আমার প্রেমিকারা-৫

‘পুরুষ মানুষের মন আর নারীর দেহ,এই দুইটার-ই কপিরাইট থাকা দরকার’। কথাটা প্রথম যখন শুনি,হেসেই উড়িয়ে দিয়েছি। তারপর ভেবে দেখলাম-এ আবার কেমন কথা? গুরু বললেন- এই দুইটার কপিরাইট করা থাকলে এই পৃথিবীটায় আর কোনোদিন কোনো ঝামেলা থাকতোনা।যত নষ্টের গোঁড়া,এই দুই বিষফোঁড়া।

আমি ভেবে অবাক হই-তাইতো গুরু, আপনিতো ঠিক বললেন।আমার নিজের এই মনটার ঘাটে ঘাটে নোঙ্গর করার স্বভাবটার মিল বুঝি এখানেই খুঁজি পাচ্ছি।কবির ভাষায় বলি-
‘আর পারছিনা গুরু,সেই ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু’।

বিস্তারিত»

যে ভুল আর শোধরাতে পারিনি

১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমার নিরাপরাধ দুই চাচা নিহত হলেন। বাবা তার প্রিন্টিং প্রেস ব্যবসা হারালেন এবং যুদ্ধে তার দুই ভাইকে হারিয়ে মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেন। বিশেষ করে যখন জানলেন যে তার এক ভাইকে মিলিটারীরা অন্যদের সাথে নদীর ধারে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরেছে এবং অন্য ভাইকে স্থানীয় বিহারীরা তাকে ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে দরজায় শিকল তুলে দিয়ে বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে।

বিস্তারিত»

শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর ভুমিকা কি হওয়া উচিত?

মাসরুফ ভাই এর রিসেন্ট পোস্টে সেনাবাহিনীর ভুমিকা নিয়ে কিছু মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই পোস্টের অবতারনা। আলাদা পোস্টের কারন আমি এই সম্পর্কে আলোচনা এবং ভিন্ন মত শুনতে আগ্রহী।

শুরু করা যাকা রবীন্দ্রনাথের একটি প্রবন্ধ দিয়ে। প্রবন্ধটির নাম ভুলে গেছি। তার কালান্তর গ্রন্থে প্রবন্ধটি সংকলিত আছে। তৎকালীন রুশ বিপ্লব কে সামনে রেখে তিনি ঐতিহাসিক সমাজবাস্তবতার কিছু বিষয় উল্লেখ করেছিলেন। তার আলোচনার সাড়বস্তু ছিল ইউরোপ তথা বিশ্বের সমাজ বিবর্তনের ইতিহাসে ধর্মীয় সংস্থাগুলো প্রাথমিক অবস্থায় রাজনৈতিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ছিল।

বিস্তারিত»

দুইটা কথা

শীতার্ত মানুষের জন্য প্রাণ এবং হাত, দুই খুলে যারা একসাথে হয়েছেন, তাদেরকে আসলে বলার কিছু নেই। আপনাদের সকলের কান্ড দেখে আমরা মোটামুটি আবেগে ইমোশনাল হয়ে গেছি। একজন ডাক্তার সাহেব গতকাল ইভোলুশনারি কিছু লজিক বোঝানোর প্রচেষ্টা করতে করতে একসময় বলছিলেন, ইভোলিউশনের একটা বড় অবাক করা বিষয় নাকি এই যে, কেন মানুষ মানুষকে ভালবাসে। চিনে না জানে না এমন একটা মানুষের জন্য কেন আরেকটা মানুষ হাত বাড়িয়ে দেয়।

বিস্তারিত»

বন্ধু – এক দুষ্টু ক্যাডেটের গল্প: 2

ধূমপান
সিগারেট আমাদের কলেজে একটা নিষিদ্ধ বস্তু। আমাদের সবারই জানা যে, যার কাছে সিগারেট পাওয়া যাবে। তাকে কলেজ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। বেশ আজব একটা ব্যাপার। আমাদের বেশ কয়েকজন স্যার প্রকাশ্যে সিগারেট টেনে বেড়ান আর আমাদের বোঝাচ্ছেন-ওটা অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটা বস্তু। আমরা আকর্ষিত হচ্ছি, কিছুটা তাঁদের দেখাদেখি, আর আমাদের বলা হচ্ছে, এটা খুব মজার জিনিস, কিন্তু তোমাদের জন্য এ জিনিস নিষিদ্ধ। আমাদের ক্যাডেট কলেজের নিয়ম-কানুনগুলো আমার কাছে একেবারে ধর্মীয় বিধি-নিষেধের মতো মনে হয়।

বিস্তারিত»

বিবিসি বাজার: মুক্তিযুদ্ধের অজানা কথন

জায়গার নাম বিবিসি বাজার। তাই বলে জায়গাটা কিন্তু লন্ডনে নয়। এমনকি সেখানে কোন বেতার কেন্দ্র কিংবা বেতার উপকেন্দ্রও নেই। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ আর সেই যুদ্ধে বৃটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)-এর গৌরবময় স্মৃতি ধারণ করে ধন্য আজকের বিবিসি বাজার। ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপূর বাজারের নাম হয়েছে বিবিসি বাজার। এই বাজারের নেপথ্য নায়কের নাম আবুল কাশেম মোল্লা।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রূপপুর এলাকাটি বেশ জঙ্গলাকীর্ণ ছিল। এর সন্নিহিত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং পাকশী পেপার মিল- দুটোই ছিল পাকবাহিনীর বিশাল বহরে সজ্জিত।ঘন গাছগাছালিতে আচ্ছাদিত অপেক্ষাকৃত নিরাপদ স্থান রংপুর কড়ই তলায় গ্রামের যুবক আবুল কাসেম মোল্লা এপ্রিল(১৯৭১) মাসের প্রথম দিকে একটি চায়ের দোকান দেন।

বিস্তারিত»

জঞ্জাল থেকে কুড়ানো…

বাসার বুকশেলফের নিচের তাকটায় পুরাতন জিনিসপত্রের জঞ্জাল বেড়ে যাওয়ায় পরিষ্কার করার অভিযানে নেমেছিল বউ। আমি ভাদাইম্মা মানুষ, আমারে দিয়ে ওইসব হয় না। তবে পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে দেখছিলাম কি করা হচ্ছে। অনেকদিন আগের একটা স্ক্র্যাপবুক পেলাম, আর একটা ত্রৈমাসিক কলেজ ম্যাগাজিন। সাদা-কালোতে ছাপা। খুলে একটু স্মৃতিকাতর হয়ে গেলাম। সেই স্মৃতিকাতরতায় আপনাদের সামিল করতে আমার নিবেদন-

এখানে-ওখানে
-ক্যাডেট ওমর/১৮৩৫
(কবিতাটা আমার লেখা না,

বিস্তারিত»

বন্ধু – এক দুষ্টু ক্যাডেটের গল্প

কঠিনেরে ভালবাসিলাম

ইস্পাত-মোড়ানো বেতের লাঠির শপাং শপাং শব্দ হচ্ছে। শব্দের শেষ প্রান্তে আঘাতের থপ্ থপ্ আওয়াজ। আঘাতগুলো পড়ছে ইমুর গায়ে। হাতে, কাঁধে, কোমরে, কোমরের নিচে, পিঠে, নখে। প্রতিটা আঘাতের সঙ্গে ইমু কেঁপে উঠছে, কিন্তু ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার চেহারা দেখে আঘাতের তীব্রতা বোঝার উপায় নেই। প্রিন্সিপাল নিজেই মারছেন। আমরা বাকি একান্ন জন যারা এ দৃশ্য দেখছি আর রাগী মন নিয়ে আঘাতের শব্দ শুনছি,

বিস্তারিত»

আরো একবার

আরো একবার ফিরে আসবো লোকালয়ে
যখন দুঃখ দুঃখকে ছোঁবেনা,
সুখ সুখকে
মাথার ওপর আকাশ থাকবেনা,
পায়ের নীচে শিশির
গোধুলী শেষে গোকুল ফিরবেনা,
থাকবেনা চুলোর ওপর কলমিলতার গন্ধ।

আরো একবার ফিরে আসবো তোমাদের কপাটে
যখন যুদ্ধ ফেরত স্বপ্নেরা
ডানা মেলবেনা,
শহীদের ভালবাসার ফুল কাঁদবে
শুধু’ই এক বীরাঙ্গনার হাতে,
তাকে বাঁচাতে তোমাদের ছেলেরা
আর কখোনো যুদ্ধে যাবেনা।

বিস্তারিত»

সুঁই

“ক্যাডেট সব পারে” পর্বে আমাদের বন্ধু X কে নিয়ে লিখেছিলাম। আর এবার লিখছি ওর রুমমেটকে নিয়ে। ওর রুমমেট ছিল সাদাত আর রাশেদ। এবারের ঘটনাটা রাশেদকে নিয়ে লিখা। সময়টা মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই। পরীক্ষা তখন দরজায় কড়া নাড়ছে। সবার দৃষ্টি তখন টেষ্ট পেপারের পাতলা নিউজপ্রিন্ট কাগজেই বেশিরভাগ সময় আবদ্ধ থাকে। আমরা তখন সাদা পোষাক পরিহিত দল। যা হোক, যতদূর মনে পড়ে তখন আমরা সন্ধ্যার পর হাউসে পড়াশুনা করতাম।

বিস্তারিত»

শ্যাল উই ডান্স?

আলোর সামনে বসে আছে জয়তী। চুল আঁচড়াচ্ছে। বুকের কাপড়টা ঘাড় থেকে পিছলে বুকের মাঝে কোনোমতে বিঁধে রয়েছে। জয়তীর বুকের ছোট ছোট সোনালী লোম আর লোমকুপগুলো দেখা যাচ্ছে। মাটিতে নতুন ঘাসের মতো। আলো পড়াতে সেগুলো আরও উজ্জ্বল লাগছে। জয়তীর নিঃশ্বাসের ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে তার বুকটাও ওঠানামা করছে। সোনায় ঝলসানো লোমগুলোর দিকে শুভ অপলক তাকিয়ে আছে। চেষ্টা করেও পলক ফেলতে পারছে না-পাছে এই দৃশ্য জীবনে আর যদি ফিরে না আসে!

বিস্তারিত»

সিসিবি থেকে হারিয়ে যাওয়া এক যুবরাজ

আপনারা যারা এই ব্লগের পুরাতন মেম্বার তারা অনেকেই যুবরাজ নামের একজনকে চিনেন নিশ্চয়। হ্যাঁ, আমার বন্ধু যুবরাজ (ছদ্দ নাম)। সায়েদ এবং আমার মাধ্যমে যে কিনা এই ব্লগের সদস্য হয়েছিল। তার লেখার হাত ছিল চমৎকার। ছিল বলছি এ কারনে যে, সে এখন আর সিসিবিতে লিখে না। সে কোন এক্স ক্যাডেট নয় কিন্তু ক্যাডেটদের সাথে তার প্রচন্ড মিল। আর এ কারনেই তার বেশিরভাগ বন্ধুই এক্স ক্যাডেট।

সচলে তার লেখা অনেকেরই প্রশংসা কুড়িয়েছিল,

বিস্তারিত»

আমরা কি মধ্যযুগে বসবাস করছি?

প্রাচীনকালে আমরা দেখতাম রাজা-বাদশাহদের পায়ে পড়ে ক্ষমাভিক্ষা চাইতে হত-রাজা ক্ষেপেছেন মানেই তাই-দোষ হয়েছে কি হয়নি সেটা বিচার্য নয়।আজ সামহোয়ারইনব্লগে একটা ছবি দেখে(কালের কণ্ঠে প্রকাশিত) মনে হল আমরা আসলেই মধ্যযুগে বসবাস করছি-যেখানে নিজের আত্মসম্মানের কথা মুখ ফুটে বলার অপরাধে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা জাতীয় দলের অধিনায়ককে আক্ষরিক অর্থেই বোর্ড সভাপতির পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইতে হয়।যাঁরা দেখেননি তাঁদের জন্যে এই ছবি-দেখুন এবং উপলব্ধি করুন যে বাংলাদেশে যদি জন্মান তাহলে কেঁচোর মত মেরুদন্ডহীন হয়ে থাকাটাই আপনার নিয়তি।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৭ম পর্ব

আর সবার আমার এই ব্লগ পড়ে কেমন লাগছে তা জানিনা তবে আমার লিখতে খুবই ভাল লাগছে। প্রতিটি ব্লগ লিখতে বসে যখন পুরনো স্মৃ্তিগুলো লিয়ে চিন্তা করি সেই অনুভূতিটাই অন্যরকম। মনে হই এই সেদিনই কলেজে ঢুকলাম আর আজ প্রায় ১০ বছর হতে চলল। তো স্বভাবতই ক্লাস সেভেনের ক্যাডেট হিসেবে আমরা দৌড়ের উপরে থাকতাম। মোটামুটি সবাই আমাদেরকে পাঙানি দেওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকত। আর আমাদের শুরু হল এই পাঙানি কিভাবে বাঁচা যায় তা নিয়ে লুকোচুরি খেলা।

বিস্তারিত»

দিনলিপি: প্রতিক্রীয়াশীল রাজনীতির বিষবাষ্প

বাংলাদেশ সহ পশ্চাৎপদ দেশ সমুহে একটি সাধারন বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করা যায়। গনতান্ত্রিক মানসিকতার তীব্র অভাব সেই সাধারন বৈশিষ্ঠ্য শোষিত এবং ক্ষুধায় কাতর জনতা নিজেকে রাষ্ট্রের কাঠামোতে নিজেকে গুরুত্বপূর্ন ভাবতে পারে না। তাই বুদ্ধিবৃত্তি চর্চার অভাব থেকেই উৎসারিত হয় একরকম ছদ্ম গনতান্ত্রিক রাজনীতির যার কংকাল হয় স্বৈরতান্ত্রিক আর চামড়া ফ্যাসিবাদের।

বাংলাদেশে এই সংকট প্রকট আকারে দাড়িয়েছে। আমার প্রেমিকার প্রিয়দল বিএনপি কারন খালেদার শাড়ী খুব সুন্দর।

বিস্তারিত»