“যে কিলাইয়া কাঁঠাল পাকাইয়াছিলো…………”

ছ’ফুট।
তাহারে নিয়া কিভাবে লেখা শুরু করিতে পারি? ক্লাস টুয়েলভে পড়িবার কালে তাহার হাইট ছ’ফুটে গিয়া থামিয়াছিল। এবং ক্লাস সেভেনে যখন তারে প্রথম দেখি, হাইট ছিলো চাইর ফুট আট ইঞ্চি। তাহার মুখ ছিলো এই এক্টুখানি আর কান দু’খানা ছিলো বেশ বড়; দুষ্টলোকেরা তাই তাহার চেহারার সাথে লেমুরজাতীয় কোনো প্রাণীর সাদৃশ্য পাইত। সে তাহার ছ’বছরের সংক্ষিপ্ত কলেজ জীবনে জন্ম দিয়াছিলো অগণিত কিংবদন্তীর। সে কলেজ আউট হইয়াও দিন দশেক পরে ফিরিয়া আসিয়াছিলো আমাদের কাছে বীরের বেশে।

বিস্তারিত»

স্ট্যাটিকাব্য

ইদানিং চিন্তা ও ভাবনা অস্থির ইদুর হয়ে উঠেছে। কুটকুট করে নিউরন কাটছে, বুনছে না কিছুই। মাকু হারানো তাঁতির মতোই দশা। মাঝে মাঝে উটকো কিছু লাইন, কিছু শব্দ বুদবুদের মত ভেসে ওঠে। সেগুলো ছড়িয়ে পড়ার আগে, ফুলে ফেঁপে বড়ো হয়ে ওঠার আগেই পারিপার্শ্বিকতার বায়ুচাপ ফটাশ করে ফাটিয়ে দেয়। শব্দ ও পরিবেশ দূষণের ভয়ে সেগুলো খোমাখাতায় জমা হয়। সেখান থেকে আজকের জ্বরকাতর বিকেলে সেঁচে আনলাম কতক বিচ্ছিন্ন লাইন।

বিস্তারিত»

আমার এ কারাবাস

[ভূমিকাঃ সত্যিকারের কারাবাসও কারাবাস আবার জীবনকে কারাগারের সাথে তুলনা করলে, এক একটা দিনকে টেনেটুনে পার করে নিয়ে যাওয়াও একধরনের কারাবাস। যৌবনের হাতপা ছড়ানো, মুক্ত পাখীর মত (সাহিত্যের ভাষায়- মুক্ত বিহঙ্গের মত) মুক্ত দিনগুলোয় মনের গহিনে কাউকে নিয়ে সুখের নীড় বাঁধার আজীবনের স্বপ্ন যদিও প্রত্যেকেরই থাকে, কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্ন যে পরিনতিতে ‘সংসার’ নামক সাদা-কালো এক দুঃস্বপ্নে গিয়ে শেষ হয়, সে কল্পনা বোধহয় খুব কম জনই সেসময় করে।

বিস্তারিত»

শানে নূযুল: বিফলে মূল্য ফেরত!!

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসিতে পারে, “বিফলে মূল্য ফেরত” জাতীয় বিজ্ঞাপনসমূহের সূচনা এই বংগদেশে কিরূপে হইলো। ইহার সঠিক সূচনা সম্পর্কিত দলিল যে কোনো ইতিহাস বেত্তা দিতে পারিবেন না, ইহা আমি হলফ করিয়া বলিতে পারি।কিন্তু আমার জনক তা জানেন বলিয়া জোর গলায় দাবী করেন।

জনক বলিয়া কথা। পারিবারিক কোন্দল এড়াইতে আমি সেই গপ্পো গিলিয়া যাইতে পারি। কিন্তু আপনারা গিলিবেন, না নেহায়েত মস্করা বলিয়া হাসিয়া উড়াইয়া দিবেন ইহা সম্পূর্ণরূপ আপনাদিগের উপরেই ছাড়িয়া দিলাম।

বিস্তারিত»

ভ্যালেন্টাইনের কবিতা

ক্লাসের সময় চুপটি করে
তোমার দিকে তাকাই
ছাদে তুমি হাঁটতে গেলে
মোড়ের টোঙে চা খাই

না পেয়ে ওই হাতটি হাতে
গাছটা ধরে ঝাকাই,

বিস্তারিত»

প্রসববেদনা

প্রথমবার যখন তোমাকে নিজের মধ্যে পূর্ণরূপে অনুভব করলাম তখন কি অপূর্ব পুলকে আমোহিত হয়েছিল আমার মন তা বলে বুঝাতে পারবনা কখনো, মনে হতে লাগলো এ আমি কি পেলাম। নিজের মাঝে নিজেকে আবার আবিষ্কার করলাম আমি, অন্য এক নতুন রূপে।
তোমার কথা ভাবতাম আমি নিস্তব্ধ নিথর রাতে বসে, যেখানে ঘড়ির শব্দই ছিল আমার একাকিত্বের সংগী আর অবশ্যই তুমি, তোমার ভাবনা, হাটতে, উঠতে, বসতে আমি অনুভব করতে লাগলাম তোমার অস্তিত্বকে।

বিস্তারিত»

হায়রে পোলাপাইন…হায়রে প্রেম…হায়রে প্রেমিকা

২০০৪ এর ঘটনা…জিয়া উদ্যান এর এক কোনায়..এক ঠোঙ্গা বাদাম খেতে খেতে…

মেয়েঃ শোনো !!
ছেলেঃ বল ।
—(বিরতি)
—(বিরতি)
ছেলেঃ কই কিছু শুনছি না তো?
মেয়েঃ শুনবে কী করে? কিছু বলছি নাতো ।
-বলছ না কেন?
-কেন বলব?
– মানে তুমিই ত’ বললে!
-আমি কী বললাম ? কখন?

বিস্তারিত»

একটা শিক্ষামূলক পোস্ট

১.
রাজার ছেলে ও ধোপার ছেলে একসাথে লেখাপড়া করে। বড় হয়ে রাজার ছেলে রাজা হলো, আর ধোপার ছেলে ধোপা। ধোপা প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে গাধার পিঠে কাপড় নিয়ে রাজপ্রসাদে যায়, কেউ দেখার আগেই ফিরে আসে।
একদিন রাজা যাবে শিকারে। প্রধানমন্ত্রী জ্যোতিষীকে দিয়ে দিন গননা করে ভাল একটা তারিখ বের করলেন। খুব ভোরে রওয়ানা দিয়েছেন রাজা। সামনেই পড়ে গেল ধোপা। মন্ত্রীরা হায় হায় করে উঠলেন,

বিস্তারিত»

পাইরেসী ও আমরা

পাইরেসী ও আমরা
পাইরেসী বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে ৫০ টাকার উইন্ডোজ সিডি। এর কারণ বেশ কিছু ফোরামে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ এর যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধে সবচেয়ে আলোচিত হয় যে জিনিসটি সেটা হল পাইরেসী। আসলে কি পাইরেসী বলতে শুধু সফটওয়্যার পাইরেসীকেই বুঝি? পাইরেসী কি অন্য জিনিসে হয় না? হয়ত আমার বোঝার ভুল থাকতে পারে। আমি আগেই বলে নেই আমার জ্ঞান খুবই কম। নবিস শিক্ষার্থী।

বিস্তারিত»

কৃতজ্ঞতা

কিছুদিন আগে আমাদের জুলহাস ভাইয়ের আত্মীয় লেঃ কমান্ডার জসিম ভাইয়ের ভাবীর রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো।সে সময়ে নিজ ভাবীকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রেখে তিনি আমাদের প্রতি হাত বাড়িয়েছিলেন। মিনিট পাঁচেক আগে তিনি ফোন করে আমাকে জানালেন যে রোগী এখন মোটামুটি সুস্থ,বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে।আক্ষরিক অর্থেই বালতি বালতি রক্তের প্রয়োজনে ২৯ জনকে রক্ত সরবরাহ করতে হয়েছে-যার অর্ধেকের বেশি নাকি আমাদের সিসিবি ব্লগের সূত্রে এসেছে।আমার সাহায্যের আবেদনটিতে মাত্র ছয়টি কমেন্ট পড়লেও আমার বিশ্বাস ছিল সিসিবি খালি হাতে ফেরাবেনা ভাইয়াকে।আমার বিশ্বাস ভুল ছিলোনা।

বিস্তারিত»

আহ!

সিসিবিতে শেষ পোষ্ট দিয়েছিলাম প্রায় দুই মাস আগে, জুনা ভাইয়ের হিসাবে ৯ সপ্তাহ । মাঝে এ কয়দিন পোষ্ট দেয়া তো দূরের কথা নিয়মিত কমেন্ট করার ও সুযোগ হয়নি। এ সময়ের ভিতরে নতুন একটা বছর চলে এসেছে, হাঁড় কাপানো শীতকাল পার হয়েছে(যার প্রায় পুরোটাই জঙ্গলে তাঁবুর মধ্যে কাটাতে হয়েছে), বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের এক সিরিজ শেষ হয়ে আরেক সিরিজ শুরু হয়েছে, আইসিএল এর কেউ কেউ দলে ফিরেছে( এটা নিয়ে আমিনের সাথে জমাইতেও পারলাম না,

বিস্তারিত»

বইমেলা….

প্রথম যে বইমেলার কথা মনে পরছে, সেটা তে আমি আসলে যাই নি। আমি তখন ক্লাশ টু তে পড়ি। আমার মামা আর খালা বইমেলা থেকে ফিরলেন ইমদাদুল হক মিলন এর প্রিয়দর্শিণী ও হুমায়ুন আহমেদ এর নি নিয়ে।প্রিয়দর্শিনীর প্রচ্ছদ টা সেইরকম ছিলো। গোলাপ হাতে এক সুন্দরী নারীর হাত! তবে প্রথম কয়েকদিন ছোটদের সেই বই দেখারও আকসেস ছিলো না। তখন আমার পঠিত বইয়ের তালিকায় ছিলো শুধু সেবার ২ টাকার বই সিনডারেলা।

বিস্তারিত»

টুকরো গপপো

শুরুর আগেঃ
ব্লগে আছি প্রায় ৬ মাস হবে, কোনোদিন লিখতে বসা হয়ে উঠে না, নানাবিধ কারনেই। কারনের ফিরিস্তি দিতে গেলে অবশ্য আমার অলসতা কেই সর্বাগ্রে স্থান দিতে হবে। কিছুদিন থেকেই জুলফিকারের কাছ থেকে বেশ মজার সব ঘটনার বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে। মানুষ হিসেবে আমি খুবই নস্টালজিক প্রকৃতির, জুলুর এসব পোস্ট পরে আরো বেশি হয়ে যাচ্ছি।আমার লিখার ভাণ্ডার খুব অল্প আমি কখনই কোনো কবিতা বা গল্প ম্যাগাজিন বা দেয়ালিকাতেও লেখা ছাপাতে পারিনাই।

বিস্তারিত»

আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা

বইয়ের প্রচ্ছদ ও ব্যাক ফ্ল্যাপআমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা

আব্দুর রহমান আবিদ

“আমার ঘোল্‌ সবচেয়ে ভাল”- বাজারের তাবৎ ঘোল্‌ বিক্রেতার প্রত্যেকের দাবী যদিও সন্দেহাতীতভাবে তাই, কিন্তু বাস্তবে সবার ঘোলই কি আর খেতে অত সুস্বাদু? তবে পাড়ার ভোজনরসিক গোপাল কিম্বা আচারী পন্ডিত মশাই যদি বাজারের কারো ঘোল্‌ চেখে তা ভাল বলেন, তাহলে ঐ ঘোল্‌ যে খানিকটা ভাল হওয়ার কথা, তা বোধহয় আশা করা যায়- হোকনা ঐ ঘোল্‌ বিক্রেতা বাজারে নতুন নাকি পুরাতন।

বিস্তারিত»

ছোটবেলা,বড়বেলা আর ছেলেবেলা

১৯৮৫ ডিসেম্বরের ২১ ডিসেম্বরের রাত ২৩টা ৪০ মিনিটে আমার মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে লন্ডন টাউনের এক হাসপাতালে আমার বোন পুর্ণতা ও আমি ভূমিষ্ট হই। সাত মাস বয়সে যখন আমরা পৃথিবীতে আসি তখন আমাদের চোখটাও ঠিক মত ফুটেনি। আমার ডান পায়ের সাথে আপির বাম হাতের চামড়া জোড়া লাগানো ছিল। ২মাস পরে আমাদের আলাদা করা হল। আমার মা প্রথম দুই বছর আমাদের নিয়ে অনেক কষ্ট করেছেন। তার পর আরো ছয় মা পর আমার আব্বু আপিকে আমার দাদার কাছে নিয়ে চলে আসেন আর আমার মম আমাকে নিয়ে দারজিলিং চলে আসেন।

বিস্তারিত»