হলে ফিরে রুমে আসার পর দেখলো রাবেয়া কান্না ভেজা চোখে ওর বিছানার উপর বসে আছে। অজানা আশংকায় কাকনের বুকটা কেঁপে উঠেছিল। তারপরই সে রাবেয়ার কাছ থেকে সেই ভয়ংকর সংবাদটা শুনেছিল.
-চাচীর হার্ট এ্যটাক করেছে। অবস্থা খুব আশংকাজনক। এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ারে আছে।
সে আর দেরী করেনি। পরদিনই চলে গেল ময়মনসিংহে। মা কোন রকম ভাবে প্রাণে বেঁচে রইলো। তবে বুকের ভেতর একটা ভালভ নষ্ট হয়ে গেছে।
যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৪)
নতুন জীবন ও একজন জুনায়েদ স্যারঃ
নেমপ্লেটটার দিকে তাকিয়ে ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। পাশের বেডে বসা তারান্নুম (সেই রোগা টিংটিঙে মেয়েটা) পা দোলাতে দোলাতে জিজ্ঞাসা করলো,” এমন বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলছিস কেন?” আমি আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলি,”আমার নেমপ্লেট দেখে! এটা কোন নাম হলো বল তো? রাহাত আরা! খেয়া নামটা কতো সুন্দর না?” তারান্নুম হি হি করে হাসে,” সত্যিই তো! রাহাত আরা,কি আজব নাম!
বিস্তারিত»রং বদল – ১
(পোস্টের সংখ্যা ৫৯ এ আটকে আছে দেখে তা ৬০ করতে ইচ্ছে হলো। অন্য কোথাও প্রকাশিত অনেক আগে লেখা একটি গল্প পোস্ট করলাম।)
-তোমাকে না ফাইলটা নতুন করে এডিট করতে বলেছিলাম?
-করেছি তো। এটা তো নতুন ভার্সন।
-তাহলে যে গতকাল আমি নতুন কয়েকটা পয়েন্ট দিলাম সেগুলো কোথায়?
-আপনি তো সেগুলো এখানে ঢুকোতে বলেননি।
-তাহলে কোথায় ঢুকোতে বলেছিলাম?
-বলেছেন পরে যখন আপগ্রেড ভার্সন হবে তখন নতুন এইসব পয়েন্ট সেখানে যোগ করতে।
সমসাময়িক ভাবনাঃ স্থির দেশের স্থির চিত্র
জামালপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরের এক জনপদের নাম ‘খেওয়ার চর’।
দূরত্বের সঠিক হিসাব এই মুহূর্তে মনে না থাকলেও, খেওয়ার চরে যেতে গিয়ে পথে আমার কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল-সে বিষয়ে স্পষ্ট মনে আছে। এখানে সরাসরি যাওয়ার অনেকগুলো রাস্তা আছে। সবচেয়ে সহজ রাস্তার কথা বলি। আপনাকে ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুর জেলা সদরে চলে যেতে হবে। সেখান থেকে ছোট ছোট লোকাল বাসে করে বক্সিগঞ্জ সদর।
বিস্তারিত»ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ৪ – ইতালী

ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ৩ – ক্রোয়েশিয়া
ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ২ – নেদারল্যান্ডস
ইউরো ২০১২ প্রিভিউ পর্ব ১ – জার্মানী
পর্ব চারে স্পেনের আসার কথা ছিল, আর পর্ব পাঁচে ইতালী। সিরিয়ালে একটু ওলট পালট হল কারন স্পেন বা পর্তুগালের আগেই ইতালী তাদের ৩২ জনের প্রিলিমিনারী স্কোয়াড ঘোষনা করেছে গতকাল,
বিস্তারিত»প্লীজ আলটিফাই ইওরসেলফ!
‘ধূম’ ছবির সিলেট শাখার মহানায়ক কিছুদিন আগে ইংরেজী ভাষার উপর ক্যাপসুল কোর্স করে এসেছেন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী থেকে। ক্যপসুল কোর্সের বদৌলতে কতগুলো অলস সময় যে আমরা ফ্লোরে গড়িয়েছি হাসতে হাসতে তার সঠিক সংখ্যাটা কারও জানা নেই।হাসির ফাঁকে একটু দম নিতাম আর বলে বলে উঠতাম, “এতদিন কোথায় ছিলে?” নায়কের জানার পরিধি তখন ভূগোলের গন্ডি পেড়িয়ে আমেরিকান ইংরেজীর দিকে ধাবিত হতে লাগল চরম গতিতে এবং স্ববেগে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের সাথে বলা মহানায়কের সেই আমেরিকান ইংরেজীর কিছুটা তুলে দেওয়া হল।
বিস্তারিত»আ জার্নি বাই বাস
ঢাকা শহরে কর্মব্যস্ত মানুষের অর্ধেক সময় কাটে বোধহয় রাস্তায়। আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে নিজস্ব গাড়ি অথবা পাবলিক বাসে। জ্যামকালো এই শহরে গাড়ি কিংবা বাসগুলো ছুটে চলার চেয়ে জ্যামের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতেই বেশি অভ্যস্ত। তার সাথে সাথে অভ্যস্ত এই শহরের মানুষগুলোও। এরা ঠাঁঠাঁ রোদে মিরপুর ইউনাইটেড কিংবা বিহংগে’র ভাঙাচোরা তেল চিটচিটে সীটে বসে দরদর করে ঘামে আর দেশটা দিয়ে কেন কিছুই হবেনা তার হিসেব নিকেশ করে সশব্দে,
বিস্তারিত»আসুন ইংরেজী শিখি: ZU মেথড
ছোট্ট একটা গল্প দিয়ে শুরু করি। কয়েক বছর আগের ঘটনা। জনৈক স্যার ক্লাস নিচ্ছেন। হঠাত্ করে পিয়ন এসে খবর দিল,স্যার আপনার ছেলে হয়েছে। স্যার তখন চরম উত্তেজনা আর আবেগের বশে বলেই ফেললেন, আলহামদুলিল্লাহ। credit goes to all the cadetz… :khekz: :khekz:
ক্লাসে তুমুল হাসির ঝড় বয়ে যাওয়ার পর একজন ক্যাডেট বলল, স্যার খাওয়াবেননা? স্যার তখন আরেকদফা তাঁর বিখ্যাত ইংরেজী ভাষায় বলল, ok ok,
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেটীয় দিনলিপি-১
বহুদিন ধরে সিসিবি তে ব্লগ পড়ছি। কখনও লিখব ভাবিনি। এটাই আমার প্রথম লেখা।
———————–
কলেজে এক্সট্রা ড্রিল খাবার ব্যাপারে আমার একটা ঐতিহ্য ছিল। আমি ছিলাম আমার ব্যাচের ১ম ইডি খাওয়া পাবলিক। এমন`কি ৭ম শ্রেণীতে থাকাকালীন আমার আগে কেউ কখনো ইডি খায়নি পরেও মনে হয় কেউ খায়নি। আমার অবস্থা এমন ছিল যে এডজুট্যান্ট এর সামনে পড়লে আমার ইডি খাওয়া নিশ্চিত। হয়ত সকালে একটা ইস্যু হত তো বিকেলে একটা।
যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ৩)
প্রথম দিন,অমলিনঃ
“দেখি ভাই, আমাকে একটু দেখতে দেন………“- বলতে বলতে ভীড় ঠেলে নিজের জন্য একটু জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা চালায় পাপা। “আয়েশা হাউস।“- বিড়বিড় করে নামটা বারকয়েক আউড়ে নিলাম আপনমনে। ইতোমধ্যে জানা হয়ে গেছে আমার, ক্যাডেট কলেজে ‘হল’ বলা হয় না, বলতে হয় হাউস; রুম না বলে বলা হয় ডরমেটরি। পাপা অভিভাবকদের লিস্টে স্বাক্ষর করে বিজয়ীর ভঙ্গিতে ফিরে আসে। “বেটি, তোমার ডর্ম নাম্বার ২০৭,
বিস্তারিত»একটি অবাস্তব স্বপ্নের বাস্তবগাথা
অদেখা স্বপ্নজগতে ঘুরবার স্বপ্ন দেখেছিলাম আমি। স্বপ্ন নতুন করে দেখা শিখিয়েছিলি তুই। জীবন নিয়ে সন্দিহান আমি কার্ড খেলাকেই সঙ্গী করে চালিয়ে নিচ্ছিলাম জীবন। তারপর একদিন হঠাৎ তোর ফোন। নারী প্রজাতির সাথে কথা বলায় পারদর্শিতার অভাব আমাকে সেদিন তোতলা বানিয়ে দিয়েছিল কয়েক মুহূর্তের জন্য। এরপরের কাহিনী যেন স্বপ্নের মতো। দেখলাম তোকে সিঁড়ি দিয়ে নামছিস। ইন্দ্রপুরীর পরীর রাজ্য থেকে যেন একটা পরী দিকভ্রান্ত হয়ে এসে পড়ল আমার রাজ্যে।
বিস্তারিত»আমি,ফেসবুক ও আমার ফেক আইডি
তখন ২০০৮ সাল। ইন্টার পরীক্ষা শেষ হইল কয়েকদিন আগে। সুকান্তের সেই বিখ্যাত ১৮ বছরে পদার্পণ করার পর থেকেই যত আজাইরা চিন্তা ভাবনা ঘুরে মনের মধ্যে।আর পড়ালেখা শিকেয় তুলে সব আজাইরা কাজ কাম বাস্তবায়ন করার ইন্ধন যোগাতে সেই সময় এগিয়ে এল ফেসবুক। কোন এক কুদিনে খুলে ফেললাম একটা ফেসবুক একাউন্ট। আগে ইয়াহু মেসেঞ্জারে টুকটাক চ্যাটিং করতাম। “হাই, হ্যালো? এ এস এল প্লিজ?মেল? ওকে, থ্যাঙ্ক ইউ,বাই” টাইপ।
বিস্তারিত»ছোটগল্প : ডায়েরির ছেঁড়া কোন নিশ্চুপ পাতায়
এক
শেষ বিকেলের রোদের তীর্যক রেখা অফিসের জানালা দিয়ে প্রবেশ করে আমার পাশের টেবিলে কর্মরত বীথির নগ্ন বাহুরর উপর পড়লে আমি সচকিত হই। রোদের এই আগমন হয়তো অপ্রত্যাশিত ছিল না, কিংবা বলা যায় এমন ঘটনা যে আগে ঘটে নি তাও হয়তো নয় তবে এই আলোকের হঠাৎ ঝলকানিতে আমার মাথা ব্যথার উদয় ঘটল আবার নতুন করে। ব্যথার অনুভূতিটা অদ্ভুত। এক ধরণের নেশাভাব কাজ করে এই ব্যথার মাঝেই।
যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম (পর্ব ২)
ওই দেখা যায় ক্যাডেট কলেজঃ
খাওয়ার টেবিলে আজ সবাই খুব চুপচাপ; মাঝেমাঝে চামচের টুংটাং শব্দ হচ্ছে নীরবতা ভেঙ্গে। এমনকি আমার বাচাল ছোট ভাইটাও কথা না বলে খেয়ে যাচ্ছে নিরবে। আজকে আমার পছন্দের খাবারগুলো রান্না করেছে মামনি। রান্না হয়েছেও চমৎকার। অথচ দেখে মনে হচ্ছেনা খাওয়ায় রুচি আছে কারো। নববর্ষের দিন আজ, কিন্তু কেউ বাইরে বের হইনি আজকে, কারণ কালকে আমার ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার দিন।
বিস্তারিত»“মা”
দিনটা ছিল শুক্রবার ।
সারা দিন টানা ক্লাশ ছিল। দুপুরে খাবার ও সময় মিলেনি। পেটে ইঁদুরের দৌড়োনি।হোস্টেলে এসে ভাত রেধে খাবো ভেবেই ভাল লাগছে।পিটার হিলি ওয়েগ-১৩, স্টুডেন্টস হোস্টেল, ১০০৮ নম্বর রুম। ‘এক’ নিচের তলা নির্দেশক।ইন্টারনেশনাল উইং। পার্টিকোতে থরে থরে সাজানো লেটার বক্স থেকে নিজের টাতে হাত দিয়ে একটা কার্ড পেলাম। একটা ‘প্যেকেট’ ডেলিভারি নোটিস।বাংলাদেশ থেকে এসছে। বিকাল পাঁচটার মধ্যে ‘ হোপ্ট পোস্ট আম্ট ‘
বিস্তারিত»