কি লিখবো?
উত্তাল হৃদয় ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ
কার তরে লিখবো? কে আছে মন দিয়ে শুনবে?
কে আছে আফ্রিকায় কাতরানো-
সেই শিশুটির মুখে তুলে দিবে এতটুকু খাবার,
ওষুধ আর
এতটুকু বস্ত্র?
কিংবা কার মনোযোগে আরশীনগরবাসী
অজ্ঞাত অসহায় অভুক্ত সেই প্রতিবেশী।
আমিই কি আছি?
নিজের অধিকার নিয়েই তো তটস্থ,
অস্থির আমি-
যোগাতে অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান, ভালোবাসা-
লুটেরা, দুর্বৃত্ত আর প্রতারকের ভিড়ে
হয়তো নিজেও তাদের একজন,
নীলপরী,তুই হারিয়ে যাবি আমি কি জানতাম?
নদীর ধারে সন্ধ্যা বেলা-ধূ ধূ বালির চর
চোখের কোণে বাষ্প জমে হঠাৎ বুক মোচড়
প্রিয় নারী হারিয়ে গেছে কোন সে আধাঁর মাঝে
সেই বেদনা নূপূর হয়ে কার পায়ে যে বাজে
তাকেই খুঁজি সমস্ত দিন-সকাল রাত দুপুর
কোথায় যে নীল শঙ্খ বাজে,কোথায় অচিনপুর
অন্ধকারে গন্ধরাজের উপর করা শাখা
সেই ছবিটা ঠিক এখনও যত্ন করে রাখা
শ্যাওলা পড়া প্রাচীন ইটের সেই দেয়ালের কাছে
নির্বাচিত দুঃখগুলো ঠিক তেমনই আছে
সবই আছে আগের মতন,নেই তুমি কেবল
সেই ব্যথাতে সকাল দুপুর বুকের মধ্যে জল
চির চেনা মেখলা হাসি,মধুর অভিমানে-
ঠোঁট ফোলানো;ভালোবাসা কোথায় যে কে জানে
চোখের মধ্যে বিঁধে আছে খোঁপার জবাফুল
কপাল বেয়ে ছড়িয়ে থাকা অবাধ্য তোর চুল-
সরিয়ে দেবার নাম করে হায় ছুঁয়ে দেবার ছল
এখন সেসব প্রাচীন অতীত-অতন্দ্র অঞ্চল।
মেধার মূল্যায়ন বিষয়ক কৌতুক
মেধার মূল্যায়ন বিষয়ক কৌতুক
১। আলীশান গাড়ী থেকে নামল ছাত্র, “স্যার আপনি ফুটপাত দিয়ে হেটে যাচ্ছেন? আসুন আসুন স্যার, আমার সাথে আসুন, আপনাকে পৌছে দিয়ে আসি।” ছাত্রের এহেন আলীশান অবস্থা দেখে, শিক্ষক তো মহা খুশী। ছাত্ররা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানেই তো শিক্ষকের সাফল্য। উৎফুল্ল মনে শিক্ষক প্রশ্ন করলেন, “তুমি কি ঐ ব্যাচের যেখানে সবাই স্ট্যান্ড করেছিল?” ছাত্রের উত্তর, ” আরে না স্যার, আমি তার পরের ব্যাচের যেখানে সবাই ফেল করেছিল।
বিস্তারিত»শুভ ব্যাচ জন্মদিন-ক্যাডেট ১৯৯৫-২০০১
তবে বন্ধু একটু দাঁড়াও,
দেখা হয়েছিলো সেই কবে,
দূরু দুরু বুকে এক এক টা পদক্ষেপ,
দিনটার কথা মনে কি পড়ে?
যদি ভুলে যাও, তবে মনে রেখো,
আজ তিরিশে এপ্রিল,
পুনর্জন্মের সেই দিন,
আজ তিরিশে এপ্রিল,
ক্যাডেট নামটা গায়ে জড়ানোর দিন.
শুভ ব্যাচ জন্মদিন-ক্যাডেট ১৯৯৫-২০০১
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন ***০৩-০৯***
দেখতে দেখতে গেলো ৯ টি বছর । ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল কলেজে পদার্পণ । এখনো মনে আছে আমার গাইড ইফতেখার ভাই আমাকে নিয়ে কতো ব্যস্ত আমাকে কলেজের নিয়ম কানুন শিখাতে । নতুন বন্ধুদের সাথে পরিচয় হল । কখনো ভাবিনি এই বন্ধুগুলো হবে জীবনের সবচেয়ে নিকট বন্ধু । শুধু একটাই আফসোস যে আমার কলেজের জিসান বেঁচে নেই । গত বছরের এই দিনেও সে বেঁচে ছিল ।
বিস্তারিত»“হরতাল”-একটি সামাজিক উৎসব
সূচনাঃ হরতাল একটি সর্বধর্মীয় সার্বজনীন সামাজিক অনুষ্ঠান। এটি সাধারণত প্রধান বিরোধীদলের দলীয় স্বার্থ রক্ষার্থে পালন করা হয়। আমাদের দেশে সাধারণত নির্বাচনের আড়াই থেকে তিন বছর পর থেকে বিরোধী দল কারণে অকারণে হরতাল ঘোষণা করে জনগণের জন্য এক্সট্রা ছুটি ও অবসরের আয়োজন করে।
প্রকৃতিঃ হরতাল সবসময়ই বিরোধী দল কর্তৃক ডাকা হয়। এই দিনে রাস্তায় প্রচুর পুলিশ, র্যাব, ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের কর্মী দেখা যায়।
বিস্তারিত»একলা ভাসে, একলা ডোবে
একলা ভাসে, একলা ডোবে
—————- ডঃ রমিত আজাদ
ঝম ঝম ঝম বৃষ্টি পড়ে,
ঝিলের জলে, ছলকে ছলে,
শাপলা শালুক উঠল মেতে,
উপচে পড়া জলের স্রোতে,
নৌকা ভাসে, নৌকা ডোবে,
কেউ দেখেনা, ব্যস্ত সবে।
একটি মেয়ে পড়ে লেখে,
একটি মেয়ে স্বপ্ন দেখে,
বৃষ্টি ধোঁয়া, সতেজ ঘাসে,
অংক কষে, মিস্টি হাসে,
একটি ছেলের মন পেয়েছে,
বাবা হরতাল কি?
বাবা হরতাল কি?
আমার ১০ বছর বয়সের ছোট ছেলেটি প্রশ্ন করল,
ঃ বাবা আজ স্কুলে যাবনা?
ঃ না বাবা আজ হরতাল।
ঃ আমার স্কুলে যাওয়া হলনা, তোমার অফিসে যাওয়া হলনা, কেন বাবা? হরতাল কি বাবা?
একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম। এত ছোট ছেলেকে কিভাবে বোঝাব। তারপরে কোনভাবে বোঝানোর চেস্টা করলাম।
ঃ হরতাল হলো যখন স্কুল বন্ধ, অফিস বন্ধ, গাড়ি চলবেনা,
কাফের ভাই
কাফের ভাই
অনেকগুলো বছর আগের কথা। তখন আমি বিদেশে, ইউরোপীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। এসময় সেই শহরে এক বাংলাদেশী ভাইয়ের আগমন। বয়সে তিনি আমার পাঁচ বছরের বড়। তবে সেখানে পড়ালেখার দিক থেকে হয়ে গেলেন আমার দু’বছরে জুনিয়র। শহরের সেন্ট্রাল স্কোয়ারে তার সাথে প্রথম পরিচয়। পড়ালেখায় পিছিয়ে থাকলেও, কথাবার্তায় বেশ স্মার্ট মনে হল। আমাকেও সম্ভবত তার ইমপ্রেসিভ মনে হয়েছে। আমার ডরমিটরির ঠিকানা নিলেন।
বিস্তারিত»পোতাশ্রয়ের নির্বাক কমেডি

একটিবার চার্লি চ্যাপলিনদের যুগে ফিরে যাওয়া যাক। সেটা নিঃসন্দেহে নির্বাক কমেডির স্বর্ণযুগ। মুখের কথা ছাড়া কেবল অঙ্গভঙ্গি আর চলচ্ছবির মাধ্যমে যখন চলচ্চিত্রকাররা সমাজকে বিদ্রুপ করতেন আর মানুষের অন্তরকে ভালবাসতেন। ২০১১ সালের একটি সিনেমায় ঠিক তেমন বিদ্রুপ আর ভালোবাসার ছবি দেখতে পেলাম। সিনেমার নাম ল্য আভ্র্ (Le Havre), পরিচালনা করেছেন ফিনল্যান্ডের ওটার চলচ্চিত্রকার আকি কাউরিসম্যাকি। আকি-র নাম যদি আগে কেউ শুনে না থাকেন,
বিস্তারিত»টুকরো স্মৃতি ৫
ক্যাডেট কলেজের কাহিনী গুলো মনে হলেই মনের অজান্তে হেসে উঠি। মাঝে মাঝে এমন বিব্রত কর অবস্থার মুখোমুখি হতে হয় যা সামলে ওঠা কষ্টের।সেদিনের ঘটনা। বসুন্ধরায় গেলাম একটা বিশেষ কাজে। হঠাত্ করেই কলেজের কথা মনে করে হেসে উঠলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি এক আধা বঙ্গ ললনা আমার দিকে দৃষ্টিপাত করে আছে। আমি অনেক ক্ষন পর ব্যাপারটা ধরতে পারলাম। মেয়েটা হয়তোবা ভেবেছে আমি তার ড্রেস আপ নিয়ে হেসেছি।
বিস্তারিত»একটা রামছাগলের কাহিনী…
“একটা রামছাগলের কাহিনী …”
লিখেছেন – Asif Namer Cheleti
আজ আপনাদের একটা রামছাগলের কাহিনী শুনাব……
একদেশে ছিল এক রামছাগল…সরি…বাংলাদেশে ছিল এক রামছাগল। বাড়ি উত্তরবঙ্গে । (আগেই বলে নেই উত্তরবঙ্গের কাউকে হার্ট করতে চাইনি)।
তা রামছাগলের বুদ্ধি না থাকলেও বিদ্যার অভাব ছিল না । বোধহয় বুদ্ধিতে যতটুকু ঘাটতি ছিল, বিদ্যা দিয়েই সে তা পুরনের চেষ্টায় ব্যাস্ত ছিল ।
বিস্তারিত»কিছু বিদেশী ছাগু ও একটি দুঃখ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তুরস্ক সফর চলাকালিন সময়ে কিছু বিদেশি ছাগু একত্র হয়ে ছাগু(সংবাদ) সম্মেলন করেন।তুরস্কের সংবাদ মাধ্যমে বেশ ঘটা করে ছাপানো হয় খবরটা। আপনাদের নির্মল বিনুদনের জন্য খবরটা বাংলা অনুবাদ করে দিলাম।(http://www.medya73.com/cemaat-i-islamiye-yapilan-zulme-son-verilsin-haberi-912615.html)
*Cemaate- i Islamı’ye yapılan zulme son verilsin(জামাতের বিরুদ্ধে জুলুমের অবসান হোক)
বাংলাদেশে মুসলমানদের উপর চলতে থাকা অন্যায় অত্যাচার এর প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘Mazlum-Der’এর ইস্তানবুল শাখায় তুরস্কের মানবাধিকার কর্মীরা একত্র হন এবং তুরস্ক সফররত (১১-১৩ এপ্রিল ) বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি মুসলমানদের উপর চলতে থাকা এই শোষণ নিপীড়ন বন্ধের আহবান জানান ।
মধ্যান্তর
নদীর এপারে দাঁড়িয়ে ভাবছি শুধুই আমি,
আবছা ছবির খোঁজে ওপারে আছো তুমি।
আমার স্বপ্নগুলো শুভ্র কুয়াশায়
ভেসে চলে অজানা পথের নিরালায়।
কখনও দেখেছ কি অরুণ রোদন?
ছুঁয়েছ আপন হাতে শশীর বদন?
তবে কি অজানা তারা মোদের কাছে,
এখনও লুপ্ত তারা তোমার পাছে।
ভাবছ তুমি, এখনও ব্যস্ত বুঝি সে আগের মতন,
ভাবছে সে, সবইত রেখেছি তার করে যে যতন।
জ্যামিতিক ভালবাসা…
হাসান, সেইসব ছেলেদের মধ্যে একজন যাদের জীবন কখন ও থেমে থাকে না ।
যথেষ্ট মেধাবী, হ্যান্ডসাম এবং সদা হাস্যজ্জল একটা ছেলে সে । মোটামুটি সবার কাছেই জনপ্রিয় একটা মানুষ । আর মেয়ে মহলে ছিল তার অপ্রকাশিত আলাদা একটা স্থান । যদিও সে কখনো সে স্থান এর ধার কাছ দিয়েও মারায়নি । এটা নিয়ে তার মাথা বেথাও ছিল না । কিন্তু এ স্থান এর জন্য দু একবার যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েনি সে তা না,
বিস্তারিত»