অমরত্বের লোভ নিয়ে আমি বাঁচতে চাই না এই পৃথিবীতে
প্রতিদিন একটা নতুন সূর্যোদয় দেখা যোগ করতে চাই জীবনের খেরোখাতাতে
জীবনকে আটকাতে চাই না ফিগার এইট নটে কিংবা কোন ফসকা গিরোতে
অনেক খরার মাঝে এক পশলা বৃষ্টির জন্য আমি বাঁচতে চাই
দিনশেষে রাখাল আর গরুর পাল মেঘ্নার সবুজ ঘাসের উপর যে সরল রেখা একে ঘরে ফিরে তার জন্য আমি বাঁচতে চাই
অগ্নিঝরা রোদের আড়াল থেকে হঠাত যে কালবোশেখির কালো ছবি আড়াল করে দেয় পৃথিবির সমস্ত চকচকে ঝকঝকে ছবিগুলাকে
তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন
নারকেলের খোসা দিয়ে গাড়ী বানিয়ে খেলা ছোট্ট শিশু দুটোকে দেখার জন্য বাঁচতে চাই
রাজ হাসের দল ঘ্যাত ঘ্যাত শব্দ তুলে যে সংগীত গেয়ে গৃহস্থের খোয়ারে ফিরে সেই দৃশ্য আর সংগীত এর জন্য বাঁচতে চাই
মাঠের মাঝখানে বৃষ্টিতে আটকে পরা গরুটি গৃহস্থের অপেক্ষায় যেই মায়াময় দৃশ্য তইরি করে তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই
সারারাত নদীতে মাছ ধরে রতইন্যা জেলে যখন ঘাটে নাও ভিড়ায় তখন উলংগ শিশুটা কোমরে বাধা ঘন্টার ছন্দে দৌড়ে এসে-বাজান বলে চিৎকার দিয়ে যে।আনন্দ আর হাসির দৃশ্যপট তৈরী করে সেই দৃশ্য দেখার জন্য আমি।বাঁচতে চাই আরো অনেকদিন
এমনি কিংবা তার চাইতে অনেক তুচ্ছ লজ্জাবতীর শিশিরভেজা রুপ দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন –
আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব
শিক্ষকতার পেশায় এক যুগেরও বেশি সময় পার করে আজ আমি ভাবতে বসেছি, আমি কি? আমি কি পড়াচ্ছি? আসলেই কি পড়াতে পারছি? আমি জানি যে, আমি নিজেও অনেক কম জানি। যত দিন যাচ্ছে, নিত্যনতুন বিষয় জানছি। নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও টের পাচ্ছি। আসেপাশের কারো কাছে যেকোন ধরনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় যখনই পাচ্ছি,
বিস্তারিত»দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি
দিনাজপুরের প্রাচীনতম নাগরিক এলাকায় ৪০০ বছরের অধিক কাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজবাড়ি সকল প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে অত্যন্ত জীর্ণাবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটির নামই আজ রাজবাড়ি। রাজবাড়িকে ঘিরেই দিনাজপুর শহরের গোড়া পত্তন। সেই কবে প্রাচীন অখন্ড বাংলার উত্তর রাঢ়ীয় এক কায়স্থ বংশের রায় উপাধিধারী পরিবার দ্বারা সূচিত হয়েছিল এ রাজবংশ তা আজ কিংবদন্তী। কে ছিল এ রাজবংশের আদি পুরুষ?
বিস্তারিত»দিনাজপুর
হিমালয়ের পাদদেশ থেকে উতপন্ন হয়ে নানা চড়াই – উতরাই ঠেলে প্রায় ১৬০ কি.মি. দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, প্রাচীন জনপদের নানা ইতিহাস রচনার মাধ্যমে; প্রাকৃতিক কারণে উrসমুখ হারিয়ে নির্জীব-ক্ষীন স্রোতধারায় আজও বহমান যে পুর্নভবা নদী, তারই তীর ঘেঁষে পৌরানিক কালে গড়ে উঠা এক সম্মৃদ্ধ জনপদ – দিনাজপুর। ‘পরশুরাম’ যিনি ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার হিসাবে স্বীকৃত তার রাজ্যের অধীন ছিল দিনাজপুর। মৌর্য্য যুগে বগুড়ার পুন্ড্রবর্ধনে ছিল রাজা পরশুরামের রাজধানী।
বিস্তারিত»শুভ জন্মবার্ষিকী (২৪ মে…)
আজ আমার ২৮তম (দ্বিতীয়) জন্মবার্ষিকী। ১৯৮৮ সালের এই দিনে আমার আগের আমি-কে ভেঙেচুড়ে… … পূনর্বিন্যস্ত করে……… নতুন আমি-কে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো।
আজকের যে আমি…… ভালো-মন্দ মিলিয়ে সকলই… সে সব আমার কলেজের (পরিবেশ/সিস্টেম, শিক্ষক/শিক্ষিকা, ষ্টাফ) অবদান।
আর, আমার বুকের ভিতরে যে বিরাট সাহস, যে কোন বাধা/ সমস্যাকে আল্লাহর রহমতে ডিঙিয়ে যেতে পারার যে আত্মবিশ্বাস… সে সব আমার বন্ধুদের জন্য…
আমার কলেজের (জেসিসি) আমার ব্যাচের সব বন্ধুরা তো বটেই… আমি সাহায্য পেয়েছি আমার ব্যাচের (৮৮-৯৪) যাদের কাছাকাছি এসেছি… তাদের সবার কাছ থেকে-ই।
বিস্তারিত»গভীর তমসায় আলোক রশ্মির সন্ধানে….
ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান, দেশের প্রখ্যাত এনডক্রিনোলজিস্ট। বারডেম হাসপাতালে চাকুরী করতেন, দীর্ঘদিন ধরে প্র্যাকটিস করেন ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। মাঝে মাঝে সপ্তাহান্তে ছুটির দুই দিন সিলেটেও প্র্যাকটিসের জন্য বসেন তার ভক্ত রোগীদের আহ্বানে। মাস ছয়েক আগে চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছেন। আমার বাল্যবন্ধু, ১৯৬৭-৭৩ সালে মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে এক সাথে পড়াশুনা করেছি, একই হাউসে ছিলাম। সেইসব দিনগুলো থেকেই তাকে দেখেছি, ক্যাডেট কলেজের কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা তার পছন্দের ছিলনা।
বিস্তারিত»খুঁজে নিও পদচিহ্ন
কখনো চাই ঊষার আলো,
কখনো অমানিশা।
কখনো চাই নীরব আঁধার,
কখনো দীপশিখা।
কখনো হই কাজের ঘোড়া,
কখনো জবুথবু,
কখনো ছড়াই আলোক রশ্মি,
কখনো নিবুনিবু।
সবাই চলেছে আপন ধারায়,
গতি তাদের ভিন্ন।
আমিও চলেছি আমার পথেই
খুঁজে নিও পদচিহ্ন।
ঢাকা
০৪ মে ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে
রাতে কিংবা প্রাতে
তোমাকে ছাড়া কিংবা সাথে
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে।
টিনের চালে, গাছের ডালে
নদীনালা কিংবা খালে
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে।
বৃষ্টি ছোঁয় আমায়
ক্রোধ কিংবা ক্ষমায়
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে।
মাথার ছাতায়, চোখের পাতায়
হৃদয়কোণে, মনের খাতায়
বৃষ্টি তোমায় ভাল লাগে।
কৈশোরের চাঞ্চল্য, একটি অপমান ও কিছু কথা (২)
(প্রথম পর্বের পর)
পুরো ক্লাস কে নাস্তা নাবুদ করার পর ভিপি স্যার আমাকে দাঁড় করালেন। বাঘ তার শিকার কে পাকড়াও করার পর যেমন একটা বিজয়ীর হাসি/হুঙ্কার দেয়, তার মুখে তেমন এক ক্রুর হাসি। নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়েছিল সেদিন, কমপ্লিটলী ডিফেন্সলেস 🙁 কোন উত্তর নেই আমার কাছে।ছোটবেলা থেকে ভাল ছাত্র ছিলাম, তাই অপমানটা বেশি গায়ে লেগেছিল। জানিনা অতটা অপমানিত হওয়া ঠিক ছিল কিনা।
বিস্তারিত»শিক্ষণীয় গল্প/কবিতা থেকে শিক্ষা নেয়ার শিক্ষা…
১। যে আমলের কথা বলছি তখন ‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ গল্পটি খুব বেশি মানুষ জানত না। একবার এক বিদ্বান ব্যক্তি কিছু ছাত্র-ছাত্রীকে এই গল্প শুনিয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলেন তারা এই গল্প থেকে কী শিক্ষা পেল। সবাই জবাব দিল-‘মিথ্যা বলা খুব খারাপ, মজা করেও মিথ্যা বলতে হয় না। মিথ্যার পরিণাম ভাল হয় না’।
তিনি একই গল্প এরপর শোনালেন কিছু রাজনীতিবিদকে এবং যথারীতি গল্পটির শিক্ষা জানতে চাইলেন।
বিস্তারিত»অশান্ত শহরটি যেভাবে বশ মেনেছিল
( বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান লেখক পাওলো কোয়েলহোর How the city was pacified গল্পের মর্মানুবাদ এটি।)
অনেককাল আগের কথা। পিরিনীজ পর্বতমালার পাদদেশে ছিল এক শহর। কিংবদন্তি অনুসারে, শহরটা নাকি গুণ্ডা-বদমাশদের জন্যে ছিল রীতিমতো অভয়ারণ্য। আর দুষ্টের শিরোমণি ছিল আহাব নামের এক আরব। এহেন দুষ্কৃতিকারীর জীবন পুরোপুরি বদলে গেল স্থানীয় পাদ্রীর কাছে ধর্মবাণী শোনার পর। তার বোধোদয় হলো যে, শহরের পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলভাবে চলতে দেওয়া উচিত হচ্ছে না।
বিস্তারিত»নিমগ্ন অন্তরীক্ষে
নিমগ্ন অন্তরীক্ষে।
মো ও খা ও
নিমগ্ন যখন অন্তরীক্ষে কিছুই ছোবেনা আর
না প্রেম না পূজা, বয়ে যাক বৈশাখী ঝড় নৈঋতে,
অথবা হউক পুড়ে খাক অধর্ চৈত্রের দাবানলে,
প্রকৃতি উন্মুখ হবে না আর উন্মাদ রোষানলে।
প্রয়োজন যখন পরাহত শুদ্ধ নিয়ন্ত্রনে সকল সত্বা
না লোভ না লালসা, নাচুক নটি কটি দুলে রঙিন রাতে,
অথবা ত্যাজি হউক ঘর সংসার রাজন সন্যাসী,
“মা” – স্মৃতি রোমন্থন আর অনুধাবন
ছবিটা অসাধারন হয়েছে!
ছবির বক্তব্যটাও আনপ্যারালাল!
ইদানিং ফেসবুকে এই ছবিটা অনেকেই শেয়ার করছেন। বেশ ইমোশন প্রভোকিং একটা ছবি। কিন্তু এটা কি বাস্তব চিত্র, নাকি শুধুই একটা মডেলিং ফটোগ্রাফ, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কোথায় যেন একটা ত্রুটি আছে এই ফটোগ্রাফে। বাচ্চাটার যে বয়স, তাতে সুঁচ ফোটানোর বিষয়টিতে তার ভয় পাবারই কথা, কিন্তু সেটা তার চোখেমুখে নেই। আবার বাচ্চা যদি এতটাই সাহসী বা সুঁচ ফোটানোতে এতটাই নির্ভীক,
বিস্তারিত»ক্ষমা
আমি যখন নিজের দোষ বুঝতে পেরে
লজ্জিত হই,
অনুতপ্ত হই,
ক্ষমাপ্রার্থী হই,
কিন্তু মুখে ক্ষমা চাইতে পারিনা,
তখন খুব করে চাই,
কেউ আমার চোখ দুটো দেখে পড়ে নিক
আমার নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন।
আমার প্রতি যখন কেউ অন্যায় করে,
আমি অপেক্ষা করতে থাকি,
সে নিজের ভুল বুঝুক,
লজ্জিত হোক,
অনুতপ্ত হোক,
ক্ষমাপ্রার্থী হোক।
জীবনের জার্নাল – ৩১
কলেজ হাসপাতালে কয়েকদিনঃ
সেই সপ্তম শ্রেণীতে প্রথম টার্মেই গণজ্বরে ভোগার পর আল্লাহ’র রহমতে আমার আর কোনদিন তেমন অসুখ বিসুখ হয় নাই। বন্ধু বান্ধব কিংবা ছোট বড় কেউ কেউ মাঝে মাঝে হাসপাতালে কয়েকটা দিন থেকে এসে খবর দিত, সেখানে থাকতে তাদের খুব ভালো লেগেছে। ওদের কথা শুনে মনে মনে খুব ইচ্ছে হতো, কয়েকটা দিন আমিও যদি হাসপাতালে থেকে আসতে পারতাম! শীঘ্রই সে সুযোগও এসে গেলো।
