৬ ফাল্গুনঃ শুভ জন্মদিন কবি

এই সব ভালো লাগে

(এই সব ভালো লাগে) : জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়, — আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল –
এই নিয়ে খেলা করে: জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষ রাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল;

বিস্তারিত»

মাননীয় মাথামণ্ডলী সমীপেষু

বরাবর
মাননীয় মাথামণ্ডলী,
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ,

জনাব,
সবিনয়ে বিনীত নিবেদন এই যে আমি আপনাদের দ্বারা পরিচালিত এই বঙ্গদেশের একজন অতি নগন্য নাগরিক। যদিও আমি নিতান্তই নগন্য, তথাপি আজ আমি আপনাদের কর্মকলাপ সম্পর্কে কিছু কমেন্টস করার দুঃসাহস দেখাচ্ছি।
বিরোধীদল সংসদে ফেরার পর, আমরা আশা করেছিলাম(এবং প্রতিবারেই যে আশা করে থাকি) যে আপনারা,সরকারি এবং বিরোধীদল,পূর্বের বিভেদ কলহ ভুলে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বর্তমান সমস্যাগুলো সমাধানে সচেষ্ট হবেন।

বিস্তারিত»

কেউ কি শুনতে পাচ্ছো?

হে পৃথিবী,
তুমি কি কখনো আমার কান্নার শব্দ শুনতে পাও না ?
যখন আমার মত শত গরিবের শীর্ণক্লিষ্ট দেহের উপর
বয়ে যায় ক্ষুধা, দারিদ্র্য আর বঞ্চনার স্টিম রোলার।
নির্বাক আমি অসহায় চোখে শুধুই তাকিয়ে থাকি-
তোমার ঐ নিষ্ঠুর বিস্তৃত মুখের দিকে।

হে পৃথিবী,
তোমার বুক বুঝি আলোড়িত হয় উচ্ছাসে,
যখন আমারই বয়সী হৃষ্টপুষ্ট পুস্পিত শিশুরা-
কলরবে মুখরিত করে তোলে তোমার আঙ্গিনা।

বিস্তারিত»

জীবিকা-২

টুকটাক ছবি আকি।
সবাই দেখেন এইটা কেমন হইছে।
অভয় দিলে আগাইতে চাই।

বিস্তারিত»

ডায়লগ De MGCC

প্রাচীনকালে পর্যটকেরা যখন রাজ্যের রাজার সাথে প্রথম সাক্ষাত্‍ করতেন,সঙ্গে থাকতো নানা উপঢৌকন।সিসিবি’র সাথে গত এক বছর ধরে আমার দিনে কমসে কম তিনবার সাক্ষাত্‍ হলেও পর্যটকের মর্যাদা লাভ করেছি(সদস্যপদ) দুদিন আগে।লেখক হিসেবে কোন মানের মধ্যে না পড়লেও পৃথিবীর সব ব্লগের শাহেনশাহ্ সিসিবিকে(আমার জানামতে, এবং আমি জানি বাংলাদেশের সব ক্যাডেটের জানামতে) উপেক্ষা করার সাহস আমার নেই,তাই হুজুরকে সামান্য নাজরানা…
১.এক সিনিয়র আপা যিনি পানিশমেন্ট দেওয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন;

বিস্তারিত»

ইহাকে কি কবিতা বলা যায়……???

আজ হটাৎ বৃষ্টিতে ভেজা একটা অভিমানী গান …
হিমেল হাওয়ার হু-হু সুরের মাতাল-বেতাল টান….
এই পিচঢালা রাজপথে যান্ত্রিকতার আলোর ছটা….
বৃষ্টি-স্নাত সদ্য-ফোটা সন্ধ্যা বেলার একটি ঘন্টা …
………………দিলাম-তোমায়……………………

এই ব্যস্ত ঢাকার ব্যস্ততা আর মানুষ-বাহন জট…..
বৃষ্টি শেষে হটাৎ পাওয়া এক চিলতে মিষ্টি রোদ……
নীলাকাশের বুকে উড়ন্ত কয়েক টুকরো সাদা মেঘ …..
তোমার-তরে ছুটন্ত পাগল মন-ঘোড়ার দুরন্ত বেগ …

বিস্তারিত»

মেজর আজিজুল হাকীম স্যারকে মনে পড়ে

বিডি আর বিদ্রোহের কথা আমরা ভুলে গেছি। ভুলে যাওয়াটা সহজ, সুবিধা জনক। সরকারও তাই চেয়েছিলো। আমরা ব্লগারাও এখন দৈনন্দিন জীবন, ভালোবাসা দিবস, আস্তিকতা-নাস্তিকতা বা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ব্লগ লিখতে ব্যস্ত।

আমি হিসাব করে দেখলাম, সাহসী বাঙ্গালীরা প্রায় সব ৭১ রেই মারা গেছেন। আমরা যারা নতুন প্রজন্মের মানুষ, বেশিরভাগের বাবা-মাই মুক্তিযুদ্ধের সময় পালিয়ে বেরিয়েছেন। আমরা কাপুরুষের সণ্তান।তাই আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানিনা।

আমরা পালিয়ে বেরাতে বা ভুলে যেতে ভলোবাসি।

বিস্তারিত»

লুলুর ভালবাসা…

আমাদের এক বন্ধু, নাম বলবনা সবাই চিনবেন। আমরা তাকে লুলু বলেই ডকতাম। তার প্রেমের কাহিনী বলব ভেবেই লেখা শুরু করলাম।

সে কবে থেকে প্রেম করে তা আমরা সঠিক জানি না। তবে আমরা ক্লাস ১২ এ থাকতে HSC পরীক্ষার আগে হঠাৎ একবার সে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিল। বুঝতে পারলাম, প্রেম এ সংশয়… খবর পেয়ে আমাদের ভিপি স্যার জাইদুল হক আসলেন ডাইনিং হাল এ লুলুর খবর নিতে।

বিস্তারিত»

ভালবাসা

ঢাকার টিভিতে দেখছিলাম ভালবাসা দিবসের আয়োজন। আজকাল ছেলে মেয়েরা কতটা খোলামেলা ভাবে একে অপরের সাথে মেলামেশা করে। ভালই লাগলো। কিছুটা হিংসাও হলো। আমাদের সময়ে এসব কিছু অত সহজে সম্ভব ছিলো না। তবে যখন প্রাপ্তি কিছু সহজলভ্য হয়ে যায়, তখন তার মূল্যও হয়তো কিছুটা কমে যায়। একই ভাবে, আমাদের সময়ে সহজলভ্যতা কম হবার কারনে, সামান্য প্রাপ্তিও অনেক বড় হয়ে দেখা দিত। তেমনি এক সামান্য ঘটনা অনেকদিন ধরে আমার জীবনে অসামান্য বলে মনে হয়েছিলো।

বিস্তারিত»

আমার একমাত্র ‘ভ্যালেন্টাইন’স ডে’….সন ২০০৬

বস ডেকে বলে দিলেন, কালকে একটু ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাও তো……… ~x(

উফ!! এতো দেখি মহা মুশকিল, জানি তেমন কোন কাজের কাজ নাই, শুধু শুধু যাওয়া হবে……..কিন্তু তা তো আর বলা যায়না……তার উপর প্রথম চাকরি……তাই বললাম, স্যার ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে ঢাকায় থাকা দরকার…….

তখনই চরম শুদ্ধভাষী বসের মুখে শুনলাম অমোঘ এক বাণী…. :no: …তোমার বউ যেদিন তোমার চাকরিকে তার সতিন মনে করবে, বুঝতে পারবে তুমি সফল!!!

বিস্তারিত»

ফেলে আসা দিনগুলো

কলেজে জুনিয়র আসার দিন সবার মন কমবেশি খুশি খুশি থাকে।ক্লাস এইটদের বলে দেয়া হয় সেভেনদের সেদিন কোনোরকম টেবিল রুলস না শিখাইতে।ডিনারে ক্লাস সেভেনদের নিয়ে আচ্ছামত মজা করা হয়।
আমি প্রথমদিন টেবিলে গিয়া দেখি আমাকে দেখে আমার টেবিলমেটরা ব্যাপক মজা পাচ্ছে।আমি যাই করি তাতেই তারা হাসে।তার উপর খাইতে দিসে আলুভর্তা।এইসব দেখে আমি ক্যাডেট কলেজের উপর মহা বিরক্ত হয়ে গেলাম।টেবিলমেট একজন(ক্লাস ইলেভেন) জিজ্ঞেস করল কলেজ কেমন লাগতেসে?আমি বললাম disgusting.সঙ্গে সঙ্গে হাসির মাত্রা আরো বেড়ে গেল।কোনমতে হাসি চেপে উনি আবার বলল খাচ্ছ না কেন?আমি বললাম আলুভর্তা খাই না।উনি বলল খাও খাও,

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ আউল ফাউল দিবস ও ফাও প্যাচাল

কিছুদিন আগে রাতে হঠাত মোবাইলে এস এম এস।
“ভাইয়া, কেমন আছেন? অনেকদিন সাড়া শব্দ পাই না। সব কিছু ভালো তো?”
পড়ার পর অনেকক্ষন কি চিন্তা করবো তাই খুজে পাচ্ছিলাম না। সিসিবি কি এক আজব মায়ার বাধনে আমাদের জড়িয়ে রেখেছে। তা না হলে সেই পিচকি চা ওয়ালাকে কখনো দেখি নাই, ও আমাকে দেখে নাই, সে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকে আমাকে এই এস এম এস করে।

বিস্তারিত»

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- শেষ পর্ব

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪] [১৫]

জানি পোষ্টের শিরোনাম দেখেই যারা আগের তারা ভাবছেন কি ব্যাপার এতোদিনে এই সিরিজ কোথা থেকে আসলো,

বিস্তারিত»

ভালোবাসি

(সেই অনেক দিন আগে, তখন মাস্ফ্যদা লুঙ্গি নিয়া এত দৌড়াদৌড়ি করতো না; সিসিবিতে একটা লেখা দিছিলাম। তারপর ফয়েজ ভাই, শওকত ভাই, চা ওয়ালা etc. etc দের জটিল জটিল লেখা পড়ে লিখতে সাহস হতো না। আজ একটা দুঃসাহস করে ফেললাম, যদি বদ হজম হয় হজমি খাওনের ডিউটি নিজের নিজের। )

চোখটা খুললেই এক ফালি আকাশ না হলে এক্ টুকরো অন্ধোকার দেখা যায়। ইদানিং অনেক চাঁদ দেখতে ইচ্ছে করে।এক ফালি না পুরো চাঁদ,

বিস্তারিত»