ফেরারী (২)

পর্ব ১

 

ফ্রাঙ্কফুর্ট,জার্মানী

গত চারটা দিন জিকোর উপর দিয়ে অনেক ধকল গিয়েছে। মন্ট্রিলে ঐ কাহিনীর পর বিএসএস ওর পিছনে লাগবেই এটা ধরে নিয়ে এগিয়েছে ও।প্রথমে মন্ট্রিল থেকে নিজের নামে ইস্যু করে অটোয়ার ট্রেন টিকেট।কিন্তু ট্রেনে না গিয়ে রেন্টে কার এ বেনামে ভাড়া করে একটা টয়োটা,ড্রাইভ করে নিজেই চলে আসে অটোয়াতে।সেখান থেকে টিকেট কাটে নিউইয়র্কের।অবশ্যই নিজের নামে।কিন্তু এখানেও ও বদলে ফেলে নিজের গন্তব্য।

বিস্তারিত»

ইহাই কি ছাত্র রাজনীতি ?

খুব বেশিদিন আগের ঘটনা নয় । তখন আমাদের ৪র্থ সেমিস্টার ফাইনাল চলছে । সেমিস্টার ফাইনাল এর ৪র্থ পরীক্ষা শেষ করে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে বিকেলে একটি দোকানে নাস্তা করতে গিয়েছি ।প্রচণ্ড গরম । আমরা কয়েকজন মিলে একটা বড় টেবিলে বসেছি । আমরা যেখানে বসেছি সেখানে ফ্যান আছে । ওই বড় টেবিলে আরও ৩-৪ টি চেয়ার ফাঁকা আছে । কিন্তু ওইখানে কোন ফ্যান নাই । তো আমরা কয়েকজন মিলে নাস্তা শুরু করে দিয়েছি ।

বিস্তারিত»

মানুষ

“তারা এসে পড়েছে!”
কথাটি শুনে এখন আর আগের মতন ঘাবড়ে যায় না সে।
ভয়ে তার বুক কেঁপে ওঠে না,
কিম্বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে কুকড়েও যায়না আজকাল।
আসলে সে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।
শত হলেও মানুষ তো! অভ্যেসেরই দাস।

হ্যা, সে মানুষ।
হঠাত করে মনে পড়ে যায় তার,
সে মানুষ।
সৃষ্টিকর্তার নিজ হাতে গড়া রক্তমাংসের
“মানুষ”।

বিস্তারিত»

মহাবীর W

জীবনে প্রথম বারের মত কোন গল্প পোস্ট করলাম। দয়া করে ভুল গুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন…………………………………………

মহাবীর W

১।    চোখ মেলতেই  একটা আবদ্ধ কক্ষ দেখতে পেলাম। বুঝলাম না আমি কোথায়। বোঝার সময় ও পেলাম না। নিচে থেকে আমাকে ঠেলে ওপর দিকে পাঠানো হচ্ছে। হঠাৎ করেই পাশে নিজের মত একজনকে দেখে নিজের অজান্তেই হাতটা বাড়িয়ে দিলাম-

–      হাই আমি রবিন।

বিস্তারিত»

হাতি ও পিঁপড়া কৌতুক সমগ্র

এক্সক্যাডেট ফোরামে শরীফ ভাই এর দেয়া হাতি পিঁপড়া জোকস দেয়ার পর অনেক গুলো কমেন্টে আরো কিছু জোকস উঠে এল। সব গুলোর একটা কালেকশান করে ফেললাম। যদিও অধিকাংশ অনেকের ই জানা। তবুও নতুন ফ্লেভারে পুরাতন জোকস

হাতি আর পিপড়া প্রেম কইরা ধরা খাইছে।
পিপড়ার মা : তোর এত বড় সাহস তুই আমার
মেয়ে হইয়া হাতির লগে প্রেম করোস? আজ
থেকে হাতির সাথে তোর যোগাযোগ বন্ধ
পিঁপড়া: (কাঁদো কাঁদো কন্ঠে) তা হয়না মা আমার
পেটে হাতির বাচ্চা.

বিস্তারিত»

বৃষ্টিবিলাস

আকাশজুড়ে মেঘের সভা, সূর্য মেঘে ঢাকা
চিন্তা ছিল, ভাবনা ছিল, মনটা বেঁধে রাখা।
রসায়নে মন বসে না, বইয়ের পাতায় চোখ,
জানলা খোলা, ভেজা হাওয়া জানায় অভিযোগ।
এলোমেলো মাতাল হাওয়ায় উড়ুউড়ু চুল,
সমীকরণ লিখতে গিয়ে সাজাই শুধু ভুল।
চোখ চলে যায় মাঠ পেরিয়ে মেঘবালিকার সাথে,
বই খাতা সব রইল পড়ে, বৃষ্টি আমায় ডাকে।
বড় বড় ফোঁটায় নামে কালো মেঘের ঢল
ভিজছি আমি,

বিস্তারিত»

একটি ছারপোকার আত্মকাহিনী

এই ছারপোকা কলোনির সবচেয়ে দুঃখী মেয়ে আমি। অথচ একসময় কি সুখময় ছিল আমার জীবন!ছোটবেলা থেকেই আমি একটু দস্যি টাইপের ছিলাম। দিনরাত সঙ্গী সাথিদের নিয়ে বাঁদরামি করে বেড়াতাম আমি। আমাদের কলোনির পাশে যে মনুষ্য দৈত্যের বাস সে ছিল নিতান্ত নিরীহ ও অলস প্রকৃতির। সে আমাদের তেমন একটা ঘাটাতো না। রাতের বেলায় দলবেঁধে রক্ত খেতে বেড়াতাম আমরা। কখনো পায়ের আঙ্গুল, কখনো পায়ের পাতা সব জায়গা চষে বেড়াতাম আমরা।

বিস্তারিত»

ফেরারী

:gulli2:
ভূমিকাঃ

জিকো বসে আছে একটা কফিশপে।রিকার্ডো কে একটা পাবলিক ফোন বুথ থেকে ফোন দিয়েছে কিছুক্ষন আগে।ওর এতক্ষনে চলে আসার কথা।জিকো আছে কানাডার মন্ট্রিলে। বনসিকিউর মার্কেট এরিয়া নামে একটা জনবহুল এলাকা।গা ঢাকা দিতে এরকম জনবহুল এলাকাই অনেক ভাল।হাজার লোকের ভিড়ে  ছদ্মবেশ নিয়ে মিশে যাওয়া যায় সহজে।এলাকাটিতে বাড়ি ঘরগুলো পুরোনো আমলের দূর্গের মত করে বানানো।রাস্তা ঘাটও তাই।সবকিছুতেই পুরাতন ঐতিহ্যের ছাপ।কিন্তু এই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য আসেনি ও।রিকার্ডোকে ওর দরকার।দরকার একটা সেফ হাউজের।পুরোপুরি আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতে হবে ওকে।

বিস্তারিত»

বরাবর,অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা।

জীবনে যে কতবার লিখছি এই কথাটা তা গুনে শেষ হবে না। তো যাদের কাছে  এতগুলা চিঠি লিখলাম তাদের নিয়ে লিখতে বসছি আজ। আমার জীবন কালে আমি সাড়ে তিন জন  প্রিন্সিপাল পাইছিলাম।

এক.)  মাহবুবুর রহমান ফারুক স্যারকে পাইলাম গিয়া সেভেনে। তখন ক্লাশ এইটের ঠেলাতেই জানডা আলজ্বিভ ধরে ঝুলত, কখন জানি বাইর হইয়া যায় অবস্থা। প্রিন্সিপাল তো ভিন গ্রহের কথা। তখন মনে করতাম হাউস মাস্টারই সবকিছু কলেজের।

বিস্তারিত»

ডেইলি প্যাসেঞ্জার -পর্ব ১

ঢাকা শহরের সব রুটের বাসে চলাফেরার দুর্লভ অভিজ্ঞতা অর্জন করসি গত কয়েক মাসে  ~x(  । আবুল নামক কোম্পানির আবুলীয় কর্মকাণ্ডে অগত্যা এই সময়ে অসময়ে বাসযাত্রা। আমি সবসময় ই একটু নিরাপদ দূরত্বে থেকে ক্যাচালের মজাক নেই  ;))  । যাই হোক ,এই বাস যাত্রার সুবাদে অনেকসময় অনেক কাহিনী ঘটে যা শেয়ার না করে  পারলাম না।

কয়েকদিন আগে উত্তরা থেকে মতিঝিলের বি আর টিসির বাসে উঠসি।

বিস্তারিত»

আমার কিছু সম্পদ এখনো তোমার কাছে পরে আছে

আমার কিছু সম্পদ এখনো তোমার কাছে পরে আছে

—– ডঃ রমিত আজাদ

আমার দেয়া উপহারগুলো তুমি গুনে গুনে ফিরিয়ে দিলে,
আমার একটি নিদর্শনও তোমার কাছে রাখতে চাওনা তাই।
তুমি কি সবকিছু ফিরিয়ে দিতে পেরেছ?
এতকিছুর পরেও তো আমার আরও কিছু সম্পদ তোমার কাছে পরে আছে।
তোমার কি মনে পড়ে বোটানিকাল গার্ডেনের সেই নরম-উষ্ণ রোদের দিনগুলি,

বিস্তারিত»

রং বদল – ২

হলে ফিরে রুমে আসার পর দেখলো রাবেয়া কান্না ভেজা চোখে ওর বিছানার উপর বসে আছে। অজানা আশংকায় কাকনের বুকটা কেঁপে উঠেছিল। তারপরই সে রাবেয়ার কাছ থেকে সেই ভয়ংকর সংবাদটা শুনেছিল.
-চাচীর হার্ট এ্যটাক করেছে। অবস্থা খুব আশংকাজনক। এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ারে আছে।
সে আর দেরী করেনি। পরদিনই চলে গেল ময়মনসিংহে। মা কোন রকম ভাবে প্রাণে বেঁচে রইলো। তবে বুকের ভেতর একটা ভালভ নষ্ট হয়ে গেছে।

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৪)

নতুন জীবন ও একজন জুনায়েদ স্যারঃ

নেমপ্লেটটার দিকে তাকিয়ে ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। পাশের বেডে বসা তারান্নুম (সেই রোগা টিংটিঙে মেয়েটা) পা দোলাতে দোলাতে জিজ্ঞাসা করলো,” এমন বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলছিস কেন?” আমি আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলি,”আমার নেমপ্লেট দেখে! এটা কোন নাম হলো বল তো? রাহাত আরা! খেয়া নামটা কতো সুন্দর না?” তারান্নুম হি হি করে হাসে,” সত্যিই তো! রাহাত আরা,কি আজব নাম!

বিস্তারিত»

রং বদল – ১

(পোস্টের সংখ্যা ৫৯ এ আটকে আছে দেখে তা ৬০ করতে ইচ্ছে হলো। অন্য কোথাও প্রকাশিত অনেক আগে লেখা একটি গল্প পোস্ট করলাম।)
-তোমাকে না ফাইলটা নতুন করে এডিট করতে বলেছিলাম?
-করেছি তো। এটা তো নতুন ভার্সন।
-তাহলে যে গতকাল আমি নতুন কয়েকটা পয়েন্ট দিলাম সেগুলো কোথায়?
-আপনি তো সেগুলো এখানে ঢুকোতে বলেননি।
-তাহলে কোথায় ঢুকোতে বলেছিলাম?
-বলেছেন পরে যখন আপগ্রেড ভার্সন হবে তখন নতুন এইসব পয়েন্ট সেখানে যোগ করতে।

বিস্তারিত»

সমসাময়িক ভাবনাঃ স্থির দেশের স্থির চিত্র

জামালপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের এক জনপদের নাম ‘খেওয়ার চর’।

দূরত্বের সঠিক হিসাব এই মুহূর্তে মনে না থাকলেও, খেওয়ার চরে যেতে গিয়ে পথে আমার কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল-সে বিষয়ে স্পষ্ট মনে আছে। এখানে সরাসরি যাওয়ার অনেকগুলো রাস্তা আছে। সবচেয়ে সহজ রাস্তার কথা বলি। আপনাকে ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুর জেলা সদরে চলে যেতে হবে। সেখান থেকে ছোট ছোট লোকাল বাসে করে বক্সিগঞ্জ সদর।

বিস্তারিত»