আগামী ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ধানমন্ডি বেঙ্গল ক্যাফেটেরিয়ায় এক বিশাল “সিসিবি” ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মাহফিলের স্পন্সর করবেন এহসান ভাই। তাকে ছিল্লা কাইট্যা এমন লবণ লাগানো হবে যে, নেক্সট টাইম ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসার পথে উনি যেন এই স্মৃতি রোমন্থন করে ভুটানে লাফ দিয়ে পড়েন।
বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য মাসরুফ ভাইকে নিজের ইফতারী সাথে করে নিয়ে আসার দরকার নেই। আরও বিশেষ বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে,
মানুষের জীবনে কিছু কিছু দিন আছে খুবই গুরুত্বপুর্ণ। নানাভাবে এসব দিন আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে। এই দিন গুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে অন্যতম একটি হচ্ছে স্কুলে যাবার প্রথম দিনটি। এই দিনটি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে বিভিন্ন পরীক্ষায় (বাংলা বা ইংরেজী) এই দিনটির উপর রচনা লিখতে বলা হয়ে থাকে… :khekz: !!! বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই এদিন ভীষণ আগ্রহভরে বাবা অথবা মা, কিংবা দুজনের সাথে…নতুবা বড় ভাই-বোনের সাথে স্কুলে গিয়ে থাকে। এ দিনের পর সেই যে যাওয়া শুরু হয়…তা চলতেই থাকে…চলতেই থাকে…অনেকের তো বুড়ো বয়সেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ হয় না…!!!
১.
‘দ্রব্যমূল্যের দুঃসহ চাপ প্রশমনের লক্ষ্যে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল রাখার ব্যবস্থা করা হবে। দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সময় মতো আমদানির সুবন্দোবস্ত, বাজার পর্যবেক্ষণসহ বহুমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মজুতদারি ও মুনাফাখোরি সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে। ‘ভোক্তাদের স্বার্থে ভোগ্যপণ্য মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গড়ে তোলা হবে। সর্বোপরি সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য সৃষ্টি করে দ্রব্যমূল্য কমানো হবে ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা হবে।’
এই কথাগুলো আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার থেকে নেয়া।
ক্রিকেট খেলায় আমি কতটুকু পারদর্শী, তা নিয়ে আমার ২য় ব্লগে অনেকটা লিখেছিলাম। যারা এই ব্লগের পুরাতন সদস্য তারা হয়তো মনে রেখেছেন। কিন্তু তারপরও আমি কিন্তু ক্রিকেট খেলা দেখতে খুব এনজয় করি। আমি যেখানে থাকি সেখানে মোবাইল এবং ইন্টারনেট না থাকলেও আমাদের নিজস্ব ডিস টিভি থাকার কল্যানে এবারকার বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলাগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। তাই ছোট্ট এই ছুটিতে এসে ভাবলাম, এই ক্রিকেট নিয়েই কিছু একটা লিখে ফেলি।
০।
আপনি প্রথম কখন প্রেমে পড়েছিলেন? আমি কিন্তু পড়েছিলাম অনেক ছোট থাকতেই, এই ধরুন গিয়ে ক্লাস ফোর। বয়সটা অবশ্য তখন বেজায় ছোট কিন্তু তাতে কী। মন তো আর তাতে বসে থাকে না। শান্ত শিষ্ট আমাকে বালিকারা বরাবরই ভাল পায় না কিন্তু তাতে কী মন তো তাও পাত্তা দেয় না। তাই অনেক আগে ক্লাস ফোরে, ১৯৯৬ সালের কোন এক সকাল অথবা বিকাল বা দুপুর কিংবা রাতের বেলায় আমি প্রেমে পড়ে গেলাম।
আমরা হলাম ববিতা-শাবানা যুগের মানুষ। আমাদের সময়ে জনপ্রিয় গানগুলোর সাথে কণ্ঠ মিলাতো ববিতা না হয় শাবানা। পাশাপাশি ছিল সুচরিতা অলিভিয়া এরা। পরে আসলো রোজিনা ও অঞ্জু। গানগুলাও ছিল জোস। অশ্লিল গান ছিল না তেমন। বড় জোর শাবানা সমুদ্রের পানিতে ঝাপাঝাপি করে গাইতো ‘ও দরিয়ার পানি তোর মতলব জানি। তোর ছোঁয়ায় যৌবনে মোর লাগলো শিহরণ, লাগলোরে কাঁপন……….’। আফসুস, এই গানটা বহু খুঁজলাম, পাইলাম না। 😛
তবে খুঁজতে যেয়ে পেলাম সেই সময়ের বিখ্যাত কিছু গান।
৩৬ তম ব্যাচ। একটা সংখ্যা আমাদের ৫০টি ছেলেকে একই সূতায় বেঁধে রাখে। আজ কেউ জাপানে, কেউ পাকিস্তানে, কেউ বা ইংল্যান্ডে, আর অনেকেই বাংলাদেশে, কিন্তু এই একটি সংখ্যা আমাদের সবাইকে আজ পর্যন্ত এবং আমাদের জীবনভর এক পদতলে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। কেউ যদি আমার সৎ মতামত চায় যে আমাদের ব্যাচ কেমন ছিল, আমি বলব আমরা একটি অতি সাধারণ ব্যাচ ছিলাম। যদিও ক্লাস সেভেন থেকেই আমরা স্টাফ লাউঞ্জে বেশ একটা আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়ে গিয়েছিলাম।
ভিন্ন ধরণের একটি কাজের খবর আমার কাছে আছে। একটি ত্রৈমাসিক জার্নাল বের করতে আগ্রহী একজন ব্যক্তি। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বলা যায় এই প্রকল্পটি। তিনি একটি প্রভাবশালী গণমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। জার্নালটিও এই গণমাধ্যমের সহযোগি প্রকাশনা হবে।
পদ-পদবি কি হবে সেটা আলোচনা করে ঠিক হবে। তবে কাজটা হবে- জার্নালের জন্য সামগ্রিক ও প্রতি সংখ্যার পরিকল্পনা করা, লেখা সংগ্রহ, লেখার তথ্যের যথার্থতা যাচাই করা, প্রয়োজনে সম্পাদনা,
অনেকদিন ধরেই কিছুই লেখা হচ্ছে না। আমার সামনে দিয়ে কত ঘটনা ঘটে যায় কত গল্প উড়ে বেড়ায়- কিন্তু তা ধরার ফুরসত মেলে না। অলসতা আর সাথে কিঞ্চিত প্রতিকূলতায় ব্লগে আসা কমে যাচ্ছে। এই পোস্ট টি নিজের অস্তিত্বের জানা দিতে লেখা। আমার কেটে যাওয়া সময়ের গল্প। লিখতে গেলে অবশ্য আমার বরাবরই খাপছাড়া লাগে । গত কয়েকদিনে অনেক ঘটনাই ঘটে গেল। এত দ্রুত পরপর যে আমি নিজেই একটার ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে আরেকটা ঘটে যায়।
খুব একটা ভাল নেই, শারীরিক মানসিক দু দিক থেকেই। প্রথমে পা মচকালো, এক সপ্তাহ বিছানায় শুয়ে থেকে পা একটু ভাল হতেই এক সন্ধ্যায় বের হলাম, মূল উদ্দেশ্য ছিল ভাল-মন্দ কিছু খেয়ে মুখে স্বাদ বদলানো। গুরু ভোজের ইচ্ছা ছিল না বলে ঠিক করলাম বাংলা খাবার খাব, মানে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা-ভাজি। সবচেয়ে কাছাকাছি পাওয়া গেল হোটেল জামান। চট্টগ্রামকে মনে হয় খুব সহজেই হোটেল জামানের শহর বলা যায়।
১.
ক্যাডেট কলেজ জীবন শেষ করে যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, তখন যেন অথৈ সাগরে পড়ার মতো অবস্থা হলো। এক পাড়ায় ছিলাম বলে চিনতাম কেবল রতনকে। রতন সিলেট ক্যাডেট কলেজের, কলেজ নাম কাফি (আবদুল্লাহ আল কাফি)। রতন তখন ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সারির নেতা হতে যাচ্ছে, তাকে পাওয়াই যায় না। পরিচয় হলো মোমিনের সাথে। মোমিন ফৌজদারহাটের। আর ছিল তানিম (ওমর), ফৌজদারহাটের। আমরা এই চার জন ছিলাম অর্থনীতি বিভাগের ক্যাডেট।
এই ব্লগের নীলপদ্ম আমার খুব প্রিয় একজন বড়ভাই।আমার মতই খুলনায় বাড়ি এই মানুষটিকে আমি খুবই ভালা পাই।আর নরকবাস ১,২ পড়ার পর লেখক হিসেবে উনার বলিষ্ঠতা সম্পর্কে মোটামুটি আমরা সবাই নিঃসন্দেহ।কিন্তু সমস্যা হইল উনার এত্ত ভাল লেখার ফলে আমরা যারা পাতি ব্লগার তারা অতীব হিংসায় হিংসিত হয়ে কিভাবে উনাকে একটু “বাটে” ফেলা যায় সেই সুযোগ খুঁজছিলাম।”বান্দা যা চায় আল্লাহ তাকে তা দেন” এই অমোঘ বানী প্রমান করতে সেই সুযোগ মিলেও গেল।নিচের সংবাদটা দেখুনঃ
পুলিশ সপ্তাহ-২০০৮ উপলক্ষ্যে ২০০৭ সালে পুলিশ ও র্যাবের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে আইন-শৃংখলা রক্ষার বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগীতায় সাফল্যের পুরস্কার বিতরণ এবং ২০০৭ সালে ব্যক্তিগত প্রশংসনীয় ভালো কাজের স্বীকৃতী স্বরুপ বাংলাদেশের পুলিশের আইজিপি পুলিশ ও ৠাবের ৬৮ জন সদস্যকে আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রদান করেন
আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রাপ্ত ১৭ জন র্যাব সদস্যরা হলেনঃ
খটখট-খটাখট, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলছে বারবার। চারিদিকে আর কোন শব্দ নেই, আর কেউ নেই। সব ঘুম,
জেগে আছি শুধু আমি। লেখাটা আজকেই শেষ করতে হবে। কিন্তু সামনে এগোচ্ছে না কিছুই। যতই কী-বোর্ডে ঝড় তুলছি ততই বেকস্পেসে চাপ পরছে। কালকেই ম্যাগজিনের জন্য গল্প জমা দেবার শেষ তারিখ। বুঝে উঠতে পারছি না কিছুই কারণ রাত শেষ হতে বেশী বাকী নেই কিন্তু গল্পের এখনো অনেক বাকী।
(লেখাটা মন্তব্যে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় পোস্ট আকারে দিলাম-আশা করি সবাই নিজগুনে ক্ষমা করে দেবেন)
প্রিয় সেলিনা আপু এবং অন্যান্য ভাইবোনেরা,
আজ প্রায় আধা ঘন্টা ম্যাডামের সাথে কথা হল।সেলিনা আপুর কথা বলতেই সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন-“সেলিনা আমার অসম্ভব প্রিয় একজন ক্যাডেট”। আমার সাথে উনার শেষ দেখা ক্লাস টেনে থাকতে,এর পর তিনি বদলি হয়ে চলে যান।অবাক ব্যাপার কি জানেন?আমি আমার নাম বলা মাত্র তিনি আমার পুরো পরিবারের কথা গড়্গড় করে বলে দিলেন-আমরা যে তখন চট্টগ্রামে থাকতাম,বাবা বন বিভাগে চাকরি করতেন-আমার এক চাচাতো বোন মগকক তে পড়তেন…সবকিছু,সবকিছু।সেই সাথে আদনানের কথাও বললেন-ও যে গানটা গেয়ে আইসিসিতে মেডেল পেয়েছিল সেটা যে উনার পছন্দ করা এ কথাটি খুব গর্বের সাথে উল্লেখ করলেন।আমি জিজ্ঞাসা করলাম-ম্যাডাম,কিভাবে মনে রেখেন এতকিছু?উনি হেসে বললেন-কখনো শুনেছ যে মায়েরা তার সন্তানদের কথা ভুলে যায়?