অদৃষ্টপূর্ব

(এই কবিতাটা বহুদিন আগে লেখা, তবে এতোদিন অপ্রকাশিত ছিল। কবিতাটার পেছনে একটা ঘটনা আছে, সেটা বলি। তখন সবে ক্যাডেট কলেজ থেকে বেরিয়ে কোচিং করার জন্য ঢাকায় এসেছি। মেস করে থাকি। আমরা ঝকক’র সাতজন। এর বাইরে কলেজের পোলাপানের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বিশেষ হয় না। তো বহুদিন পর এক ইনটেক-মেটের সাথে দেখা। ‘সুখের-দুখের কথা’ বলে ‘প্রাণ জুড়া’চ্ছি। একসময় আমার বন্ধুটি বললো যে এক বিয়ের পার্টিতে গিয়ে এক অপরূপ রূপবতী মেয়ের সাথে তার নাকি পরিচয় হয়েছে। তারপর থেকে সে আর কোনো কিছুতেই মনোযোগী হতে পারছে না। সেই মেয়েটি সম্পর্কে তার অনুভূতি নিয়েই কবিতাটা লেখা। আর মেয়েটি সম্পর্কে তার নিজের ভাষায় বন্ধু কি ভাব প্রকাশ করেছিল, সেটা জানতে প্রতিটি চরণের প্রথম অক্ষর উপর থেকে নিচে ক্রমে পড়তে থাকুন।)

আজকে আমার ভাবনাগুলো কেমন যেন খাপছাড়া
জমছে আসর, জাঁকজমকে যাচ্ছে নাকো হাঁফছাড়া
আজ এখানে একপলকে হলো আমার সর্বনাশ
মিলিয়ে গেল কোন নরকে এক পলকের স্বর্গবাস
এক নিমেষেই ম্লান হলো আজ অনুষ্ঠানের সব আলো
কখন তোমার চোখের তারায় হাজার তারা চমকালো
পরশ তোমার হাসির পালক বুলিয়ে গেল মনপ্রাণে
রীতির বাঁধন সমাজ-শাসন বৃথাই হলো এইক্ষণে
দেবী তোমার চরণতলে জানিনা হায় পাবো কি ঠাঁই
খেদোক্তি আর কেন বৃথাই তোমার পরশ যদি না পাই
ছিলে-আছো-থাকবে প্রাণে, হয়োনা গো কাছ-ছাড়া।

১,১৮৪ বার দেখা হয়েছে

১৭ টি মন্তব্য : “অদৃষ্টপূর্ব”

  1. সাজিদ (১৯৯৩-৯৯)

    :boss: :hatsoff:
    ভাই রে ভাই... তোর কাছে আমি মাফও চাই আবার দোয়াও চাই...পারিসও বটে সৌমিত্র!!! কবিতা নিয়ে যেমনে খুশি খেলে যাচ্ছিস... তুই আসলেই গ্রেট। তোকে নিয়ে আমার গর্ব হয়।


    অভিলাষী মন চন্দ্রে না পাক,
    জ্যোস্নায় পাক সামান্য ঠাঁই,
    কিছুটাতো চাই, কিছুটাতো চাই।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।