
আমার পাপ আর বিধাতার করুনা
আগামী পূর্ণিমায় আমার পাপমোচন হবে
……………………………………………
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (শেষ পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা
এদিকে বদলীপ্রাপ্ত সব পাকা চুলের স্যারদের মধ্যে শুধু একজন ছিলেন বয়সে তরুন। উনি রসের বিষয় রসায়ন পড়াতেন। স্যার প্রথম ক্লাস শেষ করে চলে যাওয়ার পর আমরা মেয়েরা ক্লাসে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গেলাম। একদল বলছে উনার গোফ আছে আরেকদল বলছে নেই। আসল সত্যটা জানার জন্য দুদল থেকে দু প্রতিনিধি পলি আর নিলা স্যারের পিছু নিল।
বিস্তারিত»অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (১ম পর্ব)
-ওয়াহিদা নূর আফজা
ক্যাডেট কলেজে আমার তিন বছরের জুনিয়র সেলিনা একদিন এই ব্লগটার সন্ধান দিল। সেই সাথে লিঙ্ক পেলাম ক্যাডেটদের লেখা প্রথম ই-বুকের। প্রথমে ই-বুকটা খুলে পড়তে বসলাম। লেখক যদি ধরে না রাখতে পারেন তবে কোনকিছু এখন আর শেষ পর্যন্ত পড়া হয়ে উঠেনা। অথচ এই ই-বুকটাতে চোখ এমনই আটকে গেল যে রাত প্রায় ভোর হবার উপক্রম।
বিস্তারিত»মোবাইল এ হঠাৎ SMS আসার শব্দ। SMS টা পরতে লাগলাম
” দোস্ত, কেমন আছিস ? অনেকদিন তোদেরকে দেখিনা। খুব দেখতে ইচ্ছা করে। আমার একটু খারাপ সময় যাচ্ছে, তাই তোদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারিনা… ঠিক হয়ে গেলেই আমাকে পাবি… দোয়া করিস আর অনেক ভাল থাকিস…”
চোখে পানি এসে গেল। খারাপ লাগতে লাগল খুব। কেমনে ভুলি তোদের ?
বিমএ থেকে যখন ফোন দিস।
বিস্তারিত»স্লামডগ মিলিওনিয়ার চায়েওয়ালা রকিব মিয়াকে চেনেনা এমন লোক সিসিবিতে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। হাসিখুশি যে ছেলেটা কানাডাতে পড়াশোনা করার পাশাপাশি এখন সিসিবিতে চা বিলিয়ে বেশ ভালোই টু পাইস কামাচ্ছে। যে কোন নতুন সিসিবিয়ান কে চা দিয়ে স্বাগতম জানানো কিংবা নিজেদের কারো জন্মদিনে ধোঁয়া ওঠা চা এর পাশাপাশি গরম গরম পোস্ট দেয়ার বিজনেজ পলিসি করে তার দিনে দিনে উন্নতির রহস্যও মোটামুটি আমাদের সবার জানা।
তার সাথে আবার যোগ দিয়েছে দিহান ভাবী।
বিস্তারিত»৫.
জুতোর ভিতরে পায়ের আঙ্গুলগুলো যেন ফুটবল খেলছে। অনেকদিন জুতো পরা হয়নি সৌরভের, তাই কেনার সময় বেখেয়ালে কিভাবে যেন পায়ের মাপের চেয়ে বড় হয়ে গেল জুতোটা। বেশিক্ষণ হাঁটে না সে, বারকয়েক হোঁচটও খেল। সৌরভের টেবিলটা ঠিক দীঘিরটার সামনে। কিন্তু এই পর্যন্ত্য একবারও চোখাচোখি হল না। এই-ই ভাল; কেউ তাকিয়ে থাকলে অস্বস্থি বোধ হয় তার। কিন্তু কিছু একটা করা দরকার।
ফুলার রোডে এক বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিলাম গত পরশুদিন দুপুরে। বনানী থেকে সিএনজি অটো নিলাম। মিটারে যে ভাড়া উঠবে তার থেকে দশ টাকা বেশি দিতে হবে তাকে। অবাক হলাম। সিএনজি অটোর জগতে এরকম হাজী মহসিন টাইপের ড্রাইভার আজকাল পাওয়া যায় না। শবে বরাতের দিন। রাস্তাঘাট খালি। পরীবাগ পার হয়ে বারডেমকে বামে রেখে আমি সোজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চলে যাব। বারডেমের ওভারব্রিজ পার হয়ে একটু সামনে আমার সিএনজি।
বিস্তারিত»ভয়াবহ এক সপ্তাহ শেষ করলাম। ফায়ারিং এ গিয়েছিলাম, দিন শুরু হতো ভোর(নাকি রাত?) সাড়ে চারটায়, রুমে আসতে আসতে রাত। বৃহঃস্পতিবার পর্যন্ত এই রুটিন চলল, রবিবার আবার পরীক্ষা। ছুটির দুদিন গেল পড়তে পড়তে। আজ পরীক্ষা শেষ করে যেন একটু হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।
এতো কিছুর মাঝেও সিসিবিতে ঢু না মেরে থাকতে পারিনি, সব লেখার উপরেই চোখ বুলিয়ে গিয়েছি। তবে এর মাঝে এহসান ভাইয়ের ফ্যান্টাসি ফুটবলের পোস্ট মাথায় পোকা ঢুকিয়ে দিল।
বিস্তারিত»(এই কবিতাটা বহুদিন আগে লেখা, তবে এতোদিন অপ্রকাশিত ছিল। কবিতাটার পেছনে একটা ঘটনা আছে, সেটা বলি। তখন সবে ক্যাডেট কলেজ থেকে বেরিয়ে কোচিং করার জন্য ঢাকায় এসেছি। মেস করে থাকি। আমরা ঝকক’র সাতজন। এর বাইরে কলেজের পোলাপানের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বিশেষ হয় না। তো বহুদিন পর এক ইনটেক-মেটের সাথে দেখা। ‘সুখের-দুখের কথা’ বলে ‘প্রাণ জুড়া’চ্ছি। একসময় আমার বন্ধুটি বললো যে এক বিয়ের পার্টিতে গিয়ে এক অপরূপ রূপবতী মেয়ের সাথে তার নাকি পরিচয় হয়েছে।
বিস্তারিত»সবগুলো পর্ব পিডিএফ আকারে পাবার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।
ঢাকা শহরের কথা আপাতত বাদ দেই। এখানে বাস-গাড়ি, অনেক অনেক মানুষ আর সকাল বেলা কাউ কাউ করা কাক ছাড়া আর বিশেষ কিছু দেখতে পাওয়া যায় না। কিন্তু প্রত্যেকেই একবার হলেও গ্রামে গিয়েছেন। সেখানে নিদেনপক্ষে কোন সুপারি বাগানে ঢুকলেও দেখা যায়, কত ধরণের পোকা-মাকড়। বাগান থেকে বের হয়ে চারপাশে তাকালে দেখা যায় নানা ধরণের পাখি,
বিস্তারিত»মনটা খুব ভাল।একে তো অনেকদিন পর সিসিবিতে লিখছি আবার একটা খুশির খবর পেলাম একটু আগে।কিভাবে শুরু করব বুঝতে পারছি না।
খবর টা খুব সাধারণ।আমি চাচা হচ্ছি। :party: আমার কোনো বড় ভাই নাই তবু চাচা হচ্ছি।চাচা ডাক শুনার খায়েশ আমার মিটছে আমার রুমমেটের জন্য।দোস্তের নাম শাওন।অনেক নাম আছে ওর। :grr: সবচেয়ে ভদ্র নাম টাই দিলাম এইখানে।কাল রাতে ফেইসবুকে দেখলাম লিখছে যে “going to be a F_A_T_H_E_R.”
বিস্তারিত»সবগুলো পর্ব পিডিএফ আকারে পাবার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।
বিবর্তন তত্ত্বমতে জীবনের সূচনা হয়েছিল একটি অথবা সামান্য কয়েকটি সরল এককোষী জীব থেকে। লক্ষ কোটি বছরে এই ধরণের সরল এককোষী জীবরা বিবর্তিত হয়ে পরিণত হয়েছে ভিন্ন একটি প্রজাতিতে। এভাবে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে প্রজাতি থেকে প্রজাতিতে জীবন বিবর্তিত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে প্রজাতির সংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে বৈসাদৃশ্য এবং প্রাণীদের গঠন হয়েছে জটিল থেকে জটিলতর।
বিস্তারিত»অনেক দিন ধরে ভাবছি মাঝে মাঝে লিখব। কী লিখব? কোথায় লিখব কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু আমার লেখার খুব শখ। শুধু শখ থাকলেই তো হবে না। কারন লেখা একটা শিল্প, যা সবাই পারেনা। আমিও পারিনা। তারপরও জোর করে কিছু লিখবো-এরকম একটা জেদ নিয়া বসলাম। জোর করে ভিতর থেকে কিছু বের করতে পারলাম না। পারার কথাও না। আমি তো আর কামরুল না যে চাইলাম আর লিখে ফেললাম।
বিস্তারিত»