ছেলেটি অসম্ভব চুপচাপ ধরনের ছিলো।।কিন্তু প্রচন্ড ভালোবাসতো মেয়েটিকে।।মেয়েটির কোনো আবদার কখনো অপূর্ণ থাকতে দিতোনা সে।।শুধু একটা হাসিকে জুড়ে ছিলো তার জগতের সব চাওয়া পাওয়া।।তার মুখে হাসি ফোটাবার জন্য এমন কিছু নেই যা সে করতোনা।।তার মলিন মুখ দেখলে ভেতরে ভেতরে অস্থির হয়ে উঠতো ছেলেটি।।সত্যিই অনেক বেশি লাকি ছিলো মেয়েটি।।আজকালকার যুগে কেই বা এমন করে ভালোবাসতে পারে।
মেয়েটি ছিলো বড্ড বাচ্চা বাচ্চা।।জগত সংসার সম্পরকে খুব কম বুঝতো।।ছোট্ট কারনেই মন খারাপ করতো আবার অনেক কিছু হলেও যেনো কিছুই হতোনা।।তার মায়াকাড়া মুখের দিকে চাইলে যে কেউই তার সরলতাকে অবলোকন করতে পারবে।।ভালোবাসা বোঝার মত ক্ষমতা তার ছিলোনা।।তবে এটা বুঝতো যে কেউ একজন তাকে অনেক care করে,তার সুখে হাসে,দুঃখে কাদে।।এই মায়াটাকে সে ছাড়তে পারতোনা কখনো।।কিংবা হয়তো তার অবচেতন মন অপেক্ষা করতো যে ছেলেটা তাকে কিছু বলবে!!
যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ডায়েরীর পাতা: চুমুতে আপত্তি (?!)
এক ভাই এর মারফত জানলাম ফেসবুকে নাকি কি ইভেন্ট খোলা হয়েছে যার নাম পুলিশি প্রহড়ায় প্রকাশ্যে চুমু খাবো জাতীয় কিছু একটা। দেখলাম ইভেন্ট পেইজটা। সেখানে আরিফুর রহমান নামের এক ভাই এর ভিডিও ভ্লগ দেখলাম যেখানে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে কেন প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া উচিৎ আমাদের। ইভেন্ট ওয়ালে মানুষজনের পোস্টও দেখলাম। বেশ লাগলো।
বাংলাদেশের প্রত্যেকটা জিনিস আমি মিস করি। বিশেষ করে কিছু মানুষকে যারা কল্পনার এক অবাস্তব জগৎ এ বাস করে।
বিস্তারিত»কিছু চাওয়া
পৃথিবীটা সুন্দর, তাই বলে—
সবটাই তো কুসুম কানন নয়,
আর তা হতেও পারেনা।
কোথাও ধূ ধূ মরুপ্রান্তর,
কোথাওবা শুধুই রুক্ষ পাথর।
কোথাও সূর্যতাপে চামড়া ঝলসে যায়,
আবার কোথাও কনকনে শৈ্ত্যপ্রবাহে
দেহটা অসাড়, অনুভূতিহীন হয়ে রয়।
পৃথিবীর মাঝে আমি তো এক ক্ষুদ্রকণা
আমার চাওয়া পাওয়াতে কিছু যায় আসেনা।
তবু বলে যাই, আমি এইটুকু চাই—
এ ধরার কোন এক কোণে একটি শ্যামল প্রান্তর।
এবারের একুশে বই মেলায় আমার দুটো বই
ইন শা আল্লাহ, আগামী সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে এবারের একুশের বইমেলায় আমার দুটো বই আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। প্রথমটা কবিতার বই “গোধূলির স্বপ্নছায়া”, প্রকাশক- জাগৃতি প্রকাশনী, স্টল নম্বর ১৭৩-১৭৫। দ্বিতীয়টা আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা “জীবনের জার্নাল”, প্রকাশক- বইপত্র প্রকাশন, স্টল নম্বর ১২৭-১২৮।
সিসিবিয়ানদের সাদর আমন্ত্রণ রইলো।
এ পোস্টারটা আমার প্রকাশক পাঠিয়েছেঃ

প্রশ্ন উত্তরে জিকা ভাইরাস!
জিকা ভাইরাস কি?
ডেঙ্গু, ইয়েলো ফিভার বা ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile Virus) এর মতন মশাবাহিত একটি ভাইরাস হচ্ছে জিকা।
জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের শরীরে যেসব লক্ষণ দেখা যায় সেগুলো হল-
১। জ্বর
২। ফুসকুড়ি (Rash)
৩। গিঁটে ব্যথা
৪। কনজাংটিভাইটিস (চোখ লাল হয়ে যাওয়া)
পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভাইরাসে আক্রান্ত প্রতি পাঁচ জনের একজন অসুস্থ হতে পারেন।
বিস্তারিত»আমি আর উনি
আমি আর ইশ্বর
সম্মানজনক দূরত্বে থাকি
উনি বাগানে, আমি বাড়িতে…
ওনার পাইক পেয়াদারা
এই দূরত্বকে বুঝতে নারাজ
সাত বেলা বিরক্ত করে, প্রতিদিন
আমার পোশাকে, খাবারে, পানীয়ে
সর্বত্র আগ্রাসন তাদের …
উনি থাকেন বাগানে, আমি বাড়িতে
ক্রমাগত বাগান বাড়ছে
আমার ছোট্ট এক ফোটা বাড়ি
তা নিয়েও তার পেয়াদাদের
লোভের অন্ত নেই।
উনাকে যতবার জিজ্ঞাসা করি
পেয়াদাদের লোভ কি,
~ স্মৃতির আসমান সাঁতারু অভিমান ~
বাঁ বুকের পকেট থেকে
ভাঁজ খুলে চিঠিটাকে মেলতেই
ঝুপঝাপ লাফিয়ে বেরুলো
ডজন তিনেক নীল রঙের শব্দ।
ঠিক হাত ফসকে ছিটকে পড়া
ক’খানা ছুটন্ত মুড়ি-মুড়কির মতো।
সেই ছত্রিশ শব্দে গভীর বোনা ছিল
বলা না বলা প্রায় শতেক অভিযোগ।
অকস্মাৎ তিরিশ বছর পর
কোন মলাটের ভেতর থেকে
পুরোনো সেই চিঠিটা আজ
বেরিয়ে এলো হঠাৎ আবার।
যায়েফ কে এবং যায়েফকে
যায়েফ কে এবং কেন; সমগ্র ভুলে গেছি
সময় প্রসারিত হয়েছে,বেড়েছে আঙুলের ফাঁক
মিথ্যা সমগ্র, যাবতীয় প্রতারণা, অন্ধত্বও বেড়েছে
গ্যালারীতে ঝুলে গেছে সহস্র তৈলচিত্র, ফটোগ্রাফ
কেউ জানে না নাকের দাগের কারণ, টোলের ইতিহাস
প্রতি রাত্রে হয়েছি কাদা, তারপর নিপূণ শিল্পীর হাতে
ঘোড়ায় রূপ নিয়েছি।
অথচ এ যৌবন কেটেছে রাবারের বনে
আদিম কাঠুরের হাতে হিংস্র কুঠারে বিদীর্ণ বৃক্ষ
কোন কোন দিন প্রতিশোধ পরায়ন হয়,
যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ডায়েরীর পাতা: কেন লিখছি কি লিখছি
ডায়েরী লেখার অভ্যাস প্রথম হয় ক্যাডেট কলেজে গিয়ে। কেমন জানি একটা নিয়ম ছিল সব ক্যাডেটকে বাধ্যতামূলক ডায়েরী লেখা লাগবে। এতো তেল সব ক্যাডেটের থাকত না। দেখা যেত হাউজ ইন্সপেকশনের দিন সব গোছানো শেষে কয়েক সপ্তাহের ডায়েরী একবারে লিখে ফেলতো। আমার আবার শরীরে তেল চর্বি না থাকলেও এইসব হাবিজাবি কাজে ভালই তেল ছিল। ক্লাস এইট থেকে মোটামুটি নিয়মিত ডায়েরী লিখছি। এমনো হইছে দুইটা ডায়েরী লেখা হইছে।
বিস্তারিত»তিনটি প্রতিক্রিয়া
এক
সম্প্রতি দাবা খেলাকে হারাম বলে ঘোষণা করেছে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি মহোদয়। খবরটি দেখার সাথে সাথে মনে ভেসে উঠলো উৎপল দত্তর চেহারা, হীরকের রাজা। কল্পনায় দেখতে পেলাম রাজসভায় বসে তিনি এরকম একটি ঘোষণা দিচ্ছেন –
রাজাঃ
দাবা!
খেললে কিন্তু জাহান্নামে যাবা।
… ঠিক কি না?
সভাসদ দলঃ
ঠিইইইক, ঠিক ঠিক …
দাবাড়ুরা সব ইহুদি-কাফের-নাস্তিক!
টুকিটাকি – ৩
১
কারমা আর নিউটনের তৃতীয় সূত্র এক নিয়ম মেনেই কাজ করে। কে ভেবেছিল পলাশীতে যে সূর্য ডুবেছিল ২৫০ বছর পরে তাই আবার একদিন উদিত হবে সিলিকন ভ্যালিতে। স্বর্গ আর নরকের মাঝামাঝি নো ম্যানস ল্যান্ডে এসে নবাব সিরাজুদ্দৌলা নাকি উত্তেজিত স্বরে লর্ড ক্লাইভকে প্রায়ই শাসিয়ে যায়, ‘ তোমাদের ছিল কূট বুদ্ধি আর আমাদের হলো ইঞ্জিনিয়ারিং বুদ্ধি।’
‘ইয়োর মাজেস্টি, তার জন্য কী আমাডের প্রণীট এডুকেশন দায়ী নয়?’,
~ চাঁদে জীবন কাঁদে ~
স্বপ্ন সিঁড়ি
আঁকতে
আঁকতে
গেছি উঠে
চাঁদে
ফ্রেমবন্দী এক
আকাশ
আমায়
একলা দেখে
কাঁদে
২৭ জানুয়ারী ২০১৬
বিস্তারিত»জীবনের জার্নাল – ২৯
সাধারণতঃ তিন শ্রেণীর ক্যাডেটদের জন্য ক্যাডেট লাইফটা চরম আনন্দের ও আত্মতৃপ্তির হয়ে থাকে। প্রথম শ্রেণীতে পড়ে যারা স্পোর্টস এবং এ্যথেলেটিক্সে ভালো হয়ে থাকে। এরা বাকী ক্যাডেটদের জন্য, বিশেষ করে জুনিয়রদের জন্য রোল মডেল হয়ে থাকে। তারা খুবই জনপ্রিয় হয়ে থাকে। হাউসের জন্য তারা পয়েন্ট অর্জন করে থাকে বলে তারা হাউস মাস্টার, হাউস টিউটর এবং হাউস এনসিওদের প্রিয়ভাজন হয়ে থাকে। এজন্য এদের ছোটখাট দোষ ত্রুটিও হাল্কাভাবে দেখা হয়।
বিস্তারিত»পত্র নয়, পদ্য
বুকটা যখন কোন কারণে ভারী হয়ে ওঠে,
পাখিরা তখন এসে আমায় গান শুনিয়ে যায়।
ভালো লাগে পাখিদের কণ্ঠ, বর্ণ, চলাফেরা।
কারো সযত্ন অবহেলা যখন বুকে বেজে ওঠে,
চোখের পাতা দুটো তখন ভারী হয়ে আসে।
আমি ঘুমিয়ে পড়ি। পরে সব ঠিক হয়ে যায়।
স্বপ্নেরা খেলা করে আমায় নিয়ে, শিশুদের মত
কখনো হাসায়, কখনো কাঁদায়। আমি বালিশকে
আঁকড়ে ধরে একটা অবলম্বন খুঁজে যেতে থাকি।
বেলাশেষে ( ইন দ্যা অটম অফ লাইফ )
মুভিঃ বেলাশেষে(২০১৫)
জেনার/রীতিঃ ফ্যামিলি ড্রামা।
পরিচালানাঃ নন্দিতা রায় / শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।
অভিনয়ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,স্বতীলেখা সেনগুপ্ত,ঋতুপর্না সেনগুপ্ত,খরাজ মুখোপাধ্যায়,প্রমুখ।

কোন সাধারন বা ক্লিশে কাহিনী সঠিক কারিগরের হাতে পড়লে সেটা কতটা নান্দনিক রূপ নিতে পারে বেলাশেষে দেখে আর একবার উপলব্ধি করালাম।নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জুটির ইচ্ছে,মুক্তধারা ও রামধনু দেখে আগেই বুঝেছিলাম সাবলীল গল্প বলা একটা শিল্পের নাম;আর সেইধারার সর্বশেষ সংযুক্তি বেলেশেষে।

