ইসসিরে……।কতোদিন ফ্রিজ থেকে মিষ্টি খাই না। পুরানো দিন গুলোর কথা মনে করে মনের কষ্টে যাই ফ্রিজ থেকে একটা মিষ্টি খেয়ে আসি।
(নতুনরা এই পোষ্ট না বুজলে ফ্রিজ খোলা নিষেধ)
বিস্তারিত»ইসসিরে……।কতোদিন ফ্রিজ থেকে মিষ্টি খাই না। পুরানো দিন গুলোর কথা মনে করে মনের কষ্টে যাই ফ্রিজ থেকে একটা মিষ্টি খেয়ে আসি।
(নতুনরা এই পোষ্ট না বুজলে ফ্রিজ খোলা নিষেধ)
বিস্তারিত»পূর্বের যেদিকে ঠাকুরঘরটা ছিল সেখানটাতে এখনো আগুন দেখা যাচ্ছে। সানবাঁধানো বেদীতে যত্নে বেড়ে ওঠা তুলসীগাছের অংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে দুয়ারের এদিক সেদিকে। প্রতিদিনের মত আজকের সন্ধ্যাতেও আলোকিত হয়েছিল যেই তুলসীতলা, অর্ধেক ভাঙ্গা কদমা আর জল ঢেলে দেয়া হয়েছিল যার গোড়ায়,তুলসীরুপী নারায়ণকে উদ্দেশ্য করে। আনত সিঁদুর আর জোড়া শাখার যুগল মিলনে স্বামীর কল্যানে ভগবানের কৃপা চাওয়ার তুলসীতলা। মঙ্গলদীপ আর শান্তিকামনার গুণগুণ গানে সরব থাকা সন্ধ্যেবেলার তুলসী তলা।
বিস্তারিত»জীবনকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ সবাই পায় না । এটা সত্যি যে কাছ থেকে দেখা সেই দৃশ্য অবশ্যই সুখকর কিংবা দৃষ্টিনন্দন কিছু না ।তবু সেই বিভৎস দৃশ্যগুলো কখনো কখনো যে শিক্ষা দিয়ে যায়, তা জীবনের চলার সিঁড়িকে ‘চলন্ত সিঁড়িতে’ রূপ দিতে পারে ।
লেখাটার নাম দিয়েছি ‘মিরপুর টু আজিমপুর : গাড়ি নং ৩৬’ ..অদ্ভুত এই নামের আবির্ভাব কতটা যুক্তিযুক্ত তা আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিলাম ।
বিস্তারিত»বয়সটা বেড়েছে । চল্লিশ পার হয়ে হ্যাংওভার। চালসেতে চশমা নিলাম। সেজন্য কিনা জানি না কিন্তু এখন ঘুম কম হচ্ছে। যেটুকু ঘুম হয় এর মধ্যেই দুঃস্বপ্ন দেখি। কখনও কখনও স্বপ্ন কে সত্যি মনে করি আবার সত্যিকে স্বপ্ন । বিভ্রান্ত হয়ে যাই । স্বপ্ন আর সত্যির পার্থক্য বের করতে আমার মাথার ভিতরের সিপিইউ হ্যাং হয়ে যায় । এরকম কোন এক সময় পৌরনীতি নিয়ে ভাবতে ভাবতে এরকম একটা উদ্ভট কবিতা শুনলাম-
Democracy Redefined
Democracy
Of the people.
তুমি আমার নিরাশার হাহাকারে
মেঘে ঢাকা তারা।
পেয়েও হারিয়ে হয়েছিলাম
খুজে খুজে সারা।
তুমি আমার একরত্তি মুক্তো
খুজেঁ পেয়ে নিমেষেই হাওয়া।
তুমি আমার অজস্র চাওয়ার মাঝে
একবিন্দু পাওয়া।
তুমি আমার
সারা অংগে জড়িয়ে থাকা
শাড়ীর মত ভালবাসার ছোঁয়া।
তুমি আমার ছেঁড়া কাঁথায়
ছারপোকার উপদ্রব।
তবু না পাওয়ার মাঝে
তুমিই আমার সব।
সত্যি বলছি মতি ভাই বা মতি মিঞার প্রথম আলো মতান্তরে প্রথম আলু একসময় আমার প্রিয় পত্রিকা ছিলো। সত্য এই যে এখনো আমরা অনেক সময়ই প্রথম আলোর লিঙ্ক শেয়ার করি রেফারেন্স দিই।
ছবি লিঙ্ক পেলাম শামস রাশেদ জয় এর ওয়াল থেকে। ক্লিক করুন।
ডোন্ট বিলিভ আলু এনি মোর। তাই ওদের লিঙ্ক সহ স্ক্রিন শট দিলাম। অন্যান্য ছবির ক্ষেত্রেও একই কাজ করবো।
বিস্তারিত»সেই ইডিখোর কমলাকান্তের অনেকদিন কোনো সংবাদ পাই নাই।কলেজ থেকে বের হওয়ার পর অনেক সন্ধান করিয়াছিলাম,অকস্মাৎ সার্টিফিকেট নিতে এসে তাকে ভিপি অফিসের সামনে দেখিলাম।দেখি যে,এইচ পি ভিপি অফিসের সামনে দাঁড়াইয়া,দেয়ালে ঠেসান দিয়া চক্ষু বুজিয়া কি জানি ভাবিতেছে।মনে করিলাম তেমন কিছু না,এইচ পি লোভে পড়িয়া গাছ হইতে ফল-ফলাদী চুরি করিয়াছে।অন্য সামগ্রী কমলাকান্ত চুরি করিবে না নিশ্চিত জানি।একজন বেয়ারাও দেখিলাম।আমি বড় দাঁড়াইলাম না।কি জানি,চুরি বিদ্যা শিখাবার জামিন আবার আমাকেই বলে কিনা।তফাতে থাকিয়া দেখিতে লাগিলাম যে কান্ডটা কী হয়।
বিস্তারিত»এখন নিয়মিত কার্ড খেলি। ২৯ এবং পোকার খেলা হয়। কিন্তু একটা না ভোলা খেলা আর খেলা হয়না। কল ব্রীজ। এটা নাকি বিগিনারদের খেলা। কি আর করা এখন এমেচার হইলেও প্রফেশনাল ভাব নিয়াতো থাকতে হবে। আজকে টাইম লাইনে ঘুরতেসিলাম। এটা আমার কিছুদিন পর পরই করা হয়। হামিমের কিছু স্ট্যটাস আর কমেন্টস পড়ে হাসতেসিলাম মনে মনে। বয়স কত ছিল সেটা হিসাব করলেই বের হবে, কিন্তু সেই ইচ্ছা নাই।
বিস্তারিত»
কে বলেছিলেন ঠিক মনে নেই, মেবি প্লাটো/ প্লাতো।
“ঈশ্বর তোমাকে ধন্যবাদ যে আমাকে নারী করে তৈরি করোনি।”
আমি নিজে ঈশ্বর বিশ্বাসী নই। মা মারা গেলেন নভেম্বরে। বাবা বললেন,
“তুই তো আল্লাহ-খোদায় বিশ্বাস করিস না। তোর মার জন্য দোয়াও করতে পারবি না।”
আমি জবাব দিই,
“হু।”
বৌ বললো,
“সূরা ইয়াসিনটা একটু পড়ো।”
১। নির্বাচনের ব্যাপারে আমার প্রথম অভিজ্ঞতা, আম্মুর হাত ধরে টোটো করে ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ। কারণ আমার এক মামা সেবারের মেম্বার পদপ্রার্থী ছিলেন। ভোটের দিন প্রবল উৎসাহে আম্মুকে বললাম, আম্মু ভোট দিতে যাব।
আম্মু আমার উৎসাহকে পাত্তা না দিয়েই বললেন, “যাওয়া লাগবেনা। কখন আবার কি থেকে কি হয়ে যায়!”
২০০১ এর নির্বাচনের পর আজ আবার নির্বাচন দেখলাম। এবারো ভোট দিতে পারিনি।
বিস্তারিত»১লা জানুয়ারী, পুরো বিশ্বের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেছে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য, উদযাপন করার জন্য। ৫ই জানুয়ারী, পুরো দেশের মানুষ উৎকন্ঠায় দিন গুনেছে। আমিও দুটি দিনের জন্যই অপেক্ষা করেছি, তবে একটু ভিন্ন কারনে। আমার দিন গোনা ছিল শারলকের অপেক্ষায়। দুদিনই আমি রাত তিনটা পর্যন্ত জেগে কষ্ট করে লাইভ টেলিকাস্টের লিঙ্ক খুঁজে লাইভ দেখেছি, পরে আবার ডাউনলোড করে রিভিশন দিয়েছি। হেসেছি,
বিস্তারিত»……,
কি লিখব আর কিভাবেইবা লিখব সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা । স্বপ্নগুলো হারিয়ে ফেলে জীবনপথে পথহারা এক পথিকের মত ইতঃস্তত ঘুরে বেড়াচ্ছি । ঠিক যেন নিঃসঙ্গ,নিভৃতচারী রাতজাগা এক পাখি । জানো,এখনো তোমায় নিয়ে স্বপ্ন সাজাই । বন্ধুরা হাসাহাসি করে,মা ডেকে ঝাড়ি দেয় ঘুমানোর জন্য…..। আর চূড়ান্ত নির্বোধ এই ছেলেটা সারাটা রাত জেগে পার করে দেয়,পাছে তোমায় নিয়ে ভাবার জন্য একটা মুহুর্ত কম পরে যায় জীবন থেকে ।
“ভালো” ব্যাপারটা আপেক্ষিক। কথাটার মর্ম প্রথম বুঝি ক্লাস সেভেনে ক্যাডেট
কলেজে ঢোকার পর প্রথম পাক্ষিক পরীক্ষার খাতা দেবার পর। ক্যাডেট
কলেজে ঢোকার আগে যে আমার ভালোর কোন শেষ ছিলো না, যে আমার রোল কখনো প্রথম তিনজনের বাইরে যায়নি, সেই আমিই এক লাফে শেষ তিনের মুখ দেখলাম। শুধু মুখ দেখাই না, শেষ তিনের এমন গভীর প্রেমে পড়েছিলাম যে বের হওয়াই মুশকিল হয়ে গেল।
এটা যে খুব একটা খারাপ ব্যাপার,
বিস্তারিত»জনৈক ভাই,নাম বললে মাইন্ড খাইতে পারেনঃ
এই ভাইয়ের নাকি একটা বালতি ছিলো,রোজ গেমসের পরে লুঙ্গি পরে,হাতে বালতি নিয়ে পুরো হাউজ রাউন্ড দিতেন,আর জুনিয়ররা নাকি মসজিদের দান-বাক্সের মত সেইখানে কুপন ফেলত।এই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হয়নি,কিন্তু কালে কালে উনার খ্যাতি ডালপালা গজাতে গজাতে ছড়িয়ে পড়েছে সবগুলো ব্যাচের মধ্যে।
পরের কাহিনীও একজন সিনিয়র ভাইকে নিয়ে,কাহিনীর সত্যতা মোটামুটি ভেরিফাইডঃ
পিসিসি’র একটা ঐতিহ্য আছে,এখানে কোন ব্যাচ দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে যারা টেবিল লীডার হতে যাচ্ছে,তারা স্বচ্ছ ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক হাউজ প্রিফেক্টের তত্ত্বাবধানে নিলামের মাধ্যমে তার টেবিলে কোন কোন জুনিয়র বসবে,তা ঠিক করে নেয়।জমাকৃত সকল অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে ব্যাচের পক্ষ থেকে হাউজকে উপহার কিনে দেওয়া হয়।সুন্দর ট্রেডিশান।তো আমাদের কাহিনীর নায়ক ভাইয়া,দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে পিতার কাছে টাকা চাহিয়া পত্র লিখলেন,”বাবা,ক্লাস টুয়েল্ভকে টেবিল কিনতে হয়,তাই বেশি করে টাকা পাঠায়ে দিয়ো।”উনার পিতা অতশত বুঝিতেন না,উনি পত্রের উত্তর পাঠালেন,
বিস্তারিত»