সেল ফোনে নতুন অপরিচিত একটা নাম্বার ভেসে উঠে। ফোনটা ধরা মাত্রই পরিচিত গলা। জিজ্ঞাসা করলাম “এইটা কি তোর নতুন নাম্বার?”
“হ্যাঁ।“ সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল আমার সেজ ভাইয়ের মেয়ে মানে আমার আপন ভাতিজী। অপর প্রান্ত হতে-
“বন্ধু চাচু, আমার একটা টেস্ট পেপার লাগবে। খুলনাতে সব বইয়ের দোকান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ। কি এক কারণে তা জানি না।“ আমাকে টেস্ট পেপারের প্রকাশনীর নাম,সাইন্স কি আর্টস,ইত্যাদি বিস্তারিত বুঝাই দিল।
ভিনদেশকে সমর্থনের নামে সার্বভৌমত্বের অপমান : প্রতিরোধ এখনই
বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ
আমরা চেয়েছিলাম এই বাংলার আকাশে চাঁদতারা নয়; বরং লাল-সবুজের একটি পতাকা মাথা উঁচু করে উড়বে। এই পতাকাটির জন্য আমরা বছরের পর বছর ধরে সংগ্রাম করেছি। অবশেষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ৪ লাখ মা-বোনের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে লাল-সবুজের এই পতাকাটি আমাদের হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি পতাকার জন্য এমন চরম মূল্য দেয়ার নজির দ্বিতীয়টি নেই।
বিস্তারিত»সক্রেটিসের এ্যাপোলজি পর্ব ৪, ৫
সক্রেটিসের এ্যাপোলজি পর্ব ৪
মূল বক্তৃতাঃ মহাজ্ঞানী সক্রেটিস
লিখেছেনঃ প্লেটো
অনুবাদঃ ডঃ রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)
এথেন্সবাসীগণ (বিচারকগণ)! আমি আপনাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এই বিষয়ের ক্ষুদ্রতা অথবা বিশালত্ব নিয়ে মিলেটাসের আদৌ কোন মাথা ব্যাথা নেই। তারপরেও আমি জানতে চাই যে, মিলেটাস একটু বলুন তো, আমি কিভাবে তরুণদের বিপথে নিলাম? আমার মনে হয়, আপনার অভিযোগ থেকে আমি এই আবিষ্কার করতে পারি যে,
পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৯
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪, মঙ্গলবার রাত বারোটা ৪ মিনিট
সবাই কিছু না কিছু বলছে। কবিতা, গুছিয়ে কিছু মনের কথা। আমি পারছি না। এর আগেও পারি নাই। স্বীকার করতে হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারী হত্যাকান্ডের ব্যাপারে আমার মাঝে জোরালো নিস্পৃহা কাজ করে। আজকে বিকালে ক্লাশ শেষে চিন্তা করছিলাম কেন এমনটা হচ্ছে। বিশেষ কোন ঘটনা কি ঘটেছিল? মনে করতে পারলাম না। তবে কি আমার চেনা পরিচিত কেউ প্রাণ হারাননি দেখে এরকম হচ্ছে?
বিস্তারিত»বিপদের বন্ধু বিপ্লব
অনেক দিন আগে একটা কবিতা খুব নাড়া দিয়েছিলো আমাকে। আবছা ভাবে একটু মনে আছে- “তোমাদের হিসেবী খাতায় বীর নেই, শহীদ রয়েছে শুধু” । জীবিতদের মূল্যায়নে বড্ড কৃপন আমরা। তাই কবির আক্ষেপ প্রকাশ কবিতায়। আমার খাতায় কিন্তু বীর আছে-
বিপদের বন্ধু বিপ্লব
কম কথা বলা বিপদের বন্ধু।
দিল খোলা আবু উলা
মোঃ হাসিনুল ইসলাম।
পরলোকগত বন্ধুদের স্মরণে “ক্যাপ্টেন কারজিয়াস” এবং “থ্রি কমরেডস” ভাগ্যক্রমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো।
বিস্তারিত»আসুন হাত কাটাকাটি করি। (১৮+)
শ্রদ্ধেয় আখতার হোসেন স্যারের ওয়ালে ছবিটা দেখে কেমন জানি হত বিহবল হয়ে পড়লাম।
সিরিয়ার মুসলিম জঙ্গীরা চুরির অভিযোগে এক ব্যাক্তির হাত কাটার উৎসবে মেতেছে। টুইটারে তারা লাইভ আপডেট দিয়েছে এই ব্যাপারে। আর বেশ কিছু জিহাদী সোশাল মিডিয়া এই হস্ত কর্তনের ঘটনা আনন্দের সাথে রি টুইট করেছে।
সিরিয়ার দক্ষিণের শহর মাসকানার আলেপ্পোর কাছে এই বর্বোরোচিত ঘটনাটি ঘটে।
হাত কাটার এই মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত জঙ্গী সংগঠনটির নাম ISIS –
হুমায়ুন আজাদ – একজন অলৌকিক স্রষ্টা
হুমায়ুন আজাদকে কি আমি কখনো স্পর্শ করেছি?
মানে হ্যান্ডশেক বা পা বা সেই অর্থে?
মনে পড়ে না।
ফুলার রোডে, কলা ভবনে, ভার্সিটির পথে, বই মেলায় তাকে অনেক অনেক দেখেছি। সালাম দিয়েছি। মুগ্ধ চোখে চেয়ে দেখেছি।
হেঁটে যায় এক মহাজীবন।
সালামের উত্তর তিনি কোনদিন দিয়েছেন মনে পড়ে না। তবে চোখ তুলে কখনো তাকাতেন, কখনো না।
হেঁটে যায় এক অহঙ্কারি পুরুষ।
দাসের আত্মকথা
জন্ম জন্মান্তরে কিংবা দেশ দেশান্তরে
ঘুরপাক খাই সেই একই বৃত্তে ।
যেদিকেই যাই গন্তব্য কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র।
কেনই বা নয় ?
সেই অনন্যতার টান কে কাটাতে পারে ?
ফোটনের মত হালকা আর চটপটে হলে
একটু সময় নিয়ে আত্মসমর্পন।
ও হো, আমিতো ভুলেই গেছি
সেখানে সময়ও স্থির।
প্রথম জন্মে নিশ্চয় মাকড়সা ছিলাম
রাণীর প্রেমে আত্মবলিদান।
কখনও পুরুষ মথ বা মৌমাছি
সন্তানের মুখ দেখার পূর্বেই মৃত্যু।
স্বপ্ন
নিজের সদ্যোজাত সন্তানটিকে কোলে নিলে রমিছা বানুর বিস্ময়ের অন্ত থাকে না। এ কি তার সন্তান, তার গর্ভজাত সন্তান ! মোমেনা চাচী বলে, ‘রমিছা ! তোর পোলা তো দুনিয়া আলো করব রে ! এত্ত সোন্দর পোলা ! গায়ের রঙ য্যান ফাইট্টা পড়তাছে ! সাহেবগোর পোলাপাইনের মত দ্যাখতে হইছে রে !’
আক্ষরিক অর্থেই দুধে-আলতা ফর্সা একটা বাচ্চা, গোল সুন্দর মুখ- যেন রসে টুপটুপ রসগোল্লা। লাল টুকটুক ঠোঁট দেখে মনে হয় রক্ত লেগে নেই তো!
বিস্তারিত»স্যালুট তোমাদের! তোমরা জানো তোমরা কারা
এক.
২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯। অন্ধকার সে অধ্যায়ের পর চার বছর পেরোলো। তদন্ত হল, বহু মানুষের বিচার হল, শাস্তি হল। আমরা কি এখনো জানি পর্দার আড়ালের মূল অপরাধীদের শাস্তি হয়েছে কি না?
দুই.
পিলখানা থেকে গোলাগুলির আওয়াজের খবর ব্লগে এসে আছড়ে পড়েছে ততক্ষণে। আকিরা কুরোসাওয়ার রশোমনের মতো একেক জন একেক দৃষ্টিকোণ থেকে বয়ান দিচ্ছে ঘটনার। খবর মানে বিচ্ছিন্ন তথ্য, ছুটন্ত মানুষের অস্ফুট উক্তি,
পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১
পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১
————————– ডঃ রমিত আজাদ
পথটা একটা তীক্ষ্ণ একটা বাঁক নিতেই হুমড়ি খেয়ে গায়ের উপর এসে পড়লো কোন সহযাত্রী। “ইয়া খোদা! ইয়া খোদা!” বলে চিৎকার করে উঠলেন তিনি। শত চেষ্টা করেও তার চেহারাটা দেখা গেলোনা। সহযাত্রীটি কোন একটা দিকে আঙুল দেখিয়ে বললো ঐযে ঐদিকে ঐদিকে। কথাটার মানে বোঝা গেল না। আঁকাবাঁকা সর্পিল পাহাড়ী পথে এগিয়ে চলছে বহুদিনের পুরাতন একটি ঘোড়ার গাড়ী।
বিস্তারিত»পিলখানা
পিলখানা
বিদ্রোহ কি এতই সস্তা ?
মুর্খ আর জালিম !
বর্বরতায় প্রাণ হারালো
মাকসুম উল হাকিম।
কেমন ধারা দাবী দাওয়া
আদায় করতে দরবারে ?
ভাই বন্ধু নেতার প্রাণ
কলংকিত বলাৎকারে !
পিলখানাতে একাত্তর
ফিরে এলো নারকতা !
বাকরুদ্ধ শোকে মোরা
ডুকরে কাঁদে মানবতা !
কাদা ছিটিয়ে ঘোলাপানি
ধরা পড়ে পুঁটিমাছ !
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং এবং মিউজিক ভিডিও
গত পরশুই মাত্র থিম সং টি শুনলাম। গানটা ভাল লেগেছে কিন্তু সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলছিল বুঝতে পারছিলাম না। আশাকরি লেখাটা পড়ে এবং গানটা শুনে সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলা হচ্ছিল সেটার উত্তর কেউ দিবেন। যাই হোক সেটা বাদে রেফায়াত আহমেদ ও অনম বিশ্বাসের কথায় এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও কৌশিকের সুরে গানটি ভালই লেগেছে যদিও গানের সুর কিংবা গানের কথা বাংলাদেশকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করতে পারেনি। আমরা শত চেষ্টা করেও খাটি বাংলা গান বানাতে পারলাম না।যতটুকু না ঢুকালেই নয় যেমন স্টেডিয়াম কিংবা ক্রিকেট এসব বাদেও আরো ইংরেজীকে ঢুকাতেই হল।
বিস্তারিত»পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৮
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ রবিবার বিকাল ৪টা
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে
যাচ্ছে ‘কেটে’ দিনরাত্রি।
ফিরে এসো গরু হয়ে।
খেয়ে নাও ঘাসটুকু,
জাবর কেটো পরে।
তবু দোহাই লাগে-
কেটোনা মোরে এই
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে।
প্রচারে – মাথা নষ্ট
পেছনের কথাঃ এই ছড়াটা লিখেছি যখন প্রেমিকার সাথে সোভিয়েত রাশিয়া সময়কার স্নায়ু-যুদ্ধের আদলে যুদ্ধ শুরু হলো। কথা বললে উত্তর মিলে না।
বিস্তারিত»একটি অনাবিল আনন্দময় ও স্মরণীয় ভ্রমন অভিজ্ঞতা
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ১৫তম ইনটেকের (৭৮-৮৪) আমরা ১৮ জন বন্ধু (১৫ জন সস্ত্রীক) তাঁদের ২৭ জন সন্তান (একজন আবার এক্সক্যাডেট) সহ দিন কয়েক আগে দুরাত ও এক দিনের এক ভ্রমনে গিয়েছিলাম বরিশালে, আমাদেরই এক বন্ধু রিজভির আমন্ত্রনে, পৃষ্ঠপোশকতায়।
কথা ছিল ফিরে এসে ঐ অভিজ্ঞতার কথা লিখবে, যারা যারা লিখালিখি করে বা লিখালিখির সাথে জড়িত।
আমি এককিস্তি লিখেছিলামও। কিন্তু আমার বন্ধু বুয়েটের শিক্ষক মাহবুব সাড়ে চার কিস্তিতে এমনই এক স্বপ্নালু গদ্যের জন্ম দিয়ে ফেলল যে আমি আমার লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেললাম।
বিস্তারিত»