একটি মাথামুণ্ডুবিহীন স্বপ্নভঙ্গের গল্প


এইমাত্র ক্লাস শুরু হল। যিনি ক্লাস নেবেন, তাঁর চোখে ভারী ফ্রেমের চশমা। দেখতেই বোঝা যায়, বাবা-মার আদরের পড়ুয়া ছেলে। উসকো-খুসকো চুল, চুলের যত্ন নেয়ার সময়ই বা কোথায়। ক্লাসে ঢোকার পর নিজের পরিচয় দিলেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিংয়ে ক্লাস নেবেন, বুয়েটে যে পড়েন তা সহজেই অনুমেয়। ডিপার্টমেন্টের নাম বলার পর ক্লাসের ভেতর একটা সম্মিলিত চাপা চিতকারের শব্দ শোনা গেল। ভাবী প্রকৌশলীদের চোখ উজ্জ্বল থেকে উজ্জলতর হয়ে উঠল।

বিস্তারিত»

তুমি চাইলেই

তুমি চাইলেই,

হাসিনা-খালেদা এসে বসে যাবে-
পলাশীতে ওই,
মনিরের দোকানে।

“শাকিব খান মন্ত্রী হবে”
এমন গুজব শোনা যাবে-
কানে-কানে।

 

তুমি চাইলেই,

সজীব ওয়াজেদ-তারেক জিয়া
এরশাদের জন্য, মাঠে নেমে-
চাইবে ভোট।

১৮-১৪, মিলে যাবে সব;
গঠিত হবে-
৩৩ দলীয় জোট।

 

তুমি চাইলেই,

বিস্তারিত»

কলেজ পালানো -১

এই ব্লগটি আমার ৪০তম ব্লগ এবং সব গুলাই সিসিবিতে পোষ্ট করা, অন্য কোথাও সাহস করে ব্লগ কখনো লিখিনাই। আমার নিজের মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগে, সব লেখা কেন ক্যাডেট কলেজ নিয়া লিখি। কিন্তু মনের শান্তির একটা ব্যাপারতো আছে, ‘যা করিয়া পাও শান্তি, চালাইয়া যাও তাহাই’ (লেখক এবং কবি হাসান শওকত)।
তাই আজকে আবার হাজির হলাম কলেজের একটা গল্প নিয়ে এবং ক্লাস নাইনের সময়ের একটা কাহিনী নিয়ে।

বিস্তারিত»

বই ও খাদ্যবিলাস

আমাদের নরসিংদীর খুব পরিচিত একটা লাইব্রেরীর নাম হোল “বঙ্গআজাদ লাইব্রেরী”। এই লাইব্রেরীর কর্ণধার হুমায়ুন মামা, আমার বাবার নামে নাম বলেই কিনা এই মানুষটার মধ্যে পিতৃভাব প্রবল। কর্মব্যস্ত, প্রচণ্ড রকমের ছটফটে আর হাসিখুশি মানুষটি আমাকে খুব স্নেহ করেন। সবাইকে নিয়ে হই-হুল্লোড় করে ভুরিভোজ উনার বিশেষ পছন্দের কাজ।পেল্লায় সাইজের একটা গলদা চিংড়ী আমার প্লেটে তুলে দিতে দিতে মামা একদিন বলেছিলেন, “শোনো মামা, যা ইচ্ছা করে সেটাই খাবা।

বিস্তারিত»

বেহায়া শীত

[ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ইহা সুশীলদের জন্য নহে ]

কয়েক দিন হল মৃদু শৈত্য প্রবাহ চলছে । কেমন মৃদু ? হরতাল ঠেঙ্গাতে পুলিশ যেমন মৃদু লাঠিচার্জ করে সে রকম আর কি । যাই হোক মৃদু শীতে গুরুতর কম্পন ঠেকাতে হীটার ফ্যান কিনলাম। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। একটু বেশী দরেই উষ্ঞতা কিনতে হবে । এখন তো আর ভার্সিটিতে পড়িনা যে ফ্রি বিদ্যুত ব্যবহার করব! সেই সময়ের কথা মনে পড়লে এখন খারাপই লাগে।

বিস্তারিত»

বদলানোর গল্প

জীবন মানুষকে নানা সময়ে নানানরকম জিনিস শেখায়। আমার এই ১৯বছরের জীবনে হয়ত অনেক বেশীই দেখা হয়ে গেল। প্রথমে হয়ত কিছুই মনে হত না। কিন্তু আসতে আসতে বয়স বাড়ল দেখলাম এইসব জিনিস এ বুকের মধ্যে চিন চিন করে ব্যাথা করে। খুবই অসস্তিকর ব্যাথা।এসব ব্যাথা শুরু হলে খুব ভাঙতে ইচ্ছা করে। সামনে যা পাই তাই ভাঙতে মন চায়। আরেকটা কষ্টকর কাজ করা যায় তা হল কাটাকুটি। সুন্দর দেখে বেশ কয়েকখানা সার্জিক্যাল ব্লেড আছে আমার।

বিস্তারিত»

ক্যাডেটের সংকল্প

থাকব না’ক বদ্ধ ঘরে
দেখব এবার কলেজটাকে
কেমন করে ঘুরছে ক্যাডেট
ফ্রন্ট রোলেরই ঘূর্ণিপাকে।
গ্রাউন্ড হতে গ্রাউন্ড-অন্তরে
ছুটছে তারা টাচ অ্যান্ড ব্যাকে,
কিসের নেশায় কেমন করে
খাচ্ছে ইডি লাখে লাখে।
কিসের আশায় করছে তারা
পাগল তাদের স্টাফদেরকে
কেমন করে বীর সুইমার
পুল সেঁচে মেডেল আনে,
কেমন করে দুঃসাহসী
চলছে হেঁটে শহরপানে।
গাছে চড়ে চায় যেতে কে
প্রিন্সিপালের অফিসপাণে,

বিস্তারিত»

পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৫

ভোর ৩টা ১৭ মিনিট (জানুয়ারী ৯, ২০১৪) – নির্ঘুম রাতের অভিশাপ
রাত একটার দিকেই শুয়ে পড়লাম। রাত জেগে থাকার বাজে অভ্যাসটা ছেড়ে আসতে চাই। সামনের সোমবার থেকে সেমিস্টার শুরু হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং ঘুমানোর সময় মেডিটেশান কিংবা ঘুম সহায়ক সঙ্গীতের ট্র্যাক ইউটিউবে ছেড়ে ঘুমাতে চেষ্টা করি। কিন্তু আমার সঙ্গীতপিপাসু মস্তিষ্ককে ঘুম পাড়াতে ব্যর্থ হচ্ছে হাল্কা পিয়ানোর কাজগুলো। না ঘুমিয়ে বরং মন দিয়ে শুনছি। এত সুন্দর পিয়ানোর কাজ শুনতে গিয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া অপরাধ।

বিস্তারিত»

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (পরিশিষ্ট)

স্বয়ং প্রিন্সিপাল স্যার ফ্রগ জাম্প দিচ্ছেন ! বিশ্বাস হচ্ছে না ? একেবারে গাছপাকা কথারে ভাই ( এবং আপু), গুল মারছি না । ফটোশপের ক্যারামতি নয়। আসল ছবিই দেখাব । কি মনে করছেন ? কিভাবে ফ্রগ জাম্প দিতে হয় তাই দেখাচ্ছেন স্যার ? মোটেও তা নয় ! তিনি পানিশমেন্ট খাচ্ছেন । রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের রিইউনিয়নে, রিভার্স অর্ডারে। তখনকার প্রিন্সিপাল স্যার যে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজেরই এক্স ক্যাডেট।

বিস্তারিত»

পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৬

অভিশপ্ত জীবন আমার। ঠিক করেছি লিখব না। অন্তত: আরও কয়েকটা মাস। ফোকাসটা একটা কাজে পারলে ভাল হয়। কিন্তু অনিদ্রা রোগটা এমন খ্যাপাটে হয়ে পড়ল যে আমি বুঝে গেলাম এবার সময় হয়েছে। লেখা ব্যাপারটা অনেকটা প্রসববেদনার মতো। পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়া যায় না। সময় যখন হয় তখন তেড়ে-মেড়ে বেড়িয়ে আসে। হোক তা সুস্থ কিম্বা বিকলাঙ্গ; স্পষ্ট কিম্বা অস্পষ্ট; ভাল বা মন্দ – আমরা মনের আনন্দে অক্ষর দিয়ে সন্তান বানাই।

বিস্তারিত»

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কিছু এলোমেলো চিন্তাভাবনা – ২

আওয়ামীলীগ দেশকে আবার ঠিক কবছরের জন্য নেত্রিত্ব দিতে যাচ্ছে ?? কেন এই মুহূর্তে বিএনপির আশু ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখা যাচ্ছে ?? কিছু বাস্তবসম্মত চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করলাম। আওয়ামী সেট আপ নিয়েও কিছুক্ষন ভাবলাম । দেখা যাক ।।

নেতারা গুহাবাসী হওয়ায় এবং সময়মত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় দলটি এই মুহূর্তে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। তৃণমূল সংগঠনের সাথে যোগাযোগ না থাকায় একদিকে যেমন তারা কঠোর সরকার বিরোধী আন্দোলন জমাতে না পারছে,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট

গাহি কলেজের গান-

পিটির চেয়ে বাজে কিছু নাই,নহে কিছু কুমহান,

নাহি দেশ,কাল,কলেজের ভেদ,অভেদ তাহার খ্যাতি,

সব কলেজে,মুলত শীতকালে কলেজে কলেজে তারা ঘুম-ঘাতি।

জেপি,দুয়ার খোলো,

এডজুটেন্ট গ্রাউন্ডে রয়েছে দাঁড়ায়ে,পিটির সময় হলো!

স্বপন দেখিয়া আকুল জেপি খুলিল দরজা হায়

প্রিন্সিপালের বরে আজ সিপি টিপি হয়ে যাবে নিশ্চয়!

পূর্ণবস্ত্র,বলিস্থ গাত্র,কণ্ঠ জোকসহীন,

বলিল স্টাফ,জেপি,তুমি লেট করেছ আজ নিয়ে ৭ দিন!

বিস্তারিত»

সিসিবিতে আমি শুধুই ক্যাডেট

সিসিবিতে এই ২০১৪ বছরটা কি দূর্দান্ত ভাবেই না শুরু হলো! প্রতিদিন এতো এতো পোষ্ট আসা শুরু হলো যে, আপডেট থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে- ৪ঠা জানুয়ারী ৭টা, ৫ই জানুয়ারী ৮টা, ৬ এ ৫টা, ৭এ ৩টা, ৮এ ২টা, ৯এ ৬টা। অ-নে-ক দিন পর সিসিবি বুঝি নতুন প্রাণ পেল। বহু দিন, সপ্তাহ, মাস পর সিসিবিতে এসে ভালো লাগছে, খুবই।

অন্তর্জালে বাংলা ব্লগের ছড়াছড়ি।

বিস্তারিত»

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কিছু এলোমেলো চিন্তাভাবনা – ১

আওয়ামীলীগের পলিটিকাল স্ট্র্যাটেজিস্ট কে বা কারা ভাই ! যে বা যারাই হোন, আপনেরা বস ! সিনেমার ভিলেনদেরও তাদের ‘ব্রেইন’ আর ‘কোয়ালিটি’র জন্য মাঝে মাঝে স্যালুট করা লাগে, এখন মোটামুটি সেই অবস্থা চলে আসছে ।

চিন্তা করে দেখবেন বাংলাদেশের আজকের পরিস্থিতি হঠাত করে ১ দিনে তৈরি হয় নাই, খুব প্ল্যানড ওয়েতে ঠাণ্ডা মাথায় একের পর এক স্টেজ পার করে আজকের এই অবস্থান তৈরি করা হইছে ।

বিস্তারিত»

শুরু করলাম

অবশেষে কিছু একটা লেখা শুরু করতে পারলাম।

কলেজে যাবার পর সবার সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিভিন্ন দিক থেকে প্রস্ফুটিত হতে থাকে।
ক্লাস সেভেন এর শেষ দিকে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না।
আশেপাশের সবার প্রতিভা দেখে অবশেষে একটা কবিতা লিখে ফেল্লাম।
মেঘনা হাউসে ইশতিয়াক ভাই ছিল সেইরকম মারদাঙ্গা।
সবাইরে পাঙ্গাইয়া ফাত্তাফাই করে দিছে। স্বভাবতই তার উপর আমি নাখোশ।
মনের দুঃখ প্রকাশে হাতে কলম তুলে নিলাম।

বিস্তারিত»