এই দুনিয়ায় যত জাতি আছে, তন্মধ্যে ক্যাডেট জাতি সর্বাপেক্ষা নিষ্পাপ (হাসেন কেন? ঠিকই তো বললাম)। তবে, সব কিছুরই কিন্ত আছে। কিন্ত থাকবে না কেন বলুন, চাঁদ ও সূর্যের গায়ে যদি কলঙ্ক থাকতে পারে, তবে ক্যাডেটের চরিত্রে দুই-একটা কিন্ত থাকলে কোন সমস্যা নেই। যা বলছিলাম, এই নিষ্পাপ একঘেয়ে জীবনে অফুরন্ত আনন্দ নিয়ে আসে কিছু নিয়ম বহির্ভূত কর্ম। বলা নিষ্প্রয়োজন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো কারোর না কারোর বিরক্তির কারণ হত।
বিস্তারিত»সুচিত্রা সেন – লাখো বাঙালীর হৃদয়ের নায়িকা
সুচিত্রা সেন – লাখো বাঙালীর হৃদয়ের নায়িকা
—————————— ডঃ রমিত আজাদ
সুচিত্রা সেন নামটির সাথে পরিচয় খুব ছোটবেলা থেকেই। আমার ফুপু বয়সে তিনি সুচিত্রা সেনের কাছাকাছিই হবেন, অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা। তিনি খুব বলতেন সুচিত্রা সেনের কথা। যা বুঝতাম, উনাদের সময়ের অভিনয় জগৎের জীবন্ত কিংবদন্তী ছিলেন সুচিত্রা সেন। আমার খুব ছোট বেলায় সুচিত্রা সেনের ছবি দেখার সুযোগ হয়নি, কারণ তখন দেশে একটিই টিভি চ্যানেল ছিলো –
বিস্তারিত»স্মৃতি ভান্ডার-১
কলেজের অ্যানুয়াল এথলেটিক্স। কি পরিমান উত্তেজনা বিরাজ করে তা বোধহয় লিখে বলা যাবে না। তো ঐ সময়ের একটা ঘটনা প্রায়ই মনে উকি দেয়। ২০০০ সাল, আমরা তখন ইন্টারমিডিয়েট গ্রুপে। আমি খুবই উত্তেজিত, কারন অবশেষে একটা সময় আসছে যেখানে বেশ ভাল একটা ঝলক দেখানো যাবে। কিন্তু বিপত্তি ছিল শামসকে নিয়ে। ওকে হারিয়ে একা একা বেস্ট এথলেট হবার কোন পথই নাই। তো, অগত্তা সমঝোতা। আমাদের ইভেন্ট আলাদা করে নিলাম।
বিস্তারিত»তারপর উডি অ্যালেন
“( “সেগুন গাছের পাতাটা থেকে আলসে একটা গন্ধ আসছে।”
-“ধুর বোকা ! গন্ধ আবার আলসে হয় কিভাবে?”
-“ঠিক যেভাবে ভোর হয়েছে কাকডাকা। ”
-“মাদার অফ লজিক! এই দিয়ে কলেজে ডিবেট করতে?”
-“ডিবেট? সেটা আবার কিভাবে করে?”
-“শিখিয়ে দিতে হবে নাকি আবার?”
-“তবে তাই হোক সক্রেটিস ম্যাম !”
-“প্লেটোরা এখন বইয়ের পাতায়।রিপাবলিক, প্রতোগারাস, সিম্পসিয়াম”
-“দি রিং অফ গিগস”
একটি মাথামুণ্ডুবিহীন স্বপ্নভঙ্গের গল্প
১
এইমাত্র ক্লাস শুরু হল। যিনি ক্লাস নেবেন, তাঁর চোখে ভারী ফ্রেমের চশমা। দেখতেই বোঝা যায়, বাবা-মার আদরের পড়ুয়া ছেলে। উসকো-খুসকো চুল, চুলের যত্ন নেয়ার সময়ই বা কোথায়। ক্লাসে ঢোকার পর নিজের পরিচয় দিলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিংয়ে ক্লাস নেবেন, বুয়েটে যে পড়েন তা সহজেই অনুমেয়। ডিপার্টমেন্টের নাম বলার পর ক্লাসের ভেতর একটা সম্মিলিত চাপা চিতকারের শব্দ শোনা গেল। ভাবী প্রকৌশলীদের চোখ উজ্জ্বল থেকে উজ্জলতর হয়ে উঠল।
তুমি চাইলেই
তুমি চাইলেই,
হাসিনা-খালেদা এসে বসে যাবে-
পলাশীতে ওই,
মনিরের দোকানে।
“শাকিব খান মন্ত্রী হবে”
এমন গুজব শোনা যাবে-
কানে-কানে।
তুমি চাইলেই,
সজীব ওয়াজেদ-তারেক জিয়া
এরশাদের জন্য, মাঠে নেমে-
চাইবে ভোট।
১৮-১৪, মিলে যাবে সব;
গঠিত হবে-
৩৩ দলীয় জোট।
তুমি চাইলেই,
বিস্তারিত»কলেজ পালানো -১
এই ব্লগটি আমার ৪০তম ব্লগ এবং সব গুলাই সিসিবিতে পোষ্ট করা, অন্য কোথাও সাহস করে ব্লগ কখনো লিখিনাই। আমার নিজের মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগে, সব লেখা কেন ক্যাডেট কলেজ নিয়া লিখি। কিন্তু মনের শান্তির একটা ব্যাপারতো আছে, ‘যা করিয়া পাও শান্তি, চালাইয়া যাও তাহাই’ (লেখক এবং কবি হাসান শওকত)।
তাই আজকে আবার হাজির হলাম কলেজের একটা গল্প নিয়ে এবং ক্লাস নাইনের সময়ের একটা কাহিনী নিয়ে।
বই ও খাদ্যবিলাস
আমাদের নরসিংদীর খুব পরিচিত একটা লাইব্রেরীর নাম হোল “বঙ্গআজাদ লাইব্রেরী”। এই লাইব্রেরীর কর্ণধার হুমায়ুন মামা, আমার বাবার নামে নাম বলেই কিনা এই মানুষটার মধ্যে পিতৃভাব প্রবল। কর্মব্যস্ত, প্রচণ্ড রকমের ছটফটে আর হাসিখুশি মানুষটি আমাকে খুব স্নেহ করেন। সবাইকে নিয়ে হই-হুল্লোড় করে ভুরিভোজ উনার বিশেষ পছন্দের কাজ।পেল্লায় সাইজের একটা গলদা চিংড়ী আমার প্লেটে তুলে দিতে দিতে মামা একদিন বলেছিলেন, “শোনো মামা, যা ইচ্ছা করে সেটাই খাবা।
বিস্তারিত»বেহায়া শীত
[ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ইহা সুশীলদের জন্য নহে ]
কয়েক দিন হল মৃদু শৈত্য প্রবাহ চলছে । কেমন মৃদু ? হরতাল ঠেঙ্গাতে পুলিশ যেমন মৃদু লাঠিচার্জ করে সে রকম আর কি । যাই হোক মৃদু শীতে গুরুতর কম্পন ঠেকাতে হীটার ফ্যান কিনলাম। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। একটু বেশী দরেই উষ্ঞতা কিনতে হবে । এখন তো আর ভার্সিটিতে পড়িনা যে ফ্রি বিদ্যুত ব্যবহার করব! সেই সময়ের কথা মনে পড়লে এখন খারাপই লাগে।
বিস্তারিত»বদলানোর গল্প
জীবন মানুষকে নানা সময়ে নানানরকম জিনিস শেখায়। আমার এই ১৯বছরের জীবনে হয়ত অনেক বেশীই দেখা হয়ে গেল। প্রথমে হয়ত কিছুই মনে হত না। কিন্তু আসতে আসতে বয়স বাড়ল দেখলাম এইসব জিনিস এ বুকের মধ্যে চিন চিন করে ব্যাথা করে। খুবই অসস্তিকর ব্যাথা।এসব ব্যাথা শুরু হলে খুব ভাঙতে ইচ্ছা করে। সামনে যা পাই তাই ভাঙতে মন চায়। আরেকটা কষ্টকর কাজ করা যায় তা হল কাটাকুটি। সুন্দর দেখে বেশ কয়েকখানা সার্জিক্যাল ব্লেড আছে আমার।
বিস্তারিত»ক্যাডেটের সংকল্প
থাকব না’ক বদ্ধ ঘরে
দেখব এবার কলেজটাকে
কেমন করে ঘুরছে ক্যাডেট
ফ্রন্ট রোলেরই ঘূর্ণিপাকে।
গ্রাউন্ড হতে গ্রাউন্ড-অন্তরে
ছুটছে তারা টাচ অ্যান্ড ব্যাকে,
কিসের নেশায় কেমন করে
খাচ্ছে ইডি লাখে লাখে।
কিসের আশায় করছে তারা
পাগল তাদের স্টাফদেরকে
কেমন করে বীর সুইমার
পুল সেঁচে মেডেল আনে,
কেমন করে দুঃসাহসী
চলছে হেঁটে শহরপানে।
গাছে চড়ে চায় যেতে কে
প্রিন্সিপালের অফিসপাণে,
পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৫
ভোর ৩টা ১৭ মিনিট (জানুয়ারী ৯, ২০১৪) – নির্ঘুম রাতের অভিশাপ
রাত একটার দিকেই শুয়ে পড়লাম। রাত জেগে থাকার বাজে অভ্যাসটা ছেড়ে আসতে চাই। সামনের সোমবার থেকে সেমিস্টার শুরু হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং ঘুমানোর সময় মেডিটেশান কিংবা ঘুম সহায়ক সঙ্গীতের ট্র্যাক ইউটিউবে ছেড়ে ঘুমাতে চেষ্টা করি। কিন্তু আমার সঙ্গীতপিপাসু মস্তিষ্ককে ঘুম পাড়াতে ব্যর্থ হচ্ছে হাল্কা পিয়ানোর কাজগুলো। না ঘুমিয়ে বরং মন দিয়ে শুনছি। এত সুন্দর পিয়ানোর কাজ শুনতে গিয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া অপরাধ।
রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (পরিশিষ্ট)
স্বয়ং প্রিন্সিপাল স্যার ফ্রগ জাম্প দিচ্ছেন ! বিশ্বাস হচ্ছে না ? একেবারে গাছপাকা কথারে ভাই ( এবং আপু), গুল মারছি না । ফটোশপের ক্যারামতি নয়। আসল ছবিই দেখাব । কি মনে করছেন ? কিভাবে ফ্রগ জাম্প দিতে হয় তাই দেখাচ্ছেন স্যার ? মোটেও তা নয় ! তিনি পানিশমেন্ট খাচ্ছেন । রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের রিইউনিয়নে, রিভার্স অর্ডারে। তখনকার প্রিন্সিপাল স্যার যে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজেরই এক্স ক্যাডেট।
বিস্তারিত»পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৬
১
অভিশপ্ত জীবন আমার। ঠিক করেছি লিখব না। অন্তত: আরও কয়েকটা মাস। ফোকাসটা একটা কাজে পারলে ভাল হয়। কিন্তু অনিদ্রা রোগটা এমন খ্যাপাটে হয়ে পড়ল যে আমি বুঝে গেলাম এবার সময় হয়েছে। লেখা ব্যাপারটা অনেকটা প্রসববেদনার মতো। পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া যায় না। সময় যখন হয় তখন তেড়ে-মেড়ে বেড়িয়ে আসে। হোক তা সুস্থ কিম্বা বিকলাঙ্গ; স্পষ্ট কিম্বা অস্পষ্ট; ভাল বা মন্দ – আমরা মনের আনন্দে অক্ষর দিয়ে সন্তান বানাই।
বিস্তারিত»দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কিছু এলোমেলো চিন্তাভাবনা – ২
আওয়ামীলীগ দেশকে আবার ঠিক কবছরের জন্য নেত্রিত্ব দিতে যাচ্ছে ?? কেন এই মুহূর্তে বিএনপির আশু ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখা যাচ্ছে ?? কিছু বাস্তবসম্মত চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করলাম। আওয়ামী সেট আপ নিয়েও কিছুক্ষন ভাবলাম । দেখা যাক ।।
নেতারা গুহাবাসী হওয়ায় এবং সময়মত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় দলটি এই মুহূর্তে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। তৃণমূল সংগঠনের সাথে যোগাযোগ না থাকায় একদিকে যেমন তারা কঠোর সরকার বিরোধী আন্দোলন জমাতে না পারছে,
বিস্তারিত»