বিড়ম্বনা…


চরম ভাবে ছিলাম আমি
আইফোন নিয়ে,
কত কাজই করা যায়
এ ফোন দিয়ে।

হঠাৎ কি এক কারনে
যাচ্ছে না কোন কল।
মেজাজ খারাপ করে আমি
পাড়ছি সমান গাল।

এরি মাঝে এক সৈনিক
আমার কাছে এসে,
“স্যার নকিয়া বেশী ভাল”
বলল মুচকি হেসে।
কথা শুনে টাশকী খেয়ে
বললাম আমি তাই,

বিস্তারিত»

আমি যখন ক্যাডেট ছিলাম

 

লক্ষ্য যখন ক্যাডেট হওয়া :

রাগে গজগজ করতে করতে মোড়টা পেরোলাম ।-“এতো সকালে মানুষ ওঠে ঘুম থেকে ? ওঠে কাক । আমি কি কাক ? কেন কোচিংটা এই কাকডাকা ভোরেই হতে হবে ?” প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে ভীষণ কষ্ট হয় আমার । কোনমতে নামায পড়ে পোশাকটা বদলে আসতে গিয়ে অবধারিতভাবে দেরী হয় প্রতিদিন । তাই প্রথম ক্লাসে দাঁড়িয়ে থাকাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট লাইফ ও একটি মায়ের চিঠি

আম্মুর সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠি। দুই টাকার হলুদ একটি খাম ভেতরে দুই জনমের আবেগ। আম্মুর লেখা প্রতিটি চিঠি অসংখ্য বার পড়তাম।
মাঝেমাঝে চোখ ঝাপসা হয়ে এলে কোন মতে বালিশে চাপা দিতাম অবাধ্য অশ্রুরাশিকে। প্রতি সপ্তাহে একটি চিঠি আসতো। মায়ের কাগজ বন্দী আবেগ আর উপদেশ গুলো ক্যাডেট কলেজের সেই প্রতিকুল পরিবেশে টিকে থাকার প্রেরনা যুগিয়েছে। আধুনিক সভ্যতার মুঠোফোনের বেতার তরঙ্গ তখনো ক্যাডেট কলেজে জায়গা করে নিতে পারেনি আর্মি হেড কোয়াটারের স্বেচ্ছাচারিতায়।

বিস্তারিত»

তবুও নিরাপদ সড়ক চাওয়া যাবে না

একদিনে ১৫ টি প্রান । প্রতিনিয়ত হাজারো নাগরিক সমস্যা, হত্যা, ছিনতাই, গুম, ধর্ষন , এত কিছুর ভীড়েও আমাদের মন কে কি একটু নাড়িয়ে দিয়ে যায় না? যায়। কতটা ? আজকের সংবাদ পত্রের পাতায় দেখলাম আগামীকালই তো এটা বাসি খবর। আবার নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ব। প্রতিদিন খারাপ খবর শুনতে শুনতে আমাদের কান অভ্যস্ত হয়ে গেছে। যেদিন পত্রিকার পাতায় এমন কিছু না পাই মনে মনে বলি আজকে গুরুত্বপূর্ন কোন সংবাদ নাই।

বিস্তারিত»

জন্মদিনের তোড়া তোড়া ফুল

গলির সামনের চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দিতে সিরাজ হঠাৎ চিন্তিত মুখে বললো, আচ্ছা আমরা কি বেহেশতে যামু , না দোযখে ?
মনে হয় দোযখে। বেহেশতে যাওয়ার মত কিছু তো এ জীবনে আমরা কেউ করি নাই, তাই না? -বললাম আমি।
এবার সিরাজের চোখ-মুখ খুব সিরিয়াস হয়ে গেল। জিজ্ঞেস করে, আচ্ছা দোযখে কি চিরকাল আজাবের মধ্যে থাকতে হবে আমাদের সবাইকে? মাঝে মাঝে যদি একটু রেস্ট চাই,

বিস্তারিত»

সুখ ও শান্তি

কেমন চাও জীবনটা?
দুমুঠো ভাত আর একটু কাপড়
আরেকটু মাথা গুঁজার স্থান,
ভালোবাসা আর সম্মান।
ঠুনকো, ভনিতাময় বা মিথ্যা নয়।
এতটুকুই দেবো,
কী???? নিতে রাজি?
সাথে পাবে শান্তি, একদম ফ্রি।

অথবা প্রাসাদ, গাড়ি, নারী
আর খাবার রকমারি,
পোশাক বাহারি ঢঙের,
মনকাড়া রঙের, নতুন প্রতিক্ষন।
কুর্নিশে কুর্নিশে ক্লান্ত সবে,
মহামতির তরে জান যতক্ষন রবে।

বিস্তারিত»

একটি ফলস বার্থডের ইতিহাস

তখন আমরা ক্লাস এইটে পড়ি।বাইরে থেকে দেখতে সবাইকে নিরীহ মনে হলেও আসলে একেকটা ছিলো ভয়াবহ বিচ্ছু। তৌফিক যেমন প্রতিদিন তার প্লেটের সবজি পাশের সিটের সিদ্দিক ভাইয়ের প্লেটে রেখে নিতান্ত ভালো মানুষের মত দাড়িয়ে থাকতো,কিশোর তেমনি ভাইয়াদের টিজ করে ধরা খেয়ে এমন ভাব করে চোখ বড় বড় করে তাকাতো, “আমি?!!!! এ কিভাবে সম্ভব?!!”

সেরকমই এক সময়ে আমি আর তন্ময় ছিলাম টেবিলমেট। তন্ময় ছিল ভয়াবহ টাইপের চালু পিস।(এখনো আছে) ।

বিস্তারিত»

আমাদের “সত্য” স্যার

“তারপর কী হল শোন, সেই ক্যাডেটকে খুঁজে পাওয়া গেল টয়লেটের মধ্যে । হাতে হুমায়ূন আহমেদ এর বই। ভাঙা দরজার সামনে যখন প্রিন্সিপাল দাঁড়িয়ে আছে তখনো তার চেতন নেই। এঁকেই বলে বইয়ের পোকা। ভাঁবা যায় টানা তিন দিন একটা ক্যাডেট বই পড়ে টয়লেটে কাঁটিয়ে দিয়েছে।” সত্য স্যারের গল্প শুনে কেউ অবাক হলনা। কারন মোটামুটি সবাই জানে স্যারের কথার অধিকাংশই মিথ্যে। ক্যাডেট কলেজের ভাষায় যার নাম গুল।

বিস্তারিত»

আজ চলে গেলে…আমি আটকাতে পারি নি

আজ চলে গেলে
পেছনে রয়ে গেল ১৭ টি রাত্রে নিহত বালক
জোৎস্নার ছুরি…ও স্বর্গের অভিশাপ
‘সুখ পাবে না,সুখ পাবে না তুমি।’
আহত চোখ নিহত চোখ
সব পিছে ফেলে সোজা চলে গেলে তুমি সুর্যের কাছে
খোড়া বটগাছে
হরিয়াল,টিয়া কাঠঠোকরা…একটি অচেনা লোক
বারবার ফিরে আসে।
তবু তুমি চলে গেলে
যেন শেষরাতে চাঁদ মরে গেলে
নিশাচর প্রাণীটির শেষ শিকার যদি ছুটে যায়
তবু তার গর্তে পালানো
এর মত তোমার প্রস্থান
শুকতারা জ্বলজ্বলে চোখে সাক্ষী রইলো!

বিস্তারিত»

ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ৩ – ক্রোয়েশিয়া

প্রিলিমিনারী স্কোয়াড এখনও সবাই দেয় নাই, অনেক দেশেই লীগের শেষ রাউন্ড চলছে তাই লীগ শেষ হলেই দেখা যাবে বাকি দেশগুলো একসাথে তাদের প্রিলিমিনারী স্কোয়াড বা হয়ত মুল ২৩ জনের স্কোয়াডই ঘোষনা করে দিবে। জার্মানী আর নেদারল্যান্ডস ছাড়া ইউক্রেন দিয়েছে তাদেরটা, সাথে ফ্রান্স আর গ্রীস অর্ধেক স্কোয়াড ঘোষনা করেছে মাত্র।

গ্রুপ বি থেকে জার্মানী আর নেদারল্যান্ডসের পর পর্তুগালের প্রিভিউ দিব ঠিক করেছিলাম,

বিস্তারিত»

আলোকচিত্র

ছোটবেলা থেকেই ক্যামেরার প্রতি আমার বাড়তি একটা আগ্রহ ছিল। প্রথম কবে ক্যামেরা হাতে পেয়েছিলাম মনে নেই, তবে তখন থেকেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছবির জন্য পোজ দেয়ার থেকে ক্যামেরা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করা আর অন্যের ছবি তুলে দেবার প্রতি আমার উৎসাহ বেশি ছিল। তবে সেসময় ছবির ব্যক্তি বা মান নিয়ে আমার তেমন কোন মাথাব্যথা ছিল না, সব আগ্রহ ছিল ক্যামেরাকে ঘিরেই।

ইন্টারনেটে নিয়মিত হবার পর থেকেই ছবি তোলা তথা ফটোগ্রাফি সম্পর্কে আমার ধারনাই পালটে গেল।

বিস্তারিত»

অন্ধত্বের পরজীবী

সচলে তারেক অনুর লেখা “শুভ জন্মদিন ডেভিড অ্যাটেনবোরো” পড়ছিলাম,একটা জায়গায় এসে চোখ আটকে গেল,তুলে দিলাম সরাসরি,যদি না আমাকে কপি পেস্ট মামলায় ফাঁসানো না হয়।

সর্বক্ষমতাশালী পরম দয়ালু ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে নিজের জীবনের একটি ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন—আফ্রিকার এক নদী তীরে এক শিশুর চোখে এক ক্রিমি (worm ) বেড়ে উঠতে দেখেছিলাম, এর ফলে শিশুটি নিশ্চিত অন্ধত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। এখন আমাকে বল যদি সব প্রাণের সৃষ্টি এবং পালন সেই দয়ালু ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই হয় তাহলে কেন তিনি সেই ক্রিমির বেড়ে ওঠার জন্য আর কোন জায়গা বেঁছে নিলেন না,

বিস্তারিত»

বিষাদ

আজ শুধু শুন্যতার লীলাখেলা

দরজার  গভীরে

বিবেককে প্রশ্ন করে কোন

উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না।

এ যেন এক অর্থহীন পার্থিব আগ্রাসন

নিরন্তন পিচঢালা পথে

যে আশাবাদী অক্ষরেরা সংগ্রাম করে

দাম্ভিকতার নিষ্ঠুর অনুকম্পায়

তা সবই চাপা পড়ে যায়।

আজ শুধু ক্রোধ খেলা করে

ছায়াপথের নীহারিকার বেড়াজালে।

বিস্তারিত»

সকল রবীন্দ্রনাথকে রবীন্দ্রজয়ন্তীর শুভেচ্ছা

আমার মাথা নত করে দাও হে
তোমার চরণ ধূলার পরে,
সকল অহংকার হে আমার
ডুবাও চোখের জলে

ঠিক এ কথাগুলোই মনে বাজছিল যখন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার একটি একক রবীন্দ্রসন্ধ্যা দেখছিলাম। ইচ্ছে করছিল তখনই গিয়ে ঠাকুরের পায়ের ধুলো নিয়ে আসি। কথায় আছে অতি শ্রদ্ধার মানুষের পায়ের ধুলো নাকি সোনালী হয়। রবীন্দ্রনাথের পদধূলি নিশ্চিত স্বর্ণই ছিল।

ঠাকুরবন্দনা আসার আগে বণ্যাবন্দনায় আসি।

বিস্তারিত»

আমার আকাশ ভরা মেঘ

আমার আকাশ ভরা মেঘ
তোমার আঁচল ভরা নীল
আমার আবোল তাবোল কাব্যে
তুমি অবাক অন্ত্যমিল।
আমার রাতের নীরবতা
তোমার আলতো পায়ে আসা
আমি পাবোনা জেনেও
শুধু তোমায় ভালোবাসা।

তুমি মেঘের মাঝে লুকাও
তোমার কান্না ভেজা চোখ
আমি চাইছি এবার তবে
ভালোবাসার বৃষ্টি হোক।
আমি ভিজবো তার ই ধারায়
যদি হাতে রাখো হাত
তুমি বর্ষা দেশের রাণী
আমার ভেজা শ্রাবন রাত।

বিস্তারিত»