আমি বি এম এ তে জয়েন করি ২০০৭ এর ১০ জানুয়ারি। যদিও বাবা আর্মি তে ছিল তবু আমার আর্মি তে আসার তেমন ইচ্ছা ছিল না।ক্যাডেট কলেজে ৬ বছর থাকার পর খুব ইচ্ছা ছিল বাইরের জীবন টা দেখব(উল্লেখ্য ক্যাডেট কলেজের ১ টা দিন নিও আমার ১ বিন্দু আফসোস নাই…আমার জীবনের বেস্ট সময় কলেজের প্রতিটি দিন)। কিন্তু রিযিক নাকি আল্লাহ আগেই ঠিক করে রাখেন। যা হোক আমার জান্নাতবাসী মা এর খুব ইছা ছিল ছেলে ক্যাডেট কলেজে পরে আর্মি তে যাবে…অবশেষে ২০০৭ এর ১০ জানুয়ারি বিকেল ৩ টার সময় চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে আমার বাবা আমাকে রেখে গেলেন…সবাই হও তো ভাবছেন বার বার আমি ২০০৭ এর ১০ তারিখের কথা আলাদা করে বলছি কেন?
বিস্তারিত»টুশকি ৩১
একটি খুব সাধারণ ঘটনা
মৃত্যু খুব সাধারণ ঘটনাঃ
একটা বইয়ের পাতা ওল্টানোর মতোই নিত্যদিনের ঘড়ির কাঁটায় ঘাপটি মেরে বসে আছে।
যেভাবে তুমি চুল আঁচড়াও বা ঘুম ভেঙে দু’হাত আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে এলোমেলো ছড়িয়ে দাও সূর্যরশ্মির মতোন, সেভাবেই মৃত্যু হেঁটে এসে কলিংবেল বাজিয়ে দেয়। সেও আমাদের মতো আধুনিক হয়ে গেছে। যেমন, সময় খুব আধুনিক আজকাল, নিয়মিত কোয়ার্টজের অণুতে মিশে থাকে, ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
বিস্তারিত»মাথায় কিস্তি টুপি পড়েছিলাম
ক্যাডেট কলেজে আসিবার পূর্বে প্রতীক (ছদ্মনাম), উদয়ন স্কুল-এ পড়িত। শান্ত শিষ্ঠ এবং ভদ্র ক্যাডেট হিসাবে সপ্তম শ্রেণীতেই তাহার বেশ নামডাক। মনে করিতে পারি, তাহার দুই বৎসর ক্যাডেট জীবনে অনেক অভিমান আর দুঃখের পাহাড় জমিয়া উঠিয়াছিল। মাঝে মাঝে আমাদিগকে তাহার মনের কষ্টের কথা শুনাইয়া ছাড়িত। অভিমান জমিতে জমিতে যখন নিতান্তই অসহনীয় হইয়া উঠিল, তখন সে ঠিক করিল, কলেজ হইতে পালাইয়া বাড়ী যাইতে হইবে, এ জীবনে তাহার আর কিছুই পাইবার নাই।
বিস্তারিত»শোক সংবাদ
সিলেটের এহসান ভাই (৮৯-৯৫) এর বাবা গতকাল সন্ধ্যায় মারা গেছেন। উনার দাফন সম্পন্ন হয়ে গেছে এবং কুলখানী হবে আগামীকাল দেশের বাড়ি ফেনীতে।
পার্থিব কোন সান্ত্বনাই চলে যাওয়া প্রিয় মানুষের জন্য অনুভূত বেদনায় প্রলেপ বোলাতে পারেনা। প্রার্থণা করি এহসান ভাই দ্রুত মানসিকভাবে শক্ত এবং স্বাভাবিক হয়ে উঠুন।
সিসিবির আমরা সবাই এহসান ভাইয়ের সাথে সমব্যাথী এবং উনার বাবার পারলৌকিক মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করছি।
বিস্তারিত»More ডায়ালগ from MGCC
ঘটনা গুলোর কথা মনে হতেই নিজের অজান্তেই হেসে উঠি…গুছিয়ে লিখতে গেলে একসাথে সব মনে পরেনা।জিনাতের লেখা পরার পর আজ যতগুলো মনে আসলো লিখে যাই…
#১-হাউজ প্রিফেক্টের অনুমতি ছাড়া একবার ভুল করে আমাদের কে যেন অন্য হাউজে গেছে এবং কপাল দোষে ধরা পড়েছে।তো ভয়ংকর এক ঝাড়ি মারতে গিয়ে আপার প্রথম ডায়লগ,
”without permission ছাড়া হাউজ change করো কোন সাহসে?”
#২-ক্লাস নাইন,1st প্রেপ।চোখের পাতা টেনেও খুলে রাখা যাচ্ছেনা…মন আর চোখের জ্বালা মেটাতে গেলাম বাথরুমে।গিয়ে দেখি সামিয়া আর জিনিয়া সেখানে।৩জন ৩জন কে পেয়ে যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি।মনের সুখে গল্প করতে করতে কখন যে চিৎকার করা শুরু করাছি খেয়াল নেই(বলে রাখি,ততদিনে অঘটন ঘটনে আমাদের ৩ রত্নের ইম্প্রেশন বেশ High..),হঠাৎ বাইরে থেকে আমাদের সবচেয়ে ভয়ংকর স্বরের ম্যাডামের চিৎকার,”বাথরুমে কারা বেরিয়ে আসো!”
বিস্তারিত»সিসিবিতে আমার ৫০ তম পোস্ট : একটি জন্মদিন বিষয়ক পোস্ট
আমি নিজে ক্রিকেট খেলা খুব পছন্দ করি। আর সেখানে সবচেয়ে প্রিয় (!!!) ব্যাটসম্যানটির নাম জাভেদ ওমর বেলিম। যার নামেই আমি ভয়াবহ ভাবে আৎকে উঠি। তার নিরীহদর্শন চেহারা নিয়ে মাথে দাঁতে দাঁত চেপে সে সংগ্রাম করে আর আমরা হই বিরক্ত। এমন কুৎসিত স্লো ব্যাটিং কেমনে সম্ভব। যা হোক বদনাম করার জন্য এই পোস্ট না বরং সিসিবিতে আমার জাভেদীয় স্লো ফিফটির ঘোষণা দিতে এত ভূমিকা করা। এহসান ভাইয়ের ঝাড়ির কথা মনে রাইখা পোস্ট যাতে যথেষ্ট “আজাইরা”
বিস্তারিত»(প্রায়) দেশপ্রেমিক
(এই কবিতাটা দেশের এক বিশেষ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা, তবে হয়তো এখনো প্রাসঙ্গিক; কে জানে!)
আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু খালিপায়ে ফুল দিয়ে আসি গিয়ে শহীদ মিনারে
আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু ষোলই ডিসেম্বরে করি বিজয়ের উল্লাস
আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু ছাব্বিশে মার্চ এলে পরে গাই স্বাধীনতার গান
সত্যিই আমি দেশপ্রেমিক নই
দেশের জন্য আবেগ ব্যাপারটা টের পাইনা আমি
তবু লিখে যাই স্বাধীনতার কবিতা
আবেগহীন –
ডায়লগ De MGCC রিলোডেড
সাবধান…হুশিয়ার…খাবার্দার… (ইয়ে মাশরুফ ভাইয়া, এখানে দ এর পর বা’ নাই কিন্তুক)
ব্লগাধিরাজ,শাহেনশাহ্ সিসিবি তাঁহার সাম্রাজ্যে আগত এক পর্যটকের নামে ভয়াবহ সমন জারি করিয়াছেন… ঐ পর্যটক দিনকতক আগে বাদশাহের সহিত সাক্ষাত্ করিয়া তাহার নাজরানা পেশ করিয়া গিয়াছিল।রাজপ্রাসাদের সদস্যগণ মহাউত্সাহে সেই নাজরানা গলাধঃকরণ করিলেও বর্তমানে সকলেই (শাহেনশাহ নিজেও) ভয়াবহ বদহজমের সমস্যায় ভুগিতেছেন।রাজ্যশ্রেষ্ঠ হেকিমের দাওয়াই,যদি পর্যটক অবিলম্বে ততোধিক অখাদ্য নাজরানা পেশ করে,তাহা হৈলে সকলেই আরোগ্য লাভ করিতে পারিবেন।
আমি আর তুমি…(রাজা আর রাণী)
পূর্ব-কথন:ইহা একটি নব-দাম্পত্যের গান।এখানে নব-দম্পতিদের কিছু অনুভূতি কপি-পেস্ট করা হয়েছে।যাদের এখনো সেই বিশেষ সময়টিতে পৌছাবার সৌভাগ্য(কিংবা দুর্ভাগ্য)হয়নি,তারা চোখ বন্ধ করে কল্পনা করে নিতে পারেন। আর যারা সেই সময়টি পার করে এসেছেন তারা একটু কষ্ট করে স্মৃতিচারণ করে(জাবর কেটে)নিবেন।ধন্যবাদ।
মেঘ-জল বৃষ্টিতে
কিছু অনা-সৃষ্টিতে
কাক-ভেজা চেহারায়
চোখা-চোখি আয়নায়
চলে যাই অতীতে
সাদা-কালো স্মৃতিতে
কোনো চেনা ঠিকানায়
আবার এক হয়ে যাই……..দু-জনায়।
আঁতেল সমাচার-১
[ইহা একটি বিরক্তি উদ্রেককারী অস্থায়ী গোছের লিখা,কারো মনে গভীর রেখাপাত করিবার জন্য রচিত নহে। বরং ইহা মানসিক পরিবেশ দূষনকারী। তাই এই জগতে কিংবা ভীনগ্রহের কোন জীবের সাথে কোন যোগসূত্র পাওয়া গেলে এই সস্তা লেখক তার দায়ভার বহন করিবেনা। একইসাথে এই লিখা কারো চিন্তাজগতে ক্রিমির সংক্রমণ ঘটাইলে ও লেখক ক্রিমিনাশক ঔষধ সরবরাহে বাধ্য থাকিবেনা।]
ছোটবেলা থেকেই আমার আঁতেল হবার খুব শখ।কিন্তু আঁতেল হওয়া তো আর মুখের কথা নয়।
বিস্তারিত»ছেলেবেটি কামতাজ হাসান (৯৪-০০)
চোখের সামনে দিয়া মানুষজন বিখ্যাত হইয়া যায়। তারা ব্লগ লেখে, সেগুলা শুধু প্রচুর হিটই না, ষোল- সতেরটা পাঁচ ভোট পায়, শ খানেক মন্তব্য পায়। আমরা চাইয়া চাইয়া তাগো বিখ্যাত হওয়া দেখি। তবে মনরে বুঝ দেই, পাবলিকরে গিলানোর সিস্টেম আছে, সে গিলানোর সিস্টেমের টেকনিক জানে, তাই এই অবস্থা। একদিন আমিও শিখুম, পাবলিকরে ব্লগ গিলামু, নিজে কমেন্ট আর হিট গিলমু।
কিন্তু এইসব ছাড়িয়ে যখন তাদের লেখা চুরি যায়,
বিস্তারিত»পেরিয়ে গেল একটি বছর…..
ফেব্রুয়ারি শেষ হয়…….দুঃসহ একটা মাস। মার্চ আসে, অনেকে হাফ ছেড়ে বাঁচে….কিছু কিছু মানুষের কষ্ট বাড়ে……যাদের কাছে এই মাসটাও অনেক যন্ত্রনার…….ভাই হারানোর, বন্ধু হারানোর আর একটি মাস…….
গত বছর এই দিনে সবাই যখন শোকে মুহ্য….ঠিক তখন আরেকটি খবর আমার চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। ৩ রা মার্চ এই দিনটি তে যখন ক্যাডেট কলেজ ব্লগের পক্ষ থেকে “আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রানে” এর মাধ্যমে পিলখানার সামনে সবাই শহীদ সেনা অফিসারদের সম্মানে দাঁড়িয়ে ঠিক সে সময় আরও একজন এক্স ক্যাডেট এবং সেনা অফিসারকে হারানোর কথা আমাদের শুনতে হয়…..
বিস্তারিত»দুষ্মন্তপুরান (পিজি-১৩)
রাজা দুষ্মন্ত বড়ই চিন্তিত। বিগত দু’দিন যাবৎ শকুন্তলাকে দেখা গিয়াছে মোবাইলে কোন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সাথে ফাইট দিতে। সে ঘন ঘন ছোট বার্তাও পাঠাইতে থাকে। আবার ফিরতি বার্তা পড়িয়া মুচকি মুচকি হাসে। তাহাকে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির কথা সুধাইলে সে বলে, তুমার তাতে কি? ইয়েতে চুল্কাচ্ছে?বেটা বুড়া ভাম! আজকাল রিক্সাওলারা পর্যন্ত মোবাইল ইউস করতেসে। আর তুমি একটা আখাইত্তা,নিজের একটা মোবাইল কেনারও মুরোদ নাই,আবার নাম দিসে রাজা,হেঁহ।
বিস্তারিত»জিতবে বাংলাদেশ ?
২৫ বলে ৩২ দরকার ইংল্যান্ডের। বাংলাদেশের দরকার ২ উইকেট।
কী মনে হয়? আইজকা কী ধরাইয়া দেয়া যাবে ইংল্যান্ডরে ?
