সিসিবি থেকে হারিয়ে যাওয়া এক যুবরাজ

আপনারা যারা এই ব্লগের পুরাতন মেম্বার তারা অনেকেই যুবরাজ নামের একজনকে চিনেন নিশ্চয়। হ্যাঁ, আমার বন্ধু যুবরাজ (ছদ্দ নাম)। সায়েদ এবং আমার মাধ্যমে যে কিনা এই ব্লগের সদস্য হয়েছিল। তার লেখার হাত ছিল চমৎকার। ছিল বলছি এ কারনে যে, সে এখন আর সিসিবিতে লিখে না। সে কোন এক্স ক্যাডেট নয় কিন্তু ক্যাডেটদের সাথে তার প্রচন্ড মিল। আর এ কারনেই তার বেশিরভাগ বন্ধুই এক্স ক্যাডেট।

সচলে তার লেখা অনেকেরই প্রশংসা কুড়িয়েছিল,

বিস্তারিত»

আমরা কি মধ্যযুগে বসবাস করছি?

প্রাচীনকালে আমরা দেখতাম রাজা-বাদশাহদের পায়ে পড়ে ক্ষমাভিক্ষা চাইতে হত-রাজা ক্ষেপেছেন মানেই তাই-দোষ হয়েছে কি হয়নি সেটা বিচার্য নয়।আজ সামহোয়ারইনব্লগে একটা ছবি দেখে(কালের কণ্ঠে প্রকাশিত) মনে হল আমরা আসলেই মধ্যযুগে বসবাস করছি-যেখানে নিজের আত্মসম্মানের কথা মুখ ফুটে বলার অপরাধে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা জাতীয় দলের অধিনায়ককে আক্ষরিক অর্থেই বোর্ড সভাপতির পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইতে হয়।যাঁরা দেখেননি তাঁদের জন্যে এই ছবি-দেখুন এবং উপলব্ধি করুন যে বাংলাদেশে যদি জন্মান তাহলে কেঁচোর মত মেরুদন্ডহীন হয়ে থাকাটাই আপনার নিয়তি।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৭ম পর্ব

আর সবার আমার এই ব্লগ পড়ে কেমন লাগছে তা জানিনা তবে আমার লিখতে খুবই ভাল লাগছে। প্রতিটি ব্লগ লিখতে বসে যখন পুরনো স্মৃ্তিগুলো লিয়ে চিন্তা করি সেই অনুভূতিটাই অন্যরকম। মনে হই এই সেদিনই কলেজে ঢুকলাম আর আজ প্রায় ১০ বছর হতে চলল। তো স্বভাবতই ক্লাস সেভেনের ক্যাডেট হিসেবে আমরা দৌড়ের উপরে থাকতাম। মোটামুটি সবাই আমাদেরকে পাঙানি দেওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকত। আর আমাদের শুরু হল এই পাঙানি কিভাবে বাঁচা যায় তা নিয়ে লুকোচুরি খেলা।

বিস্তারিত»

দিনলিপি: প্রতিক্রীয়াশীল রাজনীতির বিষবাষ্প

বাংলাদেশ সহ পশ্চাৎপদ দেশ সমুহে একটি সাধারন বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করা যায়। গনতান্ত্রিক মানসিকতার তীব্র অভাব সেই সাধারন বৈশিষ্ঠ্য শোষিত এবং ক্ষুধায় কাতর জনতা নিজেকে রাষ্ট্রের কাঠামোতে নিজেকে গুরুত্বপূর্ন ভাবতে পারে না। তাই বুদ্ধিবৃত্তি চর্চার অভাব থেকেই উৎসারিত হয় একরকম ছদ্ম গনতান্ত্রিক রাজনীতির যার কংকাল হয় স্বৈরতান্ত্রিক আর চামড়া ফ্যাসিবাদের।

বাংলাদেশে এই সংকট প্রকট আকারে দাড়িয়েছে। আমার প্রেমিকার প্রিয়দল বিএনপি কারন খালেদার শাড়ী খুব সুন্দর।

বিস্তারিত»

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৫ (শেষ পর্ব)

পূর্ব প্রকাশের পর…

রাইন,

হ্যাঁ, ঘুমান। (বাবা-মায়ের সাথে নাশতা খাওয়ার প্ল্যান বাতিল?)

আপনাকে সারা রাত জাগিয়ে রাখলাম আজকে। অবশ্য এজন্য আমার একটুও দুঃখ লাগছে না… অপরাধবোধও না! কারণ আমি জানি আমার কাছে লিখতে আপনার ভালোই লাগলো, আমারও যেমন। না? 🙂

লর্ড অফ দ্যা রিংস আমারও খুব প্রিয় একটা মুভি। আমরা প্রত্যেকটা হলে গিয়ে দেখসি। কয়েকটা দৃশ্য আছে এতো সুন্দর।

বিস্তারিত»

আমার খুব শীত লাগছে

বাংলাদেশে এখন শৈত্য প্রবাহ বইছে বলে আমার এক বন্ধু আমাকে জানিয়েছে। আমেরিকাতেও বর্তমানে চলছে শৈত্য প্রবাহ। এই মুহুর্তে ঘরের বাইরের তাপমাত্রা ফ্রিজিং পয়েন্টের নীচে। আমাদের বাড়ীর নিকটের পর্বতচূড়াগুলি সাদা তুষারাবৃত হয়ে আছে। এমনিতেই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০০ ফিট উচ্চতায় থাকি আমরা। শীতকালে ঠাণ্ডা পড়াটাই স্বাভাবিক। সেন্ট্রাল হিটিংয়ের বদৌলতে ঘরের মধ্যে শুধু একটা জামা পড়ে আছি এবং সাটেলাইট টিভিতে বাংলাদেশের চ্যানেলে উত্তর বাংলার মানুষের কষ্ট দেখছি। এমন সময় মনে পড়লো মেরীর কথা।

বিস্তারিত»

শীতের আমেজে………..

এই হাড়কাঁপানো শীতের বিকেলে
গোসলটা দুই ডুবে সেরে
চাচার চায়ের দোকানের আড্ডা
উফ! কল্পনায় হিমালয়ের পাদদেশে
বসে চায়ের ভাড়ের উষ্ণতা খুঁজে পাই।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৬ষ্ঠ পর্ব

আজকে লিখতে বসে বেশ অনেকখন ধরে বসে ছিলাম। পরে সিদ্ধান্ত নিলাম প্রথম পাঙানি যেদিন খেলাম সেইদিনের কাহিনী বর্নণা করব। এই পাঙানি খাওয়া ছিল জীবনের একটা বড় অভিজ্ঞতা।

যাইহোক ঘটনার দিন-তারিখ মনে করতে পারছি না, কিন্তু এটুকু বলতে পারি দিনটি ছিল সোম-বৃহস্পতিবারের মধ্যের যেকোন একটি দিন। ক্লাসে ৭ম পিরিয়ডে আমাকে জানানো হল যে লাঞ্চের পর ৩০৮ নং রুমে থাকতে হবে। ভয়ে ভয়ে শেষ পিরিয়ড করলাম এবং লাঞ্চে ঠিকমত খেতে পারলাম না।

বিস্তারিত»

গল্প: অন্ধকার যাপিত এই সব রাত্রি

শেষ বিকেলের ক্লান্ত রৌদ্রের চুম্বনে একটু একটু করে চোখ মেলার চেষ্টা করি। শীর্ণ গলির জীর্ণ দালান ঘেরা আমার কামরাটিতে সূর্যের আলো আসার এই একটাই সময়। উঁকি মেরে রবি সাহেবের চেহারা দেখে সময় বুঝার চেষ্টা করি। ক্লান্ত রবিবাবু তেজ কমিয়ে দিয়েছেন কিন্তু অন্ধকারের কাছে আত্মসমর্পণের আগে যে রাঙা হয়ে যান তার আভাস মেলেনি এখনও। মটকা মেরে পড়ে থাকার চেষ্টা করি ঘাড় ঘুরিয়ে। তারপরে বসে গাঢ় করে শ্বাস নেয়ার চেষ্টা করি।

বিস্তারিত»

হাঁসের গল্প

সুপ্রিয় ভাই ও বোনেরা,

আমাদের কুচ্ছিত হাঁসের ছানা আর কুচ্ছিত নাই সুন্দর হইয়া গেছে 😡 ।আজকে একটু আগে আমাকে সে ফোন কইরা বলে-মাসরুফ ভাই,আপনের কাছে করাত আছে? আমি তো হতবাক! 😮 ব্যাটার কি মাথায় মাল উঠছে নাকি-ভর দুপুরে এইগুলা কি কয়?? 😡 ঘটনা কি সেইটা জিজ্ঞাসা করতেই বলে-“ইয়ে মানে বুঝেনই তো,বাসায় এত বড় খাট,আমি ছুটো খাটো মানুষ আমার অত বড় খাটের দরকার নাই,তাই ঠিক করছি করাত দিয়া কাইটা দুই ভাগ করুম :duel: ।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৫ম পর্ব

আজ ভাবছি ঢালাও করে কিছু স্মৃতি লিখব। যদিও আমি জানি এই স্মৃতিগুলো সবারই মনে থাকার কথা। যেমন সকালে মাত্র দুটি বাথরুম-টয়লেটে ১৭-১৮ জনের টয়লেট, দাঁত মাঝার সিরিয়ালের লম্বা লাইন, পিটি বা ড্রিলে সবার সামলে দৌড়াও বা মার্চ কর, পিটির পর বাথরুমে গোসলের আবারও লম্বা সিরিয়াল, ব্রেকফাস্টের ফল-ইনে মার্চ ঠিকমত না হলে পেছন থেকে ক্লাস এইটের আদেশে নিজের ক্লাসমেটের লাথি খাওয়া, ব্রেকফাস্টের পর তিন পিরিয়ড নভিসেস ড্রিলের জন্য প্র্যাকটিস করা,

বিস্তারিত»

দেশে বাঘ বিদেশে বিলাই, আসেন সবাই শেওয়াগকে কিলাই !!!

shewag

ভারতের ব্যাটসম্যানদের নিজেদের মাটিতে রানের ফুলঝুরি ছুটিয়ে, বিদেশের মাটিতে রানের জন্য খাবি খাওয়ার হাজার নিদর্শন আছে। আবার ভারতের বোলারদের অবস্থাও তাই। ভারতের স্পিনাররা দেশের মাটিতে পারলে প্রত্যেকেই দশ উইকেট নেয়। কিন্তু বিদেশের মাটিতে সেই উইকেট টেকার বোলাররাই যেন স্ট্যাম্প চোখে দেখেন না। বেধড়ক মার খেয়ে তক্তা হয়ে যায়। যা হোক ভারতের দেশে বাঘ, বিদেশে বিলাই স্বভাব নিয়ে অনেক মজার মজার কৌতুক আছে।

বিস্তারিত»

একটি অতিপ্রাকৃতিক কক্ষভোজনঃ অ্যান এপিক অ্যাডভেঞ্চার

…..বুয়েট লাইফটা অনেক বেশি ডাইন্যামিক। পি. এল.(প্রিপারেটরী লীভ, ’পাছায় লাথথি’ ভাববেন না!) শুরু হবার আগ পর্যন্ত আজ ক্লাশ টেস্ট, কাল ল্যাব টেস্ট, পরশু ভাইভা, তরশু কুইজ-এই করে করে কিভাবে যে এক একটা সেমিস্টার পার হয়ে যায়, টেরই পাইনা। পুরোটা সময় কাটে একটা ঘোরের মধ্যে। ক্লাশ চলাকালীন যতই আঁতেল বা সুপারকুল হবার চেষ্টা করি না কেন, নতুন টার্ম শুরুর আগে যখন পূর্ববর্তী টার্মের আমলনামা (মার্কশীট) হাতে দেয়া হয়,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট সব পারে

কলেজে পা রেখেই যে কয়েকটি চমকপ্রদ কথা শুনেছি তার মধ্যে একটি হচ্ছে “ ক্যাডেট সব পারে”। অবশ্য স্যার ম্যাডামদের মুখে এই কথাটা অনেক সময় ব্যাঙ্গাত্মক রূপে উচ্চারিত হত। যাই হোক, ক্যাডেট দ্বারা তেমনই একটি অসাধ্য সাধিত ঘটনা আমি সবাইকে জানাতে চাই। ছোট্ট একটি প্রমাণ দিতে চাই , আসলেই ক্যাডেট সব পারে।
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সম্ভবত আমাদের এস এস সি পরীক্ষা ছিল। তাই সম্ভবত অক্টোবর বা নভেম্বরে আমাদের টেস্ট পরীক্ষা হয়েছিল।

বিস্তারিত»

শীতার্তদের সাহায্যের জন্য টাকা সংগ্রহের আপডেট

কয়েকদিন আগে ইয়াহু মেসেঞ্জারে সামিয়ার প্রস্তাব শুনে যখন আমি ওর কথায় সায় দিলাম তখনো ভাবিনি খুব বেশি কিছু হবে। বড় জোর দশ কিংবা পনেরো হাজার টাকা। তারপরও ভালো লাগছিল। আমরা এগিয়ে এলে একজন অভাবী মানুষও যদি একটু আরামে এই হাড় কাঁপানো শীতের রাতে চোখ বুজতে পারে, খারাপ কি ?

আমি যে বড় একটা বেকুব সেটার প্রমাণ দিতে সিসিবিবাসী খুব একটা দেরি করেনি।

এখন পর্যন্ত হাতে পাওয়া এবং হাতে পেতে যাওয়া টাকার সর্বমোট পরিমাণ: ৳ ৯৫ হাজার ৪৩৮ টাকা।

বিস্তারিত»