১।আমাদের কলেজ়ে মাঝে মাঝেই সাডেন ইন্সপেকশন হতো। একাডেমি ব্লকে এসে ক্লাশ টাইমে হঠাৎ আমাদের চাবি চেয়ে নিয়ে হাউস ডিউটি মাস্টাররা এবং এডজুট্যান্ট স্যার লকার চেক করতেন। তখন ত সবার আত্নারাম খাঁচাছাড়া। কিছু স্যার আবার ছিলেন বেশ উদার। ইংরেজীর শফিক স্যার আমাদের একজনের লকার থেকে এডুর চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘পুস্তিকা’ নিজের পকেটে ঢুকিয়ে ফেলেছিলেন।
আরেকদিন চাবি নেয়ার পর আমাদের একজন মোকসেদুল ইসলাম রাজা স্যারকে কাঁচুমাচু করে বলল-
“স্যার আমার লকারটা একটু…”
স্যার দ্বায়িত্ব নিয়ে সেভ করলেন এবং পরে ঝারি দিলেন “ এত সস্তা জিনিস পড় কেন,
……..কলেজেই আমার প্রথম সিগারেট খাওয়া……..
তখন আমি ‘পৌনে নাইনে’ পড়ি……শব্দটা আমারই উদ্ভাবিত বোধহয়…..যার অর্থ হলো এইটের ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়নাই…….
যা হোক আমার ৪বছরের (নাইন-টুয়েলভ) রুমমেট বাশাদের সাথে ইতিমধ্যে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি…….এবং এইখানেও ওর অনিবার্য উপস্থিতি…….
বাশাদই প্রথম আমাদের হাউসে প্রথম সিগারেট ধরে আমাদের মধ্যে……পরপরই নাভেদ……তো ওরা রেস্ট টাইমে টয়লেটের ভিতর লুকিয়ে সিগারেট খেত…..(অফটপিক: প্রথম গোল্ডলিফে টান দিয়ে এই বাশাদই ‘ফিট’ হয়ে গেছিল :chup: ……)
যা হোক আমি নিতান্তই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে টয়লেটে গিয়ে ওদের দুইটাকে পেলাম……কিছুক্ষণ পাহাড়াদারের কাজও করলাম…
বিস্তারিত»সেরা বড়দের ছবি
স্কুলে পড়ি, তখন আমাদের ভাইবোনদের ববি আর কুরবানি দেখতে দেওয়া হয়নি। এগুলো বড়দের ছবি। ববিতে ডিম্পল আর কুরবানিতে জিনাত আমান বিকিনি পড়েছিল, ব্যস তাতেই এগুলো বড়দের ছবি হয়ে যায়।
আমার দেখা প্রথম বড়দের ছবি ব্লু লেগুন। রীতিমত আয়োজন করে দেখা। বয়সে বড় খালাতো ভাইয়ের বন্ধুরা সবাই মিলে দেখেছিল, আমিও কেমনে যেন ঢুকে যাই সে দলে। আমাদের সময়ে বড়দের বড়দের বড়দের ছবি দেখানো হতো বেগম বাজারে,
ট্যুর ডি টাঙ্গাইল
গত কয়েকদিন যাবৎ আমি বেশ মনোদৈহিক যাতনার মধ্যে আছি। ব্যাপারটা প্রিন্সিপাল স্যার অবগত। ডেস্কজব করলে যা হয় আর কি, ব্যাকপেইন। হওয়াটা খুব ইজি বাট খতরনাক এন্ড লং লাস্টিং ।আমার ঠিক এখনো হয়নি কিন্তু সেরকমই ঈঙ্গিত দিচ্ছে। তাই সময় থাকতে সাধু সাবধান হও নীতিতে তৎপর। এখনি এইটার মূলোৎপাটন করাটা বাঞ্ছনিয়। এখানে বলে রাখা ভাল আমার শরীর ছিল বিশ্রি রকমের ভাল। ক্যাডেট কলেজে ফাঁকি মারার জন্য খুব কমই সিক রিপোর্ট করতে পেরেছি।
বিস্তারিত»অগোছালো এই আমি…
অনেকদিন পর সিসিবিতে আসলাম। ফয়সালের লেখাটা পড়ে মনটা ভাল হয়ে গেল। সবার অনেক লেখা দেখে খুব লিখতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু আজ মনটা খুব খারাপ লাগছে। হঠাৎ বাবার কথা খুব বেশি মনে পরছে। কাল এক বন্ধুর সাথে প্রথম কথা বলতে গিয়ে জানলাম আমার এই বন্ধুটির বাবা নাই। ডিফেন্সে চাকরির সুবাদে তার বাবাকে কুয়েতে যেতে হয় এবং তিনি ওখানে মারা যান। আজ ২৫শে জুলাই তার ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী।
বিস্তারিত»একটি কবিতা, কিছু কথা
১
কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাব, এটা চিন্তা করে কখনো কবিতা লিখিনি। যদিও কখন কোন কবিতা কবিতার স্বীকৃতি পায়, বলা কঠিন। জীবনানন্দ দাশ জীবদ্দশায়কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাননি। সারা জীবন মুখোমুখি হয়েছিলেন কঠিন সমালোচনার। যদিও এ নিয়ে তার আক্ষেপ ছিলো। আমার এই সমস্যা নেই। কোয়ালিটি/কোয়ান্টিটির চিন্তা না করে মাঝেমাঝেই দুই একটা কবিতা (?) লিখে ফেলি। কেন লিখি?
কারণ, কবিতা লেখাটা সহজ। গদ্য লিখতে গেলে গাদাগাদা শব্দ বাঙলায় টাইপ করতে হয়।
সাপ্তাহিক…৬
এই সপ্তাহটা মনে হলো যেন উড়ে উড়ে চলে গেল। সপ্তাহের শুরুতে একটা পরীক্ষা আর শেষ দিনে আরেকটা। মাঝে একদিন আবার ছুটি, টেরই পেলাম না। আহ, সবগুলো সপ্তাহ যদি এভাবে চলে যেত।
আজ ছিল ব্যবহারিক পরীক্ষা। শুরু করেছিলাম সকাল ৮টায়, শেষ হতে হতে সন্ধ্যা ৭টা। আমার লাইফে দেয়া সবচেয়ে দীর্ঘতম পরীক্ষা। যদিও এর মাঝে বেশিরভাগ সময় পার হয়েছে এক আইটেমের পরীক্ষা দিয়ে পরবর্তী আইটেমে যাবার জন্য অপেক্ষা করতে করতে,
বিস্তারিত»এইটা একটা আত্মপ্রচারণামূলক পুস্ট
এইটা একটা আত্মপ্রচারণামূলক পুস্ট।
”আপনার মুখ দেইখা সকালে বাইরাইছি বস।”
এই লাইনটা আমার লেখা না। এইটা আমাগো সামুর ব্রগার অচেনা বাঙালী বা আমার ব্লগের হাসান রায়হান ভাইয়ের। অচুদা ফেসবুকে আমার ওয়ালে এইটা দিয়া রাখছে।
কিছুক্ষণ পরে সে একটা নোট দিছে ফেসবুকে। আসেন এইটা পড়ি-
”প্রত্যেকদিনের মত বুয়ার কলিং বেলের আওয়াজ শুনে সকালের ঘুম ভাঙলো। মহা বিরক্তি নিয়ে উঠতে হয় কারণ ভোরের দিকেই ঘুমটা জমে ভালো ।
জীবনের পথে পথে … …
জীবনে প্রথম কুয়াকাটা গিয়েছিলাম সেবার। বন্ধুরা মিলে দুটো দিন বেশ মজায় কাটে। কুয়াকাটার সৌন্দর্য্যের বর্ননা আমি দিব না। তবে কুয়াকাটা থেকে ফিরে আসার সময়ের একটা ঘটনা বলব। কুয়াকাটা থেকে ফেরার সময় গলাচিপা ফেরি মিস্ করে বাস দাড়িয়ে আছে অনেক্ষণ ধরে। মেজাজটা খুবই গরম। ফেরার সময় হাতে খুব বেশি টাকা ছিল না, তাই সবাই মিলে উঠেছিলাম লোকাল বাসে। এমনিতেই বাসের সাইজ এক্কেবারে মুড়ির টিন, তার উপর ভালই ভিড়।
বিস্তারিত»রহস্যে ঘেরা ইস্টার দ্বীপ
আমাদের চেনা পৃথিবীতে ইস্টার দ্বীপ যেন এক অচেনা ভূবন।ইস্টার দ্বীপ আমাদের চেনা পৃথিবী থেকে অনেক দূরে।ইস্টার দ্বীপ থেকে সবচেয়ে কাছের দ্বীপটি হল চৌদ্দশ মাইল দূরে।একজন ডাচ নাবিক ১৭৭২ সালের ইস্টার ডে তে দ্বীপটি অবিষ্কার করেন।এখানে কেন মানুষের বসতি নেই খুব একটা,তবে অতীতে মানুষের বসবাসের প্রমাণ এখানে পাওয়া যায়।ইস্টার দ্বীপটি ঘেরা হাজারো দানবীয় মূর্তি দিয়ে।এর কেনটা ত্রিশ ফুট উচু এবং ওজনে কয়েক টন ভারী।

প্রশ্ন হল এই মূর্তি গুলো কারা বানাল,কেন বানাল,কিভাবে বানাল,কি দিয়ে বানাল????????????????
“আত্ম-কথন”
আজ সকাল দশটায় তোর বাসায় যাব,
আংকেলের অফিস শুরু নয়টায়, পৌনে দশে আন্টির ক্লাস।
আমার ভাংগা সাইকেল তোদের ভিতরের বারান্দায় তুলে,
সাড়ে দশের আগেই শুরু হবে আমাদের তুমুল কথোপকথন।
বুক পকেটে গোলাপী খামের ভিতরে লুকিয়ে রাখব কারুকার্যময় ছুরি
অথবা অমৃত।
আজ তুই হবি নন্দিনী,
আমি চল্লিশ পেরুনো তুমুল যুবক।
অথবা আমি নিখিলেশ
তুই মধ্যরাতের “কুকুরের কান্না”
সারারাত ঘুম হল না!
আমাদের আগের কালের লোকেরা এভাবে বলতেনঃ “সকাল বেলা যদি একটা পিঁয়াজ খাও, এরপর সারাদিন ভর পোলাও কোর্মা, কালিয়া কোপ্তা যা-ই খাও না কেন, রাতে ঘুমানোর সময় যে ঢেকুর দিবা তাতে পিঁয়াজের ই গন্ধ থাকে।”
কি মাস্ত কথা!! কি মাস্ত কথা!! খেয়াল করে দেখারই মত!!
সেই যে ছোটবেলায় অপচয় রোধের পিঁয়াজ খেয়েছিলাম কয়েকটা লাইনের মাধ্যমে, সেটা আজো ঢেঁকুর দেয়, আর দেয় বলেই বোধয় স্রষ্টা আজো প্রদীপ হীন করে দেন না আমার জীবন।লাইনগুলো সবারই জানা-
যে জন দিবসে,
বিস্তারিত»সিসিবির মন খারাপ? এইবার কার্টুন ব্লগ
মন খারাপ হওনটা আজকাইল ফ্যাশনে পরিণত হইছে। পোলাপাইন একটা আরেকটারে ক্ষুদে বার্তা পাঠাইয়া জানান দেয়, হের আজকে মন খারাপ। ক্যান মন খারাপ, কি হইছে, সমস্যাটা কি জিগাইলে কোনো জবাবও পাওয়া যায় না! হুদাহুদিই বলে মন খারাপ!
এফএম রেডিও অহন পুলাপাইনের ক্রেজ। সারাদিন-রাইত হেরা ক্ষুদে বার্তা পাঠাইয়া মুঠাফোন কোম্পানি আর রেডিওওয়ালাদের পকেট ভরায়! তো ওইসব বার্তার মূল কথা কি? কথাবন্ধু আর আরজেগুলারে কয়, “ভাইয়া,
বিস্তারিত»২০ জুলাই- এর গল্প
দিন তারিখের হিসেবটা বেশ কিছুদিন হলো সেভাবে রাখা হয় না, যেভাবে রাখতাম ক্লাশ সেভেন-এইটে। আমি আর তওসীফ ডাইরীর পাতায় পুরো টার্মে যতগুলো দিনছিল ততগুলি দাগ কাটতাম। এরপর দিন যায়, আর একটা করে দাগ লাল কালিতে কাটা পড়তো। ছেলেমানুষী করে প্রতিদিন সেই লাল কালিতে কাটা দাগগুলো গুনে গুনে দেখতাম আর কতটুকু সময় বাকী আছে। তওসীফ আবার আরো এক কাঠি সরেস, ওর হিসেব ছিল চুলচেরা ঘন্টার কাটায়।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন
আজকের আকাশে অনেক তারা
দিন ছিল সূর্য্যে ভরা
আজকের জোছনাটা অনেক সুন্দর
সন্ধ্যেটা আগুন লাগা
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য
ভরে থাকা ভালো লাগায়
মুখরিত হবে দিন গানে গানে
আগামীর সম্ভাবনায়