শব্দনাটের রঙ্গশালায় কতই রঙ্গ রোজ দেখা যায়
শব্দ হাসে শব্দ কাঁদে শব্দমাঝে বাদ্য বাজে
যে শব্দ আজ রাজার বেশে কাল সে দেখ রাজ্য হারায়
শব্দবাণে আঘাত হানে শব্দ জ্বলে চোখের তারায়
শব্দনাটের রঙ্গশালায় কতই রঙ্গ রোজ দেখা যায়
ড্রামের তালে তালে হাইহিলের শব্দ
আমরা যখন ক্যাডেট কলেজে জয়েন করলাম তখন আমাদের ব্যাচে ছিল মোট ৫৬ জন।একমাত্র আমাদেরই চারটি হাউস। তাই প্রতি হাউসে ১৪ জন করে। আমাদের মধ্যে একজন ছিল সাখাওয়াত উল্লাহ জুয়েল। ওর জ়ন্ম কাতারে হওয়ায় আমরা ওকে বাংলাদেশী হিসেবে মানতে নারাজ় ছিলাম। এ নিয়ে টীজ় করতে কার্পণ্য করতাম না। কাতারের এই ছেলেটির বাংলা হাতের লেখা কিন্তূ ছিল অসাধারণ। তাই হাউসের ওয়ালপেপারে ওর লেখা থাকত।নাইন টেনে একবার সাখাওয়াতের প্রাইভেট টিউটরের বাংলা নোট বেশ জনপ্রিয়তা পেল।
বিস্তারিত»২২০ এবং ২৮৪ এর মতো বন্ধুত্ব!
পিথাগোরাস এবং তাঁর শিষ্যকূল পিথাগোরিয়ানরা মহাবিশ্বের সবকিছুকে ধণাত্মক পূর্ণসংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব বলে মনে করতেন। তাঁদের মতানুসারে…
ঈশ্বর = ১
নারী = ২
পুরুষ = ৩
আবার, বিবাহ = ২+৩ = ৫
… ইত্যাদি ইত্যাদি।
একইভাব বন্ধুত্বেরও সাংখ্যিক প্রকাশ থাকা চাই। সেটা কেমন? ২২০ এবং ২৮৪ – এই দুটি সংখ্যার কথা ধরা যাক।
২২০ এর উৎপাদকগুলো হল: ১,
বিস্তারিত»বিষাদযোগ
(কবিতাটা লেখার পর মনে হলো এটা লেখার সময় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ বুঝি আমার উপর ভর করেছিল…)
আজকে তোমার মনের মাঝে
বাদ্য বাজে
দুঃখ ভরা?
সুখ পাখিটা আজকে কেমন পাগল পারা
মনের মাঝে
আনমনা আজ মনটা তোমার সকল কাজে
প্যালিন্ড্রোম
রাধা নাচে অচেনা ধারা
রাজণ্যগণ তরঙ্গরত, নগণ্য জরা
কীলক-সঙ্গ নয়নঙ্গ সকল কী?
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী।
(প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও একই শোনায়। অবশ্য এখানে পুরোটা মিলিয়ে খুব একটা অর্থবোধক কিছু হয়নি। পাঠক আশাকরি নিজ মেধা ব্যবহার করে কোনো না কোনো অর্থ দাঁড় করিয়ে ফেলবেন, সেটাই ভরসা। আর একটা কথা, চতুর্থ চরণটি সম্ভবত শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের কাছ থেকে ধার করা।)
বিস্তারিত»জানার আছে অনেক কিছু – ১৯ দিনের একটি মাস
কিভাবে সম্ভব…??? ব্যাপারটা শোনার পর আসল কাহিনি জানতে ইচ্ছা হল, আর আসল কাহিনি জানার পর মনে হল অনেকেই হয়তো আমার মত ব্যাপারটা জানেন না। তাই আমার মত ব্যাপারটা যারা জানেন না তাদের জন্য ঘটনাটা সিসিবিতে শেয়ার করার ইচ্ছা হল।
————————————————————————
২ সেপ্টেম্বর ১৭৫২। এইদিন রাতে স্বাভাবিক নিয়মে সবাই ঘুমাতে গেলেও অনেকটা সরকারী নির্দেশেই সবার ঘুম ভাঙ্গে ১১ দিন পর অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে।
বিস্তারিত»কাটপেষ্ট কৌতুক -২
১.
ইঞ্জিনিয়ারিং এ সদ্য ভর্তি হওয়া তিন ছাত্রের তর্কের বিষয়বিস্তু ‘মানবদেহ কে নকশা করতে পারে?’
প্রথমজন বলল, ‘বোধহয় মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়রের কাজ। লিভার, পিভট প্রভ্বতি সবকিছুই তো আছে মানব দেহে। এটা মেকানিক্যাল না হয়ে যায় না’
এ জার্নি টু দা ক্যাপিটাল অফ ম্যাংগো
গত এপ্রিলে আমার বন্ধূ মাহবুবের শশুড় বাড়ী রাজশাহী গিয়েছিলাম। তখনি বললো জ়ুনে ‘আম খেতে চাপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাট যাওয়ার প্ল্যান আছে। ব্যাপারটা মাথায় রাখিস। সময়মতো ডেট জানানো হবে’। ভোলাহাট ওর মামা শশুড়ের বাড়ী।
প্ল্যান মাফিক বৃহস্পতিবার ছূটি ম্যানেজ করলাম। এখন যে ল্যাংড়া আমের সিজন। আগামী সপ্তাহে ফজলী। ১৭ জ়ুন বুধবার অফিস করে বাসায় গিয়ে কল্যাণপূর যাওয়ার জন্য বের হই এবং অবধারিত ভাবে ৪০ মিনিট দাড়িয়ে থাকার পর সি এন জ়ি পাই।
বিস্তারিত»সদ্য কবির পদ্য
(অনুবাদ – সনেট ০৩ এ জিহাদের মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত প্রতিবাদ…)
‘পদ্য লেখা অতি সোজা’, সদ্য কবি বলে,
‘মগজ থাকুক, না-ই বা থাকুক ঘটে;
কাগজ এবং কলম হলেই চলে!’
শুনে এমন কথা, বললো সবে, ‘বটে!
ওহে লেখো দেখি, তাই যদি হয়, তবে
পদ্য এমন মহান, যাতে একসাথে
রইবেন রবি, শেক্সপিয়ারও রবে-
উঠবে ফুটে সমস্ত এক নকশাতে।’
কবি বলে,
বিস্তারিত»দ্বার খোলো , প্রেম
উড়ন্ত চুম্বনে বিশ্বাস নেই আমার,
অধরে অধর না মিলিলে কি চুম্বন হয়?
প্লেটোনিক প্রেম? হাহ্, সে কি হয় কখনো?
আমার প্রেম দেবরাজ জিউসের মতো।
হৃদয় জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি আমার, ধমনীতে তপ্ত লাভা,
প্রেমিকার চোখেমুখে উন্মত্ত কামনা, নেই লাজরাঙা আভা!
হৃদয়ের উত্তাপ দেহের উত্তাপে হিম হয় যখনি,
প্রেম তার সবকটি দ্বার খোলে তখনি।
মুস্তাকিম (৯৪-০০)
২০ তম ইনটেক
রংপুর ক্যাডেট কলেজ
৩০ জুলাই,
অনুবাদ – সনেট ০৩
নিদ্রা যান প্রেম-দেব একদা অঘোরে
শয্যাপাশে প্রেম-শর বহ্নিতপ্তজ্যোতি,
সতীসাধ্বী রূপসীকূল ইত্যবসরে
চলেছে সে পথে, তারি শ্রেষ্ঠ রূপবতী
লহে সেই অগ্নিবাণ অনাঘ্রাত হাতে
তাপ লভিয়াছে যার হৃদয় কতনা;
তপ্ত কামনার প্রভু গভীর নিদ্রাতে
নিরস্ত্রীকৃত, নিকটে কুমারী ললনা
জুড়ায় শীতল কূপে প্রেমাগ্নি-তূণীর,
বারি তার লভে তাপ চির-হুতাশনে,
হয়ে ওঠে ধন্বন্তরি রোগহরা নীর;
একদা গেলেম সেথা, প্রিয়ার শাসনে,
আমার প্রিয় দুই উপন্যাস
ছুটি হলেই আমাদের যেতে হতো নানা বাড়ী। মনে আছে আমার খালারা রোববার দুপুরের পর সবাই মিলে রেডিওর নাটক শুনতো। আমরাও শুনতাম। আমারা মা-খালা সবারই বই পড়ার অভ্যাস ছিল। তারা সদ্য পড়া বইটি নিয়ে আলোচনাও করতো। সে সময়ই আমি শুনি দৃষ্টিপাতের কথা। চারুদত্ত আধারকার নামটি সে সময়েই আমার মুখস্ত হয়ে যায়।
বইটি আমি হাতে পাই অনেক পড়ে। আমার মায়ের বেশ কিছু বই ছিল। আমার মা বই কিনতো।
পরাজয়
(আজ একটা মৌলিক কবিতা হয়ে যাক…)
পৃথিবীর প্রতিটি পুরুষ
কবিতা লিখেছে কোনো নারীকে নিয়ে;
হয়তো রাফখাতার শেষ পাতায়,
মনের কোনো অযতন কোণে,
মুহূর্তের ভাবালুতায়…
প্রকাশিত কিংবা অপ্রকাশিত।
বিস্তারিত»ওমর খৈয়ামের একটি রুবাইয়াত
সন্ন্যাসী আর বিজ্ঞানীতে তর্ক চলে যে দরবার
কৌতুহলে সেইস্থলে যাইতাম আগে বারংবার
কত্তোরকম তত্ত্বকথা, তর্ক শেষে দুইজনে
বাহির হতেন একই পথে, যেথায় আমার প্রবেশদ্বার।
বঙ্গানুবাদ: সৌমিত্র চক্রবর্তী
বিস্তারিত»অনুবাদ – সনেট ০২
তিন সত্যি কাটে প্রিয়া প্রায় প্রতিদিন
জানি সবই মিছে, তবু করি বিশ্বাস,
পাছে সে আমায় ভাবে কাণ্ডজ্ঞানহীন,
ছলনা বুঝিনা বলে করে পরিহাস।
বুঝি মোরে যুবা ভাবে, ভাবি অকারণ,
যদিও সে জানে সেই দিন আর নেই,
অসৎ রসনা তার করি আরাধন:
সততা পড়েছে চাপা দুই পাশেতেই।