
তিন গোয়েন্দা যখন পড়া শুরু করলাম তখন আমি হয়ত ফোরে পড়ি।সারাদিন মাথা গুঁজে রহস্যের সমাধান পড়তাম আর কিশোর পাশাকে হিরো বানিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভাসতাম।তিন গোয়েন্দা পড়ার আগে আমি তেমন একটা গল্পের বই পড়তাম না।ছোটবেলায় আমার সমসাময়িক সবাই যখন সারাদিন কার্টুন দেখে কিংবা কমিক পড়ে ফিক ফিক করে হাসে,আমি সেই সময়ে ব্যস্ত খেলাধুলা নিয়ে।অনেক ছোট থেকেই আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা মারাত্মক।আমি আর আমার চেয়ে ৪ বছরের বড় চাচাতো ভাইটি বাড়ির উঠানকে মাঠ বানিয়ে প্রতিদিন সবাইকে যন্ত্রনা দিতাম।আরেকটু বড় হলে আমরা উঠানের পাশাপাশি বড় মাঠেও খেলা শুরু করলাম।আমার খেলার সাথী ছিল আমার বড় ভাইয়ের বন্ধুরা,আমি আমার বয়সী বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলা শুরু যখন আমার ভাইয়ের বন্ধুরা ক্রিকেট ছেড়ে ফুচকা খাওয়া কিংবা চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার মাঝেই বেশি মজা খুজে পেল।আসলে আমার বয়সি ছেলেরা তখন বরফ-পানি বিংবা ছোয়াছোয়ি খেলা থেকে অবসর নিয়ে মাত্র ক্রিকেট ময়দানে নাম লিখিয়েছে।অবশ্য তাদের সাথে বেশিদিন খেলার সৌভাগ্য আমার হয়নি।ক্লাস ফোরে থাকতে আমি ঢাকায় চলে আসি আর বিদায় জানিয়ে আসি বাল্যবন্ধুদের।
জাগ্রত যখন
স্বাপ্নিক আমি এক
অস্থির সময়স্রোতে বিদ্যমান
স্বপ্নযাত্রার অংশ কোনো।
আশা আর আশংকার সন্ধিস্থলে
ঘুরপাক খায় যাদের ভাবনা,
তেমন কোনো শ্রমিক মৌমাছির চেহারায়
অদৃশ্য জালে বুনা সুখানুভবের
অপেক্ষা আর অস্থিরতায়
মার্সিডিস, বিএমডব্লিও কিংবা পোর্শে হাঁকানো
পঙ্গু একদল দীনহীনের কোরাসের মত।
একজন সরোস ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ।
বারাক ওবামার নাম আমরা সবাই জানি কিন্তু তার সৃস্টিকর্তাদের একজন জর্জ সরোসের নাম আমরা অনেকেই জানিনা। তিনি একজন বিনিয়োগকারী, বিনিয়োগ গবেষক, অর্থনীতিবিদ, জনহিতৈষী। তার জন্ম ১৯৩০ সালে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে, তিনি তার শৈশবে নাজি বাহিনীর হাতে আটক হন এবং পরবর্তি সময়ে সভিয়েত কমিনিজ্যমের দ্বারা অত্যাচারিত হন। তিনি একজন ইহুদী। এবং অন্যান্য আট দশটা ইহুদীদের মত তিনিও ফ্যাসিস্ট ও কমিনিজ্যম বিরোধি। তিনি উদারনৈতিকবাদে বিশ্বাসী।
এবার আসি আসল কথায় ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার জন্য ২ জন দায়ী ব্যাক্তির একজন তিনি।
বিস্তারিত»আমি তো এখন এক্স-ক্যাডেট
কলেজ থেকে বিদায় নিয়েছি তা ও ১ বছরের বেশি হয়ে গেল। যতটা শূন্যতার কথা ভেবেছিলাম কলেজ থেকে আসার সময়,আসলে ততটা বোধ করিনি বাস্তবে;সে শুধু বেশির ভাগ পোলাপানের ঢাকা কেন্দ্রিকতা আর ফেসবুকের কারনে। এইচ এস সি র পর আসলে সবার ই মোটামুটি দৌড়ের উপর থাকতে হয়। এই ৪০০ মিটারের গতিতে ৩০০০ মিটার দেয়ার সময় পুরনো স্মৃতি গুলো যে কষ্ট,হতাশা বা দীর্ঘঃশ্বাস জাগায় নি তা নয়। বিভিন্ন কাগজপত্র (সারটিফিকেট) আনতে ২ বার কলেজ এ যাওয়া লাগলে ও দুই বার ই ক্যাডেট দের ভ্যাকেশন ছিল।
বিস্তারিত»দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘোরা হয়নি হয়নি করেও একদম কম জায়গায় যাইনি। সেদিন বসে বসে চিন্তা করছিলাম কয়টা জেলা আমার দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ভ্রমণটা ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ২.৫ ঘন্টার দূরত্বে মানিকগঞ্জের ঝিটাকা নামক থানায়। ঝিটাকায় ফারুকের বাসায় ঘুরতে যেয়ে ‘ফ্রি’ হিসেবে পদ্মা দর্শনটা বেশ উপভোগ্যই ছিল বটে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল চরের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ম্যাচটা!
মানিকগঞ্জে যাওয়ার প্রায় মাস ছয়েক আগে ঘুরে এসেছিলাম পাহাড়ের জেলা বান্দরবান থেকে।
বিস্তারিত»যাচ্ছে জীবন – ২
কয়েকদিন ধরে কিছুই ভালো লাগছে না। কাজে প্রচণ্ড চাপ। সেইদিন আয়নায় দেখে মনে হল আমার যা চুল কাঁচা ছিল এইখানে কাজ করে বেশীরভাগই পেকে গেলো। নতুন কোথাও ভালো কোন কাজ খোঁজা দরকার। কিন্তু সারা দুনিয়া জুড়ে চাকুরীর বাজারে মন্দা চলছে, টোরি পার্টি ক্ষমতায় এসে যে কাটছাঁট শুরু করলো তার রেশ যে কোথায় যেয়ে ঠেকে খোদা মালুম। আগে কাজের জন্য দরখাস্ত করলে দুঃখিত বলে চিঠি আসত,
বিস্তারিত»বাবা
আমার মেয়েটা একটা রিতীমতো গল্পখোড়। প্রায়ই মায়েদের দেখি অনুযোগ করতে তাদের বাচ্চাদের টেলিভিশন আসক্তি নিয়ে। আমার তো মাঝে মাঝে বিরক্তিই লাগে যে টেলিভিশন নিয়ে মারযুকাহ যদি ব্যাস্ত থাকতো, তাইলে তো আমি অন্তত সংসারের কাজ, পড়াশুনা ঠিকঠাক মত করতে পারতাম। নাহ, তাকে গল্প শোনাতে হবে। যাই হোক অনেক অনেক গল্পের মধ্যে তার ভীষন পছন্দ আমার স্বরচিত একটা গল্প। গল্পটা অনেকটা এমন,
” আমার কাছে আসার আগে তুমি আল্লাহ’র কাছে ছিলে,
বুকের ভেতর জল পুকুরে জমছে মান………পুড়বি তুই!

বুকের ভেতর জল পুকুরে জমছে মান
পুড়বি তুই
রক্ত নদের তপ্ত স্রোতে হঠাৎ ঢেউ
যখন ছুঁই
উদাস বাতাস কাঁপন ধরায় ওই দূরের
ঝাউ শাখায়
জোৎস্না সিঁড়ি ভাঙলো পরীর নিরর্গল
শ্বেত পাখায়
লম্ব আঁকার পদ্ধতি এবং…
লম্ব আঁকার পদ্ধতি তো সবাইই জানেন। বা অন্তত এক সময় জানতেন। অনেকটা বাধ্য হয়েই। আজকে আমার লেখা সেই লম্ব নিয়েই। ব্যাপারটা কত ঝামেলার ছিল মনে আছে? আমি এখন আবার সেই পদ্ধতি বর্ণনায় যাব না। শুধু ছবিটা দিয়ে দিচ্ছি। এতেই আশা করি মনে হয়ে যাবে-
তা আমি এত কিছু বাদ দিয়ে সিসিবিতে হঠাৎ জ্যামিতির ক্লাস নেয়া শুরু করলাম কেন? কারণ আমি লম্ব আঁকার আরও একটি পদ্ধতি সবাইকে জানাতে চাই।
বিস্তারিত»প্রার্থনা
যদি ক্ষয়ে যাওয়া ছাদ হয় আকাশ
বৃষ্টিরা নিরাপদে সেখানে নেয় আবাস
ধীরে ধীরে তবে মেঝের ধুলো
হলে হোক প্রজাপতি ঘাস।
হুট করে যদি সব ভাঙ্গা চেয়ার
ঘুণে খাওয়া নড়বড়ে টেবিলের কিনার
খোলা চিঠি
তোমার খুব অবাক লাগবে
আমার কথাগুলো শুনে
কিন্তু ঠিক অস্বীকার করতে পারবে না।
তুমি খুব ভীত হও
কেন তোমার মুখের কথা
এতো বেশি বেশি শুনতে চাই
পাছে সব কথা এক দিনে ই শেষ হয়ে যায়।
আমি আবারও কিছু বলিতে পারিলাম না-৮
১।
ক। আমার স্ত্রী-র সাথে অকারণেই একচোট হয়ে গেল। কারণটা তেমন জটিল কিছু নয়…আমার ছেলেকে আমি লরি-র কয়েকটা ছবি মেইল করে পাঠিয়েছিলাম সেটা নিয়েই…
-তুমি কেন ওই ছবিগুলি পাঠালে?
-কেন, তাতে কি এমন সমস্যা হয়েছে?
-দিন নেই…রাত নেই…সব সময়ে সেই ছবিগুলি দেখে…আর আমাকে বলে আরও ছবি ডাউনলোড করে দিতে!
-তো তুমি আরও কয়েকটা ছবি ডাউনলোড করে দিলেই তো পারো!
এই বছর যে পোলাটা বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় ফার্স্ট হইসে সে আমার কলেজের ক্যাডেট জুনায়েদ
একটা ব্যপার খুব লক্ষ্য করে দেখেছি ক্যাডেটদের কোন সাফল্য দেখলে খুব ভাল লাগে।যে কোন কলেজের হোক,সিনিয়র জুনিয়র যাই হোক না কেন…সবার কাছে গল্প করে বলি,জানিস,অমুক ক্যাডেট এই করসে,সেই করসে।এটা অন্য রকম একটা ভালো লাগা।একদম অন্তর থেকে আনন্দ হয় ক্যাডেটদের সাফল্যে।
কিছুক্ষণ আগে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট শুনলাম।আমাদের জুনায়েদ ফার্স্ট!কলেজ থেকেই আমরা গল্প করতাম,জুনায়েদ তো বুয়েটে ফার্স্ট হবে নিশ্চিত।এর আগে আমাদের কলেজেরই জুবায়ের ভাই,জুনায়েদের বড় ভাই বুয়েটে ফার্স্ট হয়েছিল।সে ধারাবাহিকতায় জুনায়েদ এমন একটা পজিশনে পৌছেছিল যেমনেই হোক ওরও তা হতে হবে।কলেজেও নাম্বার পাওয়ার রেকর্ড ভেঙ্গে কোচিং এও সেরকম ছিল।ক্যাডেট ফ্রেন্ড সার্কেলের মাঝে যখন কথা হতো জুনায়েদের ব্যাপারটা বলা হতো…আমাদের কলেজের জুনায়েদ……!
বর্ষার সন্ধ্যা
এই বর্ষার সন্ধ্যায় আমার মনে
খুশি জেগেছে
ঘন ঘন গর্জন বৃষ্টির বর্ষন
গাঢ় মেঘ আকাশে।
রিমঝিম স্বরে বারি ঝরে পড়ে
অমিত গোধূলী ঢাকা সন্ধ্যে
ছল ছল শব্দে ছুটে বারিধারা
বাঁশির সুরের ছন্দে।
নীড় হতে আজ বের হয়নি পাখি
সিক্ত জলে কুন্তল
ভিজা পাতার নিচে, মুদে দু’খানি আঁখি
বাঞ্চা লাভে চঞ্চল।
উৎপল পলে পলে,
বিস্তারিত»১৯৭১ কটু দৃষ্টিকোণ………………কিছু ব্যক্তিগত উত্তর
১৯৭১- ভিন্ন দৃষ্টিকোণ হতে ………………… লেখাটি অনেক পাঠক কে বিব্রত করেছে। আমি লিখেছিলাম তাদের অভিযোগের কিছু গঠণমূলক সমালোচনা এখানে হতে পারে এই আশায়। যেহুতু লেখাটি আমার এবং পাকিস্তানি সাংবাদিকদের লেখাগুলো আমার পড়া তাই এর জবাব দেওয়ার দায়িত্ব আমার উপরই বর্তায়। তাই ১৯৭১ কটু দৃষ্টিকোণ………………কিছু ব্যক্তিগত উত্তর শিরোণামে এর জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
প্রথম অভিযোগঃ *৫০০০ বিহাড়ি ও অবাঙ্গালী (শরনার্থী) চট্টগ্রাম বন্দর হতে করাচি বন্দরে উপস্থিত হয়।
বিস্তারিত»