বছর তিন চার আগের বইমেলার কথা। সেবা প্রকাশনীর স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। প্রচন্ড ভীড়, বেশিরভাগই স্কুল কলেজের ছেলেমেয়ে। সামনে এগুতে না পেরে এক কোনায় দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ কানে ভেসে এল এক তরুণীর মন্তব্য – “ভাবতে অবাক লাগে একসময় এই বই গুলো কিভাবে যে পড়েছি! এখন বুঝি এগুলো আসলে কোনো লেখাই না।“ তারপর কয়েকজন ভারতীয় লেখকের প্রশংসা করে তিনি বললেন যে এগুলোই আসল সাহিত্য। তাকিয়ে দেখলাম আমাদের সমবয়সী এক তরুণী তার বান্ধবীর সাথে কথা বলছে।
বিস্তারিত»হাফ ডজন অনুকাব্য (দুইটা বেশি)
হাত নিশপিশ করছিলো লেখার জন্য। কিন্তু গত কিছুদিন ঝড় গেছে মোটামুটি। ক্রিযেটিভ হেড নেই। বেশ কয়েকটা ক্যাম্পেইনের কাজ। অনেক চাপ। আজ থেকে একটু ফ্রী হলাম। তাই এটাকে কামব্যাক পোস্ট বলা যেতে পারে। কয়েকটা গল্প ভেবে রেখেছি। আগামী কিছুদিনে লিখে ফেলব আশা করি। আপাতত অনুকাব্য…আগে দেখেছি অনুকাব্যের সবাই খালি ভুল অর্থ চিন্তা করে তাই এবার বোঝার সুবিধার্থে সঠিক ও নির্ভুল অর্থ সহ 😕 । অনুকাব্যগুলো কিছু নিজের কিছু অন্যের।
বিস্তারিত»একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৪
২৯-১১-০৯
আমার জীবনের সবচাইতে কঠিন দুটি দিন পার করে আমি এখন hmi বেইস ক্যাম্প এ । তবে কেন যেন মনে হচ্ছে আমি এদুদিনের কষ্ট খানিকটা মনে করতে পারলেও তা লিখতে পারবোনা। এ যে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। জীবন আমাকে সামনে কোথায় নিয়ে যাবে তা বলতে পারিনা, তবে এটুকু জানি যে, এই দুদিনের কষ্টটুকু আমার ভোলা চলবে না, কিছুতেই না। এত কিছু পার করে যেখানে আমরা আসলাম তার জন্য অবশ্য আমার এই ৩৫০ পৃষ্টার ডাইরি খুবই ছোট।
একটি ব্যক্তিগত হতাশা থেকে উত্তরণের জন্য সাহায্যের প্রয়োজন
অক্ষরের প্রতি আমার আকর্ষণ অনিবার্য। দেশে থাকতে ঘুম থেকে উঠে দাঁত না মেজে পত্রিকা পড়তাম, নাস্তার সাথে গল্পের বই। রিকশা না পেয়ে বিরক্ত হয়ে হাঁটা ধরতাম দোকানের নাম, দেয়ালের বিজ্ঞাপণ পড়তে পড়তে। অফিসের গাড়ি অথবা বুয়েট বাস থেকে চোখ বুলাতাম “মায়ের দোয়া”, “থামলে ভালো লাগে”, ”মদিনা আবাসিক হোটেল” এর উপর। দুপুরের বিশ্রাম মানে আগে পড়া একটা বই হাতে বিছানায় আধশোয়া হয়ে তেঁতুল খাওয়া, রাতে গল্পের বই পড়তে পড়তে টিভি দেখা।
বিস্তারিত»যেমন হবে বিশ্বকাপ দলঃ ফ্রান্স
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের মিডফিল্ডার রবার্ট পিরেস ছিলেন বৃশ্চিক রাশির জাতক। আর বৃশ্চিকরা নাকি ভালো ফুটবলার হয় না। এটা যে জ্যোতিষীর কথা, তিনি আবার একজন ফুটবল কোচও; রেমন্ড ডমেনেখ। ২০০৪ সালে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মাথায় তাই ফ্রান্স দল থেকে বাদই দিয়ে দিলেন পিরেসকে। খারাপ ফর্ম, ইনজুরি, শৃঙ্খলা ভঙ্গ_এমন কত শত কারণে দল থেকে বাদ পড়েন ফুটবলাররা! কিন্তু রাশি মিলছে না বলে দল থেকে বাদ দেওয়া!
বিস্তারিত»ভালো থাকুন , স্যার
ক্লাস টেনে থাকতে কলেজে ফিজিক্স এর এক স্যার আসলেন রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে। তিনি ক্লাস নিলে পুরা কলেজ থেকে সে আওয়াজ শোনা যাবে এমন অবস্থা। তার একটা নাম হয়ে গেল অমায়িক স্যার। মানে যার কথা বলতে মাইক লাগেনা।
ক্লাস ইলেভেন এ থাকতে আসলেন আরেক স্যার, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে। ইনিও ফিজিক্স এর। তিনি ক্লাস নেয়া শুরুর পর প্রথম স্যার ক্লাসে এসে হেসে বলতে লাগলেন –
একটি জন্মদিন সংক্রান্ত পোস্ট
বিখ্যাত লোকের সংগে কোন কিছু মিলে যাওয়ার অনেক মজা। আমার এক ভাইয়া, চেহারা একদম অনিল কাপুরের মত, অনিল কাপুর তখন আবার বম্বের হিট নায়ক, মাধুরীর সংগে তার হট হট হিট হিট সব ছবি বেরুচ্ছে, আমরা গোগ্রাসে গিলছি। এক দো তিন, চার পাচ ছয় সাত ……… নাম্বার কাউন্টিং এর গানটা দেদারছে বাজছে হোটেল-রেস্তোরায়, মাধূরী পোস্টার দেদারছে সাটা পড়ছে আমাদের মত উঠতি যুবকের রুমের দরজার উলটো দিকে।
বিস্তারিত»নিরর্থকাব্য
সকালে যখন আবছা ময়লাটে নীল পর্দার পেছনে রোদের হাট বসে,
একটা তুমুল সিনেমা শুরু হয় তখন এই ঘরে
তেমন একটা আলো এসে পৌঁছায় না।
নীল নীল আবছা ঘুম জমে থাকে এখানে।
আর আমি পাশ ফিরে শুয়ে উল্টে যাই, পাল্টে যাই একটু, মাত্র এক অথবা দুই ইঞ্চি।
তারপরে জানালায় নিবিড় হয়ে মিশে থাকা
সবুজ পাতার ডাল নড়ে ওঠে, কেঁপে ওঠে এবং আমিও ঘুমের ঘোরে কেঁপে উঠি।
কল স্ক্রিনিং!!
আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা ছিলাম বন্ধুর মতন। না! বন্ধু না, তার চেয়েও বেশি। নিজেদের মাঝে সব কিছু শেয়ার করতাম। ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধুদের সাথে ঝগড়া বা আড্ডা, পছন্দ-অপছন্দ…সব কিছু। এমনকি, একে অন্যের বন্ধুদের নিকনেম পর্যন্ত জানতাম। আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টকর ছিল যখন কোন মুভি দেখে তার গল্প বলত। কারন, ‘ওর’ স্বভাব ছিল এক্কেবারে খুঁটি-নাটি সব শোনানো। হয়ত অনেকেই হাসবেন, তবুও বলি- এমনকি, মুভির গানের অংশে গান গেয়েও শোনাতো!!
বিস্তারিত»টুকিটাকি ছন্দ, হবে কি পছন্দ ?
১.
ও পাড়ার নিতিশ এ
করে দুর্নীতি সে
পুছেনাকো কারো কথা
কারো ভয়-ভীতি সে
কিছুদিন থেমে শুরু
করে যথারীতি সে।
২.
দিলাম তোমায় মন দেহ
করছো তবু সন্দেহ ?
৩.
যার উপদেশে ভেসে গেল এই দেশটা
নাম তার হলো সরকারি উপদেষ্টা
ব্লগরোল ০১
১।
সিসিবিতে আমার সিরিজ আছে দুইটা। পরবাসীর রোজনামচা আর আচার। নতুন প্রোগ্রামের ঠেলায় পড়ে এই দুই সিরিজেরই নতুন কোন পর্ব লেখার ম্যাটেরিয়াল পাচ্ছি না। স্মৃতিচারণ করা যায়, কিন্তু ক্যাডেট কলেজ বিষয়ক স্মৃতি আমার কাছে কেমন যেন ধোঁয়াশা লাগে। পোলাপাইনের সাথে আড্ডায় বসলে মনের গভীর থেকে সেইগুলা উগলে আসে, জাবর কাটি। আড্ডা শেষে আবার ধোঁয়া।
নতুন একটা সিরিজ শুরু করুম ভাবতেছি। এইটা তার প্রথম কিস্তি।
বিস্তারিত»গুরুরঙ্গ ০১
আমরা ক্লাস সেভেনে যখন আসলাম তখন একজন স্যারকে দেখতাম ডাইনিং এর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে। পরে জানলাম উনি মেস ওআইসি। আরও জানলাম আমাদের ভাসানী হাউসেরই এক ব্যাচমেটের দূরসম্পর্কের নানা। ছোটখাট একজন লোক। খুব আন্তরিকতার সাথে বায়োলজী পড়াতেন। শান্তশিষ্ট ভদ্রলোক হঠাত্ একদিন ক্ষেপে উঠলেন যখন ডাইনিং এর এককোনা থেকে কেউ পোকা বলে চেচিয়ে উঠল। একটু পর পর একেক জায়গা থেকে পোকা শব্দটি ভেসে আসছে আর স্যার ক্রমাগত ক্ষেপে যাচ্ছেন।
বিস্তারিত»গল্প : বৃত্ত
একবছর দুইমাস সাতদিন আগে রফিক শ্যামলী সিনেমা হলের সামনের ফুটপাথে দাড়িয়ে সিনেমার কুৎসিৎ পোস্টারটি পড়ার চেষ্টা করেছিল আর পোস্টারে প্রদর্শিত বিশাল স্তনের একস্ট্রার জন্যে তার পাকস্থলীতে জমা হয়েছিল ঘৃণার পর্বতস্তুপ। তখন দুপুরের সূর্যটা হঠাৎই অসহ্য হয়ে ওঠায় রফিক কাছের একটা টং এর সামনে মেলে দেয়া তেলচিটচিটে কাপড়ের আড়ালে নিজেকে গুটিয়ে ফেলেছিল আর খেতে চেয়েছিল একগ্লাস ঠান্ডা পানি। পকেট হাতড়িয়ে সে একটাকার কয়েন খুজে পায় নি সেদিন এবং ঐ দোকানের চা টাও বিস্বাদ ঠেকেছিল কাঁচা পাত্তির কারনে,
বিস্তারিত»।। দুই রাণী।।
[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ “দলীয় অন্ধ সমর্থন রাজনৈতিক সুস্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর”। উপদেশটি দল-মত নির্বিশেষে সকল সুনাগরিকের জন্যে যদিও সমানভাবে প্রযোজ্য, তথাপি নিজের জান-মালের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে বিএনপি বা আওয়ামীলীগ নেতৃত্বের প্রতি অন্ধ, এমন পাঠকদেরকে ছড়াটি না পড়ার জন্যে সবিনয় অনুরোধ করা যাচ্ছে]
একদেশে দুই রাণী, নেই কোনো রাজা।
প্রজাকূল রাতদিন হচ্ছে যে ভাজা-
বালি ভাজা মুড়ি আর ভাজা চিড়ে, খই
তেলে ভাজা মাছ যেমন- পুটি আর কৈ।