গত পরশুই মাত্র থিম সং টি শুনলাম। গানটা ভাল লেগেছে কিন্তু সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলছিল বুঝতে পারছিলাম না। আশাকরি লেখাটা পড়ে এবং গানটা শুনে সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলা হচ্ছিল সেটার উত্তর কেউ দিবেন। যাই হোক সেটা বাদে রেফায়াত আহমেদ ও অনম বিশ্বাসের কথায় এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও কৌশিকের সুরে গানটি ভালই লেগেছে যদিও গানের সুর কিংবা গানের কথা বাংলাদেশকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করতে পারেনি। আমরা শত চেষ্টা করেও খাটি বাংলা গান বানাতে পারলাম না।যতটুকু না ঢুকালেই নয় যেমন স্টেডিয়াম কিংবা ক্রিকেট এসব বাদেও আরো ইংরেজীকে ঢুকাতেই হল।
বিস্তারিত»পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৮
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ রবিবার বিকাল ৪টা
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে
যাচ্ছে ‘কেটে’ দিনরাত্রি।
ফিরে এসো গরু হয়ে।
খেয়ে নাও ঘাসটুকু,
জাবর কেটো পরে।
তবু দোহাই লাগে-
কেটোনা মোরে এই
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে।
প্রচারে – মাথা নষ্ট
পেছনের কথাঃ এই ছড়াটা লিখেছি যখন প্রেমিকার সাথে সোভিয়েত রাশিয়া সময়কার স্নায়ু-যুদ্ধের আদলে যুদ্ধ শুরু হলো। কথা বললে উত্তর মিলে না।
বিস্তারিত»একটি অনাবিল আনন্দময় ও স্মরণীয় ভ্রমন অভিজ্ঞতা
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ১৫তম ইনটেকের (৭৮-৮৪) আমরা ১৮ জন বন্ধু (১৫ জন সস্ত্রীক) তাঁদের ২৭ জন সন্তান (একজন আবার এক্সক্যাডেট) সহ দিন কয়েক আগে দুরাত ও এক দিনের এক ভ্রমনে গিয়েছিলাম বরিশালে, আমাদেরই এক বন্ধু রিজভির আমন্ত্রনে, পৃষ্ঠপোশকতায়।
কথা ছিল ফিরে এসে ঐ অভিজ্ঞতার কথা লিখবে, যারা যারা লিখালিখি করে বা লিখালিখির সাথে জড়িত।
আমি এককিস্তি লিখেছিলামও। কিন্তু আমার বন্ধু বুয়েটের শিক্ষক মাহবুব সাড়ে চার কিস্তিতে এমনই এক স্বপ্নালু গদ্যের জন্ম দিয়ে ফেলল যে আমি আমার লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেললাম।
বিস্তারিত»গণ জাগরন নিয়ে আরেক কিস্তি
১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০১৪-এ এই লিখাটাও বেরিয়েছে বিডি নিউজ ২৪-এ।
সিসিবি-র পাঠকগণের জন্য এখানেও দিলাম।
গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান, সরকারের অবস্থান ও বিবিধ প্রচার-প্রচারণা
পূর্ব কথা:
গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান প্রক্রিয়াটা অনেক দিক দিয়েই ছিল নজিরবিহীন। এই উত্থান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতির মূলধারায় প্রবেশের একটি মডেল যে দেখতে পাওয়া গিয়েছে, রাজনৈতিক দলসমূহের জন্য আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সে কথা আগে একটি লেখায় উল্লেখ করেছি।
বিস্তারিত»আমার প্রথম বই “কাচের কুয়াশা” এর মোড়ক উন্মোচন
আগামিকাল বিকেল ৪.৩০ মিনিটে আমার প্রথম বই
গল্পগ্রন্থ “কাচের কুয়াশা” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হবে বাংলা অ্যাকাডেমির নজরুল মঞ্চে। আপনাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে কাম্য।
“কাচের কুয়াশা”
গল্পগ্রন্থ
মুক্তদেশ প্রকাশন স্টল নম্বর ৩৭১-৩৭২
অনলাইনে বই এর অর্ডার দিন www.rokomari.com
টঙ
ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠা, মানুষের ভীড়ে দম ফেলে বাঁচার আকুলতা, কানের কাছে প্রচণ্ড জোরে হর্ন শুনে মনে মনে চালককে গালি দেয়া, চলন্ত গাড়ির মাঝেই রাস্তা পাড় হওয়া সব ই যেন কতই না গুরুত্ববহ।
টানা পাঁচদিন হরতাল আর দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির জন্য দেরী করে ঘুম থেকে উঠাও হয় না। অথবা ঈদ-পূজার টানা ছুটিও পাওয়া হয় না।
ব্যাস্ত রাস্তায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে চলার সময় বন্ধুদের বলা হয় না- দোস্ত দাঁড়া,
বিস্তারিত»সিসিবি আড্ডা (বিজনেস টক) এবং চা-চক্র – আপডেট ফেব্রয়ারী ২৩ (সাময়িক পোস্ট)
আপডেটঃ প্রথমেই দুঃখিত বই উন্মোচন পর্ব অনুষ্ঠিত না হওয়ায়। বিষয়টি আসলেই বেশ হট্টগোল এবং জটঘট প্যাকানো বিষয়। বইমেলার আসলে চারটার পর না যাওয়াই ভালো। অস্বাভাবিক ভীড় হয়ে যায়।
জেট ল্যাগের প্যাঁচে যাতে না পরতে হয় এজন্য আমি যেদিন আসি সেদিনই বের হয়ে যাই। এবারও সাতটায় পৌঁছে বারটায় ঘর থেকে বের হলাম। তারপর বই মেলায় গেলাম। আমার সাথে আরও তিনজন ভার্সিটিতে পড়া মেয়ে ছিল যাদের মধ্যে দুজন এই প্রথম বই মেলায় গেল।
চোরের মায়ের বড় গলা
বেশ কিছুদিন ধরেই আমার মাথায় একটা বিজনেস আইডিয়া ঘুরতেসিল, এর জন্য দরকার ছিল কিছু ম্যান পাওয়ার এবং বিনিয়োগকারী। রাজীব ভাই এবং আমাদের ব্যাচের তিনজন মিলে আমরা প্ল্যান করলাম যে একটা অনলাইন বই এর দোকান খুলবো।
হার্ড কপি, সফট কপি যেটা সম্ভব সেটা বিক্রি করা হবে। হার্ড কপি সারা ইউরোপের মাঝে হোম ডেলিভারি দেয়া হবে, এবং সফট কপি যে কেউ ক্রেডিট কার্ড, পেপাল, মানিব্রুকারস এর মাধ্যমে পে করে ডাউন-লোড করতে পারবে।
কেমন আছি?
মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ থাকে।
আজ ঘুম ভেঙেছে ভেন্টিলেটরের বাসিন্দা চড়ুইপাখির কল্যাণে। ভোর ৫ টায়। সিলিং ঘেঁষে ওড়ার সময় প্রকৃতির ডাক সে এড়াতে পারেনি। ঠিক মুখের উপর পায়খানা করে দিয়েছে। ( পায়খানা বিষয়ক সিরিজ স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে মৌন প্রতিবাদ সম্ভবত)।
শীত- গ্রীষ্ম সবসময়ই মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর কল্যাণে পয়ঃনিষ্কাশিত বর্জ্যের আলিঙ্গন লেপের উপর দিয়ে গেলেও পূতিগন্ধময় নারকীয় দুর্গন্ধটা কিছুতেই এড়ানো গেল না। শুয়ে শুয়েই দিব্যদৃষ্টে দেখলাম পরীক্ষা শেষে রুমে এসে জ্বালিয়ে দিয়েছি চারটা ভেন্টিলেটর,
কেমন আমি !
ওর প্রতিবেশি বলেছে_
যে, আজ ও, তা বেশ অসুস্থ ;
শোনা মাত্র আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি,
ওকে দেখতে যাব, বলে দিয়েছি তাকে।
সময়ের অস্থির ব্যস্ততায় ভুলে গিয়েছিলুম ধুপ করে,
কিন্তু রাতে, তার পাড়াতেই আমার আগমন ;
আরেক বন্ধুর জন্মদিনের দাওয়াতে বারোটায়,
পার্টি শেষে ফেরার জন্যে দলগত তাড়াহুড়ো।
নিশ্চিত তুমি বন্ধু সুস্থ হবার জন্য প্রভুকে ডাকছো ;
বিস্তারিত»সক্রেটিসের এ্যাপোলজি – ৩
সক্রেটিসের এ্যাপোলজি – ৩
মূল বক্তৃতাঃ সক্রেটিস
লিখেছেনঃ প্লেটো
অনুবাদঃ ডঃ রমিত আজাদ
(যে কয়েকটি সংলাপ ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে তার মধ্যে একটি হলো এ্যপোলজি (Apology)। আধুনিক ইংরেজীতে Apology অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা। কিন্তু গ্রীক ভাষায় Apology-অর্থ ভিন্ন। সেখানে Apology-অর্থ defense। আদালতে বিচারের সময় আত্মপক্ষ সমর্থন করে সক্রেটিস যে ভাষণ দেন এ সংলাপ তারই বর্ণনা। নিচে মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের বক্তৃতা হুবুহু তুলে দেয়া হলো।)
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
আর একটি বিষয় আছে —
বিস্তারিত»সহপাঠী বন্ধু
[ একটি বুমেরাং ছড়া ]
বন্ধু আমার বড্ড ব্যস্ত,
ফোন ধরতে পারে না।
মাউস ক্লিকও জমিয়ে রাখে,
অপচয় করে না।
চাষার ছেলে ছিলো আছে
এখনও যে অভাবী।
ফোন ধরতে বয়েই গেছে
করবে বুঝি ধার দাবী।
ছিল বেটা অসামাজিক
বেজায় রকম বিরক্তিকর।
বইয়ের পোকা ছিল বটে
হবে নাকি জ্ঞানধর !
পাঁচটি মোটে নাম্বার আছে
এসিআরে সততায়।
আবারো ফিরে আসা – ০১
শেষ কবে লিখেছিলাম মনে নেই, তাই ভাবলাম চেক করি। কিন্তু চেক করে আর কি? এসেছি ই যখন আবার কিছু লিখি, তাই যা ভাবা তা কাজে করার জন্য বসলাম। এর আগে যখন লিখেছিলাম তখনকার থেকে এখনের সময়ের দুরত্ব যেমন আছে, তেমন আছে ভৌগোলিক দুরত্ব ও। কিসের জন্য যেন মনে হয়, মন যখন অশান্ত থাকে, তখন শান্তকরন কর্মসূচীতে এ ধরনের মনের কথা গুলো বলে ফেলা ভালো কাজে দেয়।
বিস্তারিত»মুক্তিযুদ্ধে হত্যা
নিজের প্রতি_
আজ খুব করে ঘৃণা জন্মেছে ;
দেশের প্রতি_
জন্মেছে আবেগপূর্ণ ভালবাসা।
ঘৃণার জন্যে বদ্ধ ঘরে_
কষ্টগুলি ঘিরে আছে চারপাশ,
আর শ্রদ্ধা-ভালবাসার জন্যে
অন্তরে, সম্মান প্রদর্শনের বসবাস।
চোখের সামনে অদৃশ্য_
কিছু দুঃস্বপ্নের গাঢ়-ছায়া,
সম্মানের এক শীতল দৃষ্টিতে
ভুবনে আগত শান্তির মায়া।
স্পষ্ট হচ্ছে অবচেতনে
ভেতরের সেই রুক্ষতা ;
বিস্তারিত»কলেজ পালানো- লাভ ক্যান্ডি
কলেজ পালানো অন্যান্য ক্যাডেট কলেজ এর মত বরিশাল ক্যাডেট কলেজেও অনেক পুরনো একটা রীতি। তবে সমস্যা হল বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে আপনি কি করবেন এটা কলেজ থেকে বের হওয়ার আগে আপনার একটু ভাবা দরকার।
কলেজ থেকে বের হলেই আপনি দেখতে পাবেন হাই-রোড। রোডটা ক্রস করলেই সাত মেইল(একটা ছোট বাজারের নাম), আমার জানা মতে সাত মাইলের কাস্টমার সাধারণত ক্যাডেট কলেজে যারা চাকরি করে তারা এবং তাদের পরিবারই সাধারণত সেখানে টুকিটাকি বাজার করে।