কিছুক্ষন আগে আমরা আমাদের নতুন মন্ত্রীসভা পেয়েছি। বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান সন্ধ্যা পৌনে ৭টায়। (তথ্য সুত্রঃ বিডিনিউজ২৪ ডট কম)
প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শেখ হাসিনা। ২৩ জন মন্ত্রী এবং আট জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের এই সরকারে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের অধিকাংশই নতুন।
আমি খুব ভয় পাই
সানা ভাই,তৌফিক ভাই ও মান্নান ভাইয়ের বিদগ্ধ জ্ঞানপ্রসূত আলোচনার পর আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কজাত চিন্তা-ভাবনা এইখানে সবার সাথে শেয়ার করতে বুকটা ঢিব ঢিব করছে।
তার চেয়েও বেশি ভয় পাইছি এবারের নির্বাচনের ফলাফল দেখে। বাঙালী বরই আজিব জাতি! আমি নীতিগত ভাবে বঙ্গবন্ধু ও তার দলকে সাপোর্ট করি, এবং অবশ্যই হুজুগে নয়। এই ফলাফলে আমার খুব বেশি খুশি হবার কথা।কিন্তু কেন যেন খুশি হতে পারছি না।
বিস্তারিত»উত্তপ্ত কড়াই থেকে জলন্ত চুলায় : এক
আমরা কি উত্তপ্ত কড়াই থেকে জলন্ত চুলায় পরিলাম? ২৯ ডিসেম্বরের জনরায় দেখিয়া, পড়িয়া এবং জানিয়া আমার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াটা এই রকমই দাঁড়াইয়াছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাইয়া ২০০১ হইতে ২০০৬ পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের অপশাসনে পিস্ট হইয়া রীতিমতো চিড়াচেপ্টা হইয়া গিয়াছিলাম আমরা। দুর্নীতি-সন্ত্রাসের লাগামহীন বিস্তার দেশকে নৈরাজ্যের শেষপ্রান্তে নিয়া গিয়াছিল। গ্রেনেড-বোমা নিয়া একদল মধ্যযুগীয় জঙ্গি সন্ত্রাসী গোটা জাতিকে জিম্মি করিয়া রাখিয়াছিল। আর এক দল গণহত্যা,
বিস্তারিত»এক নতুন উৎসব
শেষ রাতের দিকে ঘুমিয়েছিলাম বলে অনেক বেলা পর্যন্ত বিছানায় শুয়েছিলাম। ঘুমটাও ভাংতোনা হয়তো যদি না মা ফোন করতেন। খুশীতে তরল হয়ে যাওয়া মায়ের কন্ঠস্বরে আমিতো অবাক। কি এমন ঘটলো যে মা এত খুশী?
– “কিরে এখনো ঘুমাচ্ছিস? ফ্রেশ হবি কখন, নাস্তা করবি কখন, আর রেডী ই বা হবি কখন?”
অনেকটা যেন আমি ঈদের ছুটিতে না গেলে নামাযের আগে মা আমাকে যেভাবে ফোন করে বলতেন ঠিক তেমন।
শুভ জন্মদিন লাবলু ভাই
আমার যখন জন্মই হয়নি তার আগেই ভাইয়া ক্যাডেট কলেজ থেকে পড়া শেষ করে বেরিয়ে গেছেন। শুধু আমার নয়, এই ব্লগের প্রায় সবার চেয়ে তিনি এরকমই বড়। কিন্তু তাতে কি ! আমাদের সাথে তার বন্ধুত্ব হতে একটুও দেরি হয়নি। ক্যাডেট কলেজে পড়ার এই এক মজা। নিজের ক্লাসমেটরা তো অবশ্যই , বড় ভাই, ছোটো ভাইরাও কেমন নিমেষে আপন হয়ে যান। সে যে কোন কলেজের , যে কোন ব্যাচেরই হোক না কেন।
বিস্তারিত»আবার যুদ্ধ হলে রাজাকার হবো
শেষ পর্যন্ত সিদ্বান্তটা নিয়েই ফেললাম। লাবলু ভাই হয়তো শুনেই আমাকে ঘৃনা করা শুরু করবেন। বলবেন, ‘ছেলেটাকে এতো পছন্দ করতাম ও কিনা শেষ পর্যন্ত এমন একটা কাজ করলো?’ রাগ করে হয়তো কথা বলা বন্ধ করে দেবেন আমার সাথে। দেখা হলে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। কিন্তু তাতে আমার কিছু যাবে আসবে না। আমি আমার সিদ্বান্তে অটল থাকবো।
ফয়েজ ভাই শুনে হয়তো বলবেন, আমার বৃত্ত ভাঙ্গার গানটা তবে বৃথা গেলো।
বিস্তারিত»কলিকালের দিনলিপি
আমার এই মুহুর্তে এই ব্লগটা লেখার কথা ছিলোনা। লিখতে চেয়েছিলাম খুব প্রিয় একজন বন্ধুকে নিয়ে। যে আমার উষ্ণ অনুভূতিগুলোর খুব কাছাকাছি থাকে সবসময়। কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয়নি আমি তাকে কতটা ভালবাসি। কিন্তু তা’ আর হলো কই। আমার সব ব্যাপার কিংবা ভাবনাগুলোই অনেকটা এরকম। প্রথমে ভাবি এক কিন্তু পরে হয়ে যায় অন্য কিছু। অনেকটা সিসিবির অনেক পোস্টের মত। হয়তো লেখা হয় সিরিয়াস কিছু ভেবে আর শেষ হয় মাস্ফু ভাইয়ের “আমিও কেক খাপো”তে গিয়ে।
বিস্তারিত»সোমবার সন্ধ্যা আর আমার নিজস্ব ভাবনা
১৪-১৫ মাস ধরে ব্লগের সঙ্গে আমার পরিচয়। সম্ভবত গত জুনে সিসিবিতে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু গত দুই-তিন মাসে এমন ঘণিষ্টতা যে একদিন সিসিবিতে না ঢুকে থাকতে পারি না। একরকম অ্যাডিক্ট যাকে বলে (শওকত মাসুমকেও এই গল্প বলেই ভুলিয়েছি)। আজকাল তো প্রায় প্রতিদিনই মন্তব্যও করি। বাকি দুটো ব্লগে চোখ বুলালেও এখন সহজে লগইন করি না।
অসাধারণ সব ছেলেপিলেরা এখানে। নাম ধরে ধরে বলতে পারি এদের লেখা,
বিস্তারিত»জাগিয়া উঠিল প্রাণ
সিসিবি আড্ডা শেষ হয়েছে আরো ঘন্টা দু’য়েক আগে।
সেই বিকাল তিনটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত বিরামহীন আড্ডায় এতো মশগুল ছিলাম যে এখন বেশ টায়ার্ড লাগছে। অনেক ইচ্ছে ছিলো জমানো আড্ডা নিয়ে একটা বেশ জম্পেশ পোস্ট দিবো। কিন্তু এখন ক্লান্তি আর আলসেমিতে ফাঁকি মারার কথা ভাবছি। অবশ্য লিখেও খুব বেশি লাভ হতো না। কিছু কিছু আনন্দ ঠিক লিখে বুঝানো যায় না। সব কিছু মিলিয়ে এতো দারুন একটা সময় কেঁটেছে যা অনেক অনেক দিন মনে থাকবে।
আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই-২
বেশ ক’দিন ধরেই কনকনে শীত পড়েছে ঢাকায়। দেয়াল ঘড়িতে তাপমাত্রা দেখাচ্ছে ২০/২১ এর মতো। এটাই কাত করে ফেলেছে আমাদের সবাইকে। আলমারি আর স্টোরে ফেলে রাখা পুরোনো শীতের কাপড়গুলি থেকে খুঁজে মাথায় টুপি দেয়া একটা পুলওভার বের করেছি। এখন সারাদিন ওটাই পরে বসে থাকি। ভাবছি এটা দিয়েই বাকি শীতটা পার করে দেয়া যায় কিনা! নতুন জামা কাপড় কিনতে আমার খুব আলসেমি লাগে। কেনাকাটায় আমি খুব খারাপ।
বিস্তারিত»ছোট্ট একটা দিনলিপি
আজ সোমবার। রাত ৯-২০। নাটক হচ্ছে। ভাল লাগছেনা। তাই লিখছি। সুমি আপু পাশে বসে মাসুদ রানা পড়ছে। খুব পড়তে ইচ্ছে করছে। কিন্তু পড়তে দেয়না সুমি আপু। এটা নাকি বড়দের বই। পড়া যাবেনা। আমি এর আগে লুকিয়ে পড়েছি। কিন্তু এমন কিছু পাইনি যার জন্য ছোটরা পড়তে পারবেনা। পড়ায় মন বসছেনা তাই। খুব খারাপ লাগছে। খুব খারাপ লাগছে। একদম পড়তে ইচ্ছে করছেনা। এমন খারাপ লাগছে যে বুকের ভেতর কষ্ট হচ্ছে।
বিস্তারিত»প্রত্যাবর্তন
নাহ, হয় ইন্টারনেটের লাইন খারাপ, নয়তো আমার কম্পিউটারে কোন একটা ঘাপলা হইছে। ক্যাডেট কলেজ ব্লগে ঢোকার চেষ্টা করতেছি, কিন্তু কই যে নিয়া যাইতেছে আমারে বুঝতেই পারতেছিনা। ধ্যাত্তুরি…মেজাজ গরম লাগতেছে…
বিস্তারিত»দ্য নাইট ইজ স্টিল ইয়াং!
রাত নামলে নিশাচর সকল প্রাণিদের মাঝে একটা প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যায়। যেমন করে দিবাচর প্রাণিরা সকালে সূর্যকে মানে, উনি উঠে গেলেই তারা বিছানা-বালিশ ছেড়ে উঠে পড়ে। তারপরে বিমূঢ় ত্বকে পানি ঝাপটা দিয়ে জেগে ওঠে। জেগে ওঠার ক্ষণ থেকেই তাদের বোধসমূহ সজাগ হতে থাকে। শৌচ শেষ করে নাশতার পরে ধূমায়িত চা খেতে খেতে সকল পাপ ঘাড়ে নিয়ে জাগতিক বোধেরা ফিরে আসে।
সেরকম ভাবে নিশ্চয়ই নিশাচর প্রাণিরা জেগে ওঠে।
বিস্তারিত»ঈদ নামচা
সবার ঈদ কত দিনের আমি জানি না, কিন্তু আমার ঈদ আমার ক্যাডেট কলেজের বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি শেষ হওয়ার সাথে সাথে শেষ হয়ে যায়। আজ আমার ঈদ শেষ। প্রতিবার এই ঈদ শেষ হওয়ার পর কি করব বুঝতে পারি না। কিন্তু আজ আমি জানি আমার একটা দায়িত্ব আছে, আর তা হল সিসিবিতে সবাইকে জানানো যে আমার ঈদ কেমন গেলো। এমন নয় যে সবার খুব জানতে ইচ্ছা করছে কিন্তু আমার খুব জানাতে ইচ্ছা করছে।
বিস্তারিত»আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই-১
শালার চেহারা ছবি এতই আনইম্প্রেসিভ যে অপরিচিত লোকজন তো বটেই, আমার খুব কাছের বন্ধু-বান্ধবরাও মাঝে মাঝে সন্দেহ করে আমি মনে হয় কোন গ্যারেজে অথবা মেশিন ফ্যাক্টরিতে অপারেটর হিসেবে পার্ট টাইম জব করি! 🙁 ড্রেস-আপ গেট-আপের জন্য জীবনে কম ধরা খাইনি। টিউশনির ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে বাসায় বাবা, এক সময়ের পার্বতী, ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এমনকি আমার কাছের বন্ধুরা, সবার একই অভিযোগ আমার টার্ন-আউট ঠিক নেই। ঠিক যে নেই সেটা আমিও টের পাই।
বিস্তারিত»