিয়ম করা হয়েছে কোন একজন আত্মসমর্পন করা না পর্যন্ত লড়াই চলবে। স্পর্শকাতর জায়গায় যেমন চোখ, বেল্টের নিচে আঘাত করা চলবে না। পুরো লড়াইয়ে রেফারির ভূমিকা পালন করবে রবার্ট।

মাইকের চেয়ে উইলিয়াম্‌স বিশ/পঁচিশ পাউন্ড বেশি হলেও উচ্চতার দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে।

বিস্তারিত»

শ্যুটিং

[সে অনেক অনেক আগের কথা…আরবের কোরাইশরা তখন খেজুর খেতো….সম্ভবত সেই আমলে শেষ ব্লগটা লিখেছিলাম…তাই লিখতে গিয়ে কোথা থেকে যেন একরাশ অস্বস্তি এসে ভর করছে….যাই হোক….]

ছেলেটা আমার ধরানো সিগারেটের দিকে ‍অনেক্ষণ হা করে তাকিয়ে তারপর বলল- তুমিও বাংলা ফাইভ? বাহ পার্টনার পাওয়া গেলো একজন। ঢাকা বিশাববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদে আমি তখন খুব পাটে থাকি। সিনয়রদের সামনে সিগ্রেট খাই। সংসদের পক্ষে ফার্স্ট ইযারদের রুমে আসার দাওয়াত দেই।

বিস্তারিত»

গল্প: দানব

ইকরাম মিয়া সিগারেট শেষ করে সশব্দে পাশের রাস্তায় থুতু ফেলল। গলার ভেতরটা শুকিয়ে আমসি। একটু পানি খাওয়ার জন্যে এদিক ওদিক তাকালো সে। মোড়ে চায়ের দোকানের পাশে বড় একটা ফিল্টারের গায়ে হেমন্তের নাতিশীতোষ্ণ রোদ প্রতিফলিত হচ্ছে। রোদের কারুকার্য দেখে সময় নষ্ট না করে সেদিকে হাটা দিল সে। ডিউটি শুরু হতে এখনও কিছুটা বাকী আছে। তাই কি করবে সে ঠিক বুঝে উঠতে পারছিল না। ময়লা ড্রেনের পাশে নাম না জানা পোকাগুলোর অবিরাম অত্যাচারী সঙ্গীতে কটকটে রোদের আবহাওয়া অসহনীয় লাগছে তার কাছে।

বিস্তারিত»

ইনসাইড ‘ওপেন’

এই গল্পের নায়ক একটা ১৩ বছরের ছেলে।
বাবার ইচ্ছা ছেলেটা বড় হয়ে নামকরা টেনিস খেলোয়াড় হবে। সেজন্যে ওই বয়সেই তাকে নিয়ে গেলেন ফ্লোরিডায়, বিখ্যাত টেনিস কোচ নিক বোল্লেত্তেরি’র একাডেমীতে। সম্বল যে কয়টা ডলার ছিল তা দিয়ে শুধু দুইমাস সেই একাডেমীর খরচ যোগাতে পারবেন তিনি। এর বেশি সামর্থ্য তার ছিলো না! বোল্লেত্তেরি ছেলেটাকে ডেকে হাতে একটা র‌্যাকেট আর বল ধরিয়ে দিয়ে বললেন- মারো। দশ মিনিট নেটে র‌্যালি করলো ছেলেটা।

বিস্তারিত»