“ক্যাডেট সব পারে” পর্বে আমাদের বন্ধু X কে নিয়ে লিখেছিলাম। আর এবার লিখছি ওর রুমমেটকে নিয়ে। ওর রুমমেট ছিল সাদাত আর রাশেদ। এবারের ঘটনাটা রাশেদকে নিয়ে লিখা। সময়টা মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই। পরীক্ষা তখন দরজায় কড়া নাড়ছে। সবার দৃষ্টি তখন টেষ্ট পেপারের পাতলা নিউজপ্রিন্ট কাগজেই বেশিরভাগ সময় আবদ্ধ থাকে। আমরা তখন সাদা পোষাক পরিহিত দল। যা হোক, যতদূর মনে পড়ে তখন আমরা সন্ধ্যার পর হাউসে পড়াশুনা করতাম।
বিস্তারিত»সিসিবি থেকে হারিয়ে যাওয়া এক যুবরাজ
আপনারা যারা এই ব্লগের পুরাতন মেম্বার তারা অনেকেই যুবরাজ নামের একজনকে চিনেন নিশ্চয়। হ্যাঁ, আমার বন্ধু যুবরাজ (ছদ্দ নাম)। সায়েদ এবং আমার মাধ্যমে যে কিনা এই ব্লগের সদস্য হয়েছিল। তার লেখার হাত ছিল চমৎকার। ছিল বলছি এ কারনে যে, সে এখন আর সিসিবিতে লিখে না। সে কোন এক্স ক্যাডেট নয় কিন্তু ক্যাডেটদের সাথে তার প্রচন্ড মিল। আর এ কারনেই তার বেশিরভাগ বন্ধুই এক্স ক্যাডেট।
সচলে তার লেখা অনেকেরই প্রশংসা কুড়িয়েছিল,
বিস্তারিত»আমরা কি মধ্যযুগে বসবাস করছি?
প্রাচীনকালে আমরা দেখতাম রাজা-বাদশাহদের পায়ে পড়ে ক্ষমাভিক্ষা চাইতে হত-রাজা ক্ষেপেছেন মানেই তাই-দোষ হয়েছে কি হয়নি সেটা বিচার্য নয়।আজ সামহোয়ারইনব্লগে একটা ছবি দেখে(কালের কণ্ঠে প্রকাশিত) মনে হল আমরা আসলেই মধ্যযুগে বসবাস করছি-যেখানে নিজের আত্মসম্মানের কথা মুখ ফুটে বলার অপরাধে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা জাতীয় দলের অধিনায়ককে আক্ষরিক অর্থেই বোর্ড সভাপতির পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইতে হয়।যাঁরা দেখেননি তাঁদের জন্যে এই ছবি-দেখুন এবং উপলব্ধি করুন যে বাংলাদেশে যদি জন্মান তাহলে কেঁচোর মত মেরুদন্ডহীন হয়ে থাকাটাই আপনার নিয়তি।
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৭ম পর্ব
আর সবার আমার এই ব্লগ পড়ে কেমন লাগছে তা জানিনা তবে আমার লিখতে খুবই ভাল লাগছে। প্রতিটি ব্লগ লিখতে বসে যখন পুরনো স্মৃ্তিগুলো লিয়ে চিন্তা করি সেই অনুভূতিটাই অন্যরকম। মনে হই এই সেদিনই কলেজে ঢুকলাম আর আজ প্রায় ১০ বছর হতে চলল। তো স্বভাবতই ক্লাস সেভেনের ক্যাডেট হিসেবে আমরা দৌড়ের উপরে থাকতাম। মোটামুটি সবাই আমাদেরকে পাঙানি দেওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকত। আর আমাদের শুরু হল এই পাঙানি কিভাবে বাঁচা যায় তা নিয়ে লুকোচুরি খেলা।
বিস্তারিত»আমার খুব শীত লাগছে
বাংলাদেশে এখন শৈত্য প্রবাহ বইছে বলে আমার এক বন্ধু আমাকে জানিয়েছে। আমেরিকাতেও বর্তমানে চলছে শৈত্য প্রবাহ। এই মুহুর্তে ঘরের বাইরের তাপমাত্রা ফ্রিজিং পয়েন্টের নীচে। আমাদের বাড়ীর নিকটের পর্বতচূড়াগুলি সাদা তুষারাবৃত হয়ে আছে। এমনিতেই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০০ ফিট উচ্চতায় থাকি আমরা। শীতকালে ঠাণ্ডা পড়াটাই স্বাভাবিক। সেন্ট্রাল হিটিংয়ের বদৌলতে ঘরের মধ্যে শুধু একটা জামা পড়ে আছি এবং সাটেলাইট টিভিতে বাংলাদেশের চ্যানেলে উত্তর বাংলার মানুষের কষ্ট দেখছি। এমন সময় মনে পড়লো মেরীর কথা।
বিস্তারিত»হাঁসের গল্প
সুপ্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আমাদের কুচ্ছিত হাঁসের ছানা আর কুচ্ছিত নাই সুন্দর হইয়া গেছে 😡 ।আজকে একটু আগে আমাকে সে ফোন কইরা বলে-মাসরুফ ভাই,আপনের কাছে করাত আছে? আমি তো হতবাক! 😮 ব্যাটার কি মাথায় মাল উঠছে নাকি-ভর দুপুরে এইগুলা কি কয়?? 😡 ঘটনা কি সেইটা জিজ্ঞাসা করতেই বলে-“ইয়ে মানে বুঝেনই তো,বাসায় এত বড় খাট,আমি ছুটো খাটো মানুষ আমার অত বড় খাটের দরকার নাই,তাই ঠিক করছি করাত দিয়া কাইটা দুই ভাগ করুম :duel: ।
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৫ম পর্ব
আজ ভাবছি ঢালাও করে কিছু স্মৃতি লিখব। যদিও আমি জানি এই স্মৃতিগুলো সবারই মনে থাকার কথা। যেমন সকালে মাত্র দুটি বাথরুম-টয়লেটে ১৭-১৮ জনের টয়লেট, দাঁত মাঝার সিরিয়ালের লম্বা লাইন, পিটি বা ড্রিলে সবার সামলে দৌড়াও বা মার্চ কর, পিটির পর বাথরুমে গোসলের আবারও লম্বা সিরিয়াল, ব্রেকফাস্টের ফল-ইনে মার্চ ঠিকমত না হলে পেছন থেকে ক্লাস এইটের আদেশে নিজের ক্লাসমেটের লাথি খাওয়া, ব্রেকফাস্টের পর তিন পিরিয়ড নভিসেস ড্রিলের জন্য প্র্যাকটিস করা,
বিস্তারিত»দেশে বাঘ বিদেশে বিলাই, আসেন সবাই শেওয়াগকে কিলাই !!!
ভারতের ব্যাটসম্যানদের নিজেদের মাটিতে রানের ফুলঝুরি ছুটিয়ে, বিদেশের মাটিতে রানের জন্য খাবি খাওয়ার হাজার নিদর্শন আছে। আবার ভারতের বোলারদের অবস্থাও তাই। ভারতের স্পিনাররা দেশের মাটিতে পারলে প্রত্যেকেই দশ উইকেট নেয়। কিন্তু বিদেশের মাটিতে সেই উইকেট টেকার বোলাররাই যেন স্ট্যাম্প চোখে দেখেন না। বেধড়ক মার খেয়ে তক্তা হয়ে যায়। যা হোক ভারতের দেশে বাঘ, বিদেশে বিলাই স্বভাব নিয়ে অনেক মজার মজার কৌতুক আছে।
বিস্তারিত»ক্যাডেট সব পারে
কলেজে পা রেখেই যে কয়েকটি চমকপ্রদ কথা শুনেছি তার মধ্যে একটি হচ্ছে “ ক্যাডেট সব পারে”। অবশ্য স্যার ম্যাডামদের মুখে এই কথাটা অনেক সময় ব্যাঙ্গাত্মক রূপে উচ্চারিত হত। যাই হোক, ক্যাডেট দ্বারা তেমনই একটি অসাধ্য সাধিত ঘটনা আমি সবাইকে জানাতে চাই। ছোট্ট একটি প্রমাণ দিতে চাই , আসলেই ক্যাডেট সব পারে।
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সম্ভবত আমাদের এস এস সি পরীক্ষা ছিল। তাই সম্ভবত অক্টোবর বা নভেম্বরে আমাদের টেস্ট পরীক্ষা হয়েছিল।
একটু উষ্ণতার জন্য
একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা
রাস্তার মোড়ে টায়ার পোড়ে,
ছিন্নমূল শিশু জ্বালায় ছেঁড়া কাগজ।
একটু উষ্ণতার জন্য, হে খোদা
ভাসমান শ্রমিকেরা কাওরানবাজারে
ঝুড়িতে শোয় শরীর প্লাস্টিকে মুড়ে।
ছন্নছাড়া কথাবার্তা!
খুবই হাসি পাচ্ছে!সারাদিনই মোটামুটি পড়াশোনা নিয়ে ছোটাছুটি, তবুও আমার জানের জান কম্পুটার সামনে বসলেই মা সে কি রাগ, সে কি বিরক্ত! ১৫ মিনিট না হতেই বলে “উঠো, অনেক্ষণ হলো!” বেচারা লেখাগুলো কান্নাকাটি করে মরছে! ভেবেছিলাম তাও যদি আমার এই শৈল্পিক বিকাশে(!)তার একটু মন গলে! নাহ, কিছুতেই কাজ হচ্ছেনা। কি যে করি, বুঝতে পারছিনা। সারাদিন বই এ মুখ গুঁজে পড়ে থাকলে নিশ্চিত আমার মৃত্যু হবে! রাসায়নিক সাম্যাবস্থা পড়তে বসে নিজের সাম্যাবস্থাই বেসামামাল হয়ে উঠেছে!৪৫ মিনিট বইয়ের পাতা উল্টিয়ে গেলাম,
বিস্তারিত»AB+ জরুরী রক্তের প্রয়োজন(সাময়িক পোস্ট)
(এডিটিংএর সময় হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় কমেন্ট বন্ধ থাকা ও পুরো পোস্ট না আসায় আন্তরিকভাবে দুঃখিত।যাঁরা দেখতে পারেননি দয়া করে একটু দেখুন-অত্যন্ত জরুরী)
প্রিয় ভাই-বোনেরা,
আমাদের জুলহাস ভাইয়ের এক আত্মীয়ের ৩২ ব্যাগ এবি পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন।জুলহাস ভাই বর্তমানে চট্টগ্রামে থাকায় তিনি নিজে কারো সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেন না।আশা করি আপনারা সবাই এগিয়ে এসে উনাকে সহায়তা করবেন।পরিচিত কেউ যদি এই ব্লাড গ্রুপের অধিকারী হন তাহলে দয়া করে এখনই নিচের নম্বরে ফোন ফিয়ে যোগাযোগ করুন-যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রক্তের প্রয়োজন।রোগী বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি।
বিস্তারিত»ঈপ্সিতা
দ্বন্দ- দ্বিধায় পূর্ণ হৃদয়
সবটুকু
হিসেব নিকেশ করেই কাটায়
দিনটুকু
সব পাওয়া তার পূর্ণ হৃদয়
কি জানে?
একটি আদর্শ মন্দ দিন
দিনের শুরু দুইভাবে হতে পারে। সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অথবা রাত বারোটার পর থেকে। যেহেতু খারাপ দিনের সূচনার পিছনে আগের রাতের বিষয়টা জড়িত, তাই এখানে নতুন দিন বলতে রাত বারোটার পর বুঝাবো।
এশার নামাযের পর পরই কাছের কোন এক মসজিদ বা মাজার থেকে ওয়াজ মাহফিল শুরু হলো। শুরু হলো তো হলো, শেষ হওয়ার নাম নেই। অবশেষে রাত বারোটার দিকে ওয়াজ শেষ হলো। এবার ঘুমানো যাবে ভেবে বিছানায় গেলাম।
বিস্তারিত»অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (আমাদের প্রতিবেশী)
সিলিকন ভ্যালি আক্ষরিক অর্থেই একটা কসমোপলিটান এলাকা। পৃথিবীর নানা দেশ থেকে আসা পেশাজীবিদের ভিড়ে সাদারা এখানে সংখ্যালঘু। অধিবাসীদের মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় আর চায়নীজরা। আঞ্চলিক রাজনীতির মতো এখানেও চায়নীজ আর ভারতীয়দের মধ্যে একটা অদৃশ্য বিভাজন রেখা খেয়াল করা যায়। এই সেদিন দেখলাম একটা গ্রোসারী শপের লাইনে দাড়ানো নিয়ে এক চাইনীজ আর ভারতীয় মহিলার মধ্যে একটু দ্বন্ধ বেঁধে গেল। ব্যাপারটা সচরাচর দেখা যায় না।
বিস্তারিত»