বিপদের বন্ধু বিপ্লব

অনেক দিন আগে একটা কবিতা খুব নাড়া দিয়েছিলো আমাকে। আবছা ভাবে একটু মনে আছে- “তোমাদের হিসেবী খাতায় বীর নেই, শহীদ রয়েছে শুধু” । জীবিতদের মূল্যায়নে বড্ড কৃপন আমরা। তাই কবির আক্ষেপ প্রকাশ কবিতায়। আমার খাতায় কিন্তু বীর আছে-

বিপদের বন্ধু বিপ্লব

কম কথা বলা বিপদের বন্ধু।
দিল খোলা আবু উলা
মোঃ হাসিনুল ইসলাম।

পরলোকগত বন্ধুদের স্মরণে “ক্যাপ্টেন কারজিয়াস” এবং “থ্রি কমরেডস” ভাগ্যক্রমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো।

বিস্তারিত»

আসুন হাত কাটাকাটি করি। (১৮+)

শ্রদ্ধেয় আখতার হোসেন স্যারের ওয়ালে ছবিটা দেখে কেমন জানি হত বিহবল হয়ে পড়লাম।

সিরিয়ার মুসলিম জঙ্গীরা চুরির অভিযোগে এক ব্যাক্তির হাত কাটার উৎসবে মেতেছে। টুইটারে তারা লাইভ আপডেট দিয়েছে এই ব্যাপারে। আর বেশ কিছু জিহাদী সোশাল মিডিয়া এই হস্ত কর্তনের ঘটনা আনন্দের সাথে রি টুইট করেছে।
সিরিয়ার দক্ষিণের শহর মাসকানার আলেপ্পোর কাছে এই বর্বোরোচিত ঘটনাটি ঘটে।
হাত কাটার এই মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত জঙ্গী সংগঠনটির নাম ISIS –

বিস্তারিত»

হুমায়ুন আজাদ – একজন অলৌকিক স্রষ্টা

Humayun-azad

হুমায়ুন আজাদকে কি আমি কখনো স্পর্শ করেছি?
মানে হ্যান্ডশেক বা পা বা সেই অর্থে?
মনে পড়ে না।
ফুলার রোডে, কলা ভবনে, ভার্সিটির পথে, বই মেলায় তাকে অনেক অনেক দেখেছি। সালাম দিয়েছি। মুগ্ধ চোখে চেয়ে দেখেছি।
হেঁটে যায় এক মহাজীবন।
সালামের উত্তর তিনি কোনদিন দিয়েছেন মনে পড়ে না। তবে চোখ তুলে কখনো তাকাতেন, কখনো না।
হেঁটে যায় এক অহঙ্কারি পুরুষ।

বিস্তারিত»

দাসের আত্মকথা

জন্ম জন্মান্তরে কিংবা দেশ দেশান্তরে
ঘুরপাক খাই সেই একই বৃত্তে ।
যেদিকেই  যাই গন্তব্য কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র।
কেনই বা নয় ?
সেই অনন্যতার টান কে কাটাতে পারে ?
ফোটনের মত হালকা আর চটপটে হলে
একটু সময় নিয়ে আত্মসমর্পন।
ও হো, আমিতো ভুলেই গেছি
সেখানে সময়ও স্থির।

প্রথম জন্মে নিশ্চয় মাকড়সা ছিলাম
রাণীর প্রেমে আত্মবলিদান।
কখনও পুরুষ মথ বা মৌমাছি
সন্তানের মুখ দেখার পূর্বেই মৃত্যু।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন

নিজের সদ্যোজাত সন্তানটিকে কোলে নিলে রমিছা বানুর বিস্ময়ের অন্ত থাকে না। এ কি তার সন্তান, তার গর্ভজাত সন্তান ! মোমেনা চাচী বলে, ‘রমিছা ! তোর পোলা তো দুনিয়া আলো করব রে ! এত্ত সোন্দর পোলা ! গায়ের রঙ য্যান ফাইট্টা পড়তাছে ! সাহেবগোর পোলাপাইনের মত দ্যাখতে হইছে রে !’

আক্ষরিক অর্থেই দুধে-আলতা ফর্সা একটা বাচ্চা, গোল সুন্দর মুখ- যেন রসে টুপটুপ রসগোল্লা। লাল টুকটুক ঠোঁট দেখে মনে হয় রক্ত লেগে নেই তো!

বিস্তারিত»

স্যালুট তোমাদের! তোমরা জানো তোমরা কারা

এক.
২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯। অন্ধকার সে অধ্যায়ের পর চার বছর পেরোলো। তদন্ত হল, বহু মানুষের বিচার হল, শাস্তি হল। আমরা কি এখনো জানি পর্দার আড়ালের মূল অপরাধীদের শাস্তি হয়েছে কি না?

দুই.
পিলখানা থেকে গোলাগুলির আওয়াজের খবর ব্লগে এসে আছড়ে পড়েছে ততক্ষণে। আকিরা কুরোসাওয়ার রশোমনের মতো একেক জন একেক দৃষ্টিকোণ থেকে বয়ান দিচ্ছে ঘটনার। খবর মানে বিচ্ছিন্ন তথ্য, ছুটন্ত মানুষের অস্ফুট উক্তি,

বিস্তারিত»

পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১

পিলখানা তখন মৃত্যুপূরী (গল্প)-১
————————– ডঃ রমিত আজাদ

পথটা একটা তীক্ষ্ণ একটা বাঁক নিতেই হুমড়ি খেয়ে গায়ের উপর এসে পড়লো কোন সহযাত্রী। “ইয়া খোদা! ইয়া খোদা!” বলে চিৎকার করে উঠলেন তিনি। শত চেষ্টা করেও তার চেহারাটা দেখা গেলোনা। সহযাত্রীটি কোন একটা দিকে আঙুল দেখিয়ে বললো ঐযে ঐদিকে ঐদিকে। কথাটার মানে বোঝা গেল না। আঁকাবাঁকা সর্পিল পাহাড়ী পথে এগিয়ে চলছে বহুদিনের পুরাতন একটি ঘোড়ার গাড়ী।

বিস্তারিত»

পিলখানা

পিলখানা

বিদ্রোহ কি এতই সস্তা ?
মুর্খ আর জালিম !
বর্বরতায় প্রাণ হারালো
মাকসুম উল হাকিম।

কেমন ধারা দাবী দাওয়া
আদায় করতে দরবারে ?
ভাই বন্ধু নেতার প্রাণ
কলংকিত বলাৎকারে !

পিলখানাতে একাত্তর
ফিরে এলো নারকতা !
বাকরুদ্ধ শোকে মোরা
ডুকরে কাঁদে মানবতা !

কাদা ছিটিয়ে ঘোলাপানি
ধরা পড়ে পুঁটিমাছ !

বিস্তারিত»

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং এবং মিউজিক ভিডিও

গত পরশুই মাত্র থিম সং টি শুনলাম। গানটা ভাল লেগেছে কিন্তু সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলছিল বুঝতে পারছিলাম না। আশাকরি লেখাটা পড়ে এবং গানটা শুনে সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলা হচ্ছিল সেটার উত্তর কেউ দিবেন। যাই হোক সেটা বাদে রেফায়াত আহমেদ ও অনম বিশ্বাসের কথায় এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও কৌশিকের সুরে গানটি ভালই লেগেছে যদিও গানের সুর কিংবা গানের কথা বাংলাদেশকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করতে পারেনি। আমরা শত চেষ্টা করেও খাটি বাংলা গান বানাতে পারলাম না।যতটুকু না ঢুকালেই নয় যেমন স্টেডিয়াম কিংবা ক্রিকেট এসব বাদেও আরো ইংরেজীকে ঢুকাতেই হল।

বিস্তারিত»

পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৮

১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ রবিবার বিকাল ৪টা
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে
যাচ্ছে ‘কেটে’ দিনরাত্রি।
ফিরে এসো গরু হয়ে।
খেয়ে নাও ঘাসটুকু,
জাবর কেটো পরে।
তবু দোহাই লাগে-
কেটোনা মোরে এই
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে।

প্রচারে – মাথা নষ্ট

পেছনের কথাঃ এই ছড়াটা লিখেছি যখন প্রেমিকার সাথে সোভিয়েত রাশিয়া সময়কার স্নায়ু-যুদ্ধের আদলে যুদ্ধ শুরু হলো। কথা বললে উত্তর মিলে না।

বিস্তারিত»

একটি অনাবিল আনন্দময় ও স্মরণীয় ভ্রমন অভিজ্ঞতা

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ১৫তম ইনটেকের (৭৮-৮৪) আমরা ১৮ জন বন্ধু (১৫ জন সস্ত্রীক) তাঁদের ২৭ জন সন্তান (একজন আবার এক্সক্যাডেট) সহ দিন কয়েক আগে দুরাত ও এক দিনের এক ভ্রমনে গিয়েছিলাম বরিশালে, আমাদেরই এক বন্ধু রিজভির আমন্ত্রনে, পৃষ্ঠপোশকতায়।

কথা ছিল ফিরে এসে ঐ অভিজ্ঞতার কথা লিখবে, যারা যারা লিখালিখি করে বা লিখালিখির সাথে জড়িত।

আমি এককিস্তি লিখেছিলামও। কিন্তু আমার বন্ধু বুয়েটের শিক্ষক মাহবুব সাড়ে চার কিস্তিতে এমনই এক স্বপ্নালু গদ্যের জন্ম দিয়ে ফেলল যে আমি আমার লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেললাম।

বিস্তারিত»

গণ জাগরন নিয়ে আরেক কিস্তি

১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০১৪-এ এই লিখাটাও বেরিয়েছে বিডি নিউজ ২৪-এ।

সিসিবি-র পাঠকগণের জন্য এখানেও দিলাম।

গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান, সরকারের অবস্থান ও বিবিধ প্রচার-প্রচারণা

পূর্ব কথা:

গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান প্রক্রিয়াটা অনেক দিক দিয়েই ছিল নজিরবিহীন। এই উত্থান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতির মূলধারায় প্রবেশের একটি মডেল যে দেখতে পাওয়া গিয়েছে, রাজনৈতিক দলসমূহের জন্য আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, সে কথা আগে একটি লেখায় উল্লেখ করেছি।

বিস্তারিত»

আমার প্রথম বই “কাচের কুয়াশা” এর মোড়ক উন্মোচন

আগামিকাল বিকেল ৪.৩০ মিনিটে আমার প্রথম বইকাচের কুয়াশা গল্পগ্রন্থ “কাচের কুয়াশা” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হবে বাংলা অ্যাকাডেমির নজরুল মঞ্চে। আপনাদের উপস্থিতি বিশেষভাবে কাম্য।

“কাচের কুয়াশা”
গল্পগ্রন্থ
মুক্তদেশ প্রকাশন স্টল নম্বর ৩৭১-৩৭২
অনলাইনে বই এর অর্ডার দিন www.rokomari.com

বিস্তারিত»

টঙ

ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠা, মানুষের ভীড়ে দম ফেলে বাঁচার আকুলতা, কানের কাছে প্রচণ্ড জোরে হর্ন শুনে মনে মনে চালককে গালি দেয়া, চলন্ত গাড়ির মাঝেই রাস্তা পাড় হওয়া সব ই যেন কতই না গুরুত্ববহ।

টানা পাঁচদিন হরতাল আর দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির জন্য দেরী করে ঘুম থেকে উঠাও হয় না। অথবা ঈদ-পূজার টানা ছুটিও পাওয়া হয় না।

ব্যাস্ত রাস্তায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে চলার সময় বন্ধুদের বলা হয় না- দোস্ত দাঁড়া,

বিস্তারিত»

সিসিবি আড্ডা (বিজনেস টক) এবং চা-চক্র – আপডেট ফেব্রয়ারী ২৩ (সাময়িক পোস্ট)

আপডেটঃ প্রথমেই দুঃখিত বই উন্মোচন পর্ব অনুষ্ঠিত না হওয়ায়। বিষয়টি আসলেই বেশ হট্টগোল এবং জটঘট প্যাকানো বিষয়। বইমেলার আসলে চারটার পর না যাওয়াই ভালো। অস্বাভাবিক ভীড় হয়ে যায়।
জেট ল্যাগের প্যাঁচে যাতে না পরতে হয় এজন্য আমি যেদিন আসি সেদিনই বের হয়ে যাই। এবারও সাতটায় পৌঁছে বারটায় ঘর থেকে বের হলাম। তারপর বই মেলায় গেলাম। আমার সাথে আরও তিনজন ভার্সিটিতে পড়া মেয়ে ছিল যাদের মধ্যে দুজন এই প্রথম বই মেলায় গেল।

বিস্তারিত»