টঙ

ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠা, মানুষের ভীড়ে দম ফেলে বাঁচার আকুলতা, কানের কাছে প্রচণ্ড জোরে হর্ন শুনে মনে মনে চালককে গালি দেয়া, চলন্ত গাড়ির মাঝেই রাস্তা পাড় হওয়া সব ই যেন কতই না গুরুত্ববহ।

টানা পাঁচদিন হরতাল আর দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির জন্য দেরী করে ঘুম থেকে উঠাও হয় না। অথবা ঈদ-পূজার টানা ছুটিও পাওয়া হয় না।

ব্যাস্ত রাস্তায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে চলার সময় বন্ধুদের বলা হয় না- দোস্ত দাঁড়া,

বিস্তারিত»

সিসিবি আড্ডা (বিজনেস টক) এবং চা-চক্র – আপডেট ফেব্রয়ারী ২৩ (সাময়িক পোস্ট)

আপডেটঃ প্রথমেই দুঃখিত বই উন্মোচন পর্ব অনুষ্ঠিত না হওয়ায়। বিষয়টি আসলেই বেশ হট্টগোল এবং জটঘট প্যাকানো বিষয়। বইমেলার আসলে চারটার পর না যাওয়াই ভালো। অস্বাভাবিক ভীড় হয়ে যায়।
জেট ল্যাগের প্যাঁচে যাতে না পরতে হয় এজন্য আমি যেদিন আসি সেদিনই বের হয়ে যাই। এবারও সাতটায় পৌঁছে বারটায় ঘর থেকে বের হলাম। তারপর বই মেলায় গেলাম। আমার সাথে আরও তিনজন ভার্সিটিতে পড়া মেয়ে ছিল যাদের মধ্যে দুজন এই প্রথম বই মেলায় গেল।

বিস্তারিত»

চোরের মায়ের বড় গলা

বেশ কিছুদিন ধরেই আমার মাথায় একটা বিজনেস আইডিয়া ঘুরতেসিল, এর জন্য দরকার ছিল কিছু ম্যান পাওয়ার এবং বিনিয়োগকারী। রাজীব ভাই এবং আমাদের ব্যাচের তিনজন মিলে আমরা প্ল্যান করলাম যে একটা অনলাইন বই এর দোকান খুলবো।
হার্ড কপি, সফট কপি যেটা সম্ভব সেটা বিক্রি করা হবে। হার্ড কপি সারা ইউরোপের মাঝে হোম ডেলিভারি দেয়া হবে, এবং সফট কপি যে কেউ ক্রেডিট কার্ড, পেপাল, মানিব্রুকারস এর মাধ্যমে পে করে ডাউন-লোড করতে পারবে।

বিস্তারিত»

কেমন আছি?

মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ থাকে।
আজ ঘুম ভেঙেছে ভেন্টিলেটরের বাসিন্দা চড়ুইপাখির কল্যাণে। ভোর ৫ টায়। সিলিং ঘেঁষে ওড়ার সময় প্রকৃতির ডাক সে এড়াতে পারেনি। ঠিক মুখের উপর পায়খানা করে দিয়েছে। ( পায়খানা বিষয়ক সিরিজ স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে মৌন প্রতিবাদ সম্ভবত)।
শীত- গ্রীষ্ম সবসময়ই মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর কল্যাণে পয়ঃনিষ্কাশিত বর্জ্যের আলিঙ্গন লেপের উপর দিয়ে গেলেও পূতিগন্ধময় নারকীয় দুর্গন্ধটা কিছুতেই এড়ানো গেল না। শুয়ে শুয়েই দিব্যদৃষ্টে দেখলাম পরীক্ষা শেষে রুমে এসে জ্বালিয়ে দিয়েছি চারটা ভেন্টিলেটর,

বিস্তারিত»

কেমন আমি !

ওর প্রতিবেশি বলেছে_

যে, আজ ও, তা বেশ অসুস্থ ;

শোনা মাত্র আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি,

ওকে দেখতে যাব, বলে দিয়েছি তাকে।

সময়ের অস্থির ব্যস্ততায় ভুলে গিয়েছিলুম ধুপ করে,

কিন্তু রাতে, তার পাড়াতেই আমার আগমন ;

আরেক বন্ধুর জন্মদিনের দাওয়াতে বারোটায়,

পার্টি শেষে ফেরার জন্যে দলগত তাড়াহুড়ো।

নিশ্চিত তুমি বন্ধু সুস্থ হবার জন্য প্রভুকে ডাকছো ;

বিস্তারিত»

সক্রেটিসের এ্যাপোলজি – ৩

সক্রেটিসের এ্যাপোলজি – ৩

মূল বক্তৃতাঃ সক্রেটিস
লিখেছেনঃ প্লেটো

অনুবাদঃ ডঃ রমিত আজাদ

(যে কয়েকটি সংলাপ ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে তার মধ্যে একটি হলো এ্যপোলজি (Apology)। আধুনিক ইংরেজীতে Apology অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা। কিন্তু গ্রীক ভাষায় Apology-অর্থ ভিন্ন। সেখানে Apology-অর্থ defense। আদালতে বিচারের সময় আত্মপক্ষ সমর্থন করে সক্রেটিস যে ভাষণ দেন এ সংলাপ তারই বর্ণনা। নিচে মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের বক্তৃতা হুবুহু তুলে দেয়া হলো।)

(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)

আর একটি বিষয় আছে —

বিস্তারিত»

সহপাঠী বন্ধু

[ একটি বুমেরাং ছড়া  ]

বন্ধু আমার বড্ড ব্যস্ত,
ফোন ধরতে পারে না।
মাউস ক্লিকও জমিয়ে রাখে,
অপচয় করে না।

চাষার ছেলে ছিলো আছে
এখনও যে অভাবী।
ফোন ধরতে বয়েই গেছে
করবে বুঝি ধার দাবী।

ছিল বেটা অসামাজিক
বেজায় রকম বিরক্তিকর।
বইয়ের পোকা ছিল বটে
হবে নাকি জ্ঞানধর !

পাঁচটি মোটে নাম্বার আছে
এসিআরে সততায়।

বিস্তারিত»

আবারো ফিরে আসা – ০১

শেষ কবে লিখেছিলাম মনে নেই, তাই ভাবলাম চেক করি। কিন্তু চেক করে আর কি? এসেছি ই যখন আবার কিছু লিখি, তাই যা ভাবা তা কাজে করার জন্য বসলাম। এর আগে যখন লিখেছিলাম তখনকার থেকে এখনের সময়ের দুরত্ব যেমন আছে, তেমন আছে ভৌগোলিক দুরত্ব ও। কিসের জন্য যেন মনে হয়, মন যখন অশান্ত থাকে, তখন শান্তকরন কর্মসূচীতে এ ধরনের মনের কথা গুলো বলে ফেলা ভালো কাজে দেয়।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে হত্যা

নিজের প্রতি_

আজ খুব করে ঘৃণা জন্মেছে ;

দেশের প্রতি_

জন্মেছে আবেগপূর্ণ ভালবাসা।

ঘৃণার জন্যে বদ্ধ ঘরে_

কষ্টগুলি ঘিরে আছে চারপাশ,

আর শ্রদ্ধা-ভালবাসার জন্যে

অন্তরে, সম্মান প্রদর্শনের বসবাস।

চোখের সামনে অদৃশ্য_

কিছু দুঃস্বপ্নের গাঢ়-ছায়া,

সম্মানের এক শীতল দৃষ্টিতে

ভুবনে আগত শান্তির মায়া।

স্পষ্ট হচ্ছে অবচেতনে

ভেতরের সেই রুক্ষতা ;

বিস্তারিত»

কলেজ পালানো- লাভ ক্যান্ডি

কলেজ পালানো অন্যান্য ক্যাডেট কলেজ এর মত বরিশাল ক্যাডেট কলেজেও অনেক পুরনো একটা রীতি। তবে সমস্যা হল বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে আপনি কি করবেন এটা কলেজ থেকে বের হওয়ার আগে আপনার একটু ভাবা দরকার।
কলেজ থেকে বের হলেই আপনি দেখতে পাবেন হাই-রোড। রোডটা ক্রস করলেই সাত মেইল(একটা ছোট বাজারের নাম), আমার জানা মতে সাত মাইলের কাস্টমার সাধারণত ক্যাডেট কলেজে যারা চাকরি করে তারা এবং তাদের পরিবারই সাধারণত সেখানে টুকিটাকি বাজার করে।

বিস্তারিত»

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ অন্যের আয়নায় দেখা

অন্যের আয়না

অন্যের আয়নায় বন্ধু
যদি নিজেকে দেখতে,
তাহলেই  বুঝতে ।

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে আসার বেশ কয়েক বছর পর  ইআরসিসি গ্রুপ মেইল অনলাইনে  বাড়ি হয়ে গিয়েছিলো। তার আগে ছিল সামহোয়্যার ইন ব্লগ।হঠাৎ করে লক্ষ্য  করলাম ওখানেও সমস্যা। যে কারণে সামহোয়্যার ছেড়ে আসলাম সে কারণেই নতুন ঠিকানা খোঁজ করতে শুরু করি। ডান বাম সমস্যা আর কি ! হঠাৎ করে পেয়ে গেলাম ক্যাডেট কলেজ ব্লগ।

বিস্তারিত»

বিষন্নতা

হুজুগে ভালোবাসা

সূর্যোদয়ে দিনের শুরু।
ধার করা মন্ত্রে
পাল্টে গেল গুরু !

বসন্তবরণ এপ্রিলফুল।
হুজুগে বাঙ্গালী
আইডিয়া কুল !

আধুনিক উৎসবে ব্যবসা হল খাসা।
সাধু সন্ত ভ্যালেন্টাইন
আরেক নাম ভালোবাসা !

[১৪.০২.২০১৪]

শীতল বিষন্নতা

আকাশে কাল মেঘ ঘন কুয়াশা।
ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে নেমে এল
শীতল বিষন্নতা !

বিস্তারিত»

বিষয় বিবর্তনঃ বইয়ের প্রচ্ছদ

আমি ব্লগ লিখি। এবং বইও লিখি। ব্লগে ব্লগর ব্লগর করি আর বইয়ে ফিকশন লিখি। সেই ফিকশন পড়ে আমার স্বল্প পরিচিতরা মনে করেন আমি আসলে আমার জীবনকাহিনী লিখছি। পরিচিতরা কিছু বলেন না। কারণ তারা আমার বই পড়েন না। পড়লেও এখন চুপচাপ থাকেন। একজন-দুজন ছাড়া। এর পেছনে একটা কারণ আছে। আমার প্রথম উপন্যাসে এক-দুবার হয়তো প্রকৌশলীদের ঘুষ খাওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলাম। আমার পরিবার একটি প্রকৌশলী-অধ্যুসিত পরিবার।

বিস্তারিত»

পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৮

দেশপ্রেমের সংজ্ঞা কী জানিনা তাই ছেলেকে কখনও এই ব্যাপারে শিক্ষা দিতে যাইনি। আর তাছাড়া ছেলের তো আমেরিকান দেশপ্রেম, এই প্রেম আমি শেখাব কেমন করে? একদিন পার্কে বেড়াতে গেলাম। মাঠের একপাশে একটা খালি প্যাকেট পরে ছিল। হয়তো কেউ চিপস খেয়ে ফেলে গেছে। ছেলেকে দেখলাম সে প্যাকেটটা তুলল। ‘ময়লা ধরো না’, আমাকে একথা বলার সুযোগ না দিয়েই ডাস্টবিনের কাছে চলে গেল। তারপর প্যাকেট সেখানে ফেলে দিয়ে হাত ধুয়ে আমার কাছে আসল।

বিস্তারিত»

আচ্ছা, একটু বকর বকর করি?

##
কয়েকদিন ধরে অনেক চাপের মধ্যে আছি। পড়াশোনার বিশাল চাপ, সাথে একটু একটু মানসিক চাপ। এক মাসের মত ভার্সিটি বন্ধ থাকার পর ক্লাস খুলেছে এবং আরও এক মাস ক্লাস হয়েছে। সেশন জটের প্যাঁচে পড়ে আমরা মাত্র থার্ড ইয়ারে উঠেছি, অন্য ভার্সিটিতে আমার বন্ধুরা সবাই ফাইনাল ইয়ারে। এইসব জিনিস চিন্তা করলে মাঝে মাঝে একটু খারাপ লাগে, মনের মধ্যে অস্বস্তি লাগে। তবু খুব বেশি পাত্তা দেই না আমি।

বিস্তারিত»