জীবনটাকে উপভোগ করে গেল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী

[এক বছর আগে এইদিনে চিরবিদায় নিয়েছিল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী। তাকে নিয়ে এই লেখাটা সামেহায়ারইনে গতবছর এইদিনে দিয়েছিলাম। লেখাটায় কোনো পরিবর্তন না করে এই ভূমিকাটুকু যুক্ত করে ক্যাডেট কলেজ ব্লগে দিলাম।]

জীবন একটাই, আর সেটাকে পুরোপুরি উপভোগ করে আমাদের চোখের আড়ালে চলে গেল সঞ্জীব চৌধুরী। আমার বন্ধু। আমাদের কাছে এই মৃত্যু ভাবনায় ছিল না, কামনার তো নয়ই। মাত্র ৪৪ বছরের জীবন! কেউ এই সময়টাকেই যথেষ্ট মনে করেন,

বিস্তারিত»

এই শহরে আমার পথে মগ্ন হয়ে যায় বাসের শিস

এই যে ঢাকা শহরে হেঁটে চলে বেড়াই, দিন যায়, মাস যায়, গরমের দিনগুলো পেরিয়ে শীতের বাতাস আসে। তারও আগে বৃষ্টি ঝুম করে দারুন ভিজিয়ে যায়। সিক্ত নগরীও একসময় শুকিয়ে ওঠে। তারপরে আবার কুয়াশা কেটে চরাচরে উৎসব জমে ওঠে। এরকম দিনাতিপাতে খেয়াল থাকে না কখন বেড়ে উঠছি। বয়েসের কোঠা একটা একটা ধাপ পেরুচ্ছে। সেখানে ধাপে ধাপে কতমুখঃ চেনা-অচেনা-সাদা-তামাটে-কালো-কালিমাখা। এইসব মুখের ভীড়েও কাউকে চিনে ফেলি স্বজন মনে করে।

বিস্তারিত»

তোমাকে ভালবাসি বাবা

আমি সারাজীবন নিজের মতো চলতে চেয়েছিলাম। নিজের যা পড়তে ভালো লাগে, যা করতে চাই, যা হতে চেয়েছিলাম- সবই একে একে অর্জন করে চলেছি।
শুরুতে বাবা চেয়েছিলেন সেনা কর্মকর্তা হই, পরে চেয়েছিলেন অর্থনীতি পড়ি, অবশেষে সরকারি কর্মকর্তা হই। বাবার চাওয়া এসবের কোনোটাই আমি পুরণ করিনি।
এককালে রাজনীতি করেছি। সাংস্কৃতিক আন্দোলন করেছি। প্রিন্ট মিডিয়ায় দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেছি। এখনও মিডিয়ায় আছি।

বিস্তারিত»

শিরোনামের ফুটনোট

খেয়াল করলাম গত অগাস্টে এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু লেখা হয়নি একটুও। সেটা বেশ অবাক করা কারণ এ কয়মাসে আমার জীবনে একটা উজ্জ্বল অংশ এই লেখালেখি করাটাই। এই সময়ে অনেকটা সিরিয়াস হয়ে গেছি নিজের লেখা নিয়ে, চিন্তা নিয়ে, ভাবনা নিয়ে। সেগুলো এখানে কেন শেয়ার করিনি জানি না। অনেক সময় নজরের আড়ালে থাকলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিশই খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন হঠাৎ করেই মনে হলো ক্যাডেট কলেজ ব্লগেও লেখাগুলো ধীরে ধীরে দিবো।

বিস্তারিত»

আচার ০০৫: পরবাসীর রোজনামচা

ল্যাপটপের কোনার ঘড়িতে সময় দেখাচ্ছে সকাল ৭ টা বেজে ০৪ মিনিট। গতরাত ঘুমাইনি। একটা ছোট ডাইনামোমিটার ডিজাইন করেছি, এখন কাজ হচ্ছে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট জোড়া লাগানো। কিছু কিনে এনেছি আর কিছু বানাতে হচ্ছে মেশিন শপে আর র‌্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনে। রাতে দুটো জিনিস বানাতে দিয়েছিলাম র‌্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনে এবং আরও কিছু কাজ ছিল। কখন সকাল হয়ে গেছে টের পাইনি। র‌্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনটাকে আমার চমৎকার লাগে। মেশিনের কম্পুটারে আপনি যে জিনিস বানাতে চান তার ক্যাড মডেল দিতে হবে,

বিস্তারিত»

ছোট ছোট ঘটনা – দুই

এক.
এবারো সময় ক্লাশ সেভেন, স্হান ফজলুল হক হাউস । যান বাঁচানো ফরজ তাই সংগত কারণে ঘটনার নায়কের নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম । ক্লাশ সেভেন থেকেই আমাদের জনৈক বন্ধু স্ক্র্যাচিং এ পারদর্শী্ ছিল । আর মাঝে মাঝে স্হান কাল পাত্র ভুলে মনের আনন্দে গীটার বাজাতো । একদিন তখনকার কলেজ গেমস প্রিফেক্টের রুমে তার ডাক পরল । খেলাধূলার কোন একটা ব্যাপারে তাকে নসিহত করা হচ্ছে ।

বিস্তারিত»

অপেক্ষা

সেই আটটা পঞ্চাশ থেকে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছি, ক্ষিলখেত ওভার ব্রিজ এর একটু সামনে। পকেট থেকে মোবাইলটা আনমনে বের করে পর্দার দিকে তাকাতেই আঁতকে উঠলাম। নয়টা তিরিশ বাজে। হলোটা কি, এখনো আসছেন না! আশেপাশে তাকিয়ে দেখলাম অনেক দূর চলে এসেছি – লোটাস কামাল টাওয়ার এর পাশে। অনেক্ষণ অন্যমনস্ক ছিলাম, তাই খেয়াল করিনি।

দিনের এই সময়টাতে আমি সাধারণত অন্যমনস্ক থাকি না। যন্ত্রের পিঁ পিঁ পিঁ শব্দে সকালে ঘুম ভাঙ্গে,

বিস্তারিত»

বাবা হবার গল্প…

অনেক দিন ধরেই সিসিবি পড়তেসি। আর চিন্তা করতেসি কিছুতো একটা লিখা দরকার। কিন্তু আমি কখনই লেখক ছিলাম না,এমনকি কলেজেও না। ছিলাম পাঠক। ইঊনিভারসিটিতে গিয়ে হয়েছিলাম কথক। আর এখন আমি হইলাম শুধু দেখক। শুধু সিনেমা আর ফুটবল দেখি। কখনই ক্লান্ত হইনা। যেহেতু এইটা লিটল ম্যাগ না…একটা অনলাইন ব্লগ; সুতরাং আমার কাঁচা লেখাটাও সাহস করে দিয়ে দিলাম।

এবারের ঈদটা ছিল একটু অন্য রকম। আসলে ঈদের দুইদিন আগ থেকেই হাসপাতালে ছিলাম।

বিস্তারিত»

কিছু বিব্রতকর মুহুর্ত

১। ডিনার এ হেভি ভাব নিয়ে জুনিয়ার দের সামনে এসে জুনিয়ার দের মুচকি হাসি দেখে আবিস্কার করা যে প্যান্ট এর চেইন খোলা……
২। প্রিফেক্ট রা ডাইনিং এ ঢুকে ইংলিশ এ শাউট করতে গিয়ে মাঝ পথে খেই হারিয়ে ফেলা……
৩। টয়লেট এ বসে হাগু করতে গিয়ে পাশ এর টয়লেট থেকে ভেসে আসা কন্ঠঃ “আই, কে রে ভাই……গন্ধ……ইশ” পানি ঢাল ”
৪। সকালে বড় ভাই কে ডাক তে গিয়ে উনা কে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পাওয়া……

বিস্তারিত»

প্রথম আলোর জন্মদিন : অভিনন্দন কমরেডস

[ বিষয়টি ক্যাডেট কলেজের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। একসময় প্রথম আলোতে কাজ করতাম। তাই প্রথম আলোর জন্মদিনে আজ প্রথম আলো ব্লগে এই পোস্টটি দিয়েছিলাম। ভাবলাম তোমাদের সঙ্গেও শেয়ার করি। কারো ভালো না লাগলে নির্দ্বিধায় জানিও।]

প্রথম আলোর আজ জন্মদিন। বেশ সশব্দে এবং সগৌরবে দিনটি আজ পালন করতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রচারিত ও আলোচিত সংবাদপত্রটি। অভিনন্দন প্রথম আলো, অভিনন্দন প্রথম আলোর সব সাংবাদিক-কর্মীকে।

বিস্তারিত»

লাল গোলাপ শুধু তার জন্যে

বাসার সামনে গলির দোকানে চা খেতে খেতে রায়হানকে (রায়হান আবীর) জিজ্ঞেস করলাম, “কি করা যায় বুদ্ধি দেস না একটা ?” অনেক্ষন চিন্তা করেও কিছু না পেয়ে ও বললো, “বাদ দেন ভাইয়া, আপাতত কয়দিন এইভাবেই চলুক।”
-ধুর বেটা, একবার সিদ্বান্ত নিয়া এখন পিছাইয়া আসলে কেমন দেখা যায়
-তাইলে কি করবেন?
আমি কিচ্ছুক্ষন ভেবে বললাম, “উপায় আছে একটা, দাঁড়া, আজকেই মেইল করতেছি। হইয়া যাবে।”
তারপর রায়হান কে উপায়টা বুঝিয়ে বললাম।

বিস্তারিত»

এমন দিনে তারে বলা যায়

ওয়েদারের কোন তালগোল খুইজা পাইতেছিনা। ভাদ্র মাস গিয়া এখন কার্তিকের মাঝামাঝি। কোথায় জীবনান্দের কার্তিকের নবান্নের দেশ, হিমশীতল প্রকৃতি আর শিশিরের শব্দ এতো দেখি একেবারে রবীন্দ্রনাথের পাগলা হাওয়ার বাদল দিন আর বৃষ্টি নেশা ভরা সন্ধ্যা বেলা।

বৃষ্টি আমারও ভালো লাগে (‘বর্ষা’ লিখলে আবার জিহাদ মাইন্ড খাবে, সুতরাং সেফ সাইডে থাকা ভালো) 😉 । কিন্তু এইরকম বিড়-বিড়াইয়া বৃষ্টি না। আরে বেটা নামবিই যদি ঝম-ঝমাইয়া নাম।

বিস্তারিত»

ঈদ মোবারক সবাইকে

অনেক বেশী দেরী করে হলেও সবাইকে ঈদ মোবারক।
সুদীর্ঘ ১২টি দিন নেট থেকে অফ থাকার পরে সিসিবিতে আবার ফিরে এলাম। মাঝখানের এই কয়েকটি দিন বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কাটিয়ে এক মিশ্র অনুভূতি নিয়ে ফিরে এলাম। ভালো আর খারাপ এই দু’টি মিশেল অনুভূতি আমার এই ১২টি দিন কে আবৃত করে রাখলেও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি…কারণ ছুটিটা এরচেয়ে খারাপ ও তো হতে পারতো…।

আশা করি সবার ঈদ খুব ভালো কেটেছে।

বিস্তারিত»

আমার বন্ধুয়া বিহনে-২

আমার বন্ধুয়া বিহনে-১
আমার রুমমেট শোয়েবের চেহারাটাই এমন, ও জেগে থাকলেও আমরা সন্দেহ করতাম শোয়েব ঘুমিয়ে আছে। করার অনেক কারনও ছিল।
প্রেপ কিম্বা ক্লাস আওয়ারে ফর্মে অনেক হিট ফ্লপ রস হতো। মাঝে মাঝে কেউ খুব হিট কোনো রস করলে আমরা সবাই দম ফাটিয়ে হাসতাম। কেউ চেয়ার থেকে পড়ে গড়াগড়ি খেতো। অতি উৎসাহী এবং সুযোগসন্ধানী কয়েকজন, ওরে মা রে, হাসতে হাসতে মইরা গেলাম রে বলে চামে পাশের জনকে কিল,থাপ্পড় মেরে দিতো।

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন____

ভোর পাচটা । আচমকাই ঘুম ভেঙ্গে গেল । প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভে ডেটোনেট করার মত দুপ করে রাজ্যের সব ফ্রাস্ট্রেশন যেন একবারে জলে উঠলো । ইছ্ছে হছ্ছিল একদৌড়ে নিচে নেমে গাড়িটা নিয়ে ফুল স্পিডে কোথাও বেরিয়ে পরি । বিপদজনক চিন্তাটা বাদ দিয়ে একটা সিগারেট ধরালাম । তারপর আর কিছু না পেয়ে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় এই ব্লগের সামনে…।

অথচ কালই ভাবছিলাম আমার মন খারাপ হছ্ছেনা কেন ,

বিস্তারিত»