মাথার ব্যামো -২

টম ক্রুজ আর আমি একটা অনেক বড় দালানে আটকা পরে গেছি। চারিদিকে শত্রুরা ঘুরাফেরা করছে। ধরা পরলে গুলি করে দিবে।সাহায্য পেতে হলে নিচে নামতেই হবে। টম ক্রুজকে দেখলাম দেয়াল বেয়ে নিচে নেমে গেল।আমি পরলাম বিপদে।নিচে দেখে মনে হচ্ছিল না নামতে পারব। এমন সময় ঘুম ভাঙল। আশেপাশে দেখে বুঝতে পারছিলামনা কোথায় আছি। ভয় পাচ্ছিলাম, এমন সময় আমার বেডের সাইডে নিচে দেখতে পেলাম মহসিন চাচা ঘুমাচ্ছে। আরেকটু ঘুরে তাকাতেই দেখতে পেলাম- এক সাইডে আম্মু এবং বড় চাচি আর অন্য সাইডে আব্বু,বড় চাচা এবং মহসিন চাচা ফ্লোরিং করছে।

বিস্তারিত»

বিকেল আকাশটাও লাল

এক.
পথে একটি অদ্ভুত ব্যাপার কদিন ধরে খেয়াল করলাম। সকালে প্রথম যে বাসটিতে উঠি সেন্ট লওরেন্ট বুলেভার্ড থেকে সেটিতে নিয়মিত একটি বাদামী তরুণ কানে হেডফোন লাগিয়ে খুব মগ্ন হয়ে গান শোনে। সকালে যখন বের হই সাড়ে আটটা বা পনে নটায় বেশিরভাগ দিনেই সেই ছেলেটি থাকে বাসে। আমার বাসার আগের কোন একটি বাসস্টপ থেকে হয়তো ওঠে। ছেলেটির এবং আমার বাসে বসার স্থান প্রায় নিদ্রিষ্ট থাকে।

বিস্তারিত»

রাধাকথন-৩

তোয়ালে নিয়ে বসে আছি
সর্বনাশের আশায়

গ্রিলের কোণে কোণে
গর্ভিণী মেঘ জমে আছে কিছু।
হাওয়ায় চুল মেলে
দুলে দুলে
ওঠে নারকেল গাছ
বর্ষার আসন্নতায়
কেঁপে যায়
শার্সি,জানলার নরোম কাঁচ

‘মিঁয়া কি মল্লার’ ধরেছেন
রশিদ খাঁ
বিদ্যুতের ঘায়
প্রতীক্ষার সুতো
ছিঁড়ে যায়…
এমন ঘোর রাত্রিতে হায়
হেঁটেই আসছো সখা!

বিস্তারিত»

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -২ , ৩

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -২

অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা আমাদের সাথে মহাবিশ্বের?

বিস্তারিত»

দ্বৈতসত্ত্বা

অনাহূত আগমন,
আর অবাঞ্ছিত অবস্থান,
অবারিত অন্তর দানে,
মূমুর্ষূর মিলে প্রান।
অনভিপ্রেত সৌজন্যে,
অন্তর যেথা ব্যাধিময়,
ভাবে তারে আপনার
অধিকার করে লয়।
মহাপ্রান কাঁদে বসে,
অস্ফুট আর্তনাদ,
অধিকারে হানাহানি, আর শুধু টানাটানি,
এভাবেই কাটে দিন
বাড়ে শুধুই বিষাদ।
অতিথিসৎকারে অতিথিই দুর্জন,
জানিলে কি দেয় ঠাঁই?
তাই ভেবে কাঁদে মন।
অতিথিও বোকারাজ,

বিস্তারিত»

রাধাকথন-২

জুলাইয়ের এই শেষ দুপুরে
হাতে হাত ছোঁয়াবার
তুচ্ছতম দ্বিধাটুকু
পুড়ে পুড়ে
ঝরে যায়
সিগারেটের মতো,
শপাং চাবুকের চেয়েও
নির্দয় লাগে
তোর ফেস,বুক আইফোনে
অগণণ গোপিনীর ছাপ..

আমাদের কোন কদমতলা নেই আর
যমুনা কবে মজে হেজে গেছে!
গাড়িতেই চল কানাই
বারী সিদ্দিকির বাঁশিতে
ভেসে যাই
ক্রন্দসী যমুনার এপার ওপার

বিস্তারিত»

অনন্ত প্রতিক্ষা

আমার এক বন্ধু খালিদের লেখাটাকে কিছুটা modify করে নিজের নামে চালিয়ে দিলাম। 😛

পূর্বকথা…………………

১৪ ই ফেব্রুয়ারি,২০০৯। বিশ্ব ভালবাসা দিবস। আজকের এই দিনে পৃথিবীর সকল তরুণ-তরুণী তাদের প্রিয়জন কে ভালবাসার রাখিতে আবদ্ধ করেছে। কিন্তু একটি তরুণের ভাগ্যে সেই সৌভাগ্য ছিল না। দুপুর এগারটায় রমনা পার্কের কাছে এক ট্রাক দুর্ঘটনায় মৃত্যু বরন করে সে। তার সারা দেহ পিষ্ট হলেও আশ্চর্যজনক ভাবে তার ডান হাত টা ছিল অক্ষত।

বিস্তারিত»

এবার তুমি ফেরাও আমায়

এখন তুমি কোথায় আছো?কেমন আছো?আমায় ছাড়া দিনগুলো সব কাটছে কেমন?বৃষ্টি দিনে জানলা খুলে দাঁড়িয়ে তুমি সবুজ দেখো?মধ্যরাতে একলা হাটো উঠোন জুড়ে?হঠাৎ যদি একলা লাগে,আলতো আঙুল ছুঁইয়ে দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ো শুকতারাটা।আকাশ বাড়ির উঠোনজুড়ে মেঘ বিছানা মুছিয়ে দিয়ো হাতের নাড়ায়।তাতেও যদি আধাঁর থাকে,পুকুর পাড়ে যেসব জোনাক সোহাগ করে,তাদের ডেকো।তাদের সবুজ নরম মদে ভিজিয়ে নিও তোমার দুহাত।তোমার চুলে,কুসুম কোলে হাত ও বুকে এসব সবুজ জ্বলতে থাকুক।হঠাৎ ডাকুক একলা পাখি তারস্বরে।তোমার ঘরে প্রদীপ শিখায় চৈতী হাওয়া জলসা বসাক।নৃত্যরত অগ্নিশিখা দুলিয়ে কোমর বাহবা নিবে।চতুর্দশীর একঘেয়ে চাঁদ নতুন সাজে সাজবে না হয়।আর না হলে হঠাৎ পতন-নদীর জলে আচমকা ডুব।স্বচ্ছ চোখের মাছেরা সব ছুটবে তখন আলোর পিছে।যেমন আমি ছুটছি আজো।ছুটতে ছুটতে পৌছে যাচ্ছি গড়ের মাঠে,রাবার বনে।যেখান থেকে কেউ কোন দিন ফেরে না আর।তুমি আমায় ডাক না দিলে ফিরবো না আর।হাটতে হাটতে চলে যাবো শেষের খেলায়,জুয়ার আসর।তাই তোমাকে আজ অনুরোধ,এবার তুমি ফেরাও আমায়।

বিস্তারিত»

পোট্রেইট

।১।
তার মানে তুই আমাকে পোট্রেইট এঁকে দিচ্ছিস না? পিউ এর কথাটা বেশ ভারী শোনাল। কথক বলল, আর কিছু দিন সময় দে,ঠিক একেঁ দেব। সেমিস্টার ফাইনাল নিয়ে একটু ব্যস্ত। কথকের কথা শুনে পিউ এর মেজাজ খারাপ হল। কোন মতে বিরক্তি ঢেকে বলল,দেখ ভালো ছবি আঁকিস বলে তোকে আমার পোট্রেইট আঁকতে বলেছি। সেই পাঁচ মাস ধরে ঘুরাচ্ছিস। আজ কাল করতে করতে এতটা দিন কেটে গেল।

বিস্তারিত»

রাধাকথন-১

হৃষ্টপুষ্ট দিনের কংকাল পড়ে পাশে,
মেঘেরা মেতে
আদল ভাঙার স্বেচ্ছাচারিতায় –
বেলা যায়
উনুনে ফূঁ-দেয়া লাল চোখে,
বাঁশির আশে
প্রাণ সঁপে দিয়ে
পোড়াভাতের ফেনও কেমন
যমুনাপানে ঝোঁকে,
কানু রে
কান্দন চেপে আছি
সেই কবে থেকে
এবারে আমার দিনরাতের
গতর ফিরায়ে দে!

বিস্তারিত»

টরেন্ট ডাউনলোড করুন IDM দিয়ে(torrific এর বিকল্প)

এর আগে পোষ্ট করেছিলাম কিভাবে Internet Download Manager দিয়ে torrent ফাইল ডাউনলোড করবেন। কিন্তু আগের লেখার torrific.com সাইট টি কিছুদিন আগে বন্ধ হয়ে গেছে। চিন্তা নেই এর বিকল্প ব্যাবস্থাও আছে, এটা বরং torrific এর চেয়েও অনেক দ্রুতগতির…
যাদের IDM নেই তারা IDM ডাউনলোড করে নিতে পারেন এখান থেকে।
এখন ডাউনলোড এর পালা।
প্রথমে আপনাকে যেতে হবে এইখানে

বিস্তারিত»

মা

অদ্ভুত সুন্দর এক গোধুলীর রং-এ মাখা পড়ন্ত বিকেল। পার্কের রাস্তায় একাকী হাঁটছি। দূরের মানজানো পাহাড়ের উপর পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদ্দুরের আলো এসে পড়েছে। আকাশে একই সাথে সাদা, কালো এবং কমলা মেঘের আনাগোনা। বিস্তীর্ন দিগন্ত একই সাথে দেখতে পাচ্ছি। পশ্চিমের দিগন্তে যেখানে সূর্য অস্ত যাবে সেদিকেই আমার ফেলে আসা প্রিয় জন্মভূমি। হাতের ঘড়িতে দেখলাম বুধবার, ১ আগষ্ট। তার মানে বাংলাদেশে এখন ২ আগষ্ট। বিশ বছর আগের ঠিক এই দিনে মন ছুটে গেল।

বিস্তারিত»

মাথার-ব্যামো-১

ব্যাপারটার শুরু হয় একদিন বৃষ্টিতে অনেকক্ষণ ভেজার পর।ঘাড়ের পিছন থেকে হালকা একটা চিনচিনে ব্যথা মাথার তালু পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়।আমি ফার্মগেট থাকি,কোচিং করি।মনে অনেক স্বপ্ন।মাত্র ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হলাম।এইসব ব্যাথাকে পাত্তা দেয়ার সময় কখন?তাই বাড়ি ছেড়ে ফার্মগেটে চলে এলাম।ব্যাথা টাও আমার সাথে এল।প্রতিদিন আমাকে জ্বালাতে লাগল।ব্যাথাকে থোরাই কেয়ার করে দিন কাটল।এদিকে ISSB র কল চলে আসছে।কেনাকাটা করে বাসায় গেলাম আগেরদিন।ব্যাথা নিয়েই গেলাম এবং যথারীতি স্ক্রীন্ড আউট হয়ে চলে আসলাম।এরপরই ঘটনা ঘটা শুরু হল।চিনচিনে ব্যাথা শেষ হয়ে দপদপ ব্যাথা শুরু হল।কিন্তু ঢাকার মায়া ছাড়তে পারলামনা।ফিরে গেলাম বন্ধুদের সাথে।একদিন ইফতারির পর মাথাব্যাথার জ্বালায় আর উঠতে পারলাম না।আমার চাচাত ভাই ইসলাম বাসায় ফোন করে সব আব্বুকে বলল।বাবার নির্দেশে পরদিন বাসায় চলে আসতে হল।ডাক্তার দেখালাম।ঘুমের ওষুধ দিল।দিন পাচেক পড়ে পড়ে ঘুমালাম।কিন্তু ব্যাথা আরও বাড়ল।ডাক্তার পালটালাম,কিন্তু লাভ হল না।আমার অবস্থা আরও খারাপ হতে লাগল।অবশেষে ঈদ এল।আমার জীবনে কাটানো সবচেয়ে খারাপ ঈদ।ঈদের পর অবস্থা আরও খারাপ হল।অবস্থা খুব খারাপ দেখে ডাক্তার   CT SCAN করাইতে বলল।করাইলাম এবং রিপোর্ট আসল।আব্বু রিপোর্ট নিয়া নিওরো-সার্জনের কাছে গেলো।তবে ডাক্তার কী বললেন তা কাঊকে খুলে বলল না।শুধু বলল ছোট একটা অপারেশন করাইতে হবে।আমার তখন এইসব শোনার বা জানার মতো অবস্থা নাই।সারাদিন সেন্সলেসের মত বিছানায় পড়ে থাকি।শুধু এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ চাই।দুই দিন পর সন্ধ্যায় একবার বমি করে সেন্সলেস হয়ে গেলাম।তখন আব্বু-আম্মূ ডিসিশন নিল আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে।সাথে সাথে এম্বুলেন্স ডাকা হল।আসা মাত্রই আমাকে গাড়িতে তোলা হল।সঙ্গে আব্বু,আম্মূ,ইসলাম এবং ইসলামের বাবা-মা অর্থাৎ আমার চাচা-চাচী।গাড়ী ছাড়ল টিকাটুলির সালাঊদীন হাসপাতালের উদ্দেশশে যেখানে ঐ ডাক্তারের চেম্বার।পথে এমন প্রাকৃতিক ডাক আসল যে মাথাব্যথা কমে গেল।অবশেষে রাত সাড়ে নয়টার দিকে হাসপাতালে পৌছালাম।আগেই কেবিন বুক করা ছিল,নয় তালায়।কেবিন নং ৩০২।কোনমতে কেবিনে ঢুকে আগে টয়লেট সারলাম।বের হয়েই দেখি নার্স হাজির।স্যালাইন লাগিয়ে দিল আর একটা ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে গেল।ব্যাস,

বিস্তারিত»

একটু শুধু ঘেঁষতে দিও কাছে

তুমি একটু শুধু ঘেঁষতে দিও কাছে
তোমার কাছে অনেক কিছু বলার আমার আছে
একটু হবে ফিসফিসানি একটু হবে কথা
একটু হবে কোলাহলে ঘেরা নীরবতা
একটি কথায় হাসবে তুমি একটি কথায় কাঁদবে
একটি কথায় তোমার মনে রহস্য দানা বাঁধবে
এক পৃথিবীর কথা জমা এক আকাশের মেঘ
এক সাগরের জলরাশি জমানো আবেগ
তোমার জন্যে কথার ঝুড়ি গোপন প্রেমের কাব্যে
বলবো আমি এখন থেকে আমায় আবার ভাববে
আবার তুমি সুর সাজাবে দূর পাহাড়ের ঝরনা ধারা
তোমার গানের উচ্ছাসে আজ বায়ুস্তর বাঁধন হারা
একটি কথা কানে কানে একটি কথা জোড়ে
একটি কথা বলে ফেলা ভালোবাসার ঘোরে
একটু কাছে আসতে দিও একটু দিও ঠাঁই
আমিতো এক পাগল প্রেমিক ঠিক ঠিকানা নাই
আবার কবে তোমার কাছে ফিরে আসার ভাগ্য হবে
আবার কবে তোমার চোখে অপেক্ষার ই কান্না রবে
আবার কবে আকাশ হয়ে মেঘ জড়াবো তোমার গায়ে
আবার কবে ছায়া হয়ে থাকবো তোমার পায়ে পায়ে
এখন অনেক দুঃসময় এক কাব্য লিখে পেট ভরেনা
এখন বুঝি বিলাসিতাও তোমার মনে দাগ কাটেনা
কবিতা নয় বাস্তবতার দু এক কথা বলবো তাই
একান্তে আজ এই প্রহরে তোমার কাছে ঘেঁষতে চাই.

বিস্তারিত»

হাবুল হোসেনের সাথে হুমায়ুন আহমেদের একান্ত আড্ডা (অপ্রকাশিত সাক্ষাতকার)

রিকশাওয়ালার ভাড়া মিটিয়ে নিজের ঘরে পা দেয়ার পরে ছোট ভাইবোনদের হুমায়ুন বিষয়ক জল্পনা কল্পনা, মুখরোচক আলোচনায় এতক্ষণ ভুলে ব্যথাটা নতুন করে জেগে উঠে হাবুলের। হুমায়ুনের মৃত্যুতে যেখানে সবাই হুমায়ুনের সাথে স্মৃতিচারণ নিয়ে মেতে রয়েছে, তখন তার ভাণ্ডার একদম খালি। তার সহকর্মীদের কেউ হুমায়ুনের সাথে এক বিকালে চা খাওয়ার গল্প লিখছে, কেউ হুমায়ুনের বাসায় বসে দেওয়া আড্ডার কথা লিখছে, সাহিত্যিক কাম সাংবাদিকরা যেখানে হুমায়ুনের মুখ থেকে বুলি বের করে নিজের কৌতুককে জাতে উঠাচ্ছে,

বিস্তারিত»