একটা রামছাগলের কাহিনী…

“একটা রামছাগলের কাহিনী …”

লিখেছেন – Asif Namer Cheleti

আজ আপনাদের একটা রামছাগলের কাহিনী শুনাব……

একদেশে ছিল এক রামছাগল…সরি…বাংলাদেশে ছিল এক রামছাগল। বাড়ি উত্তরবঙ্গে । (আগেই বলে নেই উত্তরবঙ্গের কাউকে হার্ট করতে চাইনি)।

তা রামছাগলের বুদ্ধি না থাকলেও বিদ্যার অভাব ছিল না । বোধহয় বুদ্ধিতে যতটুকু ঘাটতি ছিল, বিদ্যা দিয়েই সে তা পুরনের চেষ্টায় ব্যাস্ত ছিল ।

বিস্তারিত»

কিছু বিদেশী ছাগু ও একটি দুঃখ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তুরস্ক সফর চলাকালিন সময়ে কিছু বিদেশি ছাগু একত্র হয়ে ছাগু(সংবাদ) সম্মেলন করেন।তুরস্কের সংবাদ মাধ্যমে বেশ ঘটা করে ছাপানো হয় খবরটা। আপনাদের নির্মল বিনুদনের জন্য খবরটা বাংলা অনুবাদ করে দিলাম।(http://www.medya73.com/cemaat-i-islamiye-yapilan-zulme-son-verilsin-haberi-912615.html)

*Cemaate- i Islamı’ye yapılan zulme son verilsin(জামাতের বিরুদ্ধে জুলুমের অবসান হোক)
বাংলাদেশে মুসলমানদের উপর চলতে থাকা অন্যায় অত্যাচার এর প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘Mazlum-Der’এর ইস্তানবুল শাখায় তুরস্কের মানবাধিকার কর্মীরা একত্র হন এবং তুরস্ক সফররত (১১-১৩ এপ্রিল ) বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি মুসলমানদের উপর চলতে থাকা এই শোষণ নিপীড়ন বন্ধের আহবান জানান ।

বিস্তারিত»

মধ্যান্তর

নদীর এপারে দাঁড়িয়ে ভাবছি শুধুই আমি,
আবছা ছবির খোঁজে ওপারে আছো তুমি।
আমার স্বপ্নগুলো শুভ্র কুয়াশায়
ভেসে চলে অজানা পথের নিরালায়।

কখনও দেখেছ কি অরুণ রোদন?
ছুঁয়েছ আপন হাতে শশীর বদন?
তবে কি অজানা তারা মোদের কাছে,
এখনও লুপ্ত তারা তোমার পাছে।

ভাবছ তুমি, এখনও ব্যস্ত বুঝি সে আগের মতন,
ভাবছে সে, সবইত রেখেছি তার করে যে যতন।

বিস্তারিত»

জ্যামিতিক ভালবাসা…

হাসান, সেইসব ছেলেদের মধ্যে একজন যাদের জীবন কখন ও থেমে থাকে না ।

যথেষ্ট মেধাবী, হ্যান্ডসাম এবং সদা হাস্যজ্জল একটা ছেলে সে । মোটামুটি সবার কাছেই জনপ্রিয় একটা মানুষ । আর মেয়ে মহলে ছিল তার অপ্রকাশিত আলাদা একটা স্থান । যদিও সে কখনো সে স্থান এর ধার কাছ দিয়েও মারায়নি । এটা নিয়ে তার মাথা বেথাও ছিল না । কিন্তু এ স্থান এর জন্য দু একবার যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েনি সে তা না,

বিস্তারিত»

আসুন শিখি: ব্যবহৃত মোজা দ্বারা বল তৈরির পদ্ধতি (নব্য ও ভবিষ্যৎ ক্যাডেটদের অবশ্যপাঠ্য ব্লগ)

সেই ইন দি ইয়ার অফ নাইন্টিন সিক্সটিনাইন মানে ২০০২ সালের ৭ মে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের প্রাঙ্গণে যোগদান করিয়াছিল এক নাদান আলাভোলা বাচ্চা। কলেজে ছয় বছর অবস্থানকালে সে শিখিয়াছে অনেক। তবে ৬ বৎসর কলেজে অবস্থানকালে উক্ত বালক দুর্গন্ধময় ব্যবহৃত মোজার সদ্ব্যবহার সম্পর্কিত যে বিশেষ বিদ্যা অর্জন করিয়াছে তাহার কোন তুলনা নাই। :grr:

কলেজে প্রথম ৭ দিন অবস্থানকালে একদা বালক ডাস্টবিনের আড়ালে এক আজিব কাপড়ের তৈরি গোলাকার বস্তু আবিষ্কার হেতু বড়ই চিন্তাগ্রস্ত হইয়া পরিল।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১৮তম পর্ব

কেমন আছেন আমার সুপ্রিয় ক্যাডেট ভাই ও বোনেরা ? আজ অনেকদিন পর ব্লগটা খুললাম। ভেবেছিলাম পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি। কিন্তু ভাগ্য ভাল, মনে ছিল। খুলেই আমার খুব রাগ হলো নিজের উপর। নিজেকে নিয়মিত করতে পারি না কোন কাজেই। তাই ভাবলাম ফর দ্যা সেক অব মাইসেলফ এবং ক্যাডেটকলেজব্লগ আজ একটা পোস্ট দেয়া উচিৎ।

আজকে যে বিষয়ে স্মৃতিচারণ করব তা ছিলো ২০০৬ সালে, যখন আমরা টুএলভের ক্যাডেট।

বিস্তারিত»

বিভ্রান্ত মন

পথহারা আজ সুরের ভেলায়

বসে আমি আকছি ছবি

ভেজা চোখের জল হল রং

স্বপ্নে আমার আমিই কবি।

না পাওয়া আজ স্বপ্ন আলোয়

জেগে থাকার চেষ্টা প্রবল

মেঘলা রোদে হাসছে রবি

তবুও আজ কাদছে সকল।

যুগ বদলের ধুম্রজালে,

পথহারা সব নবীন প্রানে জাগের প্রেমের ভয়

দ্বিগবিজয়ের উল্লাসে তাই

মনকারা তার নয়ন যে ভাই দৃষ্টি করে ক্ষয়।

বিস্তারিত»

বোধহীন

বোধহীন

খুব অদ্ভুত এক বোধ কদিন হলো পকেটে নিয়ে ঘুরছি, তোমরা যাকে

মানসিক ব্যধি বলতে পারো।

এই যেমন, পহেলা বৈশাখের সকালে

সিঁড়ি ধরে নামতে নামতেই

নিচতলার সিঁথি কাটা ছেলেটার সাথে দেখা হয়ে গেলো

ভেজা, বিচ্ছিন্ন ত্যানা দিয়ে

নিজের হাতের মত খরখরে সিঁড়ির ধাপগুলো

মুছে দিচ্ছিলো ছেলেটা- যাতে আমাদের,প্রভুদের,ঈশ্বরদের

ইউটোপিয়া থেকে নেমে আসতে তকলিফ না হয়।

বিস্তারিত»

বন্ধুত্ব আর কিছু বিড়ম্বনা…

রাজ-এর মাথায় হঠাৎ একটা শয়তানি খেলে গেল ।

ওকে কষ্ট দিয়ে দিপ্তি শান্তিতে থাকবে, এইটা মেনে নাওয়া যায় না, ভাবল সে ।

কত্ত বড় খারাপ মেয়েটা , কাল সারাটা বিকাল ওকে টেনশনে রেখেছে। সেই কখন থেকে দিপ্তির একটা খোজ খবর কিচ্ছু পায়নি সে । একটা কল ও না, এমনকি ফেসবুক এ একটা পোক ও না…

পরে দেখে, ফেসবুক আইডিটাই ডিয়েক্টিভেটেড,

বিস্তারিত»

আরেক ফাল্গুন

সেইদিন নীলাকে অনেক বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল।আসলে সেদিন না,হয়ত প্রতিদিন ই।

নীলা, ঢাকা ভার্সিটির একজন নিতান্তই সাধারণ ছাত্রী (পড়াশুনার দিক থেকে নয়) যতদূর ওকে জেনেছিলাম ছোট ছোট বই এর বড় বড় জ্ঞান ওকে কখনই টানত না।তবুও কেন যেন ও অন্য সবার থেকে আলাদা ছিল।

আর আমি তো আমি ই। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অপদার্থের চেয়ে কিঞ্চিৎ খারাপ একজন শিক্ষার্থী ।পড়াশুনা র প্রতি ছোটবেলা থেকেই অনাগ্রহ ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ের।

বিস্তারিত»

প্রশ্ন

অজশ্র বেদনার মাঝে একটু খানি আশা
ভুলিয়ে দিতে পারে তোমার বিরল ভালবাসা
রাত জাগা কোনো আঁধার ঘরে তুমি প্রানের আলো
অপূর্ণ সব আশার মাঝে তুমিই দ্বীপ জ্বালো
হারিয়ে যাবার ক্রান্তিকালে পথ রুধিলে আমার
ফিরল এমন পূর্ণ করতে স্বপ্ন যত তোমার
কিযে এক প্রানের টানে কেঁদে উঠে এমন
বিষন্ন রাতের মাঝে হারাতে চায় যখন,
তুমি এলে আমার মাঝে উষার আবীরের মতন
সুখ দুখের চিরসাথী যেন যুগ সন্ধিক্ষণ।

বিস্তারিত»

বলে দিলাম শঙ্খের কাছে, খুঁজে পেলে শুনে নিও

লিখতে আমি ভুলে গেছি
লিখতে বসলে এখন হাত আর চলে না
তবুও লিখছি, হাতটা আজ বেশ চলছে।

আজ তোমায় দেখতে পাচ্ছি না
কানে কানে কিছু বলতে পারছি না
তোমার কোমল মুখটা ছুঁয়ে দিতে পারছি না।
পারছিনা জেনে  আরও বেশি ইচ্ছে করছে
কিছু বলতে, একটু দেখতে …একটু পাগলামি করতে।

তাই এখন হাতরে বেড়াই তোমায় ঘুমের মাঝে
জানি ছুঁতে পারব না
তবু খুঁজতে খুব ইচ্ছে হয়,

বিস্তারিত»

১৫ নম্বর কেবিনের যাত্রী : স্টেশন- মুর্তজা বশীর গল্পসংগ্রহ

অনেকদিন পর লিখতে বসে টের পাচ্ছি, লেখালেখি ব্যাপারটা আসলে অলসদের জন্য বেজায় অসুবিধার। দুচারটে লাইন সাজিয়ে ফেসবুকে “কি, কেমন দেখলে !” টাইপ স্ট্যাটাস দেয়া এক কথা, আর সুস্থির হয়ে বসে একটা- দুটো ভাবনাকে মনমতো হরফবন্দী করাটা আরেক কথা- মেলা ভাবতে হয়! তবু, পানিতে নামতে হলে ঝাঁপটা তো একসময় দিতেই হবে, তাই বসে গেলাম লেখার হাতটা খানিক মকশো করে নিতে ।

কদিন ধরে একটা বই পড়লাম- মুর্তজা বশীর গল্পসমগ্র।

বিস্তারিত»

বোধ !

ও আমার বন্ধু ছিল,
রানা খালকো
বেগম রোকেয়া শিশুনিকেতনে কিছুদিন একসাথে বিদ্যা নেয়া
অদ্ভূত সারল্যের এক বালক দেবতা,

দীঘীর ওপারের সাঁওতাল পাড়া থেকে সাত সকালে

কয়েক কিলো রাস্তা খালি পায়ে হেটে,
কালচে সাদা শার্ট চেপে গায়ে,
কখনো ছেঁড়া ব্যাগে কখনোবা পুরনো বইগুলো হাতে নিয়ে,
অনাহার ভুলে-
এই আদিবাসি বালক ছুটে যেত রোজ- পাঠশালে।

তারপর কিভাবে যেন আবার লুকিয়ে গেল অগোচরে
কেউ খুঁজেও দেখল না!

বিস্তারিত»

চালকের বাংলাদেশ, বাংলাদেশের চালক


হাড়ির একটা ভাত টিপেই বোঝা যায় হাড়ির সব ভাতের অবস্থা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে বাংলাদেশের অবস্থা বোঝার জন্য সারা বাংলাদেশ না ঘুরলেও হয়। বিভিন্ন যানবাহনের চালকের সাথে গল্প জুড়ে দিলেই হবে। বাংলাদেশে যখন বেড়াতে যাই তখন আমি ছিন্নমূল। নিজের কোন বাহন নেই। তাই অনেকের বাহন ব্যবহার করতে হয়। অনিচ্ছাতেই। দেশে থাকতে আমি সব সময়ই একা চলে অভ্যস্ত। পদব্রজ, পাবলিক বাস, রিক্সা, গাড়ি –

বিস্তারিত»