১৯৯৯, ডিসেম্বর…(জ্যাকেট ওয়ালা লোকটির নিজের কথা)

সিরিয়াল ৩
১৯৯৯, ডিসেম্বর…(জ্যাকেট ওয়ালা লোকটির নিজের কথা)

আমার বাবার সাথে বাণিজ্যিক আলাপ হয় জ্যাকেটওয়ালার। জ্যাকেটওয়ালা বলছি কারণ আমি নাম জানি না তার। যাই হোক, জ্যাকেটওয়ালা আমার বাবার মুখে আমার কথা শুনতে শুনতে আমাকে দেখার জন্য অধীর।আমার গুনমুগ্ধ আব্বু আমার এমন গুনকীরতনই করেছেন যে, জ্যাকেট ওয়ালা একদিন আমাদের বাসায় এসেছিলেন আমাকে দেখতে। কিন্তু আমি তখন কলেজে। ড্রইংরুমের দেয়ালে আমার ফটো ছিল। ওইটা দেখে উনি ……মুগ্ধ!( কি মজা,

বিস্তারিত»

পচাণুগল্প ০১ #ডিয়েস্লার

– এক্সকিউজ মি, একটা ছবি তুলে দেবেন প্লিজ?

কিছু কণ্ঠ আছে যা শুনলে মাথা চক্কর দেয়, কিছু কণ্ঠে ভুরূ কুঁচকে যায় আর কিছু কণ্ঠে বুকের ভেতর পিয়ানোর সুর বেজে ওঠে। কিন্তু অচেনা নারী কণ্ঠের মাত্র এক লাইনে একইসাথে শরীফের ভুরূ কুঁচকে গেল, মাথায় চক্কর দিল, বুকের ভেতরে হাজারটা পিয়ানো টুংটাং বেজে উঠল। ঝট করে পেছন ফিরে তাকাল সে। উনিশ কুড়ির এক তরুণী ক্যামেরা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

বিস্তারিত»

ঢাকা কাহিনী

আমার জন্ম থেকে শুরু করে বেড়ে ওঠা পুরোটাই ঢাকায়, আরো নির্দিষ্ট করে বললে মিরপুরে। কিন্তু ৯৬তে কলেজে যাওয়ার পর থেকে ঢাকার মেহমান হয়ে গিয়েছি। প্রায় পুরোটা সময় কেটেছে কয়েক মাস পর পর কিছুদিনের জন্য ঢাকায় বেড়ানোর মত করে। প্রতিবারই ঢাকায় গিয়ে নতুন কিছু দেখা হয়। কোনটা ভাল লাগে, কোনটা খারাপ আবার কিছু কিছু রীতিমত চমকে দেয়।

গত সপ্তাহেও এভাবে ঢাকা বেড়ানো হলো প্রায় পাঁচ মাস পরে।

বিস্তারিত»

অর্থহীনালাপ

আমি আমার বন্ধুদের অতীত অবয়বগুলোর জন্য প্রবল আকুতি ও বেদনাবোধ করি।

তাদের বর্তমান অবয়ব আমার সাথে মেলে না। শুধু অমিলই না, রীতিমত বিপরীত প্রবণতা দেখি তাদের ভেতরে। এজন্য আমি প্রথম প্রথম খুব ক্ষুব্ধ হতাম। কারণ অতি-পরিচিত এই বন্ধুদের সাথেই তো বেড়ে উঠেছি। আমার সত্ত্বার সাথে তারা মিশে আছে। আমার চিন্তাভাবনার অনেকটাই তাদের ঘিরে গড়ে উঠেছে। এখন হয়তো আমার নিজস্ব ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি হয়েছে,

বিস্তারিত»

১৯৯৯, ডিসেম্বর……এক ঝলক দেখা

সিরিয়াল ১

১৯৯৯, ডিসেম্বর……এক ঝলক দেখা
আমি ক্লাস টেনে পড়ি। আমাদের বাসায় এক ছেলে এসেছে আব্বুর কাছে কোন একটা কাজে। ড্রইংরুমে বসেছে। কে না কে, তাই আমি আর দেখা করিনি।

আমি পাশের ঘরে টেলিফোনে কথা বলি। দুই ঘরের মাঝখানে একটা দরজা। আম্মু নাস্তা নিয়ে ঢুকল ড্রইংরুমের দরজা দিয়ে। আমি তাই ওইদিকে তাকালাম। আমার একটা বিশেষ ধরনের জ্যাকেট পছন্দ ছিল ওই সময়।

বিস্তারিত»

রুপকথার গল্প

মে আই কাম ইন স্যার ?
আসো ।
এই , তুমি জুতা পড়ে এখানে ঢুকছ কেন ?
স্যার আমি পা মুছে ঢুকছি ।
যাও…… জুতা, মোজা খুলে ভালো করে হাত পা ধুয়ে আসো ।
কি ব্যাপার ? এতোক্ষন দরজা খোলা রেখেছ কেন ?……………………
আমি হাত পা ভালো ভাবে ধুয়ে রুমে ঢুকলাম ।
স্যার নীল একটা মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছেন ।

বিস্তারিত»

আর কত ?

আর কত দিন এভাবে চলা ?
পারিনা তবু হয়না বলা
সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে
ভাবনার জগতে আসি ফিরে।
হিসাব মেলেনা ইট পাথরের
কিংবা শাড়ী গয়নার,
না পারি অংক না পারি বিজ্ঞান
তবু তাকে বলি বাস্তব জ্ঞান।
হে  মোর আধুনিক পাঠশালা
দেখি শুধু ছলাকলা।
গা ভাসিয়ে সাগরে জলে
ঢেউ গুনে গুনে
করি নিজের অবহেলা।

বিস্তারিত»

পাখিজীবন

ছোট্ট খুকুর হাত ধরে অমন চরকি ঘুরান দিলে প্রথম দুএক পাক খিলখিল
বিনুনি খসে রিবন ওড়ে,পা থেকে চপ্পল,অশ্রু উড়ে যায় তারপর সংশয়মেঘ
হাতে বেদনা বোধে ভয়-একসময় ঠিক বোঝে খুকু এটাই জীবন।
মা বলেছিল,”অ মিলু,অত উঁচুতে উড়িসনা,পড়ে যাবি।”
মালবিকা কিন্তু তখনো ওড়েনি।

তৃতীয়বার গর্ভপাতের পর বিকিকিনির হাটে একজনকে মানুষ ভেবে ভুল
তারপর দশতলার ছাদ থেকে জীবনের প্রথম এবং শেষ উড়ান
দুহাত মেলে পতনের পথে উড়তে উড়তে সে ভাবল
তার এই নতুন অভিজ্ঞতা কারো সাথে ভাগাভাগি করা হলোনা!

বিস্তারিত»

এই আমাদের বেড়ে ওঠা

মাহিনের বয়স তখন কত হবে ছয় কিংবা সাত, ১৯৯১ সাল। সবে মাত্র কিছুদিন হয়েছে কুমিল্লা এলাকাটা ঘূর্নিঝড় পরবর্তী অবস্থা কাটিয়ে উঠেছে। চারদিকে চেয়ে দেখলে এখনও মনে হয় এই বুঝি গত রাতেই বড় আকারের ঝড় উঠেছিল। বছরের মাঝামাঝি সময়। আকাশের যেদিকটা চেয়ে দেখা যায় ক্ষানিক পরপরই কালো-ধূসর মেঘে ঢাকা,আকাশ থমথমে। মাহিনের স্কুল ছুটি হয়েছে আরও আধঘণ্টা আগে। ইস্পাহানি স্কুলের গেট ঘেষে বাচ্চাদের খেলা করার জন্য ছোট্ট একটা যায়গা সেখানে দোলনার উপর বসে মাহিন অপেক্ষা করছে আম্মুর জন্য।

বিস্তারিত»

ক্রিকেট স্বপ্ন

মাখন মাখা থাবা গলে
জয়টা যেন গেল পিছলে।
শুনছি এখন নতুন বাণী,
টাকার চেয়ে অনেক দামী
ছাগদুগ্ধে পরিপুষ্ট আফগানী।

সেলাম সিংহ লংকা
আবার হলে রাজা।
তোমায় দেখে বাড়লো জোশ
মনটা আবার তাজা।

সাবধান বেটা কাবুলিওয়ালা
ঘাড় মটকে খাব এবার
থলি ফেলে পালা।

শেরপা শ্রেষ্ঠা নেপালী
ভোঁতা হবে ভোজালী
চামড়া বড্ড শক্ত আছে
খাই না তো ঘাস বিচালী।

বিস্তারিত»

কবিতাটা খুঁজছি

মুক্তিফৌজ আরও অনেক গুণী
যাদের কাছে আমরা ঋণী
নিরব এখন না ফেরাদের দেশে।
পতাকায় ঢেকে গান স্যালুট
বন্দনায় মুখর লাশের পাশে
ধূলো বা ছাই হবার আগে
তার কী বা দাম আছে !

আক্ষেপে তাই কবিতা হল
তোমাদের ইতিহাসে
বীর নেই শহীদ আছে।
সম্মান  না দিলে পরে
গুণী জন্মাবে না দেশে।
বেঁচে থাকতেই দাও সম্মান
মানুষ হও অবশেষে !

বিস্তারিত»

যতি চিহ্ন

গতকাল একরাম কবীর ভাই জেসিসির একটা পোষ্ট থেকে জানলাম একজন ক্যাডেট চলে গেছেন।
Our JCC mate Enamul Munir (871/HH) has expired this morning at his Dhaka residence. Innalillah-e-wainna ilaihe raziun.
He possibly passed away in his sleep after a heart attack. His body is being taken to Chuadanga for burial. 
Please pray for our friend.

বিস্তারিত»

মাননীয় স্পীকার~

মাননীয় স্পীকার# ০১
কে বলেছে ”মোনালিসা” লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ?? আমার কাছে তার ”টাইটানিক” বরং বেশি ভালো লেগেছে  :chup:

মাননীয় স্পীকার # ০২
কে বলেছে আমার সিডিতে ভাইরাস আছে?? আমি তো প্রতিদিন স্যাভলন দিয়ে সিডি মুছে রাখি  O:-)

মাননীয় স্পীকার # ০৩
রেস্ট ইন পীস, নেলসন ম্যান্ডেলা (নিচে হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা মরগ্যান ফ্রিম্যানের ছবি) ~x(

মাননীয় স্পীকার# ০৪
আবুল হোসেন একজন দেশপ্রেমিক :khekz:

মাননীয় স্পীকার # ০৫
শহীদ কাদের মোল্লার শাহাদাত বরণে যারা শোকাহত,

বিস্তারিত»

কৈফিয়তনামা – ১

মানুষ হিসেবে আমি খুবই বৈশিষ্ট্যহীন একজন মানুষ। একদমই সাদামাটা। আমার বয়সে আসতে আসতে একটা ছেলের অনেকরকম অভিজ্ঞতা হয়ে যায়, সেই তুলনায় আমার ঝুলি নিতান্তই খালি বলা যায়, এতোদিনে সিগারেটা পর্যন্ত খাওয়া শেখা হয়ে উঠেনাই… কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা হল পুরাই honesty is lack of opportunity! আমার সাধ আছে অনেক কিছু করার, কিন্তু সাধ্য নাই। আরো ঠিক করে বললে সাহস নাই। আবার অন্যদিকে, আমার মধ্যে আত্মহত্যার ভাব প্রবল।

বিস্তারিত»

Muscle Cramp

Muscle Cramp (বাংলায় অনেকে ইহাকে ‘রগে টান’ বলিয়া থাকে !) :
আমরা আমাদের ইচ্ছানুসারে হাত-পায়ের মাংসপেশী সংকুচিত প্রসারিত করে নড়াচড়া করি, ওঠাবসা করি। কিন্তু আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হঠাত কোন পেশী সংকুচিত হয়ে গেলে পেশীতে spasm তৈরী হয়, আর তা চলতে থাকলে আমরা তাকে পেশীতে খিল ধরা বা ক্র্যাম্প বলি।

কি কারণে এমনটা হয়? –

কারণের আগা-মাথা খোঁজাখুঁজি……প্রধান কারণকয়টি এইরূপঃ
১) পানিশূণ্যতা (Dehydration
২) কোন স্নায়ু এবং / অথবা মাংসপেশীতে আঘাত –

বিস্তারিত»