প্লেটোনিক সুপারস্টার হুমায়ূন আহমেদ

সাহিত্য ও সংস্কৃতি দেশ ও জাতির উন্নতির সোপান। কেননা, সাহিত্য মানব সমাজের বিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন দর্পণ। যার নিপুণ ছোঁয়ায় পর্যবেক্ষণ তালিকায় উঠে আসে দেশ ও জাতির উন্নতি-অবনতি, ভাল-মন্দ ও সুখ-দুঃখের সচিত্র প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনের উপর পর্যালোচনা ও গবেষণা চালিয়ে সুস্থ ও সভ্য জাতি তাদের ভবিষ্যৎ কর্মধারা নির্ধারণ করে। উন্নতির হাজারো পথ উন্মুক্ত করার নিরলস চেষ্টায় নিরন্তর ব্যস্ত থাকে। অপর দিকে, যে কোন জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য,

বিস্তারিত»

ফরেন থেকে ফাইভ ফিচারস

বিদেশী ছবিতে চুমু-তো অহরহ দেখি, তবু জানালা ভেঙ্গে ঢুকে শার্লক যেভাবে মলিকে চুমু খেলো সে কথা মনে থাকবে বহুদিন।
ছবিতে ছবিতে মনে এলো সুচিত্রা সেনের কথা, আমাদের প্রায় সবার বাপ চাচাদের বাংলা নায়িকা ফেটিশ ছিলেন হয়তবা সুচিত্রা সেন, সেবার পিরোজপুরে মামা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছি, কথায় কথায় উঠে এলেন সুচিত্রা সেন, মেজো মামা বললেন এক চমকপ্রদ কাহিনী।

টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে সিনেমা দেখার টিকেট যোগাড় হত,

বিস্তারিত»

আমি অপার হয়ে বসে আছি (হল ক্যান্টিন ভার্সন)

আমি অর্ডার দিয়ে বসে আছি,
ওহে ক্যান্টিন বয়,
খাওন দিয়া যাও আমায়……।।।

আমি বসে রইলাম একা (আ আ আ)
তুমি দিলা না তো দেখা।
আমি নুডুলস চাইছি অনেক আগে…।
দিলা না তো হায়…
খাওন দিয়া যাও আমায়……।।।

লাঞ্চে হলে ছিল মুরগী (ই ই ই ই ই)
ঝোলের মধ্যে পাইছি সুরকি।
তোমায় অর্ডার দিসি হালিম-পুরি,

বিস্তারিত»

ট্রেন কেক

নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেব সমীপেষু
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ
ডট কম।

বিষয়ঃ অন্তর্জালের ডায়েরীতে রন্ধন বিভাগ অন্তর্ভুক্তিকরণ ।

মহাশয়,
যথাবিহিত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, পত্র লেখক অধম লক্ষ্য করিয়াছে আপনার ডায়েরী পাঠকের সংখ্যা কদাচিৎ ত্রিংশপরি হইয়া থাকে। ইহার ফলশ্রুতিতে  নিরতিশয় লজ্জা বোধ হইতেছে। অধুনা ব্যাপক সংখ্যক প্রমীলা অন্তর্জালে বিচরণ করিয়া থাকেন। সহলেখিকা ভগীনিসকল কলম পিষিতে বিশেষ আগ্রহ বোধ করিতেছেন এই রুপ বোধ হইতেছে না।

বিস্তারিত»

চাণক্য

ICC

The Queen, Dominion and the Trader.
ICU ready for cricket !
Imperialism knocking.

কৌটিল্য

রাণী  ক্যাঙারু  আর বেনিয়া।
চাণক্য কৌটিল্য, ক্রিকেট
বিশ্বায়ন না বেনিয়াকরণ ?

Cocktail

Cocktail of lie and truth.
How deadly
The friendly dynamite !

বিস্তারিত»

হুমায়ুন আহমেদের ‘দেয়াল’

আমি ছোটবেলা থেকে হুমায়ুন এবং জাফর বাদে হাতেগোনা কিছু বই পড়েছি । হুমায়ুনের বই অনেকের মতে ফাস্ট ফুড বা  কোমল পানীয়ের মতো । তৃপ্তি আছে, তবে স্বাস্থ্যকর নয় । ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনই সেই দলে ছিলাম না । আমি এখনও তার বইয়ের প্রতি প্রচন্ড আসক্তি অনুভব করি ।

বইটি প্রকাশিত হয়েছে হুমায়ুনের মৃত্যুর প্রায় সাত মাস পর । ভূমিকা লিখেছেন আনিসুজ্জামান । প্রকাশিত হওয়ার আগেই বইটি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল ।

বিস্তারিত»

রাতের পেচাল

রাত প্রায় ১টা বাজে। ক্যাম্পের দোতলায় বসে জোরে জোরে গান শুনছি। বেশ লাগছে।
আবার একটু ভয়েও আছি, হঠা্ত কেউ এসে বলে বসবে, মাথা কি নষ্ট হইছে নাকি?? এত রাতে এত জোরে জোরে কেউ গান শোনে??
ভাল লাগছিল না। আশেপাশের সবই চুপচাপ। নিরব, শান্ত। বোঝার উপায়ই নেই, সারাদিন এখানে খালি দৌড়াদৌড়ি চলে। জোরে জোরে গান শোনার পরও চারপাশে শুন্যতা।
মনে হচ্ছে সারাদিন মনে হয় এর ভিতরেই ছিলাম।

বিস্তারিত»

এইসব রাত্রি-দিন

বিটিভি হয়ত ভুল করেও এখন কেউ দেখে না। সেদিন একরকম ভুল করেই কিছুক্ষন বিটিভি দেখা হয়ে গেল। কোন এক নাটকে তরুন বয়সের আসাদুজ্জামান নূরকে দেখে কৌতুহলী হয়ে আটকে গেলাম। বেশ পুরাতন নাটকটি দেখতে ভালই লাগছিল, একেবারে শেষ পর্যন্ত গিয়ে বুঝতে পারলাম এটা ছিল ‘এইসব দিন রাত্রি’। যখন এটা প্রথম দেখায় তখন আমার দেখা থাকলেও মনে থাকার কোন সুযোগ নেই, তবে অবাক হলাম নাটক শেষে ক্রেডিট দেখানোর সময় বাজতে থাকা সুরটি শুনে।

বিস্তারিত»

অসুস্থতা

আমি আজকে বুঝলাম আমি অনেক আগে থেকেই অসুস্থ ।

বি এম এ তে জয়েন করার আগে টানা এক মাস হাসপাতালে ছিলাম । নভেম্বর ২০০৬ এর শেষ দিকে জ্বর আসল । পাত্তা দিলাম না । ভাবলাম,  ধুর…  এই জ্বর কত্তো হইছে । এর জন্য ওষুধ !

এইভাবে এক সপ্তাহ কাটল । তারপর দেখি আমি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় । শুধু মনে আছে আমি চোখ বন্ধ করলেও সব দেখতে পারতাম !!

বিস্তারিত»

রাধাকথন-৯

আমার গায়ে যত দুঃখ সয়
বন্ধুয়ারে করো তোমার
মনে যাহা লয়

পোড়াচোখের
কাজলঘেঁষা জল
কবে’ হয়ে গেছে
মাছব্যাপারীর
আঁশটে নোট,কালা!

পাষাণ বন্ধু রে
প্রহরগুলো তোর
যমুনায়
নেমে গেছে
পায়পায়,
গলায় দড়ি দি’ছে
রঙ্গিলা কলস হায়

এখন শুধু
মাসী গুণে
কনডম দ্যায়,
গোণে ক’জন এলো গেলো।

বিস্তারিত»

প্লেটনিক ডগারেল

আমার বাবা ব্যর্থ প্রেমিক,
তোমার বাবাও ব্যর্থ।
হয়তো বা সেই কারণেই
প্রথম আবেগ দ্ব্যর্থ।

মুসলমানের পোলা,
প্রেমিকার মা চাচী, মামী
ফুফু  কিংবা খালা।
ধারার বাইরে যেতে
জিউকে অবহেলা।

প্যারিস রোড আর পশ্চিমপাড়া
যেন ছিল ব্রাত্য।
মায়াবী চোখ মিষ্টি হাসি
বাঁকানো মুখ দেখতে হলাম আর্ত।

কেনিয়া বধ কানে শুনি
কল পাঠিয়ে প্রহর গুনি
কত যুগ যে কেটে গেল
পাষান তোমার মনটি গলে
হলের গেটে আসবে
মুক্তো ঝরা হাঁসবে।

বিস্তারিত»

অ্যানাপোলিসের ডায়েরী – ৩

১৪ ই জানুয়ারি, বিকাল ৫:১৮, ২০১৪

মোকাব্বির ভাই এর ডায়েরী ব্লগ টা দেখে মনে হলো আমিও শুরু করে দেই না.. খারাপ হবেনা। এর আগে ছাড়া ছাড়া ভাবে দুইটা পর্ব দিয়েছিলাম। ভাবছি জিনিসটা নিয়মিত করতে হবে.. একটা ব্যাপার খুব ভালো ভাবে বুঝতে পারছি যে আমি একটা ট্রানসিশন পিরিয়ড পার করছি অনেকদিন ধরে.. আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে গত এক বছর ধরেই। এখানে এসে প্রথমেই পাই প্রাথমিক কালচারাল শকের স্বাদ।

বিস্তারিত»

রাত জাগা ছন্দ।

আজ ব্যস্ত ছিলাম। ভীষণ ব্যস্ত।
সকালে দেখেছি দুটো স্বপ্ন।
দুপুরে ছিলো আকাশকুসুম প্রাসাদসম।
বিকেলটা ছিল রঙের বাহার।
গড়িয়ে বিকেল সন্ধ্যা যখন,
রবিকরের দৃষ্টি তখন–
কমলালেবুর বাকি আদ্ধেক।
চোখের পাতায় প্রজাপতি,
মনের মাঝে সেনাপতি-
রণে ভঙ্গ দেয় না।
হঠাৎ শুনি–
নাঁকি গলায় যন্ত্রদানব
ইনিয়েবিনিয়ে কেঁদেকেটে
যাচ্ছে গিলে তুষারমানব
দু-চার কদম চাকায় হেঁটে।

বিস্তারিত»

ডেসপিকেবল মি!

এই দুনিয়ায় যত জাতি আছে, তন্মধ্যে ক্যাডেট জাতি সর্বাপেক্ষা নিষ্পাপ (হাসেন কেন? ঠিকই তো বললাম)। তবে, সব কিছুরই কিন্ত আছে। কিন্ত থাকবে না কেন বলুন, চাঁদ ও সূর্যের গায়ে যদি কলঙ্ক থাকতে পারে, তবে ক্যাডেটের চরিত্রে দুই-একটা কিন্ত থাকলে কোন সমস্যা নেই। যা বলছিলাম, এই নিষ্পাপ একঘেয়ে জীবনে অফুরন্ত আনন্দ নিয়ে আসে কিছু নিয়ম বহির্ভূত কর্ম। বলা নিষ্প্রয়োজন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো কারোর না কারোর বিরক্তির কারণ হত।

বিস্তারিত»

সুচিত্রা সেন – লাখো বাঙালীর হৃদয়ের নায়িকা

সুচিত্রা সেন – লাখো বাঙালীর হৃদয়ের নায়িকা
—————————— ডঃ রমিত আজাদ

সুচিত্রা সেন নামটির সাথে পরিচয় খুব ছোটবেলা থেকেই। আমার ফুপু বয়সে তিনি সুচিত্রা সেনের কাছাকাছিই হবেন, অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা। তিনি খুব বলতেন সুচিত্রা সেনের কথা। যা বুঝতাম, উনাদের সময়ের অভিনয় জগৎের জীবন্ত কিংবদন্তী ছিলেন সুচিত্রা সেন। আমার খুব ছোট বেলায় সুচিত্রা সেনের ছবি দেখার সুযোগ হয়নি, কারণ তখন দেশে একটিই টিভি চ্যানেল ছিলো –

বিস্তারিত»