এই বিশ্বকাপে ব্রাজিল এর নম্বর টেন নেইমার এর ফলস ডাইভ বা অতি ডাইভের এর অতি প্রবণতা আজকাল অনেকেরই বিরক্তির কারণ হচ্ছে (এমনকি বেশির ভাগ সময় সামান্য ট্যাকেলও তিনি নিজের ভারসাম্যও রক্ষা করতে পারছেন না)। দলের ম্যানেজমেন্ট থেকেও এ ব্যাপারে তেমন কোন নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেনা। এবং নেইমার ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার ইংগিত দিলেও অতি ডাইভ দেয়াটা মাঝেই মাঝেই প্রয়োগ করছেন। অনেক সমালোচনাও হচ্ছে (আমি নিজেও বিরক্ত,
বিস্তারিত»শিথিল ভাবনা
মুঠোভরা সর্ষেদানা মুঠোয় ধরে রাখা যায় না।
সুরসুর করে একসময় সব পড়ে যায়,
মুঠো খালি হয়ে যায়।
কবির ভাবনাগুলোও যেন ঠিক তেমনি—
কবি যতই মাথায় ভরে রাখেন না কেন,
সুরসুর করে একসময় ওরা সবাই
কোথায় যেন হারিয়ে যায়! আবার-
শূন্য মাথায় নতুন ভাবনা এসে অকাতরে জড়ো হয়।
ঘাস বিচালি যা কিছুই মুঠোয় আঁকড়ানো হোক না কেন,
বিস্তারিত»প্রতিশোধের অনল জ্বালায়
প্রতিশোধের অনল জ্বালায়
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
প্রতিশোধের অনল জ্বালায়
তপ্ত যখন তোমার হিয়া,
কান্ডজ্ঞান হারানো কি
খুব অন্যায় দরদিয়া??
প্রথম ব্যাথার কেন্দ্র মাঝে
কষ্ট যখন ঘূর্নি পালা,
ভালবাসার বিপরীতে
আসতে পারে একটু ঘৃনা।।
মিথ্যে ভরা প্রতিজ্ঞাতে
তুমি ছিলে এক প্রথমা,
ছদ্মবেশীর আচ্ছাদনে
জনম ভরা পশমী ব্যাথা।
বাপ্পী খান
বিস্তারিত»এক পেয়ালা ঘুম
এক পেয়ালা ঘুম
সমূখটা জুড়ে আছে
জাতীয় ফলের পাতা
বামদিকে সবজী বাগান
ঝিড়িঝিড়ি বৃষ্টি
সুনসান ভোর
দু:খিনী মোর নিদ্রা
অনিদ্রার যুদ্ধে মগ্ন
আমার প্রয়োজন
এক পেয়ালা ঘুম।
এক পেয়ালা ঘুম।
বাপ্পী খান
বিস্তারিত»আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম !!!
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম !!!
হাতের ব্যথা এখনও অনুভব করি সগৌরবে ।
REVERSE HOUR – এ এতোগুলা জুনিয়র যদি এত্ত গুলো push up দেওয়ায়, তবে কই যাবো? দুর্বল মানুষ এমনিতেই ।
হে কক্ষ নং ৭ অফ ৪৫তম ব্যাচ অ্যান্ড Monir Hasan ….. have I given you such টাইপ punishment !!!!
কিছু কষ্ট খুবই মধুর !!! খুবই পেতে ইচ্ছে করে ।।
বিস্তারিত»প্রথম প্রেম
প্রথম প্রেম
আমার প্রেমিকার সাথে আমার কথা হত ঠিক রাত বারোটায়,
শুরুতেই বলতাম, ইশ! কি কষ্ট সারাদিন দেখিনি।
কিভাবে পারে লোকে, এতো দূরে থাকতে!
একই পৃথিবীর নিচে তবু চলে অবলীলায় মিথ্যে শব্দচয়ন,
শুরু হত প্রেমালাপ, লোকের ভাষায় ছাইপাশ রসালাপ,
বিন্দু থেকে সিন্ধু, চলে যেত সময়। ভালোবাসা সস্তা খেলা
সেখান থেকেই হল জানা।
বিস্তারিত»The Land of the Thunder Dragon – পুণ্য ভূমিতে ভ্রমন কাহিনী

ভ্রমন সময়কাল অক্টোবর ২০১৬
পরিচিত কয়েকজনের ভূটান ভ্রমনের ছবি দেখে আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম যে এবার ছেলেমেয়েদের স্কুলের পূজার ছুটির সময় ভূটানে যাবো। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলাম। গতবছর এক আত্মীয় ভূটান যেতে চাইলো কিন্তু বিমানের টিকেট না পাবার কারনে তারা শেষ পর্যন্ত যেতে পারে নি। এজেন্টের বক্তব্য – আগামী একমাস পর্যন্ত সব টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে। সেটা মাথায় রেখেই যাওয়ার প্রায় আড়াই মাস আগে ড্রুক এয়ারলাইন্সের এজেন্ট এর সাথে যোগাযোগ করলাম।
বিস্তারিত»লক্ষ দার্শনিক
ফেসবুকের কল্যাণে আজ আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ দার্শনিক ! আমি না হয় দর্শক হয়ে এভাবেই দার্শনিকদের কাছ থেকে ক-খ শিখলাম ।
প্রবাদবিশ্বকোষকে ছাড়িয়ে যাওয়া আমার গুরুবিশেষ এহসান ভাই অশ্রুতপূর্ব একটি বিশেষ উক্তি দিয়েছিলেন যা আমার মনে মহামন্ত্র হয়ে আছে । সেটা না বললে সামনের এত কথা পাঠকের মাথার বহু ওপর দিয়ে উড়োজাহাজ হয়ে উড়ে যাবে ।
কথাটা মনের বুকপকেটে রেখে দিয়েন –
বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন
কোন পীর আউলিয়ার নামে নয়,
যেমন জালালাবাদ, জামালপুর।
কোন সাহসী নারীর নামে নয়,
যেমন চৌধুরাণী বা ভবানীপুর।
তবু করি সেই অখ্যাত নাম স্মরণ,
বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন!
বুকে ধরা ছিলো চারটে প্লাটফর্ম।
স্লিপার বসানো, পাথর বিছানো
সমান্তরালে আঁকাবাকা রেলপথে
দিনে রাতে ট্রেনগুলো ছয়দিকে
আনমনে আনাগোনা করতো দ্রুত।
বসত ভিটেয় কাঁপুনি লাগিয়ে যেত।
যমুনার ভাঙ্গনে তিস্তামুখ ঘাট
স্থান বদলাতো প্রায় হঠাৎ হঠাৎ।
একদিন এমনই হবে
একদিন সন্ধ্যা নামার আগেই,
আকাশের মেঘ ফুঁড়ে ঝিলমিল তারারা বেরিয়ে আসবে,
শুক্লা তিথির চাঁদের সাথে ওরা প্রতিযোগিতায় নামবে-
কে তোমার নজরে আগে আসতে পারে!
তোমার দৃষ্টি থাকবে দূরান্তের ক্ষুদ্রতম নক্ষত্রটির ওপর,
দেখবে, সেও দূর থেকে বিচ্ছুরিত আলোর রশ্মি ছড়িয়ে
তোমাকেই ডাকছে। সেদিন তুমি বুঝে যাবে-
সত্যকে যারা বুকে বেঁধে রাখে, তাদের চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা
সবাই কুর্ণিশ করে পথ দেখায়।
সহজ মানুষঃ এক
ইতা অনেখ দিন আগের খতা,
আমরা যে সময় হুরু আছলাম ই সময় ফত্যেখ দিন ইসকুলে যাইতাম খেনে তোমরা জানো নি?
ইসকুলর উটানর গাছ থাকি বরই আর ছফরি ছুরি খরি খাওয়ার লাগি। (ফরা-লেখার লাগি নায়)
আর এখন যেতা হুরুতায় ফত্যেখ দিন ইসকুলে যায়, তারা খেনে যায় ই বিষয়ে জানো নি?
আমরার সিলটি সুন্দর ফুরি দেকিয়া আড্ডা দেওয়ার লাগি আর গাছর ছিফাত,
কুকুর
এক.
“ঘেউউউউ”।
গাজী সাহেবের ঘুমটা ভেঙে গেল। মাথার কাছে টেবিলে রাখা ঘড়িটার দিকে চাইলেন তিনি। রাত তিনটা বাজে। চারদিক সুনসান।
বাইরে থেকে আবার আওয়াজ ভেসে এলো, “ঘেউউউউ”। এবং এরপর ক্রমাগত ঘেউঘেউ চলতেই থাকলো।
বিরক্ত হয়ে গাজী সাহেব বারান্দায় বেরিয়ে এলেন। এলাকার নেড়ী কুত্তাটা তাঁর বারান্দার সামনে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত ঘেউঘেউ করেই চলেছে।
তিনি বেরিয়ে আসতেই অবশ্য কুকুরটা অন্যদিকে দৌড় দিল। ভয় পেয়েছে হয়তো।
ছায়া কিংবা ছবিঃ চার
একটা ছেলে দেশ থেকে অনেক দূরে, খানিকটা অভিমান, খানিকটা অহং আর খানিকটা ভাগ্য মিলিয়ে। মাঝে মাঝে ভাত খেতে বসলে দেশের খাবারের সেই স্বাদের কথা মনে পড়ে যায়। এখনো সে দেশ নিয়ে ভাবে, দেশের প্রকৃতির ছবি, দেশের মানুষের হাসিমুখ কিংবা দেশের জয় দেখলে পুলকিত হয়।
মনে মনে কে যেন বলে, “বুঝি, এত পচা একটা দেশ, তবু কেন জানি তাকে না ভালবেসে থাকা যায় না।”
একটা মেয়ে জানে আরেকটা মানুষ বড্ড খামখেয়ালিতে পূর্ণ;
বিস্তারিত»ছায়া কিংবা ছবিঃ এক
মানুষটা আকাশের পানে চেয়ে থাকে। চকচকে শহরের ঝকঝকে আলোর ফাঁকে মেঘের আড়ালে আছে ঠান্ডা গোল চাঁদ। বেরিয়ে আসে, আবার ঢাকা পড়ে। জীবনে একবার প্রকাশিত হওয়া, আবার লুকিয়ে থাকার যুগপৎ চেষ্টা – লোকটি মনে মনে হাসে – হাসতে হাসতে চোখে জলের ধারা নামে। কেন কে জানে?
অনেক দূরে আরেকজন চেয়ে ছিল আরও বেশি তন্ময় হয়ে চাঁদের পানে। জোছনা গলে গলে নেমে আসছে যেন নদীর জল হয়ে।
বিস্তারিত»তেমন কোন অভিযোগ নেই
তেমন কোন অভিযোগ নেই।
ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী।
না তেমন কোন অভিযোগ নেই আর
স্বপ্নের বিলাস ডুবে গেছে ক্ষয়িষ্ণু চাঁদ
অমাবশ্যার রাতে , উঠেনি সূর্য প্রাতে
কেটেছে দিন ব্রতে বিস্মৃত শত আহ্লাদ।
নেই কোথাও কোন তল্লাটে খোঁজ তার
অলস অবেহলা মুছে গেছে পায়ের ছাপ
জোয়ার জাগেনি জলে শ্রোত অণলে
প্রসাদ প্রণমিল সত্যরে শত অভিশাপ।
তবু আকাশ ভরিল তারকারা আলো
হিংসা উৎকট আরো নিকষিত কালো,