ডিসক্লেইমার
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-কে আপনারা যতই মহিমান্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনে করুন না কেন,বুয়েটবাসীরা একে অত্যন্ত সম্মান ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে ”Bangladesh University of Extreme Torture” বলে সম্বোধন করে থাকে।গেল সপ্তাহে আমার ৩য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের ক্লাশ সমাপ্ত হল।৩টা কুইজ,১টা সি.টি(Class Torture),৪টা গিগা সাইজ ল্যাব রিপোর্ট সাবমিশন মিলিয়ে ”মানবীয় সিপিইউ” এর টাস্ক ম্যানেজারের উপর দিয়ে ”হারিকেন ক্যাটরিনা” বয়ে গেল।কুইজের প্রশ্ন হাতে পেয়ে মনে হল,আমি স্থির,আর বাকিসব আমার চারপাশে পর্যাবৃত্ত গতিতে ঘূর্ণায়মান!
ফাউ প্যাঁচাল-০৩
আমি নাকি এর আগের লেখাগুলায় চাপা মারছি আর ছোট ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করছি,এই ধরনের কথা বলায় হপ্তাখানেক আগে আমি বাপ্পী (মাহবুব ০০-০৬, BCC)-রে মাইখানেক দাবড়াইছি আর মিনিটদশেক পিটাইছি। যদিও তারে পিটানো নিয়ে আমার কোনোই আক্ষেপ নাই তারপরও বলতেই হয়, আমরা কমবয়েসী এক্স-ক্যাডেটরা একসাথে হইলে যেসব বিষয় নিয়ে গ্যাঁজাই সেইগুলা একই ভাষায় কখনও পোস্ট করলে বিরাট বিপত্তি আছে;সিসিবি নাস্তানাবুদ হয়া যাবে। তাই কিছু নিরীহ ছোটখাট ঘটনারে এক্টুখানি fabrication সহ লিখি…………….এবং এখন থেকে ফাউ প্যাঁচাল সাধু ভাষায়……
বিস্তারিত»একাকিত্ব
আমার পিচ্চি দুইটা বিচ্ছু হচ্ছে দিনে দিনে। একটাফোটাও নিজের জন্য টাইম পাইনা। প্রায় ২০/২২ দিন ব্লগের সাথে কোন কথা বলার সুযোগ পাই নাই। এক দিকে অবশ্য কয়েকজনের পেইন ছিল না কয়েকদিন, আমার দুঃখের পেচাল শুনতে শুনতে যারা অস্হির তাদের জন্য দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমি আবারো হাজির। জানেন, আমার বড় ছেলের মোটেও পড়াশুনা করতে মন চায়না আর ছোটটা প্রতিদিন স্কুলে পড়ার জন্য কাঁদে। ইফাজের ক্লাসে ক্লাস করে আর আমি বসে বসে ওদের বাবাকে মিস করি।
বিস্তারিত»গৃহবদল
দূরে কোথাও একটা রাত জাগা পাখি অবিরাম ডেকে চলেছে। আজ বোধহয় আকাশে চাঁদের পসরা নেই। কেমন শুনশান চারপাশ, ঐ লেজঝোলা পাখিটা ছাড়া বোধহয় বাইরে আর কেউই নেই।
নতুন জায়গায় বরাবরই ঘুমুতে অসুবিধে হয় জাহানারার। সেবার যখন চাঁটগাঁ যাওয়া হলো বড় ছেলেটার জন্য মেয়ে দেখতে, হোটেল ঘরের ঐ নরম বিছানাতেও ঘুম হয়নি। সহসা ঘর বদলে আজো সেই পুরানো বাতিকটাই চেপে বসেছে।
হঠাৎ করে নাতিটার কথা মনে পড়ে গেলো।
বিস্তারিত»তারেক ভাই এবং তার কাঠের সেনাপতি

বই মেলা আসলেই ক্যাম্পাসে একটা অন্য রকম সুবাস পাওয়া যায়, বইয়ের সুবাস। এই সময়ে শামসুন্নাহার হলের কোণায় বা লাইব্রেরীর সামনে আড্ডা গুলোর থেকেও বেশী টানে মেলা। অবশ্য টানারই কথা, বালিকা আর বই দর্শনের এমন সুযোগ আর কোথায় পাওয়া যাবে বলেন। তবে অনেক সময় এই দর্শনটাই সার হয় কারণ বালিকারা যেমন আমাদের পাত্তা দেয় না তেমন সব বই এই গরীব মেধাবী ছাত্রদের পক্ষে কিনা সম্ভব হয় না।
মেলায় মোস্তফা মামুন ভাইয়ের বই
অন্যদের কথা জানিনা কিন্তু আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় মামুন ভাইয়ের নাম আছে। মোস্তফা মামুন। ক্যাডেটদের নিয়ে লেখেন, ক্যাডেট কলেজের গল্প লিখেন শুধু এসব কারণে নয়। তাঁর কিশোর উপন্যাসগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি। যেমন পড়ি রম্য রচনা বা খেলা নিয়ে লেখাগুলো। ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন , দ্বিতীয় প্রিয় মানুষ, রিমি আজ চলে যাবে বা বামহাতি বাবলুর মতো বই গুলো যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে দ্বিমত করবেন না।
বিস্তারিত»‘এফ পি’
কলেজে একটা ‘এফ পি’ ছিল।সোহরাওয়ার্দি হাউসের সামনের রাস্তায় সাদা কালি দিয়ে লেখা ছিল।ঐ টা ছিল আসলে ফিনিশিং পয়েন্ট,অর্থাৎ ক্রস কান্ট্রি বা ইডি খেলে দৌড়ে এসে ঐ খানে ফিনিশিং হত।ক্লাস ৭ থেকে ‘এফ পি’ দেখে আসছি,কিন্তু ‘এফ পি’র সংজ্ঞা বদলে গেল ক্লাস ৮ এর মাঝামাঝি সময়ে।কারন হল ক্লাস ৮ এ আমরা দেখলাম কলেজে একজন ভূগোলের নতুন ম্যাডাম আসলেন,নাম ফরিদা পারভিন।
ফরিদা পারভিন ম্যাডাম সম্পর্কে আমার সিনিওররা অনেক কিছুই আমার চেয়ে অনেক অনেক বেশী বলতে পারবেন ।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন মাঝি ভাই
পদ্মা নদীর মাঝি তো সবাই পড়েছেন। রাশুকে মনে পড়ে; আরে হ্যাঁ, পীতম মাঝির ভাতিজা রাশু। ঐযে কুবিরের মেয়ে গোপীর প্রেমে পড়েছিলো যেই জেলেটা, ওটার কথাই তো বলছি। কুবির তো পদ্মা পাড়ি দিয়ে ময়নাদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিল; কিন্তু এই ব্যাটা কুকীর্তিবাজ রাশু মিয়ার খবর কি কেউ জানেন নাকী? আমি বরং গরম গরম খবর দেই।
কুবির চলে যাবার পর, গোপীর কাছে তেমন পাত্তা না পেয়ে মনের দুঃখে রাশু পাড়ি জমায় গোমতী নদীর পাড়ে।
বিস্তারিত»এলোমেলো-৬: সিনেমা পারাদিসো
কোন এক সুন্দর সকালে মোকা (মোকাদ্দেস,ককর, ‘৯৪-‘০০) আমার হাতে একটা ডিভিডি ধরিয়ে দিয়ে বলল, “মুভিটা দেখ, তোর ভালো লাগবে”। তখন হলে থাকি, মুক্ত-স্বাধীন জীবন। ঘুরাঘুরি, আনন্দ, গান শোনা আর মুভি দেখার জীবন। ও হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে একটু-আধটু পড়াশোনার জীবনও। আমরা একই হলে থাকতাম, রুম ছিল কাছাকাছি। যা বলছিলাম…মোকা সাধারণত “হাই থট”-এর মুভি দেখে, আমাদের মত ম্যাঙ্গো পাবলিকের এন্টেনার উপর দিয়ে চলে যায় এসব ছবি। খুব বোরিং সময় যাচ্ছে আর হাতের কাছে নতুন কোন মুভি নাই- এই ধরণের পরিস্থিতিতে সাধারণত মোকার কাছ থেকে ছবি নেয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প থাকত না।
বিস্তারিত»গার্লস ক্যাডেট কলেজ এবং নারীর ক্ষমতায়নঃ
(ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের রজত জয়ন্তির সাময়িকীর জন্য এটা লেখা হয়েছিলো। ঘরে বসে আমরা অনেক ভাবনাই ভাবতে পারি। আবার একেক ক্ষেত্রে একেকজন অভিজ্ঞ। সবার চিন্তাধারার সম্মেলনে ভালো কোন আইডিয়া বের হয়েও আসতে পারে। পাঠককূলকে এর পক্ষে-বিপক্ষে-নিরপেক্ষে মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো।)
১৯৫৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানে ছেলেদের জন্য স্থাপিত ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজের যাত্রা তার পঞ্চাশ বছর পূরণ করলো। অষ্টাদশ শতাব্দীতে পশ্চিমের আজকের উন্নত দেশগুলোতে গণতন্ত্রের সূচনার প্রায় শতাব্দীকাল পরে সে সব দেশে সাধারণ নারীরা পেয়েছিলো তাদের ভোটাধিকার।
বিস্তারিত»এই পদ্যের চারটি পদ ও একটি পুচ্ছ রয়েছে
জনৈক ছড়াকারের জন্মদিন আজ
আজকে জনৈক ছড়াকারের জন্মদিন। জন্মদিনের প্রিফেক্ট মাস্ফু ভাই নাকি মিষ্টি খেতে চীন দেশ আছেন আর সেইসাথে চৈনিক বালিকা দর্শনে চা’ওয়ালা রকিবও সেইখানে অবস্থান করছে তাই বাধ্য হয়ে অনেকদিন পর কিবোর্ডে আঙ্গুল চালাতে হচ্ছে।
এই ছেলেটা কে অবশ্য আপনারা সবাই চিনেন। ব্লগের আনাচে কানাচে তার নানা কীর্তি ছড়ানো ছিটানো আছে। শোনা যায় মাসরুফ ভাইয়ের “মাস্ফু” নাম হওয়ার পিছনে তার একটা পোস্টের হাত আছে। অবশ্য এইটা লেখার পর সে মাস্ফু ভাই থেকে কিছু শিখতে পেরেছিল কিনা সেইটা আমাদের জানা নেই 😀
আজকে অবশ্য রাত অনেক হইছে তাই পোস্ট আর বেশী বড় না করি।
বিস্তারিত»অনুবাদ: বব ডিলানের গান
অনুবাদ:
কতশত পথ পার হয়ে তবে
মানুষ, মানুষ হয়?
কত সমুদ্র পেরিয়ে বলাকা
শান্ত শ্রান্তিময়?
আর কতবার কামান-গোলার আগুন ছোঁড়ার পর
রণ-দামামার চির-অবসান হয়?
আই লাভ ইউ, ক্যাডেটস্ !!!
আজ আমার বিশেষ খুশির দিন। কারণটা একটু পরই বলছি। তার আগে একটা গল্প বলি। তবে আগেই বলে নিচ্ছি, এটা শুধুই গল্প, কোন জীবনকাহিনী নয়, বরং জীবনকাহিনীর মত করে লেখা অসংলগ্ন প্রলাপ মাত্র। বাস্তব জীবনের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। 🙂 O:-)
আকাশ। আমার খুব ভালো বন্ধু। দেশের এক স্বনামধন্য ক্যাডেট কলেজ থেকে মাত্র পাশ করে বের হয়েছে, সময়টা ২০০৫ সাল। আমি যখন কোথায়-কিভাবে ভর্তি হব এই নিয়ে টেনশনে দিন-রাত এক করে ফেলছি,
বিস্তারিত»বাণী চিরন্তণী – ক্যাডেট ভার্সন
১। কামরুল স্টাফ এর কমন ডায়লগ – স্টার্ট ফ্রন্ট্ররোল বিগিন
২।ক্যাডেটদের উৎসাহ দিতে গিয়ে ওভার অল ডের আগের দিন হাউস এসেম্বলি তে গোমতীর হাউস মাস্টার- ( অলরেডী পযেন্ট এর ব্যবধান এতই বেশী যে গোমতী থার্ড নিশ্চিত )
” স্টিল দেয়ার ইজ এ হোপ টু বিকাম চ্যাম্পিয়ন”
৩। আমাদের সারোয়ার ভাই একবার লাইটস অফ এর পর তিতাস হাউস এ এলেন আর পড়ে গেলেন হাউস প্রিফ্রেক্ট এর সামনে।
বিস্তারিত»