একটা সময় আমরা সবাই ইউনিফরম পরেছি। সময়টা ছিল আমাদের বেড়ে ওঠার সময়, বুঝ আসার সময়। কি জানি হয়ত সে কারনেই বিডিআর হত্যাকান্ডের প্রতি এতটা সংবেদনশীল হয়ে পড়েছি। আজ এক বর্ষপুর্তিতে খুব কষ্ট হয় সেই দিন ঘটে যাওয়া হত্যাকান্ডকে যখন সর্বস্তরে একটি বিদ্রোহ বলে চালিয়ে দেই। আমরা ভুলে যাই বিদ্রোহ একটি পবিত্র শব্দ যার যথেচ্ছা ব্যবহার করার অধিকার আমাদের নেই।
আমরা মনে রাখি না যে ১৮৫৭ সালের সিপাহি সংগ্রাম একটি বিদ্রোহ ছিল যেখানে এদেশের আপামর সিপাহি জনতা ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে তাদের অনাস্থা ঘোষনা করেছিল,
স্থবির জড়তা
আমি বারেবার স্থিরতায় জড় হয়ে পরে থাকি। অবাক নিস্পলক চেয়ে থাকি তোমার চোখে। চেয়ে থাকো তুমিও…কিন্ত খুব বেশি সময় থাকতে পার না। তোমার মারাত্মক রকম পরিস্কার চোখটা নিমিশেই ঘোলা হয়ে যায়। ঠিক তখনি সংবিত ফিরে পাও তুমি। ভয়ে কেপে উঠো বারেবার। জানিনা হয়ত একারনেই আমাকে আড়াল করে রাখ এত দীর্ঘ সময় ধরে। কিন্ত তুমি এ রকম ছিলে না। লাজুক চোখেও তাকিয়ে থাকতে আমার দিকে এত লম্বা সময়,
বিস্তারিত»২৫’
বহতা সময়ের স্রোতে
অবিরত জোয়ার ভাটা
একটি সমাধির পাশে
আমি আবার দাঁড়িয়ে ~
খয়েরী ফ্রেমে সবুজ ঘাস
ছুঁয়েছি এই কম্পমান হাতে।
।। ……একুশ তুমি।।
“একুশ তুমি……” সবাই রচেন, আছেন যত কবি;
আমি ভাবলাম ব্যতিক্রমটা চেষ্টা করে দেখি।
“একুশ তুমি……” শুরুতে নয়, রাখবো তোমায় শেষে;
শতেক কথার কাব্যমালা গাঁথবো একখানা কষে।
শিশির ভেজা সবুজ ঘাসে আলতো হাঁটি আমি;
মনটা আমার ছেঁয়ে থাকো শুধুই একুশ তুমি।
ঈষান কোনে মেঘের ভেলা, সুর্য হাসে রাঙী-
প্রাণে আমার দোলাটি দাও, সেওতো একুশ তুমি।
মুখের ভাষায় এত যে স্বাদ,
বিস্তারিত»অস্ত্র থেকে অক্ষরঃ একজোড়া লড়াকু হাতের গল্প
ভারতীয় একটি সিনেমা দেখেছিলাম বেশ ক’দিন আগে।বাণিজ্যিক সিনেমা হলেও গল্পের ভিন্নতার কারণে মনে বেশ খানিকটা দাগ কেটেছিলো সিনেমাটি।গল্পের নায়ক ছিলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ এক প্রাক্তন বিপ্লবী,যিনি কিনা ভারতের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে জেঁকে বসা অনিয়ম,অন্যায় আর দুর্নীতি রুখতে আবার হাতে অস্ত্র তুলে নেন।দেশপ্রেমের পটভূমিকায় ভিন্নস্বাদের এ সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন কমল হাসান-দ্বৈত ভূমিকায় দুটি ভিন্ন যুগের ভিন্ন দুই লড়াইকে তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন,তাকে শুধু বাণিজ্যিক বলে উড়িয়ে দিলে সম্ভবত বেশ অবিচারই করা হবে।
বিস্তারিত»বন্ধু… তোকে মনে পড়ে – ২ (মাজহার স্মরণে…)
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
এই শহরের, এই বিকেলে
একলা কোন পথে,
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত রেস্তোরার
ব্যস্ত চায়ের কাপে;
তোকে কি কখনো ভোলা যায়?
তোকে কি কখনো ভোলা যায়???!!!
তবুও দিন কেটে যায়…
তবুও দিন কেটে যায়…
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
খেলার মাঠে ক্রিকেট ব্যাটে
আর প্রাণহীন আড্ডায়,
পার্বত্য চট্টগ্রাম
কম্বল বিতরণের দিন সকাল সকাল উঠে রওনা দিলাম আমরা। এই দিকটায় যারা শীতবস্ত্র দিতে আসেন, তারা সবাই আশেপাশের রাস্তার ধারেই বিলিয়ে চলে যান, কারণ এতো লোড নিয়ে ভেতরে যাওয়াটা বেশ কষ্টকর। এই কারণে বান্দরবন ও তার আশেপাশের গ্রামের একজন একাধিক কম্বল পেলেও গভীর পাহাড়ে বসবাসকারীরা অসহায়ই থেকে যান। আমরা তাই ঠিক করলাম ভেতরে যাবো। বয়স কম, সুতরাং কষ্ট নামক পক্রিয়ার কথা মাথাতেও আসেনি আমাদের। এছাড়া তৈমু নামে যে এনজিওর সাথে যৌথভাবে কাজ করতে গিয়েছি,
বিস্তারিত»নির্বাণ

মানুষকে বোবা করে তোলার সব প্রক্রিয়া যখন সমাপ্ত, তখন তাদের মাঝে এক ধরনের মিশ্র ক্লান্তি দেখা যাবে। অবয়ব পরিষ্কার নয় বলে তারা ঠিক কতোটা ক্লান্ত, সেটা আমি বুঝে উঠতে পারি না। স্যরি, আমি খালি নিজের কথা বলি। বাকিরাও বুঝে উঠতে পারে না। আমি এবং বাকিরা, আমরা সবাই তাদের মুখের রেখা পড়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কোনো লাভ নাই, শালাদের মুখই নাই, তার আবার মুখের রেখা?
লজ্জা আর ঘৃণা
গত কয়েকদিনে অনেক কিছুই হয়ে গেল। ১৩ তারিখ আমরা পহেলা বসন্ত উদযাপন করলাম। অনেক মজা। হাজার হোক বসন্তের প্রথম দিন। তার পরের দিন আবার ছিলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আরো একটা উৎসব। অনেক মজা!! তার পর আসলো ২১ ফেব্রুয়ারি। আমরা অনেকেই দুনিয়া কাপাইলাম। অনেকে দেখলাম শহীদ মিনারে গিয়ে লাফাইতেছে! ভাল! শহীদদের আত্মাও মনে হয় অনেক শান্তি পাবে এতে। নোয়াখালীতে দেখলাম ফুল দেয়া নিয়ে মারামারিতে একজন মারাও গেছে!
বিস্তারিত»বইমেলায় কেনা ম্যালা ম্যালা বইয়ের খবর!
বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক (i.e. ২০১০) -এর প্রথম বছরে সাড়ম্বরে নামলাম বইশিকারে (বউ নেই তাতে কী, বই তো শিকার করা যায়)! সেই তালে পড়ে এবারে জীবনের সবচেয়ে বেশি বার বইমেলায় গিয়েছি। সুযোগ পেলেই সকালে, দুপুরে বা বিকেলে একবার করে ঢুঁ মেরেছি বাংলা একাডেমির সবুজ ঘাসের মাঠটিতে। ঘুরতে ঘুরতে বিস্তর বইও কেনা হয়ে গেছে। আড্ডাবাজির ফাঁকে ফাঁকে উৎসাহ আর কৌতূহলী করে তুলতে পারলেই বইগুলো সানন্দে আমার পকেটে আসতো,
বিস্তারিত»লাইভ ফ্রম কলেজঃএক্সকারশন টু বইমেলা
অনেকদিন পর ব্লগে!
বহু কাঠখড় পুড়িয়ে আমাদের এইবার এক্সকারশনের ভেন্যু ঠিক করা হল বইমেলা!বরাবরের মত এবারও সিলেটে হওয়ার কথা ছিল!শেষ পর্যন্ত বহু অনুনয় বিনয় করে এবার বইমেলাতে প্লেস ঠিক করা হল!কুমিল্লা থেকে সিলেট যেতে আসতে ৭-৮ ঘন্টা লেগে যায়!তার ওপর খালি চা-বাগানে কী সোন্দর্য খুজে পায় কে জানে!
এর চেয়ে বইমেলাই ভালো!বই কেনার জন্য পকেটমানি থেকে টাকা দেয়া হলো,বই মেলাতে যাওয়ার আগে মিউজিয়াম!আইডিয়াটা বসসসস!!!!
গিফটের প্যাকেটে কার নাম লিখবো ?
( এই লিখাটা আমি গত ২০০৯ এর মে মাসে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু মাগার অভ্র সংক্রান্ত জটিলতার কারনে এবং আইভোরী কোস্টে থাকায় দেয়া সম্ভব হয় নাই।তাই মাত্র ৮/৯ টি মাস অপেক্ষা করে দেশে এসে সেট হয়ে লিখাটা শেষ করলাম।মে মাসে আবার দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও কোনভাবেই আর নিজেকে অপেক্ষায় রাখতে পারলাম না,দিয়ে দিলাম।যা হউক,সি সি বি তে এইটাই আমার প্রথম লিখা((আগের ছবি ব্লগটা বাদ দিলে;লিখা ব্লগ আর কি))।দেশ ও জনগনের কাছে দোয়া প্রার্থী ।
বিস্তারিত»আলোচনা পোস্ট: পাহাড়ে কি ঘটছে এবং কি করা যায়
পাহাড়ে নৃশংস ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই উদ্দেশ্যেই আলোচনা করতে চাই।
কারন নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ খুবই দুর্লভ। বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষ্ঠুরতা যেমন আছে তেমনি শোনা যায় সামরিক বাহিনী কতৃক বিভিন্ন নির্মমতার কথাও। সুতরাং আবেগকে পাশে রেখে এই সমস্যার একটি মানবিক সমাধান প্রয়োজন। কারন ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে আমি মানবতার চেয়ে বড় অন্যকিছুকেই মানতে রাজী নই।
যাই হোক আলোচনা শুরু করছি বদরুদ্দীন উমরের একটি কথা দিয়ে এবং কিছু স্বাধীনতা পরবর্তী ঘটনা দিয়ে
প্রথমত জাতীয়তাবাদ যদিও সমজাতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক তাও কেন দুটোকেই একইসাথে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল তা ঐ সময়ের তাত্বিকরাই বলতে পারবেন।
বিস্তারিত»ফিরিয়ে নাও জলের প্লাবন
সাদা ওড়নাটা উড়ছে একটু ঠান্ডা, একটু গতিময়, কিন্তু মিষ্টি একটা বাতাসে। দিনের বেলা কিন্তু আলো নেই, আকাশ আঁধার। মেঘ জমছে। বাতাসে বুঝি এজন্যই এমন মিষ্টি গন্ধ। বৃষ্টির আগ দিয়ে যেমনটা পাওয়া যায়।
শীত শীত লাগছে কেন? তুষার-রঙা পোষাক কি এর কারণ? অবশ্য এটা অসহ্য ঠান্ডা নয়, অনেকটা মন ভাল করে দেবার মত। মেয়েটার মন ভাল হচ্ছে না। বিষন্ন লাগছে। আকাশের রং টা আসলেই বোধহয় মরা-মরা।
বিস্তারিত»একটি জন্মদিন…এবং কিছু প্রেম কিংবা পাগলামি…
পূর্বকথন: ব্লগে দ্বিতীয় লেখা লিখতে যাচ্ছি।আসলে অনেক দিন থেকেই লেখা শুরুর ইচ্ছা থাকলেও সদস্য হওয়ার জটিলতা,আমার অজ্ঞতা,আলসেমি আর একটু ভীতির কারণে দেরী হয়ে গেল।ব্লগে ঢুকলাম কোনো রকম অনুশীলন ছাড়াই।দর্শক হিসেবে বসে থাকতে থাকতে মনে হলো মাঠে নেমে পড়ি।ব্লগ লেখার ইচ্ছার পেছনের কারণ,আমার মাথা ও মনে ঘুরপাক খাওয়া কিছু কাহিনী ও প্যাচাল বাইরে নিয়ে আসা-তো এসব আনাড়ি দের কে দিয়ে ওপেনিং করা সম্ভব নয় বলে অনেক দিন আগে লেখা একমাত্র সভ্য কবিতা বা গান[অন্যের সামনে প্রকাশযোগ্য]কে ফেসবুক নোটস থেকে কপি পেস্ট করে কোনমতে বাংলায় রূপান্তর করে পোস্ট করে দিলাম।ওপেনিং দেখে কিছুটা আশার সঞ্চার হলো তাই এবার অন্যদের ও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।
বিস্তারিত»